আলাপ:শেখ মুজিবুর রহমান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Featured article শেখ মুজিবুর রহমান একটি নির্বাচিত নিবন্ধ; অর্থাৎ, এটি (অথবা এর প্রাক্তন সংস্করণটি) উইকিপিডিয়ানদের সৃষ্ট অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি নিবন্ধরূপে চিহ্নিত। তারপরও আপনি যদি মনে করেন যে, নিবন্ধটির আরো উন্নতি বা হালনাগাদ করা সম্ভব, অনুগ্রহপূর্বক তা হালনাগাদ করুন
প্রধান পাতা ট্রপি এই নিবন্ধটি নির্বাচিত নিবন্ধ হিসেবে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে প্রধান পাতায় প্রদর্শিত হয়েছিল।

আলোচনা[সম্পাদনা]

শেখ মুজিবের জাতীয়তা সম্পাদনার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা অতি প্রয়োজনীয়। বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭১ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত সংবিধানে জাতীয়তার পরিচয় "বাঙালি" হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখিত ছিলো। তাই বর্তমানের বিবেচনায় শেখ মুজিবের জাতীয়তার সাংবিধানি পরিচয় "বাঙালি"; একই সাথে যেহেতু তিনি ১৯৭৫ সালে হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন সেই সময়কার সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তাঁর জাতীয়তা "বাঙালি"। সুতরাং এটাকে বারংবার "বাংলাদেশী" হিসেবে পরিবর্তন করা থেকে সম্পাদকগণ বিরত থাকুন। -- User:Aaanup

এই নিবন্ধের প্রথম লেখকদের উদ্দ্যেশে লিখছি, আমি আগের তত্ত্ব গুলোর শুধু অল্প কিছু ডিলিট করেছি। তাছাড়া আর সব কিছু জায়গামতো Paste করে দিয়েছি... ধন্যবাদ। মুনতাসির

With due respect, বঙ্গবন্ধু একটি খেতাব যা ১৯৬০ এর শেষে দেয়া হয়, এটি তাঁর নাম না। কাজেই শেখ মুজিবুর রহমানকে নিবন্ধের মধ্যে "বঙ্গবন্ধুর পিতা ..." এভাবে সম্বোধন না করে "শেখ মুজিবের পিতা ..." এভাবে সম্বোধন করা উচিৎ। তা ছাড়া "পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু" এই শিরোনামের বদলে "পাকিস্তান আমলে শেখ মুজিব" এটা বাঞ্ছনীয়, কারণ পাকিস্তান আমলের শুরুতে তাঁর এই উপাধি ছিল না। এটা ছোট্ট একটা টেকনিকাল পয়েন্ট, কিন্তু এই পরিবর্তনটা করতে অনুরোধ করছি ... উপাধির বদলে নাম ব্যবহার করুন। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৬:৪৭, ২৮ জুন ২০০৬ (UTC)


পারিবারিক পরিচিতির ক্ষেত্রে আমি বঙ্গবন্ধুর জায়গায় শেখ মুজিব করে দিয়েছি। সেই সাথে কলকাতায় বঙ্গবন্ধুর জায়গায় কলকাতায় শেখ মুজিব করে দিয়েছি। কিন্তু পাকিস্তান আমলে বঙ্গবন্ধু এর জায়গায় আমার মনে হয় না পরিবর্তন করা দরকার। কারণ তাকে বঙ্গবন্ধু বলা হয় পাকিস্তান আমলে তার প্রায় সকল কর্মকান্ডের জন্য। তাই ঐ অংশ টুকু পরিবর্তন করলাম না। .......... ধন্যবাদ। মুনতাসির(আলাপ |অবদান

ইহাইয়া না ইয়াহিয়া, আওয়ামি না আওয়ামী হবে?--রিয়াদ ০৫:৫১, ১৫ আগস্ট ২০০৬ (UTC)

ইয়াহিয়া তো বটেই, আর আওয়ামী বানানটাই তো দলটি ব্যবহার করে, তাই না? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:৫২, ১৫ আগস্ট ২০০৬ (UTC)

বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুল এ চতুর্থ শ্রে ণীতে ভর্তি হন । তৃতীয় শ্রেণীতে নয় 103.230.107.32 (আলাপ) ০৯:৩৫, ১৯ মার্চ ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

৮ বঙ্গবন্ধু ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ[সম্পাদনা]

এই অনুচ্ছেদের তাৎপর্য কী? এটা শেখ মুজিবুর রহমানের উপরে নিবন্ধ - অপ্রাসঙ্গিক ভাবে অন্যদের টেনে আনার কোনই দরকার নাই। দ্বিতীয়তঃ, বঙ্গবন্ধু শব্দটি শেখ মুজিবুর রহমানের নামের অংশ না, এটা একটা খেতাব বা উপাধি, এবং এটাকে বিশেষ্য হিসাবে ব্যবহার করা কোন অবস্থাতেই বাঞ্ছনীয় না। কাজেই ব্যক্তি হিসাবে উনাকে সম্বোধন করার সময় নাম ব্যবহার করা উচিৎ। ধন্যবাদ। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২১:৪৭, ১৬ আগস্ট ২০০৬ (UTC)

