শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র
দেশবাংলাদেশ
অঞ্চলকুমিল্লা জেলা
সমুদ্রতীরাতিক্রান্ত/ডাঙাবর্তীডাঙাবর্তী
পরিচালকবাপেক্স
ক্ষেত্রের ইতিহাস
আবিষ্কার২০১২
উৎপাদন
বর্তমান গ্যাস উৎপাদন৪১–৪৪ নিযুত cubic feet per day (১.২–১.২ নিযুত cubic metres per day)

শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র।[১] এটি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-এর নিয়ন্ত্রণাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।[২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রের অবস্থান চট্টগ্রাম বিভাগের কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইল ইউনিয়নের শ্রীকাইল গ্রামে।[৩] এটি বাঙ্গুরা গ্যাসক্ষেত্র থেকে ৭ কিমি দূরে ও একই অভিন্ন ভূ-কাঠামোতে অবস্থিত এবং এই দুটি ক্ষেত্র ১৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।[৪]

আবিষ্কার[সম্পাদনা]

বাপেক্স ২০০৪ সালে প্রথম শ্রীকাইলে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দিলেও তখন ত্রুটিপূর্ণ খননের কারণে সেবার গ্যাস মেলেনি; পরবর্তীতে ২০১২ সালে পুনরায় কূপ খনন করে এখানে গ্যাস পাওয়া যায়।[১][৫]

খনন ও কূপ[সম্পাদনা]

২০১২ সালের ৫ মে হতে শুরু করে ৩০ জুন পর্যন্ত ৩,২১৮ মিটার গভীরে গ্যাস পাওয়া যায়।[৫]

মজুদ ও উত্তোলন[সম্পাদনা]

আনুমানিক মজুদের হিসাবে এটি একটি মধ্যমাকৃতির গ্যাসক্ষেত্র।[১] বাপেক্সের হিসাব অনুযায়ী, এখানে মোট গ্যাসের মজুদ ৩০০ বিলিয়ন ঘটফুট (বিসিএফ)।[৫]

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

বর্তমানে এই গ্যাসক্ষেত্রটির দুটি কূপ থেকে দৈনিক ৪১-৪৪ মিলিয়ন ঘটফুট গ্যাস উত্তোলন করে তা জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছে।[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "কুমিল্লার শ্রীকাইলে নতুন গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান"বিবিসি - বাংলা। ১৩ জুলাই ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  2. "Completed Project"। বাপেক্স। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  3. "তিন গ্যাসক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ উপেক্ষিত"দৈনিক প্রথম আলো - অনলাইন ভার্সন। ১৬ মে ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  4. "বাঙ্গুরার গ্যাস নিতে পেট্রোবাংলা আগ্রহী নয় কেন!"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম - অনলাইন ভার্সন। ৬ জুলাই ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৯ 
  5. "কুমিল্লার শ্রীকাইলে গ্যাস ক্ষেত্র খুঁজে পেল বাপেক্স"ডয়েচ ভেলে - বাংলা। ১৩ জুলাই ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]