চার্লস লিন্ডবার্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
চার্লস লিন্ডবার্গ
Col Charles Lindbergh.jpg
হ্যারিস এন্ড ইউইং কর্তৃক চার্লস লিন্ডবার্গের স্থিরচিত্র
জন্ম চার্লস অগাস্টাস লিন্ডবার্গ
(১৯০২-০২-০৪)ফেব্রুয়ারি ৪, ১৯০২
ডেট্রয়েট, মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যু আগস্ট ২৬, ১৯৭৪(১৯৭৪-০৮-২৬) (৭২ বছর)
কিপাহুলু, মাউই, হাওয়াই, যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুর কারণ লিমফোমা
সমাধি পালাপালা হুমাউ চার্চ সিমেট্রি
জাতীয়তা আমেরিকান
শিক্ষা সিডওয়েল ফ্রেন্ডস স্কুল
রেডন্ডো ইউনিয়ন হাই স্কুল
লিটল ফলস হাই স্কুল
উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় বর্ষে পরিত্যাগ)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লিটল ফলস হাই স্কুল (১৯১৮)
পেশা বৈমানিক, লেখক,
আবিষ্কারক, অনুসন্ধানকারী,
সমাজকর্মী
দাম্পত্য সঙ্গী অ্যানি মরো লিন্ডবার্গ (বিবাহ: ১৯২৯)
সন্তান অ্যানি মরো লিন্ডবার্গ:
চার্লস অগাস্টাস লিন্ডবার্গ জুনিয়র
জন লিন্ডবার্গ
ল্যান্ড মরো লিন্ডবার্গ
অ্যানি স্পেন্সার লিন্ডবার্গ (পেরিন)
স্কট লিন্ডবার্গ
রিভ লিন্ডবার্গ (ব্রাউন)
ব্রিজিত হেশাইমার:
ডার্ক হেশাইমার
আস্ট্রিড হেশাইমার বোটিউল
ডেভিড হেশাইমার
মারিয়েতা হেশাইমার:
ভেগো হেশাইমার
ক্রিস্টোফ হেশাইমার
ভেলস্কা:
১ পুত্র
১ কন্যা
পিতা-মাতা(গণ) চার্লস অগাস্ট লিন্ডবার্গ
ইভানগেলিন লজ ল্যান্ড লিন্ডবার্গ
স্বাক্ষর
Charles Lindbergh signature.svg

চার্লস অগাস্টাস লিন্ডবার্গ (জন্ম: ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯০২ - মৃত্যু: ২৬ আগস্ট, ১৯৭৪) মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট আমেরিকান বিমান চালক, প্রকৌশলী ও পুলিৎজার পুরস্কার বিজয়ী ব্যক্তি। স্লিম,[১] লাকি লিন্ডি এবং দ্য লোন ঈগল ডাক নামে তিনি পরিচিত ছিলেন। মে, ১৯২৭ সালে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে একাকী বিরতিহীনভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটি থেকে ফ্রান্সের প্যারিস পর্যন্ত বিমান চালনা করে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ডেট্রয়েটে ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯০২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন চার্লস লিন্ডবার্গ। শৈশবের কয়েক বছর মিনেসোটা এবং ওয়াশিংটনে অতিবাহিত করেন। তাঁর বাবা মিনেসোটার ৬ষ্ঠ জেলার হয়ে কংগ্রেসে ১০ বছর প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ম্যাডিসনের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে অধ্যয়ন করেন। কিন্তু নেব্রাস্কার লিঙ্কনে আকাশে উড়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য দুই বছর পরই উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা ত্যাগ করেন। ১৯২২ সালে তিনি আকাশে উড়েন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কার্টিস জেনি বিমান ক্রয় করেন। এ বিমান দিয়ে তিনি দক্ষিণের রাজ্য থেকে মধ্য-পশ্চিমের রাজ্যগুলোয় সুনিপুণভাবে বিমান পরিচালনা করতেন। চার বছর পর তিনি একটি মেইল প্লেনের পাইলট হন যা মিসৌরী ও শিকাগো শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।

নিউইয়র্ক-প্যারিস ফ্লাইট[সম্পাদনা]

