ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সৈয়দপুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সৈয়দপুর
ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সৈয়দপুর লগো.png
অবস্থান
সৈয়দপুর উপজেলা
নীলফামারী, ৫৩১০
বাংলাদেশ
তথ্য
বিদ্যালয়ের ধরনবেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৭৯
অবস্থাসক্রিয়
বিদ্যালয় বোর্ডমাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর
বিদ্যালয় জেলানীলফামারী
সেশনজানুয়ারি- ডিসেম্বর
বিদ্যালয় কোড১২৫২৪৮
শিক্ষকমণ্ডলী১০০+
শ্রেণীনার্সারী - দ্বাদশ
লিঙ্গছেলে, মেয়ে
বয়সসীমা০৬-১৮
শিক্ষার্থী সংখ্যা২৫০০ জন
ভাষার মাধ্যমবাংলা এবং ইংরেজি
ভাষাবাংলা, ইংরেজি
সময়সূচির ধরনমাধ্যমিক বিদ্যালয়
সময়সূচিসকাল ৮ঃ০০ মিনিট - বিকাল ২ঃ১৫ মিনিট
বিদ্যালয়ের কার্যসময়৬ ঘন্টা
শ্রেণীকক্ষ১২০+ টি
ক্যাম্পাসসমূহ১টি
ক্যাম্পাসের ধরনউপশহর
বিদ্যালয়ের রংনেভি ব্লু এবং সাদা         
ক্রীড়াফুটবল, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, ভলিবল, টেবিল টেনিস, ব্যাডমিন্টন, হ্যান্ডবল
ডাকনামCPSCS
যোগাযোগ০৫৫২৬-৭২৩১৯,০১৭২০৪৩৭৫৮৬ (সিভিল); ৯৬৭-৩১৭০ (মিলিটারি)
ওয়েবসাইট

ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, সৈয়দপুর বাংলাদেশের নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অধীন এই প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক, নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সালের ৪ঠা এপ্রিল এই প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়। এটি মূলত প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্টের অফিসারদের এবং ঐ এলাকার ছেলেমেয়েদের শিক্ষার সুবিধার্থে। ২টি অফিসার বাংলোকে স্কুল ক্যাম্পাস হিসেবে নেয়া হয় শুরুতে এবং সেখানে প্লে থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত পাঠ্যেক্রম চালু করা হয়। ছাত্র এবং শিক্ষক সংখ্যা ছিলো যথাক্রামে ১৫৬ এবং ১০ জন।[১]

ক্যাম্পাসের বর্ণনা[সম্পাদনা]

এর অবস্থান পার্বতীপুর হাইওয়ে রোডের পাশে এবং সৈয়দপুর শহর হতে আধা কিলোমিটার দূরে। এটি সৈয়দপুর সেনানিবাস এর উত্তর-পুর্ব কোনে অবস্থিত।[১]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে উন্নত ও আধুনিক অবকাঠামোগত সুবিধাদি। প্রতিষ্ঠানের কলেজ শাখার একটি এবং স্কুল শাখায় দুইটি ভবন রয়েছে। উভয় শাখাতেই রয়েছে পৃথক পৃথক লাইব্রেরি এবং পদার্থ, রসায়ন, জীববিদ্যা, কম্পিউটার বিজ্ঞান প্রভৃতি বিষয়ভিত্তিক গবেষণাগার[২]

সুযোগ-সুবিধা[সম্পাদনা]

ছাত্র-ছাত্রী পরিবহনের জন্য রয়েছে ১টি বাস। এছাড়াও রয়েছে অভিভাবকদের জন্য বিশ্রামাগার, সুবিশাল খেলার মাঠ, বাস্কেট বল গ্রাউন্ড, নার্সারির শিশুদের জন্য পার্ক প্রভৃতি। ছাত্র-ছাত্রীদের চিকিৎসার জন্য প্রতিষ্ঠানে একজন চিকিৎসক নিয়োজিত আছেন। স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য আছে একটি ক্যান্টিন।

ভর্তি[সম্পাদনা]

স্কুল

স্কুল শাখায় নার্সারী এবং ষষ্ঠ শ্রেণীতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।[৩]

কলেজ

কলেজ শাখায় বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

সহশিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

এই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়ম-শৃঙ্খলার চর্চা ও খেলাধুলাসহ অন্যান্য সহপাঠ কার্যক্রমের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়। অভিভাবকদের সঙ্গে মত বিনিময়ের জন্য আছে অভিভাবক দিবসের ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে সকল শিক্ষার্থীকে চারটি হাউজে বিন্যস্ত করে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন আন্তঃ হাউজ প্রতিযোগিতা; যেমন – বির্তক, আবৃত্তি, সঙ্গীত, খেলাধুলা, চিত্রাংকন, দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ প্রভৃতি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বি এন সি সি, স্কাউটস, গার্ল গাইডস, রেড ক্রিসেন্ট প্রভৃতি সংগঠনের শাখা রয়েছে।[২]

ফলাফল[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে অবস্থান ছিলো ৯ম।[৪] ১৪৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ অর্জন করায় এই প্রতিষ্ঠানটি নীলফামারী জেলার মধ্যে ২য় অবস্থান পায়।[৫] ২০১৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডে অবস্থান ছিলো ১০ম।[৬][৭] ২০১৬ সালে মোট জিপিএ ৫ পেয়েছেন ৩০০ জন শিক্ষার্থী।[৮]

লাইব্রেরি[সম্পাদনা]

এই প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরিতে প্রায় ২০০০ বই রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নার্সারী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত সকল শ্রেণীর পাঠ্যবই, অভিধান, সাধারণ জ্ঞান, ম্যাগাজিন, উপন্যাস প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]