ফোর্সেস গোল ২০৩০

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ফোর্সেস গোল ২০৩০ (Forces Goal 2030) হল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা। এ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর আকার বৃদ্ধি, আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ ও সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষন প্রদান। পরিকল্পনায় দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের উপর জোর দেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন[সম্পাদনা]

সেনাবাহিনী[সম্পাদনা]

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি সুপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, অস্ত্রে সুসজ্জিত ও প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে যা দেশকে প্রচলিত ও অপ্রচলিত হুমকির হাত থেকে রক্ষা করবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তার কার্যক্রমকে তিনটি স্বাধীন কর্পে ভাগ করা হবে - কেন্দ্রীয়, পূর্বাঞ্চলীয় ও পশ্চিমাঞ্চলীয়।[১] সর্বমোট ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের সংখ্যা ১০টি করার জন্য তিনটি নতুন ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন - সিলেটে ১৭ নং ইনফ্যান্টি ডিভিশন,[২] কক্সবাজারের রামুতে ১০ নং ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন[৩] এবং বরিশাল-পটুয়াখালীতে ৭ নং ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন[৪] তৈরি করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইনে একটি রিভারিন ব্রিগেড (নদীভিত্তিক ব্রিগেড) তৈরি করা হচ্ছে। বান্দরবন জেলার রুমায় একটি পূর্ণবর্ধিত ক্যান্টনমেন্ট প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে।[৫] ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের ৯৭টি নতুন ইউনিট যোগ করার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। এদের মধ্যে ১৯টি ইউনিট গঠিত হবে সিলেট ক্যান্টনমেন্ট এর জন্য, ২২টি রামু ক্যান্টনমেন্টের জন্য এবং লেবুখালিতে অবস্থিত শেখ হাসিনা ক্যান্টনমেন্টের ৫৬টি ইউনিট গঠন করা হবে। কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের প্রস্তাবিত ক্যান্টনমেন্টের জন্য একটি রিভারিন ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটেলিয়নও গঠন করা হবে।[৬][৭] কিছু সাধারণ ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটেলিয়নকে প্যারা ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটেলিয়ন এবং মেকানাইজড ইনফ্যান্ট্রি ব্যাটেলিয়নে পরিণত করারও কাজ চলছে।[৮] বিশেষ কার্যক্রম সক্ষমতার (স্পেশাল অপারেশন ক্যাপাবিলিটি) জন্য ২ নং কমান্ডো ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হয়েছে। এই ব্যাটেলিয়ন ১ নং কমান্ডো ব্যাটেলিয়নের সাথে মিলে দেশের একটি একক প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড গঠন করা হয়েছে।[৯]

নৌবাহিনী[সম্পাদনা]

ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি সুসজ্জিত তৃমাত্রিক নৌবাহিনী গঠনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে যা বাংলাদেশের সামুদ্রিক স্বার্থকে রক্ষা করতে পারবে। নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও বর্ধিতায়নের কাজ একই সাথে চলবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী কক্সবাজারের পেকুয়াতে বিএনএস শেখ হাসিনা নামে একটি সাবমেরিন বেজ গঠন করছে।[১০] দেশটির সর্ববৃহৎ নেভাল বেজটি পটুয়াখালীর রাবনাবাদে গঠিত হচ্ছে যার নাম বিএনএস শের-ই-বাংলা। এই বেজে সাবমেরিনের নোঙ্গর ও বিমানচালন সুবিধা (বার্থিং এন্ড এভিয়েশন ফ্যাসিলিটি) থাকবে।[১১] বিএনএস শেখ মুজিব নামে আরেকটি পূর্ণবর্ধিত বেজ ঢাকার খিলক্ষেতে নির্মাণ করা হচ্ছে।[১২] চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলে একটি ফ্লিট হেডকোয়ার্টারের নির্মাণকাজ চলছে যেখানে জাহাজ নোঙ্গরের সুবিধা থাকবে।[১৩]

বিমানবাহিনী[সম্পাদনা]

ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর, সুপ্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং সুসজ্জিত বাহিনী হিসেবে তৈরি করার পরিকল্পনা করা হয়েছে যা বাংলাদেশের আকাশস্থলের হুমকিকে বাধা দিতে পারবে। এই পরিকল্পনাটি এয়ার পাওয়ার এবং এয়ার ডিফেন্স সক্ষমতা উভয়কেই শক্তিশালী করার উপর জোড় দেয়। বর্ধিষ্ণু দায়িত্ব ও কর্তব্যকে কার্যকরীভাবে পালন করার জন্য এই বিমান বাহিনী দুটি ভিন্ন কমান্ডে বিভক্ত হয়েছে: দক্ষিণাঞ্চলীয় এয়ার কমান্ড ও উত্তরাঞ্চলীয় এয়ার কমান্ড।[১৪] ইতিমধ্যেই দুটো এয়ারবেজ গঠিত হয়েছে - একটি কক্সবাজারে[১৫] এবং অন্যটি ঢাকার বঙ্গবন্ধু এয়ারবেজ[১৬][১৭] সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের অধীনে বরিশালে একটি নতুন এয়ারবেজ এর প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। কক্সবাজার এয়ারবেজকে আধুনিকায়িত এবং বর্ধিত করা হবে। দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডে একটি মেরিটাইম এয়ার সাপোর্ট অপারেশন সেন্টার (MASOC) গঠন করা হবে।[১৪] সিলেটে আরেকটি এয়ারবেজ তৈরি করা হচ্ছে।[১৮] বিমান বাহিনী ১০৫ এডভান্স জেট ট্রেইনিং ইউনিট নামে একটি এডভান্সড ফাইটার পাইলট ট্রেইনিং ইউনিট তৈরি করছে। এই ইউনিটে তিনটি ট্রেইনিং স্কোয়াড্রন থাকবে যা পাইলটদেরকে ফাইটার জেট চালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।[১৯]

ক্রয় তালিকা[সম্পাদনা]

ফোর্সেস গোল ২০৩০ অনুসারে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ২০১০ সাল থেকে ক্রয়কৃত সমরাস্ত্রের তালিকাঃ

সেনাবাহিনী[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ব্যবহার করে নোরা বি-৫২কে২ এসপিএইচ
  • ৪৪টি এমবিটি ২০০০ ট্যাংক
  • ১৮টি নোরা বি-৫২ স্বয়ংক্রিয় কামান
  • ৩৬টি ডব্লিউএস-২২ মাল্টিপল রকেট লঞ্চার সিস্টেম
  • ৬৩৫টি বিটিআর-৮০ এপিসি
  • ২২টি অটোকার কোবরা এলএভি
  • ২ রেজিমেন্ট এফএম-৯০ স্বল্পপাল্লার বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র
  • কিউডব্লিউ-২ কাধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র
  • এফএন-৬ কাধে বহনযোগ্য বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯কে১১৫-২ মেতিস-এম
  • মেতিস-এম ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্র
  • পিফ-৯৮ ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট
  • এসএলসি-২ ওয়েপন লোকেটিং রাডার
  • ২টি ইউরোকপ্টার এএস৩৬৫ ডাউফিন হেলিকপ্টার
  • ৬টি এমআই-১৭১এসএইচ হেলিকপ্টার
  • ১টি সি-২৯৫ডব্লিউ পরিবহন বিমান
  • ৩৬টি ব্রামোর সি৪আই মনুষ্যবিহীন আকাশযান
  • ১০০টি ট্রাই শার্ক স্পিড বোট
  • ১টি টাইপ সি কমান্ড ভেসেল

নৌবাহিনী[সম্পাদনা]

  • ২টি টাইপ ০৩৫জি ডুবোজাহাজ
  • ২টি টাইপ ০৫৩এইচ২ ফ্রিগেট
  • ২টি হ্যামিল্টন ক্লাস ফ্রিগেট
  • ৪টি টাইপ ০৫৬ কর্ভেট
  • ৪টি দুর্জয় ক্লাস প্যাট্রল ভেসেল
  • ৫টি পদ্মা ক্লাস প্যাট্রল ভেসেল
  • ১টি তেলবাহী ট্যাংকার
  • ২টি ডরনিয়ার ডিও-২২৮এনজি মেরিটাইম টহল বিমান
  • ২টি এডব্লিউ-১০৯ হেলিকপ্টার