  • বঙ্গবন্ধু উপাধিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে ভূষিত করা হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯, জনাব তোফায়েল আহমেদ কর্তৃক।---(সুলতানা)
  1. ভাই রাকিব,আপনার মনে হয় বঙ্গবন্ধু -তে এলার্জি আছে।কারণ 'বঙ্গবন্ধু' ব্যবহারে অনিহাটা পরিষ্কার তাই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ভারত ও পাকিস্তান পৃথক হয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় ভয়ানক হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা হয়[সম্পাদনা]

ভারত ও পাকিস্তান পৃথক হয়ে যাওয়ার পর কলকাতায় ভয়ানক হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা হয়।-এই বাক্যের তথ্য সূত্র কি???? কলকাতায ১৯৪৬-৪৭ দাঙ্গা হয়। ভারত বুভাগের আগে, পরে নয়। জয়ন্ত নাথ ০৮:১০, ৭ এপ্রিল ২০০৮ (UTC)

তথ্যসূত্র অনুযায়ী পরের বদলে "পৃথক হওয়ার সময়ে" যোগ করেছি।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৯:৪২, ৭ এপ্রিল ২০০৮ (UTC)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বিশ্ব বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন ইউএসএ

1) পাকিস্তান এখন শেষ --শেখ মুজিব---15 মার্চ 1971

2)শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন --Apr. 05, 1971 --The World: Pakistan: Toppling Over the Brink

3)গত মার্চে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর পর বিশ্বব্যাংকের পরিদর্শকদের একটি বিশেষ টিম কিছু শহর প্রদক্ষিণ করে বলেছিলেন, ওগুলোকে দেখতে ভুতুড়ে নগরী মনে হয়। এরপর থেকে যুদ্ধ শেষ হওয়া পর্যন্ত এহেন ধ্বংসলীলার ক্ষান্তি নেই। ৬০ লাখ ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৪ লাখ কৃষক পরিবারের কাছে জমি চাষের মতো গরু বা উপকরণও নেই। পরিবহনব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পুল-কালভার্টের চিহ্নও নেই এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগেও অনেক বাধাবিঘ্ন। ---শেখ মুজিবুর রহমান : বন্দি থেকে বাদশা / টাইম সাময়িকী ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২

4)Bangladesh have suffered three consecutive years of natural or man-made disasters—a calamitous cyclone in 1970, the civil war in 1971, and a crop-crippling drought this year. Jan. 01, 1973

5)শেখ মুজিবের সময়কালে ৬০০০ হাজারের ও বেশী মানুষ সহিংসতা নিহত (মুজিব স্থপতির মৃত্যু Time Magazine USA আগষ্ট ২৫,১৯৭৫).

6)বাংলাদেশ. "বাস্কেট কেস", নয়, Jan. 01, 1973

৭)বাকশাল ---প্রেসিডেন্ট সরাসরি নির্বাচিত হবে, একটি নির্বাচিত সংসদ আইন পাস করতে পারেন, According to Time Magazine USA--Feb. 10, 1975, Under the new system, executive powers are vested in the President, who will be elected directly every five years, and in a Council of Ministers appointed by him. Although an elected Parliament can pass legislation, the President has veto power and can dissolve Parliament indefinitely.Parliament may remove the President, however, by a three-fourths vote "for violating the constitution or grave misconduct" as well as for physical or mental Incapacity. The amendment also empowers Mujib to set up a single "national party," thus shutting off any political opposition.— Bangla1971 (আলাপঅবদান) এই স্বাক্ষরহীন মন্তব্যটি যোগ করেছেন।

অনেক কিছুই রয়ে গেছে কেবল বইয়ের পাতায়[সম্পাদনা]

সুচনা " বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক নেতা যিনি পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব " বঙ্গবন্ধু কেবল বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না । তিনি তৎকালীন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন প্রভাবশালি এবং জনপ্রিয় নেতা ছিলেন । তাই সূচনায় আংশিক পরিবর্তনের প্রয়াস । সুচনার ব্যাক্তিক স্টার্ট এন্ড এন্ড সারাংশ গুরত্বপুরন । প্রাথমিক কিছু পরিবর্তন করলাম ।

দেখা যাক মোডারেটর রা কি বলেন । পরিবর্তন ভাল লাগ্লে আরো ডিটেইল কাজ করার ইচ্ছা আছে

তার রাজনৈতিক জীবনীর কোথাও খুজে পেলাম না " ইংরেজ আমলে স্বাধীন বাংলা এবং মুসলিম রাস্ট্র ব্যাবস্থার জন্য তার শত আন্দোলন এবং ত্যাগের কথা । তাই এড করা উচিৎ তার ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন এর ডিটেইলস । তথ্য সুত্র থেকে , সবচেয়ে বেটার তার অসমাপ্ত আত্ব জীবনী পড়ে নিন । Megamindcorp (আলাপ)

