বৃন্দাবন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বৃন্দাবন
वृंदावन
ব্রজ
শহর
মদনমোহন মন্দির, বৃন্দাবন
মদনমোহন মন্দির, বৃন্দাবন
নাম: ব্রজভূমি
বৃন্দাবন উত্তর প্রদেশ-এ অবস্থিত
বৃন্দাবন
বৃন্দাবন
ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মানচিত্রে বৃন্দাবনের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৭°৩৫′উত্তর ৭৭°৪২′পূর্ব / ২৭.৫৮° উত্তর ৭৭.৭° পূর্ব / 27.58; 77.7স্থানাঙ্ক: ২৭°৩৫′উত্তর ৭৭°৪২′পূর্ব / ২৭.৫৮° উত্তর ৭৭.৭° পূর্ব / 27.58; 77.7
দেশ  ভারত
রাজ্য উত্তরপ্রদেশ
জেলা মথুরা
উচ্চতা ১৭০ মিটার (৫৬০ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট ৬৩,০০৫
ভাষা
 • সরকারি ব্রিজ
সময় অঞ্চল ভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন ২৮১১২১

বৃন্দাবন (এই শব্দ সম্পর্কে pronunciation ) হল ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের মথুরা জেলার অন্তর্গত একটি শহর। হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, কৃষ্ণ এখানে নিজের ছেলেবেলা কাটিয়েছিলেন। শহরটি কৃষ্ণের জন্মস্থান হিসেবে কথিত জেলাসদর মথুরা থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে আগ্রা-দিল্লি হাইওয়ের (২ নং জাতীয় সড়ক) উপর অবস্থিত।[২] বৃন্দাবন শহরে রাধা ও কৃষ্ণের অনেকগুলি মন্দির আছে। হিন্দু ধর্মের বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের কাছে এটি একটি পবিত্র তীর্থস্থান।[৩]

নাম-ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

সংস্কৃত ভাষায় 'বৃন্দাবন' কথাটি এসেছে 'বৃন্দা' (তুলসী) ও 'বন' (অরণ্য) শব্দদুটি থেকে।[৪] নিধুবন ও সেবাকুঞ্জে দুটি ছোটো তুলসীবন এখনও বিদ্যমান।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বৃন্দাবন একটি প্রাচীন শহর। এই শহর হিন্দু ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত এবং হিন্দুধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। এই শহরের প্রাচীনতম মন্দিরগুলির একটি হল গোবিন্দদেব মন্দির। এটি ১৫৯০ সালে নির্মিত হয়। সেই শতাব্দীরই গোড়ার দিকে বৃন্দাবন একটি শহর হিসেবে গড়ে ওঠে।[৫][৬] বৃন্দাবনের আদি অবস্থান কোথায় ছিল, তা ১৬শ শতাব্দীর আগে মানুষ ভুলে গিয়েছিল। চৈতন্য মহাপ্রভু এই স্থান পুনরাবিষ্কার করেন। ১৫১৫ সালে কৃষ্ণের বাল্যলীলার স্থানগুলি নির্ধারণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে চৈতন্য মহাপ্রভু বৃন্দাবনে এসেছিলেন। কথিত আছে, তিনি দিব্য প্রেমের আধ্যাত্মিক ভাবে আচ্ছন্ন হয়ে বিভিন্ন পবিত্র বনে পরিভ্রমণ করেছিলেন। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, তিনি তাঁর দৈব আধ্যাত্মিক শক্তির মাধ্যমে বৃন্দাবন ও তার চারপাশে যে সকল স্থানে কৃষ্ণ তাঁর বাল্যলীলা করেছিলেন বলে মনে করা হয়, সেগুলি আবিষ্কার করেন।[৭]

মীরা বাই মেবার রাজ্য পরিত্যাগ করে তীর্থযাত্রা করতে করতে বৃন্দাবনে আসেন। তিনি জীবনের শেষ ১৪ বছর বৃন্দাবনেই কাটান। যে মন্দিরে তিনি ছিলেন সেটি এখন 'প্রাচীন মীরাবাই' নামে পরিচিত।

