সিন্ধুদুর্গ জেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সিন্ধুদুর্গ জেলা
মহারাষ্ট্রের জেলা
মহারাষ্ট্রে সিন্ধুদুর্গের অবস্থান
মহারাষ্ট্রে সিন্ধুদুর্গের অবস্থান
দেশভারত
রাজ্যমহারাষ্ট্র
প্রশাসনিক বিভাগকোঙ্কণ ডিভিশন
সদরদপ্তরওরস, সিন্ধুদুর্গ
তহশিল1. ডোডামার্গ , 2. সাওন্তওয়াড়ি, 3. ভেঙ্গুরলা, 4. কুড়াল, 5. মালওয়ান, 6. কাঙ্কাভলি, 7. দেবগড়, 8. বৈভবওয়াড়ি
সরকার
 • লোকসভা কেন্দ্র1. রত্নগিরি-সিন্ধুদুর্গ (রত্নগিরি জেলাতেও কিছু অংশ) ( Election Commission website হতে প্রাপ্ত তথ্য অনু্যায়ী)
 • বিধানসভা আসন
আয়তন
 • মোট৫২০৭ কিমি (২০১০ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (2011)
 • মোট৮,৪৯,৬৫১
 • জনঘনত্ব১৬০/কিমি (৪২০/বর্গমাইল)
 • মূল শহর১২.৫৯
জনতাত্ত্বিক
 • সাক্ষরতা৮৫.৫৬%
 • লিঙ্গানুপাত১০৩৬
প্রধান মহাসড়কএন এইচ-৬৬
গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত৩২৮৭ মিমি
ওয়েবসাইটদাপ্তরিক ওয়েবসাইট

সিন্ধুদুর্গ ভারতের মহারাষ্ট্রের একটি প্রশাসনিক মহারাষ্ট্রের জেলা , যা পূর্বে রত্নাগিরি জেলা র অন্তর্গত ছিল। জেলা সদর দফতর ওরস, সিন্ধুদুর্গ ওরস এ অবস্থিত। জেলার আয়তন ৫২০৭ বর্গকিমি এবং জনসংখ্যা ৮৪৯,৬৫১ জন যার মধ্যে ১২.৫৯% শহরবাসী (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)[১]। ২০১১ সালের হিসাবে এটি মহারাষ্ট্রের ৩৯টি জেলার মধ্যে সবচেয়ে কম জনবহুল জেলা[২]

নামকরণের ইতিহাস[সম্পাদনা]

জেলার নাম হয়েছে মালওয়ানের উপকূলে একটি পাথুরে দ্বীপে অবস্থিত সিন্ধুদুর্গ (যার মানে "সমুদ্রে দুর্গ") দুর্গের নামে। সিন্ধুদর্গ দুর্গ, রাজা শিবাজী দ্বারা ষোড়শ শতকে নির্মিত একমাত্র দুর্গ যার অভ্যন্তরে শিবাজী মহারাজের মন্দির এবং শিবাজী মহারাজের হাতের ছাপ রয়েছে। সিন্ধুদুর্গ জেলায় মোট ৩৭ টি দুর্গ রয়েছে,যা মহারাষ্ট্রে জেলাগুলির মধ্যে সর্বাধিক এবং এই জেলাতে সব ধরনের দুর্গ অর্থাৎ (জলদুর্গ-সাগর), ভূমিদুর্গ (ভূমি) এবং (পাহাড়ের চূড়ায় গিরি-দুর্গ) রয়েছে।

বর্ণনা[সম্পাদনা]

১৯৮১ সালের ১লা মে, সিন্ধুদুরগকে আলাদা জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সিন্ধুদুরগের উত্তরে রয়েছে রত্নগিরি জেলা, দক্ষিণে গোয়া রাজ্য,পশ্চিমে আরব সাগর এবং পূর্ব দিকে পশ্চিম ঘাট বা সহ্যাদ্রি পর্বতমালা পরিবৃত ও কোলহাপুর জেলা। সিন্ধুদুর্গ পশ্চিম মহারাষ্ট্রে কোঙ্কণ (উপকূলীয় অঞ্চল) এর অন্তর্ভুক্ত একটি সংকীর্ণ উপকূলীয় সমতল অংশ, যা পূর্বে পশ্চিমঘাট পর্বতমালা এবং পশ্চিমদিকে আরব সাগরের মধ্যে অবস্থিত।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

