লুইস সুয়ারেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লুইস সুয়ারেজ
Luis Suárez 2018.jpg
২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপে উরুগুয়ে দলের হয়ে খেলছেন সুয়ারেজ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম লুইস আলবার্তো সুয়ারেজ ডিয়াজ
জন্ম (1987-01-24) ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ৩৩)
জন্ম স্থান সাল্টো, উরুগুয়ে
উচ্চতা ১.৮১ মি (৫ ফু ১১ ইঞ্চি)
মাঠে অবস্থান ফরোয়ার্ড
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব
বার্সেলোনা
জার্সি নম্বর
যুব পর্যায়
২০০৩-২০০৫ নাসিওনাল
জ্যেষ্ঠ পর্যায়*
সাল দল ম্যাচ (গোল)
২০০৫-২০০৬ নাসিওনাল ২৭ (১০)
২০০৬-২০০৭ গ্রোনিঙ্গেন ২৯ (১০)
২০০৭-২০১১ আয়াক্স ১১০ (৮১)
২০১১-২০১৪ লিভারপুল ১১০ (৬৯)
২০১৪-২০২০ বার্সেলোনা ১৯১ (১৪৭)
২০২০– আতলেতিকো মাদ্রিদ (২)
জাতীয় দল
২০০৬-২০০৭ উরুগুয়ে অনূর্ধ্ব-২০ (২)
২০১২ উরুগুয়ে অনূর্ধ্ব-২৩ (৩)
২০০৭- উরুগুয়ে ১১৩ (৫৯)
* শুধুমাত্র ঘরোয়া লীগে ক্লাবের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা গণনা করা হয়েছে এবং ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখ অনুযায়ী সকল তথ্য সঠিক।
‡ জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা ১৮ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

লুইস আলবার্তো সুয়ারেজ ডিয়াজ (স্প্যানিশ উচ্চারণ: [lwis swaɾes]) (জন্মঃ ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৭) একজন উরুগুয়ের পেশাদার ফুটবলার। তিনি উরুগুয়ে জাতীয় দল এবং লা লিগার ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদের ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলেন।[১] তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার[২] হিসেবে গণ্য সুয়ারেজ তার কর্মজীবনে ক্লাব পর্যায়ে ছয়টি লীগ শিরোপা ও একটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ শিরোপা এবং উরুগুয়ের হয়ে একটি কোপা আমেরিকাসহ মোট ১৮টি শিরোপা জয় করেছেন। দক্ষ গোলদাতা সুয়ারেজ দুটি ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু, একটি এরেদিভিসি গোল্ডেন বুট, একটি প্রিমিয়ার লীগ গোল্ডেন বুট জিতেছেন এবং ২০১৬ সালে লা লিগার পিচিচি ট্রফি জিতে ছয় বছর ব্যাপী লিওনেল মেসিক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর দৌড়াত্বের সমাপ্তি ঘটিয়েছেন।

সুয়ারেজ তার পেশাদার জীবন শুরু করেন উরুগুয়ের নাশিওনাল এর হয়ে ২০০৫ সালে। ২০০৬ সালে তিনি যোগ দেন নেদারল্যান্ডের গ্রোনিঙ্গেন ক্লাবে যোগ দেন। ২০০৭ সালে তিনি আরেক ডাচ ক্লাব আয়াক্স এ যোগ দেন ও ২০১১ পর্যন্ত সেখানে খেলেন। ২০১১ সালে সুয়ারেজ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ এর দল লিভারপুল এ যোগ দেন। সেখানে তিনি ২০১৪ পর্যন্ত কাটান। ২০১৪ সালে লুইস সুয়ারেজ স্পেনের লা লিগার দল বার্সেলোনায় যোগ দেন। ২৫ অক্টোবর ২০১৪ বার্সেলোনার হয়ে রিয়াল মাদ্রিদ এর বিপক্ষে তার অভিষেক হয়।