বিগত ২৫০ বছরে বৃন্দাবনের অধিকাংশ বনই নগরায়ণের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই নগরায়ণ প্রথম শুরু করেন স্থানীয় রাজারা। পরবর্তীকালে সেই কাজ চালিয়ে নিয়ে যান গৃহনির্মাতা সংস্থাগুলি। শুধুমাত্র কয়েকটি স্থান ছাড়া বাকি অঞ্চলের বনাঞ্চল স্থানীয় ময়ূর, গরু, বাঁদর ও বিভিন্ন ধরনের পাখি সহ বিলুপ্ত হয়। শহরে এখন অল্প ময়ূরই দেখা যায়। তবে বাঁদর ও গরু শহরের সর্বত্রই দেখা যায়।

ভূগোল[সম্পাদনা]

বৃন্দাবনে যমুনা নদীর তীরে কেশী ঘাট

বৃন্দাবন ২৭°৩৫′উত্তর ৭৭°৪২′পূর্ব / ২৭.৫৮° উত্তর ৭৭.৭° পূর্ব / 27.58; 77.7 অক্ষ-দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত।[৮] সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা ১৭০ মিটার (৫৫৭ ফুট)।

জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে,[৯] বৃন্দাবনের জনসংখ্যা ৫৬,৬১৮। জনসংখ্যা ৫৬% পুরুষ ও ৪৪% নারী। বৃন্দাবনের সাক্ষরতার গড় হার ৬৫%, যা জাতীয় গড় হার ৭৪.০৪%-এর কম।[১০] বৃন্দাবনে জনসংখ্যার ১৩%-এর বয়স ৬ বছরের নিচে।

ধর্মীয় ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: কৃষ্ণ
গোবর্ধন অঞ্চলে কুসুম সরোবর স্নান ঘাট

হিন্দুধর্মের বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের কাছে বৃন্দাবন একটি পবিত্র তীর্থস্থান। এটি কৃষ্ণ উপাসনার একটি কেন্দ্র। বৃন্দাবন, গোবর্ধনগোকুল কৃষ্ণের জীবনের সঙ্গে যুক্ত। কৃষ্ণের ভক্তেরা প্রতি বছর এই স্থানে তীর্থযাত্রায় আসেন এবং বিভিন্ন উৎসবে অংশগ্রহণ করেন।[১১] ভাগবত পুরাণ অনুসারে, কৃষ্ণ গোপীদের গ্রাম গোকুলে তাঁর পালক পিতামাতা নন্দযশোদার গৃহে পালিত হয়েছিলেন। উক্ত পুরাণ অনুসারে, কৃষ্ণ বৃন্দাবনের বনেই রাসলীলা ও অন্যান্য বাল্যলীলা করেন। তাঁর দাদা বলরাম ও অন্যান্য রাখাল বালকদের সঙ্গে তিনি এখানে দুষ্টুমি করে বেড়াতেন।

মন্দির[সম্পাদনা]

