জুয়েল আইচ
জুয়েল আইচ | |
|---|---|
| জন্ম | ১৯৫০ [১] বরিশাল |
| পেশা | যাদুশিল্পী এবং বাঁশী বাদক |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| নাগরিকত্ব | বাংলাদেশ |
| উল্লেখযোগ্য পুরস্কার | |
| দাম্পত্যসঙ্গী | বিপাশা আইচ |
| সন্তান | খেয়া আইচ |
জুয়েল আইচ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত যাদুশিল্পী, বাঁশী বাদক ও চিত্রশিল্পী। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। বাড়ি পিরোজপুর জেলার সমুদয়কাঠি ইউনিয়নে। দেশের শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ইউনিসেফের অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করছেন।[২]
জন্ম ও শিক্ষাজীবন
[সম্পাদনা]বাবা বি. কে. আইচ ও মা সরযু আইচের পুত্র গৌরাঙ্গ লাল আইচ প্রকাশ জুয়েল আইচের জন্ম ১০ এপ্রিল বরিশালে হলেও ছেলেবেলা কেটেছে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি উপজেলার সমদেকাঠির গ্রামের বাড়িতে। সেই সুবাদে সমদেকাঠি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক শিক্ষাগ্রহণ সম্পন্ন হয়। পরে তিনি পিরোজপুর শহরে চলে আসেন। সেখানকার পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং স্থানীয় পিরোজপুর কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরবর্তীতে ঢাকার জগন্নাথ কলেজ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এছাড়াও শিক্ষকতার সুবাদে তিনি ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে বিএড কোর্স সমাপ্ত করেন। তিনি ১৯৮৫ সালের ১৩ জুুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক দরবেশ আলী খানের কন্যা পাশা খসনুকে বিয়ে করেন এবং বিয়ের পরে পাশা খসনু নাম পরিবর্তন করে বিপাশা আইচ নামে পরিচিতি লাভ করেন।[৩] তাদের একমাত্র কন্যার নাম খেয়া আইচ।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]খুব ছোটবেলা বাড়িতে বেদেবহর এসেছিল, তাদের কাছেই প্রথম যাদু দেখে ভালো লেগে যায় জুয়েল আইচের। সেই ভালোলাগা ভালোবাসায় পরিণত হয় বানারীপাড়া সার্কাস দলের এক যাদুকরের গলা কাটার যাদু দেখে। পরে ওই যাদুটা এক বন্ধুর ওপর প্র্যাকটিস করে কিছুটা সফলও হন। যাদুর প্রতি তার ভালোবাসাটা উন্মাদনায় পরিণত হয় সিরাজগঞ্জের যাদুকর আবদুর রশিদের যাদু দেখে, আর বন্দে আলী মিয়ার রূপকথা পড়ে। একটু একটু করে যাদু শিখতে লাগলেন তখন থেকেই, বিভিন্নজনের কাছে। তার বিখ্যাত যাদু — কাগজ থেকে ডলার বানানো, চোখ বেঁধে গাড়ি চালানো, কাটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জোড়া লাগানো ইত্যাদি।[৪] মঞ্চে প্রথম যাদু প্রদর্শন করেন ১৯৭২ সালে। এছাড়া মিডিয়ায় প্রথম যাদু প্রদর্শন করেন ১৯৭৯ সালে।
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ৯ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন। জগন্নাথ কলেজের ছাত্র সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলের নেতৃত্বে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধে।
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]- একুশে পদক
- কাজী মাহমুদুল্লাহ স্বর্ণপদক
- বাংলাদেশ টেলিভিশন পুরস্কার
- যুক্তরাষ্ট্রের সেরা জাতীয় পুরস্কার 'বেস্ট ম্যাজিশিয়ান অব দ্যা ইয়ার'
- সোসাইটি অফ অ্যামেরিকান ম্যাজিশিয়ান ১৯৮১
- সিজেএফবির আজীবন সম্মাননা (২০০৮) [৫]
- বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ (২০২০)[৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Biography of Jewel Aich"। UNICEF। ৮ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ ‘ইউনিসেফ অ্যাডভোকেট’ হলেন জুয়েল আইচ ও মৌসুমী, নিজস্ব প্রতিবেদক; ১৭ আগস্ট ২০১১ তারিখে দৈনিক প্রথম আলো, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "দৈনিক সমকাল"। ৫ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ দৈনিক কালের কণ্ঠ
- ↑ "দৈনিক আমার দেশ"। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ "৭ বিশিষ্ট ব্যক্তি পেলেন বাংলা একাডেমি সম্মানসূচক ফেলোশিপ"। যুগান্তর। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০২১।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- ১৯৫০-এ জন্ম
- বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধা
- শিল্পকলায় একুশে পদক বিজয়ী
- জীবিত ব্যক্তি
- বাংলাদেশী বাঁশি বাদক
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে জড়িত ব্যক্তি
- বাংলাদেশী জাদুকর
- জগন্নাথ কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- বাংলা একাডেমির সম্মানিত ফেলো
- বাংলাদেশী হিন্দু
- ১৯৫০-এর দশকে জন্ম
- নেছারাবাদ উপজেলার ব্যক্তি
- একুশে পদক বিজয়ী
- পিরোজপুর জেলার সামরিক ব্যক্তি
- বরিশাল বিভাগের সঙ্গীতজ্ঞ
- পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী