এরিক সিমন্স

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এরিক সিমন্স
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামএরিক ওয়েন সিমন্স
জন্ম (1962-03-09) ৯ মার্চ ১৯৬২ (বয়স ৫৮)
কেপ টাউন, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৩০)
১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২৩
রানের সংখ্যা ২১৭
ব্যাটিং গড় ১৫.৫০
১০০/৫০ ০/০
সর্বোচ্চ রান ২৪
বল করেছে ১২১২
উইকেট ৩৩
বোলিং গড় ২৪.৫৪
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৪/৪২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২১ আগস্ট ২০২০

এরিক ওয়েন সিমন্স (ইংরেজি: Eric Simons; জন্ম: ৯ মার্চ, ১৯৬২) কেপ টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ ও সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১][২][৩]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে নর্দার্ন ট্রান্সভাল ও ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার হিসেবে খেলতেন। ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন এরিক সিমন্স

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮২-৮৩ মৌসুম থেকে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুম পর্যন্ত এরিক সিমন্সের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন এরিক সিমন্স। তিনি ক্রমাগত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করা থেকে উপেক্ষার পাত্রে পরিণত হয়েছিলেন। তবে, ৩২ বছর বয়সে বিস্ময়করভাবে তাকে জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তেইশটি ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন এরিক সিমন্স। ১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৪ তারিখে জোহেন্সবার্গে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৫ তারিখে ক্রাইস্টচার্চে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি। তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

প্রকৃত অল-রাউন্ডারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি। ফাস্ট-মিডিয়াম বোলিং করতেন। শেষের দিকে সুনিয়ন্ত্রিত পন্থায় কিছুটা ধীরলয়ে মিডিয়াম বোলিংয়ে অগ্রসর হন। এছাড়াও, মাঝারিসারিতে মারকুটে ব্যাটিং করতেন। পরবর্তী দুই বছরে ২৩টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেন। এ পর্যায়ে বোলিংয়ে সফলতার স্বাক্ষর রাখলেও ব্যাটিংয়ে তেমন সুবিধে করতে পারেননি।

অবসর[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিংয়ের দিকে ধাবিত হন। ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স দলের কোচের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। সেপ্টেম্বর, ২০০২ সালে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে মনোনীত হন। দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু, অক্টোবর, ২০০৪ সালে জাতীয় দলের দূর্বল ক্রীড়াশৈলীর খেসারতস্বরূপ তাকে এ দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়। রে জেনিংসকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছিল। ১০ জানুয়ারি, ২০১০ তারিখ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২ তারিখ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট দলের বোলিং পরামর্শকের দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Players / South Africa / ODI caps"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০২-০১ 
  2. "South Africa ODI Batting Averages"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০২-০১ 
  3. "South Africa ODI Bowling Averages"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০২-০১ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী
টেরি হান্ট
পেশাদার
নেলসন ক্রিকেট ক্লাব

১৯৮৬
উত্তরসূরী
স্টিভ ওয়াহ