বিমানবাহিনী[সম্পাদনা]

  • ১৬টি এফ-৭ যুদ্ধবিমান
  • ১৬টি ইয়াক-১৩০ প্রশিক্ষন বিমান
  • ৯টি কে-৮ প্রশিক্ষন বিমান
  • ২৩টি পিটি-৬ প্রাথমিক প্রশিক্ষন বিমান
  • ৩টি 'এল-৪১০ পরিবহন প্রশিক্ষন বিমান
  • ১৬টি এমআই-১৭১এসএইচ হেলিকপ্টার
  • ২টি এডব্লিউ-১৩৯ হেলিকপ্টার
  • ২টি এডব্লিউ-১১৯কেএক্স প্রশিক্ষণ হেলিকপ্টার
  • ২ রেজিমেন্ট এফএম-৯০ স্বল্প পাল্লার বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র
  • জেএইচ-১৬ রাডার
  • জেওয়াই-১১বি রাডার
  • ওয়াইএলসি-২ রাডার
  • ওয়াইএলসি-৬ রাডার
  • সেলেক্স আরএটি-৩১ডি রাডার

সাংগাঠনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন[সম্পাদনা]

সেনাবাহিনী[সম্পাদনা]

  • সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠা
  • কক্সবাজারে ১০ পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠা
  • পদ্মা সেতুর পাশে ৯৯ কম্পোজিট ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা
  • পদাতিক বাহিনীকে ব্যলিস্টিক হেলমেট, কেভলার বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, নাইট ভিশন গগলস, আই প্রোটেক্টিভ গিয়ার, জিপিএস ডিভাইস, উন্নত যোগাযোগ যন্ত্র ও বিডি-০৮ অ্যাসল্ট রাইফেল দ্বারা সজ্জিত করা

নৌবাহিনী[সম্পাদনা]

  • নৌবাহিনীর উড্ডয়ন শাখা প্রতিষ্ঠা
  • নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ শাখা প্রতিষ্ঠা
  • কক্সবাজারের পেকুয়ায় বানৌজা শেখ হাসিনা নামক ডুবোজাহাজ ঘাটি স্থাপন

বিমান বাহিনী[সম্পাদনা]

  • ঢাকায় বঙ্গবন্ধু বিমান ঘাটি স্থাপন
  • কক্সবাজারে বিমান ঘাটি স্থাপন
  • বিমান বাহিনীতে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র শাখা প্রতিষ্ঠা

দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা[সম্পাদনা]

  • বিডি-০৮ অ্যাসল্ট রাইফেল প্রস্তুতকরণ
  • বিডি-০৮ লাইট মেশিন গান প্রস্তুতকরণ
  • গ্রেন-৮৪ বিডি গ্রেনেড তৈরি
  • কামান ও মর্টারের শেল তৈরি
  • ৬০ মিমি ও ৮২মিমি মর্টার
  • 'এফএন-১৬ ঈগল ম্যানপ্যাড

বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি[সম্পাদনা]

  • অরুনিমা বলীয়ান ট্রাক সংযোজন

খুলনা শিপইয়ার্ড[সম্পাদনা]

  • পদ্মা ক্লাস পেট্রল ভেসেল নির্মাণ
  • দূর্জয় ক্লাস পেট্রল ভেসেল নির্মাণ
  • ল্যান্ডিং ক্রাফট ইউটিলিটি নির্মাণ
  • ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক নির্মাণ
  • হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ জাহাজ নির্মাণ

নারায়ানগঞ্জ ডকইয়ার্ড[সম্পাদনা]

  • ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক নির্মাণ
  • স্পিডবোট নির্মাণ

আনন্দ শিপইয়ার্ড[সম্পাদনা]

  • তেলবাহী জাহাজ নির্মাণ

বঙ্গবন্ধু অ্যারোনটিকাল সেন্টার[সম্পাদনা]