2011 সালের আদমশুমারি অনুযায়ী সিন্ধুদুর্গ জেলায় [[জনসংখ্যাগত তথ্য] জনসংখ্যা] ৮৪৯,৬৫১ জন [২] যা কিনা প্রায় কাতার ের জনসংখ্যার সমান [৩] অথবা আমেরিকার সাউথ ডাকোটা রাজ্যের জনসংখ্যার সমান [৪]। জনসংখ্যার অনুযায়ী ভারতের ৬৪০ টি জেলার মধ্যে সিন্ধুদুর্গের অবস্থান ৪৭৪ [২] তম স্থানে। জেলার জনঘনত্ব ১৬৩ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার (৪২০ জন/বর্গমাইল)[২]। ২০০১-১১ এর দশকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল -২.২১%[২]। সিন্ধুদুর্গের লিঙ্গানুপাত প্রতি ১০০০ জন পুরুষের জন্য ১০৩৭ জন নারী এবং স্বাক্ষরতার হার ৮৫।৫৬% .[২]

জনসংখ্যা স্বাক্ষরতার হার
মোট ৮,৪৯,৬৫১ ৮৫.৫৬%
পুরুষ ৪,১৭,৮৯০ ৯১.৫৮%
মহিলা ৪,৫০,৯৩৫ ৭৯.৮১%

জেলার বেষিরভাগ অংশই গ্রাম এবং মোটামুটিভাবে গ্রামীণ জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৮৭.৪১%। সিন্ধুদুর্গ জেলার মানুষ বেশিরভাগই কোঙ্কণি ভাষার উপভাষা মালওয়ানীতে কথা বলে থাকেন যদিও মারাঠি প্রায় সবাই দক্ষ।এছাড়াও অধিকাংশ মানুষ হিন্দী ও ইংরেজী বুঝতে ও বলতে স্বচ্ছন্দ।

কৃষি ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

প্রধান ফসলগুলি ধান, নারকেল, কোকাম, আম, কাজুবাদাম। বার্ষিক ফসল কোকাম, আম এবং কাজুবাদাম। জেলার মোট জমির ৭৪%, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের অধীনে। খাল এবং ছোট চ্যানেলগুলি দ্বারা সেচকৃত ভূমি মোত কৃষিভূমির মাত্র ২৩.৪৮%।

সেচ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

৩৩,৯১০ হেক্টর জমি সেচের অধীন এবং ১,০৪৩৯০ হেক্টর জমি সেচিবিহীন। ৩৮,৬৪৩ হেক্টর জমি বনভূমি। সেচের বৃহৎ প্রকল্প মাত্র 2টি (তিলারী ও তালাবা); মাঝারি প্রকল্প ৪টি; রাজ্য মালিকানাধীন ছোট প্রকল্প : ৩৩টি এবং জিলা পরিসদের মালিকানাধীন ছোট প্রকল্প প্রায় ৪৬০টি।

মৎস্য চাষ[সম্পাদনা]

জেলার মোট সাগর উপকূলের দৈর্ঘ্য ১২১ কিলোমিটার; মাছ ধরার এলাকা ১৬,০০০ কিমি। প্রধান মৎস্য কেন্দ্র - ৮টি যথাঃ বিজয়দুর্গ, দেবগড়, আচারা, মালওয়ান, সারজেকোট , কোচারা, ভেনগুড়লা, শিরোডা। মোট জেলের সংখ্যা ২৫৩৬৫ জন এবং মোট মাছ উৎপাদন ১৯২৭৩ মেট্রিক টন। ফিশারিজ সমবায় সমিতি রয়েছে ৩৪ টি যাদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৪,২১৬ জন।

জলবায়ু[সম্পাদনা]