সুয়ারেজ উরুগুয়ে অনূর্ধ্ব-২০ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দলে খেলেছেন। ২০০৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার বিপক্ষেতার উরুগুয়ের হয়ে অভিষেক হয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুয়ারেজ উরুগুয়ের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তিনি ফিফা বিশ্বকাপের তিনটি আসরে, কোপা আমেরিকার তিনটি আসরে এবং ২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক২০১৩ ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে তার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১০ ফিফা বিশ্বকাপে তিনি তিনটি গোল করেন এবং তার দল এই আসরে চতুর্থ স্থান অর্জন করে। ২০১১ কোপা আমেরিকা আসরে সুয়ারেজ চারটি গোল করেন ও উরুগুয়ে এই আসর জেতার মধ্য দিয়ে রেকর্ড ১৫ বার কোপা আমেরিকা জয় লাভ করে। সুয়ারেজ এই আসরের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপে তিনি তার ৪০তম আন্তর্জাতিক গোল করেন এবং ইতালির রক্ষণভাগের খেলোয়াড় জোর্জো কিয়েললিনিকে কামড় দেওয়ার জন্য এই আসর থেকে বহিষ্কৃত হন।

ক্লাব ফুটবল[সম্পাদনা]

বার্সেলোনা[সম্পাদনা]

২০১৪ সালে বার্সেলোনার হয়ে সুয়ারেজ

২০১৪ সালের ১১ই জুলাই সুরারেজ অপ্রকাশিত বিনিময় পারিশ্রমিকে বার্সেলোনার সাথে পাঁচ বছরের চুক্তি করেন।[৩] ফুটবল লিকস-এর একটি ফাঁস হওয়া নথি অনুসারে পারিশ্রমিকের পরিমাণ ছিল £৬৪.৯৮ মিলিয়ন (€৮২.৩ মিলিয়ন), যার ফলে তিনি বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম দামী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হন।[৪][৫] বার্সা নিশ্চিত করে সুয়ারেজ ২০১৪-১৫ মরসুমে ৯ নং জার্সি পড়বেন।[৬]

সুয়ারেজ ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপে ইতালীয় খেলোয়াড় জোর্জো কিয়েললিনিকে কামড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ায় এই মরসুমের প্রথম ভাগ খেলতে পারেননি।[৭][৮] এই অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত চার মাসের জন্য তাকে বার্সেলোনায় প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে সকল "ফুটবল-সংক্রান্ত কার্যাবলি" থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে তাকে দর্শক হিসেবেও কোন স্টেডিয়ামে প্রবেশ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।[৭][৮]

আতলেতিকো মাদ্রিদ[সম্পাদনা]

২০২০ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর ইয়ুভেন্তুসে যোগ দিতে ব্যর্থ হলে ও ইতালীয় নাগরিকত্ব অর্জনে প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত হলে[৯] তিনি আতলেতিকো মাদ্রিদের সাথে দুই বছরের চুক্তিতে আবদ্ধ হন।[১০][১১]

২৭ সেপ্টেম্বর গ্রানাডার বিপক্ষে এই ক্লাবের হয়ে তার অভিষেক ঘটে। ৬-১ গোলে জয় লাভ করা এই খেলায় তিনি দুটি গোল করেন এবং মার্কোস ইয়োরেন্তেকে একটি গোল করতে সহায়তা করেন।[১২]