২৫ বছর বয়সী ইউ.এস. এয়ার মেইল পাইলট লিন্ডবার্গ আকস্মিকভাবে অর্তিয়েগ পুরস্কার জয় করেন ও বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। ১৯১৯ সালে নিউইয়র্কের রেমন্ড বি অর্টিগ নামীয় ফ্রাঙ্কো-আমেরিকান বিশ্বপ্রেমিকের আমন্ত্রণে ২৫,০০০ মার্কিন ডলার পুরস্কারের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে সিদ্ধান্ত নেন। এটি ছিল প্রথম নিরবিচ্ছিন্নভাবে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে নিউইয়র্ক থেকে প্যারিসে পারাপারের বিমান চালনা। এক আসন ও এক ইঞ্জিনবিশিষ্ট স্পিরিট অব সেন্ট লুইস রায়ান মনোপ্লেন নিয়ে ২০ মে, ১৯২৭ তারিখে সকাল ৭:৫২ ঘটিকায় নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটির রুজভেল্ট ফিল্ড[N ১] থেকে ৩,৬০০ statute mile (৫,৮০০ কিমি) দূরত্বের পথ অতিক্রমণের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেন। ৩৩ ঘন্টা ৩২ মিনিট পর প্যারিসের কাছাকাছি লে বোরগেট বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করেন। মানব ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিরূপে প্রথম দিন নিউইয়র্কে ও পরদিন প্যারিসে গমনের সৌভাগ্য অর্জন করেন। এরফলে বিশ্ববাসী তাঁর এ অর্জনকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখে এবং তিনি ইউরোপ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় বীরে পরিণত হন।

সম্মাননা[সম্পাদনা]

১৪ ডিসেম্বর, ১৯২৭ তারিখে কংগ্রেসের বিশেষ ধারায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মাননা মেডেল অব অনার লাভ করার কথা ঘোষণা করা হয়। মূলতঃ যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্বগাঁথা রচয়িতাদেরকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।[২] ২১ মে, ১৯২৮ তারখি হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কুলিজ তাঁকে এ সম্মানে ভূষিত করেন।[৩]

পরবর্তীকালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান সেবা সংরক্ষণ বিভাগে কর্নেলরূপে কমিশন্ডপ্রাপ্ত হন। এছাড়াও তিনি বাণিজ্যিক বিমান সংস্থার কারিগরী পরামর্শদাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে শুভেচ্ছা সফরে যান। ১৯২৯ সালে ইউকাতান এবং মেক্সিকো ও ১৯৩১ সালে দূরপ্রাচ্য গমন করেন। ১৯৩৩ সালে আটলান্টিক মহাসাগরীয় এলাকার ৪৮,০০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বের বিমান পথ ও অবতরণ ক্ষেত্রের জরীপ করেন। নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ফরাসি সার্জন ড. আলেক্সিজ কারেলের সাথে যৌথভাবে কৃত্রিম হার্ট পাম্পের মানোন্নয়নে একযোগে কাজ করে যান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Every and Tracy 1927, pp. 60, 84, 91, 208.
  2. http://www.charleslindbergh.com/history/moh.asp
  3. New York Times. March 22, 1928.

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Originally named the Hempstead Plains Aerodrome, the field was renamed Roosevelt Airfield in honor of President Theodore Roosevelt's son, Quentin, who was killed in air combat during World War I.

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]

প্রাথমিক তথ্যাবলী[সম্পাদনা]

  • Lindbergh, Charles A. Charles A. Lindbergh: Autobiography of Values. New York: Harcourt Brace Jovanovich, 1977. আইএসবিএন ০-১৫-১১০২০২-৩.
  • Lindbergh, Charles A. Spirit of St. Louis. New York: Scribners, 1953.
  • Lindbergh, Charles A. The Wartime Journals of Charles A. Lindbergh. New York: Harcourt, Brace, Jovanovich, 1970. আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৫-১৯৪৬২৫-৯.
  • Lindbergh, Charles A. "WE" (with an appendix entitled "A Little of what the World thought of Lindbergh" by Fitzhugh Green, pp. 233–318). New York & London: G.P. Putnam's Sons (The Knickerbocker Press), July 1927.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:PulitzerPrize BiographyorAutobiographyAuthors 1951–1975