সিন্ধুদুর্গের জলবায়ু একটি আধা-গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু এবং বছরের বেশিরভাগ সময় উষ্ণ ও আর্দ্র থাকে। এর তিনটি স্পষ্ট প্রকাশিত ঋতু রয়েছে: বর্ষাকাল (জুন-অক্টোবর), শীতকাল (নভেম্বর-মধ্য ফেব্রুয়ারি) এবং গ্রীষ্মকাল (ফেব্রুয়ারি-মে এর মাঝামাঝি)।সরবোচ্চ তাপমাত্রা হয় ৩২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং বর্ষাকাল ভারী বৃষ্টিপাত (গড় বৃষ্টিপাত ৩২৪০.১০ মিমি) হয়।

রন্ধনপ্রণালী[সম্পাদনা]

জেলার রন্ধনপ্রণালী জনপ্রিয় মালওয়ানি রান্না নামে পরিচিত। মালাওয়ানি খাবারে নারিকেল, ভাত এবং মাছ প্রধান গুরুত্বপূর্ণ খাবার। মাছ, বিশেষত বাংড়া(সলোমন) প্যাপলেট (পমফ্রেট), চিংড়ি এবং তিসিয়া (মেসেলস) মাছ খুবই জনপ্রিয়। "কোম্বড়ি ভাডে" বা "ভাডে সাগোটি" নামে পরিচিত মুরগির মাংসের একটি পদ, এখানে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বিখ্যাত পদগুলির মধ্যে অন্যতম। "গোলমা" নামে শুঁটকি মাছও এখানে খুব জনপ্রিয়। "সোল কাড়ি" নামে একটি পানীয় যা কোকাম এবং নারকেলের দুধ থেকে তৈরি হয়, সিন্ধুদুর্গে তো বটেই, সমগ্র মহারাষ্ট্রেই অত্যন্ত জনপ্রিয় পানীয়।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

জেলাতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা নিম্নরূপঃ

  • প্রাথমিক বিদ্যালয় - জেলা পরিষদ - ১৪৬৯, বেসরকারী - ৪৯
  • অনুমোদিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ১৮৪, কেন্দ্রীয় সরকার : ১, বেসরকারী: ২২
  • জুনিয়র কলেজ: ৪৩
  • সিনিয়র কলেজ: ৭
  • ডি.এড. / বি.এড কলেজ: 4 + 1
  • মেডিকেল কলেজ: ২
  • ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ: ২
  • পলিটেকনিক কলেজগুলি: 3
  • ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (আইটিআই) - ৭ টি

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

ব্যাঙ্ক[সম্পাদনা]

  • জাতীয় ব্যাঙ্কের ৬৬টি শাখা
  • সমবায় ব্যাঙ্কের ১০৬টি শাখা
  • গ্রামীণ ব্যাঙ্কের ১৫টি শাখা

পর্যটক আকর্ষণ[সম্পাদনা]

বিখ্যাত পর্যটন স্থান সমূহ[সম্পাদনা]

  • আম্বোলি হিল স্টেশন, সাওন্তওয়াড়ি
  • মালওয়ান সিন্ধুদুর্গ দুর্গ
  • বিজয়দুর্গ দুর্গ দেবগড়
  • তরকারলি তে স্কুবা ডাইভিং (মালওয়ান)
  • তরকারলি বিচ
  • ভগবতী মন্দির, ধামাপুর লেক
  • সাওন্তওয়াড়ি প্রাসাদ
  • সাওন্তওয়াড়ি লেক (মোটি তালাও)
  • মালওয়ান রক গার্ডেন
  • তিলারী বাঁধ (ডোডমার্গ)
  • মঙ্গলে জলপ্রপাত (ডোডমার্গের - সাম্প্রতিক বছরগুলিতে একটি বিখ্যাত জলপ্রপাত
  • নবদুগা রেডি
  • নাপানে জলপ্রপাত, বৈভবওয়াড়ি
  • আচার সৈকত এবং রামেশ্বর মন্দির (১৬ শতকের)
  • শি মন্দির, মেধ (ডোডমার্গ তালুক)

সমুদ্র সৈকত[সম্পাদনা]

রেডি শিরোদা তরকারলি মালওয়ান তালাশিল বিচ টৌদাভী বিচ বিজয় দুর্গ রামেশ্বর কোথেরওয়াদি সৈকত, নিভতি (মাহাপান - তালুক ভেনগুড়) খভনে (মাহাপান - তালুক ভেনগুড়) কান্দুরা (দাভোলি - তালুক ভেনগুড়) দেববাগ (মালওয়ান)

