মুক্তিনগর ইউনিয়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

পুর্ব নাম সগুনা। এক নজরে মুক্তিনগর ১৯৮৫ সালের পূর্ব হইতে আমাদের এই ইউনিয়নের নাম ছিল সগুনা ইউনিয়ন পরিষদ। ১৯৭১ সালে ৪ঠা ডিসেম্বর সন্মুখ যুদ্ধে, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাদল,কাবেজ আলী,আফজাল হোসেন,আব্দুর সোবাহানওসমান গণি পাকসেনাদের হাতে শহীদ হন। এই ৫জ্ন শহীদের মৃত্যুদেহ ততকালীন ধনারুহা এলাকার জন সাধারণের সহযোগীতায় ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠের দক্ষিণ পশ্চিম কর্নারে তাদের সমাধি স্থাপন করেন। ইউনিয়ন বাসী যুদ্ধ পরবর্তী, উক্ত ৫জন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে, প্রতি বছর ৪ঠা ডিসেম্বর স্মরণ সভা পালন করেন। ১৯৮৪ সালে ৪ঠা ডিসেম্বর অনুষ্ঠান পালনে, ততকালীন জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয় জনাব এ্যাড. মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া ও জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অতিথী হিসাবে আমন্ত্রন করা হয়। জেলা প্রশাসক মহোদয় তার বক্তব্যে প্রথমেই, এই ইউনিয়নের নামের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি তার বক্তব্যে উপস্থিত জনতার সমুখ্খে বলেন যে,‍‍‍‍ আপনাদের ইউনিয়নের নাম ৪নং সগুনা ইউনিয়ন পরিষদ। সগুনা কথাটি শুনতে অশুভোনীয়। তাই আমার মনে হয়, যেহেতু ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ৫জ্ন শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সমাধি রয়েছে এবং প্রতি বছর তাদের সম্মানে, আপনারা দিবস টি পালন করে আসছেন। তাই, এই ইউনিয়নের নাম ৪নং মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ, রাখলে যুক্তিযোক্ত হবে। উপস্থিত ততকালীন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শাহআলী সরদার সাহেব ও উপস্থিত জনতা প্রস্তাবটি একবাক্যে সমর্থন করেন। তিনি আরো বলেন যে,চেয়ারম্যান সাহেব সভা শেষে, আপনার সদস্য বর্গ সহ ইউনিয়ন পরিষদের নাম পরিবর্তনের জন্য একটি রেজুলেশন, জেলা প্রশাসকের বরাবরে প্রেরণ করলে, আমি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য যথা সাদ্ধ্য চেষ্টা করব। জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয় ও জেলা প্রশাসক মহোদয় এর প্রচেষ্টায় ১৯৮৫ সাল হইতে ০৪ নং সগুনা ইউনিয়ন পরিষদ পরিবর্তে, ৪নং মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ নামকরণ হয়।৪নং মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ শিক্ষা,সংস্কৃতি,ধমীয় অনুষ্ঠান,খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জল।ক) নাম- ৪নং মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদ। কোড নং-৯৫খ) আয়তন- ১৪.৭৬(বর্গ কিঃ মিঃ)গ) লোকসংখ্যা- ২১,৭৫২ জন। পুরুষ- ১০,৩২৬ জন। মহিলা- ১১,৪২৬ জন। (আদমশুমারী-২০১১ অনুযায়ী)ঘ) মোট ভোটার সংখ্যা- ১৬,৯৫৪ জন। পুরুষ- ৮১৫৪ জন। মহিলা- ৮৮০০ জন।ঙ) গ্রামের সংখ্যা- ১০টি।চ) মৌজার সংখ্যা- ১০টি।ছ) হাট/বাজার সংখ্যা-৫টি।জ) উপজেলা সদর খেকে ইউনিয়ন পরিষদের দুরত্ব- ৭ কিঃ মিঃ।ঝ) উপজেলা সদর খেকে যোগাযোগের মাধ্যম- ভ্যান গাড়ী/রিক্সা/সিএনজি।ঞ) শিক্ষার হার- ৪৬.৪% (২০১১ সালের জরীপ অনুযায়ী) কলেজ- ০১টি। উচ্চ বিদ্যালয়- ০৫টি। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১২টি। মাদ্রাসা- ০৪ টি। কেজি স্কুল- ০৫টি।ট) দায়িত্বরত চেয়ারম্যান- মোঃ আরশাদ আজিজঠ) গুরুক্তপূর্ন ধমীয় স্থান- ০১টি।ড) ঐতিহাসিক/পর্যটন স্থান- ০১টি।ঢ) ইউপি ভবন স্থাপন কাল- ১৮-০২-২০১০ইংণ) নব গঠিত পরিষদের বিবরণ- ১। নিবার্চনের তারিখ- ০৪/০৬/২০১৬ইং ২। শপথ গ্রহণের তারিখ- ১৬/০৭/২০১৬ইং ৩। প্রখম সভার তারিখ- ০৯/০৮/২০১৬ইং ৪। মেয়াদ উত্তীনের তারিখ- ০৪/০৬/২০২১ইংত) গ্রাম সমূহের নাম- চকচকিয়া (১নং ওয়ার্ড) ভরতখালী (২নং ওয়ার্ড) বেলতৈল (৩নং ওয়ার্ড) কুখাতাইড় (৪নং ওয়ার্ড) মাঝবাড়ী (৪নং ওয়ার্ড) শ্যামপুর (৫নং ওয়ার্ড) ধানঘড়া (৬নং ওয়ার্ড) ধনারুহা (৭নং ওয়ার্ড) পুটিমারী (৮নং ওয়ার্ড) খামারধনারুহা (৯নং ওয়ার্ড)থ) ইউনিয়ন পরিষদের জনবল- ১। নির্বাচিত পরিষদ সদস্য - ১৩ জন। ২। ইউনিয়ন পরিষদের সচিব - ০১ জন। ৩। ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ - ১০ জন।দ) মোট খানার সংখ্যাঃ ৫,৫৮৯ টি।ধ) মুক্তিযোদ্ধাঃ ৫১ জন।ন) বয়স্কঃ ৪৬৬ জন।প) বিধবাঃ ২৩৭ জন।ফ)মাতৃত্বঃ ২৪ জন।

মুক্তিনগর লোকসংখ্যাঃ

গ্রামেরনাম; মোট লোকসংখ্যা; পুরুষ;নারী

চকচকিয়া ২,৩৯৯ ১,২৫১ ১,১৪৮

ভরতখালী৩,৯৭৯ ১,৯৮২ ১,৯৯৭

বেলতৈল ২,৯৫৫ ১,৫৩৩ ১,৪২২

কুখাতাইড় ১৩৩০ ৬৭৭ ৬৫৩

মাঝবাড়ী ১৩১৩ ৬৭৩ ৬৪০

শ্যামপুর ৩,৯২২ ২,০২৬ ১,৮৯৬

ধানঘড়া ১,৮২৫ ৯৩০ ৮৯৫

ধনারুহা ২,৩১০ ১,২১৩ ১,০৯৭

পুটিমারী ২,৩৯৪ ১,২২৬ ১,১৬৮

খামারধনারুহা ৪,৪৪৩;২,৩০৪ ২,১৩৯

(তথ্য সূত্র- আদমশুমারী ২০১১ প্রতিবেদন)