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

২০শে মে ২০১৮ [১৩][১৪] পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।
ক্লাব মৌসুম লীগ কাপ[ক] লিগ কাপ মহাদেশীয় অন্যান্য মোট
বিভাগ উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল
নাসিওনাল ২০০৫-০৬[১৩] প্রিমেরা ডিভিশন ২৭ ১০ [খ] [গ] ৩৪ ১২
মোট ২৭ ১০ ৩৪ ১২
গ্রোনিঙ্গেন ২০০৬-০৭ এরেদিভিসিয়ে ২৯ ১০ [ঘ] [ঙ] ৩৭ ১৫
মোট ২৯ ১০ ৩৭ ১৫
আয়াক্স ২০০৭-০৮ এরেদিভিসিয়ে ৩৩ ১৭ [চ] [ঙ] ৪২ ২২
২০০৮-০৯ ৩১ ২২ ১০[ঘ] ১৩ ২৮
২০০৯-১০ ৩৩ ৩৫ [ছ] ৪৮ ৪৯
২০১০-১১ ১৩ [জ] [ঝ] ২৪ ১২
মোট ১১০ ৮১ ১২ ১২ ৩২ ১৬ ১৫৯ ১১১
লিভারপুল ২০১০-১১ প্রিমিয়ার লীগ ১৩ ১৩
২০১১-১২ ৩১ ১১ ৩৯ ১৭
২০১২-১৩ ৩৩ ২৩ [ছ] ৪৪ ৩০
২০১৩-১৪ ৩৩ ৩১ ৩৭ ৩১
মোট ১১০ ৬৯ ১৩৩ ৮২
বার্সেলোনা ২০১৪-১৫ লা লিগা ২৭ ১৬ ১০[জ] ৪৩ ২৫
২০১৫-১৬ ৩৫ ৪০ [জ] [ঞ] ২০ ১৮
২০১৬-১৭ ৩৫ ২৯ [জ] [ট] ৫১ ৩৭
২০১৭-১৮ ৩৩ ২৫ ১০[জ] [ট] ৫১ ৩১
২০১৮-১৯[১৫] ৩৩ ১০[জ] [ট] ৪৯ ২৫
২০১৯-২০[১৬] ২৮ ১৬ [জ] [ট] ৩৬ ২১
মোট ১৯১ ১৪৭ ২৭ ১৯ ৫৫ ২৫ ১০ ২৮৩ ১৯৮
আতলেতিকো মাদ্রিদ ২০২০-২১ [জ]
সর্বমোট ৪৬৮ ৩১৯ ৫০ ৩৭ ১০০ ৪৬ ২৩ ১৪ ৬৪৭ ৪২০
  1. কেএনভিবি কাপ, এফএ কাপকোপা দেল রে-এ উপস্থিতি
  2. কোপা লিবার্তাদোরেসে উপস্থিতি
  3. উরুগুয়ান প্রিমেরা বিভাগের প্লে-অফে দুটি উপস্থিতি ও দুটি গোল
  4. উয়েফা কাপ-এ উপস্থিতি
  5. এরেদিভিসি প্লে-অফে উপস্থিতি
  6. উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ-এ দুটি উপস্থিতি ও একটি গোল এবং উয়েফা কাপে দুটি উপস্থিতি
  7. উয়েফা ইউরোপা লীগ-এ উপস্থিতি
  8. উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ-এ উপস্থিতি
  9. ইয়োহান ক্রুইফ শিল্ডে উপস্থিতি
  10. উয়েফা সুপার কাপ-এ একটি উপস্থিতি ও একটি গোল, সুপারকোপা দে এস্পানায় দুটি উপস্থিতি, ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ-এ দুটি উপস্থিতি ও পাঁচটি গোল
  11. সুপারকোপা দে এস্পানায় উপস্থিতি

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

২০শে জুন ২০১৮ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।
উরুগুয়ে জাতীয় দল
বছর উপস্থিতি গোল
২০০৭
২০০৮ ১০
২০০৯ ১২
২০১০ ১১
২০১১ ১৩ ১০
২০১২
২০১৩ ১৬
২০১৪
২০১৬
২০১৭
২০১৮
২০১৯
সর্বমোট ১১৩ ৫৯

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

সুয়ারেজ (ডানে) ২০১২ সালে লিভারপুলের হয়ে কার্ডিফ সিটির বিপক্ষে লিগ কাপের ফাইনালে।
নাসিওনাল
  • উরুগুয়ে প্রিমিয়ার ডিভিশনঃ ২০০৫-০৬
আয়াক্স
সুয়ারেজ আয়াক্সে এরেদিভিসিয়ে ২০১০-১১ পদক জেতার পর।
  • এরেদিভিসিয়ে: ২০১০-১১
  • কেএনভিবি কাপ: ২০০৯-১০
লিভারপুল
বার্সেলোনা

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

উরুগুয়ে

ব্যক্তিগত[সম্পাদনা]