মন্দির[সম্পাদনা]

  • কুঙ্কেশ্বর মন্দির, দেবগদ [৫]
  • লক্ষ্মণরয়ার মন্দির, ওয়ালওয়াল
  • শ্রী শেটরি ভদ্র কালি মন্দির, অরুন
  • শ্রী ব্রহ্মানন্দ স্বামী মঠ, ওজর (তালুকালা মালওয়ান)
  • ভারাদি দেবী মন্দির, আঙ্গেনবাড়ি, মাজার)
  • শ্রী সায়াবা মন্দির (ভারতের প্রথম এবং প্রাচীনতম সায়বাবা মন্দির), কুদাল
  • রেডি গণেশ ভেনগুড়লা
  • রেডি এ নবদুর্গ মন্দির
  • আওকেী, সাওয়ান্তওয়াদিে শ্রী দেব রামেশ্বর মন্দির (17 শতকের)
  • শ্রীদেব রামেশ্বর মন্দির (16 শতক) রামেশ্বর, গিরয়ে - বিজয়দুর্গ
  • শ্রীদেব রামেশ্বর মন্দির, আচার্য
  • ভালচন্দ্র মহারাজ আশ্রম, কাক্কালী
  • শ্রীদেব গঙ্গেশ্বর, ফোরাম নম্বর 1 (কাঁকাকলি)
  • শ্রী দেব কালেশ্বর মন্দির, নেরুর (কুদাল)
  • শ্রী দেব কুণ্ডলেশ্বর মন্দির, কুনাল
  • শ্রীদেব লক্ষ্মী নারায়ণ, ওয়ালওয়াল (কুদাল)
  • শ্রীদেব রাভলনাথ মন্দির (অম্বদোস, মালভেন)
  • দেবী মাওলি মন্দির, ওয়ালওয়াল (কুদাল)
  • শ্রী দেবী যক্ষিণী মন্দির, মানগাঁও (কুদাল)
  • শ্রী দেব লিং রাভলনাথ করণ মন্দির, করণে (কানাকাল্লি)
  • শ্রীদেব গোপালককৃষ্ণ মন্দির, তালাশিল-টাণ্ডাভালি (মালওয়ান)
  • শ্রী দেব রামেশ্বর মন্দির, হুমায়রামাল-ওয়ালওয়াল (কুদাল)
  • শ্রী দেবী সাত্তার শান্তাদ্দুর্গ মন্দির, মাহাপান (ভেনগুড়)
  • শ্রী দেব সিদ্ধেশ্বর মন্দির, মাখাণ (ভেনগুড়)
  • শ্রী দেব আদনারায়ণ মন্দির, পারুল (ভেনগুড়)
  • শ্রী দেবী চামুন্ডেশ্বরী মন্দির, আন্দুরের (কুড়াল)
  • শ্রীদেব ভেটোবা মন্দির, পারলে (ভেনগুড়)
  • শ্রীদেব মহাপুরুষ মন্দির, ভৌগী দেয়াল পারুল (ভেনগুড়)
  • শ্রী দেব অঞ্চলপাল মন্দির, পারুল-চিপী (ভেনগুড়)
  • শ্রী দেব মারুতি মন্দির, কুড়াল শহর
  • শ্রীদেব ভীতাল মন্দির, পেন্ডুর (মালভেন)
  • সাভারবাড়িতে শ্রী গণেশ মঙ্গল মন্দির
  • শ্রী লিঙ্গেশ্বর-পবনদেবী মন্দির, যনলালী (কানকাকলি)
  • মাওলি-রাবণনাথ-ভেতাল-বাগওয়ে মহারাজ সমাধি, মাজার
  • শ্রী কালভৈরব মন্দির, খারেপতান (কাঙ্কাভেলি)।
  • শ্রীদেব কুঙ্কেশ্বর মন্দির (দেবগড়)
  • ভগবতী দেবী মন্দির (কোট কামেত)
  • শ্রীদেব জায়েতিচরণ মন্দির, তুুলাস (ভেনগুড়লা)
  • শ্রীদেব বিঠঠোবা মন্দির, আজগাঁও (সাওন্তওয়াড়ি)
  • শ্রী দেবী শান্তাদুর্গা মন্দির, ভাদাকপট (মালভেন)।

প্রশাসনিক বিভাগ[সম্পাদনা]

ডিভিশন বা তেহশিল[সম্পাদনা]

জেলার ৮ টি তালুক ১. ডোডামার্গ , ২. সাওন্তওয়াড়ি, ৩. ভেঙ্গুরলা, ৪. কুড়াল, ৫. মালওয়ান, ৬. কাঙ্কাভলি, ৭. দেবগড়, ৮. বৈভবওয়াড়ি

বিধানসভা[সম্পাদনা]

এই জেলার ৩ টি বিধানসভা আসন আছে। এইগুলি কাঙ্কাভলি, সাওন্তওয়াড়ি ও কুড়াল। এই সব আসনগুলি একটি মাত্র লোকসভা কেন্দ্র, রত্নগিরি-সিন্ধুদুর্গ এর অংশ[৬]

পরিবহণ[সম্পাদনা]

রেল[সম্পাদনা]

জেলাটি কোঙ্কণ রেলওয়ের অন্তর্গত এবং কোঙ্কণ রেলওয়ে দ্বারা [মুম্বই, [থানে]], গোয়া এবং ম্যাঙ্গালোর, কারওয়ার এরনাকুলাম, তিরুবনন্তপুরম, কোএম্বাটর, তিরুনাভেলি, হাপা, ভেরালাল, নয়াদিল্লি, জোড়পুর, পোরবন্দর এর মত দেশের অন্যান্য অংশের সাথেও সংযুক্ত,

সড়ক[সম্পাদনা]

সিন্ধুদুর্গ জেলাটি এনএইচ-৬৬ জাতীয় সড়কের মাধ্যমে রাজধানী মুম্বাইয়ে সংযুক্ত[৭]।এই হাইওয়েটি সিন্ধুদুরগকে প্রতিবেশী রাজ্য গোয়া ও কর্ণাটক এর সাথেও সংযুক্ত করেছে। এছাড়াও সড়কপথে কোলহাপুর, বেলগাম এবং গোয়ার সাথেও সংযুক্ত এই জেলাটি।

আকাশপথ[সম্পাদনা]

নিকটতম বিমানবন্দর গোয়ার ডাবোলিম বিমানবন্দর যা সাওন্তওয়াড়ি, কুড়াল এবং ভেনগূড়লে শহরগুলির থেকে খুব কাছাকাছি (80 কিলোমিটার) অবস্থিত। এছাড়াও সিন্ধুদুর্গ বিমানবন্দর নির্মাণের কাজ চলছে চিপি-পাড়ুলে অঞ্চলে[৮]

বহিঃ সংযোগ[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ১৯°০৪′৫৮″ উত্তর ৭২°৫০′০০″ পূর্ব / ১৯.০৮২৮২৩° উত্তর ৭২.৮৩৩৪৪৩° পূর্ব / 19.082823; 72.833443

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Sindhudurg District Population Census 2011, Maharashtra literacy sex ratio and density"www.census2011.co.in। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৮ 
  2. "District Census 2011"। Census2011.co.in। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ 
  3. US Directorate of Intelligence। "Country Comparison:Population"। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১১Qatar 2,374,860 may 2015 est. 
  4. "2010 Resident Population Data"। U. S. Census Bureau। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১South Dakota 814,180 
  5. [http: //www.konkanonline.com/sindhudurg/kunkeshwar-temple.html "কুন্দশ্বর মন্দির ও সমুদ্র সৈকত"] |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)  অজানা প্যারামিটার |1= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |2= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |অ্যাক্সেসডেট= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  6. "Election Commission, Maharashtra – No. of Voters 1.8.2006"maharashtra.gov.in। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৮ 
  7. "NH in state renumbered"। www.thehindu.com। সংগ্রহের তারিখ ৯ অক্টোবর ২০১২ 
  8. "Work on Chipi airport takes off - Times of India"indiatimes.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০১৮