মদনমোহন মন্দির
  • মদনমোহন মন্দির - মুলতানের রাজা কাপুর রাম দাস কালীয়দমন ঘাটের কাছে মদনমোহন মন্দিরটি নির্মাণ করেন। এটি বৃন্দাবনের অন্যতম প্রাচীন মন্দির। চৈতন্য মহাপ্রভুর জীবনের সঙ্গে এই মন্দিরটি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে এই মন্দিরের আদি মদনগোপাল বিগ্রহটি নিরাপত্তাজনিত কারণে রাজস্থানের কারাউলিতে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে এই মন্দিরে মূল বিগ্রহের একটি প্রতিমূর্তি পূজিত হয়।
বৃন্দাবনে মীরা বাইয়ের মন্দির
  • মীরা বাই মন্দির - নিধিবনের কাছে শাহজি মন্দিরের দক্ষিণ দিকে মীরা বাই মন্দিরটি অবস্থিত। এই মন্দিরটি মীরা বাইয়ের মন্দির। কোনো কোনো জীবনীগ্রন্থে বলা হয়েছে, ১৫৪৭ সালে দ্বারকায় মীরা বাই সশরীরে দ্বারকায় কৃষ্ণ বিগ্রহে বিলীন হয়ে যান।[১২] তবে গবেষকরা এই কিংবদন্তির ঐতিহাসিকতা স্বীকার করেন না। তবে একথা সত্য যে, মীরা বাই কৃষ্ণ-উপাসনা নিয়েই থাকতেন এবং তাঁর রচিত ভজনগুলি তাঁকে ভক্তি আন্দোলন যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্ত-কবির স্বীকৃতি এনে দিয়েছিল।[১৩][১৪]
  • বাঁকেবিহারী মন্দির - স্বামী হরিদাস নিধিবন থেকে বাঁকেবিহারীর বিগ্রহটি আবিষ্কার করার পর ১৮৬২ সালে বাঁকেবিহারী মন্দির নির্মিত হয়।[১৫]
  • প্রেম মন্দির - বৃন্দাবনের উপকণ্ঠে ৫৪ একর জমির উপর প্রেম মন্দিরটি নির্মিত। এটি প্রতিষ্ঠা করেন কৃপালু মহারাজ[১৬] মূল মন্দিরটি শ্বেতপাথরে নির্মিত এবং সেখানে কৃষ্ণের বহু মূর্তি খোদিত রয়েছে।[১৭]
  • রাধাবল্লভ মন্দির - হরিবংশ মহাপ্রভু রাধাবল্লভ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরের বেদীতে কৃষ্ণের বিগ্রহের পাশে রাধার একটি মুকুট রাখা থাকে।[১৮]
  • জয়পুর মন্দির - জয়পুরের মহারাজ দ্বিতীয় সাওয়াই মাধো সিং ১৯১৭ সালে রাধামাধব মন্দির বা জয়পুর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন।
  • রাধারমণ মন্দির - গোপাল ভট্ট গোস্বামীর অনুরোধে রাধারমণ মন্দির নির্মিত হয়। এই মন্দিরে কৃষ্ণের একটি শালগ্রাম বিগ্রহ রয়েছে।[১৯]
  • শাহজি মন্দির - ১৮৭৬ সালে লখনউয়ের শাহ কুন্দন লাল এই মন্দিরের নকশা করেন এবং মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরটি অনন্য স্থাপত্যশৈলী ও শ্বেতপাথরের সুন্দর ভাস্কর্যের জন্য বিখ্যাত। মন্দিরে বারোটি সর্পিল স্তম্ভ রয়েছে। প্রত্যেকটি স্তম্ভের উচ্চতা ১৫ ফুট। এছাড়া মন্দিরে বেলজিয়াম কাঁচের ঝাড়বাতি ও তৈলচিত্র সমন্বিত একটি হলঘরও আছে।
  • রঙ্গজি মন্দির - ১৮৫১ সালে নির্মিত রঙ্গজি মন্দির বিষ্ণুর অন্যতম রূপ রঙ্গনাথ বা রঙ্গজির প্রতি উৎসর্গিত। এই মন্দিরে বিষ্ণু অনন্তশায়ী ভঙ্গিমায় পূজিত হন। মন্দিরটি দ্রাবিড়ীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত। এতে একটি ছয় তলা গোপুরম ও ৫০ ফুট উঁচু ধ্বজা স্তম্ভ রয়েছে। প্রতি বছর মার্চ-এপ্রিল মাসে মন্দিরে ব্রহ্মোৎসব উপলক্ষ্যে মন্দিরের উদ্যানে রথযাত্রা আয়োজিত হয়।
  • গোবিন্দদেব মন্দির -.১৫৯০ সালে মুঘল সম্রাট আকবরের দান করা লাল বেলেপাথর দিয়ে রাজা মানসিংহ সাত তলা উঁচু গোবিন্দদেব মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। আওরঙ্গজেব এই মন্দিরটি ধ্বংস করে দেন।
  • রাধাদামোদর মন্দির - ১৫৪২ সালে বৃন্দাবনের ষড়গোস্বামী কর্তৃক সেবাকুঞ্জে রাধাদামোদর মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • কাত্যায়নী মন্দির ও ভূতেশ্বর মহাদেব মন্দির - রঙ্গনাথ মন্দিরের কাছে রাধাবাগে কাত্যায়নী মন্দির অবস্থিত। এটি একটি শক্তিপীঠ। কথিত আছে, এখানে দেবী সতীর আঙটি পড়েছিল।[২০][২১][২২][২৩]
  • চিন্তাহরণ হনুমান মন্দির - অটলবনের কাছে অবস্থিত চিন্তাহরণ হনুমান মন্দিরটি হল হনুমানের মন্দির।