  • এফ-৭ যুদ্ধবিমানের ওভারহোলিং
  • এমআই-১৭ হেলিকপ্টারের ওভারহোলিং

ভবিষ্যত পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

সেনাবাহিনী[সম্পাদনা]

  • সেনাবাহিনীকে উত্তর, দক্ষিন ও কেন্দ্রীয় কোরে ভাগ করা
  • পটুয়াখালীর লেবুখালীতে পদাতিক ডিভিশন স্থাপন
  • কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে রিভারাইন ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড স্থাপন
  • দুই রেজিমেন্ট ট্যাংক ক্রয়
  • দূরপাল্লার ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়

নৌবাহিনী[সম্পাদনা]

  • দুইটি ফ্রিগেট ক্রয়
  • ছয়টি টাইপ-০৫৬ কর্ভেট ক্রয়
  • চারটি দূর্জয় ক্লাস পেট্রল ভেসেল ক্রয়
  • পটুয়াখালীতে বানৌজা শেরে বাংলা নামক সর্ববৃহৎ নৌঘাঁটি স্থাপন
  • দুইটি ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী হেলিকপ্টার ক্রয়
  • দুইটি সামুদ্রিক টহল বিমান ক্রয়

বিমান বাহিনী[সম্পাদনা]

  • ১ ব্যাটারি মধ্যম পাল্লার বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়
  • মনুষ্যবিহীন আকাশযান ক্রয়
  • ৮টি মাল্টিরোল কম্ব্যাট এয়ারক্রাফট ক্রয়
  • এমআই-১৭১ এসএইচ হেলিকপ্টার ক্রয়
  • ২টি এডব্লিউ-১৩৯ হেলিকপ্টার ক্রয়
  • ২টি এডব্লিউ-১১৯ হেলিকপ্টার ক্রয়

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Independent, The। "Army plans to work under three corps"। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০১৬ 
  2. "PM launches 17 Infantry Division"। Dhaka Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  3. "PM urges army to remain prepared against any threat to democracy"। Bangladesh Sangbad Sangstha। ২০১৬-১১-২৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  4. "PM inaugurates Sheikh Hasina Cantonment in Patuakhali"। Dhakatribune। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  5. Independent, The। "Focus on 1971 spirit, says PM"Focus on 1971 spirit, says PM | theindependentbd.com। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  6. "Army to get 97 more units in 4 years"। The Independent। ১৬ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০১৭ 
  7. "Bangladesh Army to get 97 more units in four years, says report"। Jane's 360। ২৬ জুলাই ২০১৭। ১১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০১৭ 
  8. "Stay alert to face internal & external threats"Bangladesh Sangbad Sangstha। ১৩ মে ২০১৮। ২০১৮-০৫-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৮ 
  9. "Recounting 'Operation Thunderbolt'"। The Daily Star। ৩ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ আগস্ট ২০১৭ 
  10. "Work started for land acquisition for submarine base: PM"Prime News। ১২ অক্টোবর ২০১৩। ১৯ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  11. Shorwar Hossain। "Largest naval base to be in Patuakhali: PM"। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  12. "বাংলাদেশ নৌবাহিনী বহুমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে"। The Daily Jugantor। ৯ নভেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ৮ নভেম্বর ২০১৭ 
  13. "One day BD Navy to become builder from buyer, hopes PM"। UNB। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭। ২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  14. "বিমান বাহিনীতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র"। The Daily Manab Zamin। ৭ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৩ নভেম্বর ২০১৭ 
  15. "PM opens Air Force base in Cox's Bazar"। Bdnews24.com। ৩ এপ্রিল ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ 
  16. "PM opens Bangabandhu Air Force Base"। The Dhaka Tribune। ৯ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ 
  17. "PM launches new air force base"। The Daily Star। ১০ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জানুয়ারি ২০১৮ 
  18. "Hasina announces new air bases to strengthen air force"Bdnews24.com। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৮ 
  19. "Special training unit for BAF jet fighter pilots on the cards"। The Independent। ৭ মে ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০১৭