  • উয়েফা লা লিগা মৌসুমসেরা দল: ২০১৫-১৬, ২০১৬-১৭
  • ফিফা ফিফপ্রো একাদশ: ২০১৬
  • ফিফা ফিফপ্রো একাদশ দ্বিতীয় দল: ২০১৪, ২০১৫, ২০১৭
  • লা লিগা মাসসেরা খেলোয়াড়: মে ২০১৬, ডিসেম্বর ২০১৭
  • ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ গোল্ডেন বল: ২০১৫
  • ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ গোল্ডেন বুট: ২০১৫
  • ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যান অফ দ্য ম্যাচ: ২০১৫
  • লা লিগা পিচিচি ট্রফি:২০১৫-১৬
  • লা লিগা ওয়ার্ল্ড বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১৫-১৬
  • আইএফএফএইচএস বিশ্বসেরা শীর্ষ বিভাগের গোলদাতা: ২০১০, ২০১৪, ২০১৬
  • বার্সেলোনা বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১৫-১৬
  • পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১৩-১৪
  • এফডব্লিউএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১৩-১৪
  • ইউরোপীয় গোল্ডেন শু: ২০১৩-১৪*, ২০১৫-১৬
  • প্রিমিয়ার লিগ মৌসুম সেরা খেলোয়াড়: ২০১৩-১৪
  • এফএসএফ বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১৩-১৪
  • ডাচ বর্ষসেরা ফুটবলার: ২০০৯-১০
  • ইএসএম বর্ষসেরা দল: ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬
  • পিএফএ বর্ষসেরা দল: ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪
  • প্রিমিয়ার লিগ মাসের সেরা খেলোয়াড়: ডিসেম্বর ২০১৩, মার্চ ২০১৪
  • প্রিমিয়ার লিগ গোল্ডেন বুট: ২০১৩-১৪
  • প্রিমিয়ার লিগ গোল্ডেন বুট ল্যান্ডমার্ক অ্যাওয়ার্ড ১০: ২০১২-১৩
  • প্রিমিয়ার লিগ গোল্ডেন বুট ল্যান্ডমার্ক অ্যাওয়ার্ড ২০: ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪
  • প্রিমিয়ার লিগ গোল্ডেন বুট ল্যান্ডমার্ক অ্যাওয়ার্ড ৩০: ২০১৩-১৪
  • এরেদিভিসিয়ে গোল্ডেন বুট: ২০০৯-১০
  • কেএনভিবি কাপ সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২০০৯–১০
  • ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২০১৪ (কনমবেল অঞ্চল)
  • কোপা আমেরিকা সেরা খেলোয়াড়: ২০১১
  • আয়াক্স বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০০৮-০৯, ২০০৯-১০
  • আয়াক্স সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২০০৮-০৯, ২০০৯-১০
  • লিভারপুল বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪
  • লিভারপুল সর্বোচ্চ গোলদাতা: ২০১১-১২, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪
  • ট্রফিয়ো ইএফই বর্ষসেরা খেলোয়াড়: ২০১৪-১৫
  • উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড় (২য় স্থান): ২০১৫
  • উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বর্ষসেরা দল: ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬

(*ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর সাথে যৌথভাবে)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Agreement with Atlético Madrid for the transfer of Luis Suárez"এফসি বার্সেলোনা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  2. "why luis suarez is the best striker of the last decade"রিড ফুটবল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  3. "FC Barcelona and Liverpool FC have reached an agreement for the transfer of Luis Suárez" (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। এফসি বার্সেলোনা। ১১ জুলাই ২০১৪। ১২ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০১৭ 
  4. "Revealed: How much Luis Suarez really cost Barcelona"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (English ভাষায়)। ২৮ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৬ 
  5. হোয়েলিং, জেমস (২৮ মার্চ ২০১৬)। "Luis Suarez's Barcelona transfer fee "revealed as £65m" – £10m LESS than his Liverpool release clause"Mirror। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৬ 
  6. "Luis Suárez, FC Barcelona's number 9"এফসি বার্সেলোনা। ১১ জুলাই ২০১৪। ১২ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৪ 
  7. "Luis Suárez suspended for nine matches and banned for four months from any football-related activity"ফিফা। ২৬ জুন ২০১৪। ৩ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৪ 
  8. ডি মেনেজেস, জ্যাক (২৬ জুন ২০১৪)। "Luis Suarez banned: Fifa hand striker record nine-game ban AND a four month football ban for biting Giorgio Chiellini in biggest ever World Cup suspension"। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪ 
  9. "Investigation launched into suspected 'fixed' Italian language exam for Suarez"দ্য লোকাল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  10. "Agreement with FC Barcelona over the transfer of Luis Suárez"আতলেতিকো মাদ্রিদ। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  11. "Luis Suárez will join Atlético Madrid on two-year deal"ওয়ান ফুটবল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  12. "বার্সা ছেড়ে মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস সুয়ারেজের"দৈনিক প্রথম আলো। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  13. সকারবেসে Luis Suarez
  14. "Uruguay – L. Suárez"। Soccerway। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৮ 
  15. টেমপ্লেট:Soccerbase season
  16. টেমপ্লেট:Soccerbase season

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]