দর্শনীয় স্থানসমূহ[সম্পাদনা]

Kusuma Sarovar Ghat

নিধুবন, কেশীঘাট, ব্রহ্মকুণ্ড, গোপীস্বর মহাদেব, চৌষট্টিমহান্তের সমাজ, সাজাহনপুরের লালা ব্রজকিশোর ক্ষত্রীর প্রতিষ্ঠিত রাধাবিনোদের মন্দির, তানসেন গুরু হরিদাস স্বামীর প্রতিষ্ঠিত বাঁকে বিহারীর মন্দির উল্লেখযোগ্য।

বন বিবরণ[সম্পাদনা]

বৃন্দাবনের পরিধি পাঁচ ক্রোশ। দ্বাদশঘাট এটির অন্তর্গত। ব্রজচৌরাশী ক্রোশের পরিক্রমাকে ‘বন’ করা বলে। এ পরিক্রমা ভাদ্র কৃষ্ণা দশমীতে আরম্ভ করে ভাদ্র শুক্লা দশমীতে শেষ হয়। বনগুলোর নাম হলো - মধুবন, তালবন, কুমুদবন, বহুলাবন, কামাবন, খদিরবন, বৃন্দাবন, ভদ্রবন, ভাণ্ডিরবন, খেলনবন, লৌহবন ও মহাবন। গোকুল, গোবর্ধন, নন্দগ্রাম, বর্ষাণ প্রভৃতি স্থানগুলো ২৪ উপ-বনের অন্তর্গত। সমগ্র পরিধির মধ্যে ১১টি দেবীমূর্তি ও ৯টি মহাদেবমূর্তি বিদ্যমান।

অনুষ্ঠানাদি[সম্পাদনা]

ঝুলনযাত্রাই বৃন্দাবনের সর্বপ্রধান পর্ব। তার পরেই অন্নকূট যাত্রা। শেষোক্ত পর্ব দীপান্বিতা অমাবস্যার পরদিনে সম্পন্ন হয়।

এবং ইংরেজ সরকার[সম্পাদনা]

কোলকাতার রাজা স্যার রাধাকান্ত দেব বাহাদুর যখন বৃন্দাবনবাস করেন, সে সময়ে তিনি ইংরেজ সরকারকে আবেদন করে এ আদেশ প্রচার করেছিলেন যে, ইংরেজরা বৃন্দাবনের মধ্যে শিকারের উদ্দেশ্যে পশু বা পাখী বধ করতে পারবে না।

মর্যাদা[সম্পাদনা]

কৃষ্ণের “বৃন্দাবনং পরিত্যজ্য পাদমেকং ন গচ্ছতি” - এ উক্তির সারমর্ম হৃদয়ে উপলদ্ধি করে বৈষ্ণবগণ এ স্থানকে সর্বপ্রধান তীর্থ ও বাঞ্ছনীয় বাসস্থান হিসেবে পরিগণনা করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Census of India
  2. Keene, Henry George (১৮৯৯)। "Bindrabun"A Handbook for Visitors to Agra and Its Neighbourhood। Thacker, Spink & Co.। পৃ: 98–106। 
  3. Gopal, Madan (১৯৯০)। K.S. Gautam, সম্পাদক। India through the ages। Publication Division, Ministry of Information and Broadcasting, Government of India। পৃ: ১৭৬। 
  4. "Brindaban"The Imperial Gazetteer of India। ১৯০৯। 
  5.  চিসাম, হিউ, সম্পাদক (১৯১১)। "Brindaban"। ব্রিটিশ বিশ্বকোষ 4 (১১তম সংস্করণ)। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস [[বিষয়শ্রেণী:উইকিসংকলনের তথ্যসূত্রসহ ১৯১১ সালের এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা থেকে উইকিপিডিয়া নিবন্ধসমূহে একটি উদ্ধৃতি একত্রিত করা হয়েছে]]
  6. "Vrindavan PinCode"। citypincode.in। সংগৃহীত ২০১৪-০৩-১০ 
  7. "Discovery of Vrindavan by Chaitanya Mahaprabhu" 
  8. "Falling Rain Genomics, Inc – Vrindavan" 
  9. "Census of India 2001: Data from the 2001 Census, including cities, villages and towns (Provisional)"। Census Commission of India। আসল থেকে ২০০৪-০৬-১৬-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২০০৮-১১-০১ 
  10. Jayant Pandurang Nayaka, Syed Nurullah (১৯৭৪)। A students' history of education in India (1800–1973) (6 সংস্করণ)। Macmillan। 
  11. Klaus Klostermaier (২০০৭)। A Survey of Hinduism। State University of New York Press; 3 edition। পৃ: ২০৪। আইএসবিএন 0-7914-7081-4। "The center of Krishna-worship has been for a long time Brajbhumi, the district of Mathura that embraces also Vrindavana, Govardhana, and Gokula, associated with Krishna from the time immemorial. Many millions of Krishna bhaktas visit these places every year and participate in the numerous festivals that re-enact divine scenes from Krishna's life on Earth, of which were spent in those very places"  Vrinda means Tulsi (A sacred specie of flora) and van as forest, therefore Vrindavan is a holy forest of Tulsi. Vijaypal Baghel, known as GreenMan is promoting, planting and farming Tulsi in mass around the Vrindavan.
  12. Usha Nilsson (1997), Mira bai, Sahitya Akademi, ISBN 978-8126004119, pages 1-15
  13. Usha Nilsson (1997), Mira bai, Sahitya Akademi, ISBN 978-8126004119, pages 16-17
  14. John S Hawley (2005), Three Bhakti Voices: Mirabai, Surdas and Kabir in Their Times and Ours, Oxford University Press, ISBN 978-0195670851, pages 128-130
  15. "Banke-Bihari Temple website" 
  16. "Prem Mandir" 
  17. "Kripaluji Maharaj's Prem Mandir will be inaugurated on 17 February"। Aaj Ki Khabar। 
  18. "Radhavallabh Temple website" 
  19. "The history of Sri Radha Raman Temple" 
  20. "Uma Shakti Peeth Vrindavan – 2nd Among 51 Shakti Peethas"। সংগৃহীত ৪ আগস্ট ২০১৩ 
  21. (Translator), F. Max Muller (১ জুন ২০০৪)। The Upanishads, Vol I। Kessinger Publishing, LLC। আইএসবিএন 1-4191-8641-8 
  22. (Translator), F. Max Muller (২৬ জুলাই ২০০৪)। The Upanishads Part II: The Sacred Books of the East Part Fifteen। Kessinger Publishing, LLC। আইএসবিএন 1-4179-3016-0 
  23. "Kottiyoor Devaswam Temple Administration Portal"http://kottiyoordevaswom.com/। Kottiyoor Devaswam। সংগৃহীত ২০ জুলাই ২০১৩