বানান ভুল[সম্পাদনা]

এখানে অসমাপ্ত আত্বজীবনীর ইংরেজি দেওয়া আছে "Unfinsihed Memories"। এর অর্থ হল "অসমাপ্ত স্মৃতি"। এখানে হবে "Unfinished Memoirs" যার অর্থ "অসমাপ্ত স্মৃতিকথা বা আত্বজীবনী"। আশা করি পরিবর্তনটি মোডারেটররা গ্রহণ করবেন।— Hamid Abrar Khan (আলাপঅবদান) এই স্বাক্ষরহীন মন্তব্যটি যোগ করেছেন।

উন্নয়ন[সম্পাদনা]

বেশ কিছু তথ্যসূত্রের অভাব এবং নিরপেক্ষতার অভাবের জন্য নিবন্ধটি বিতর্কিত। তাই, ইংরেজি উইকিপিডিয়ার আদলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনা গেলে বেশ ভালো হত। --হামিদ আবরার খান (আলাপ) ০৫:২৪, ২৪ নভেম্বর ২০১৭ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

নির্বাচিত নিবন্ধে মানোন্নয়ন[সম্পাদনা]

শেখ মুজিবুর রহমান নিবন্ধটিকে নির্বাচিত নিবন্ধ বানানোর লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করছি। এ কাজে মুখ্য সমন্বয়ক ও দিকনির্দেশকের ভূমিকা পালন করবে Wiki Ruhan

তথ্যসূত্র বিষয়ে প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় থাকবে আদিব। রচনাশৈলী ও তথ্যসূত্র বিষয়ে সহযোগিতায় আছে আবতাহী (অন্য যেকেউ আমাদের কাজে সহযোগিতা করতে পারেন।)

পরিকল্পনা[সম্পাদনা]

পরিকল্পনার যে শর্ত পূরণ হয় তাতে একটি টিক চিহ্ন যোগ করুন।

রচনা[সম্পাদনা]

  • বানান ভুল সংশোধন  করা হয়েছে
  • বাক্যের অর্থগত জটিলতা দূর করা  করা হয়েছে
  • নতুন তথ্য যোগ করা
  • সকল উইকি লিংক নীল লিংকে রূপান্তর  করা হয়েছে
  • প্রয়োজনীয় ছবি আপলোড  করা হয়েছে
  • উপযুক্ত ছবি যোগ করা  করা হয়েছে
  • বিতর্কিত তথ্যের ভুল-ভ্রান্তি ঠিক করা
  • তথ্যের সঠিকতা ও নিরপেক্ষতা যাচাই করা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  • যে অংশে তথ্যসূত্র প্রয়োজন কিন্তু নেই, সেসব অংশে তথ্যসূত্র যোগ করা। YesY
  • বাংলা পত্র-পত্রিকার তথ্যসূত্র যোগ করা। YesY
  • ইংরেজি উইকিপিডিয়ার তথ্যসূত্রগুলো যোগ করা YesY
  • গ্রন্থপঞ্জি যোগ করা YesY
  • বর্তমান তথ্যসূত্রগুলোকে বাংলা করা YesY
  • বহিঃসংযোগে নতুন কিছু লিংক যোগ করা YesY

প্রস্তাবনায়—Wiki RuHan [ Talk ] ০৮:১৩, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

পরামর্শ[সম্পাদনা]

  • WAKIM ভাইকে কিছু পরামর্শ ও মন্তব্য জানানোর জন্য অনুরোধ করছি।

"জনপ্রিয় সংস্কৃতি" অনুচ্ছেদ থেকে "বই" অপসারণের প্রস্তাব[সম্পাদনা]

শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ফিকশন-নন ফিকশন মিলিয়ে হাজার হাজার বই রচিত হয়েছে ও হচ্ছে। এর মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য ও জনপ্রিয় বাছাই করতে হলে তাও শতাধিক হবে। এখন সবগুলো তো এই নিবন্ধের "জনপ্রিয় সংস্কৃতি" অংশে রাখা সম্ভব নয়। আবার কয়েকটি বইয়ের বিবরণ যে এখানে আছে তা তো উইকিপিডিয়ার নীতির বিরোধী, হাতেগোনা বইগুলো এখানে তুলে ধরে কি বইগুলোর বিজ্ঞাপন করা হয়ে যাচ্ছে না?

চলচ্চিত্র ও গানের ক্ষেত্রে এই যুক্তি খাটবে না, কারণ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে চলচ্চিত্র ও উল্লেখ করার মতো গান হাতেগোনা।

দ্বিতীয়ত, একজন বেনামি ব্যবহারকারী (আইপি 116.58.203.38)  জনপ্রিয় সংস্কৃতি অনুচ্ছেদের "বই" উপ অনুচ্ছেদে কতগুলো বইয়ের বিবরণ যুক্ত করেছেন-

  1. তাহেরের স্বাক্ষ্য - বাংলাদেশ: একটি অসমাপ্ত বিপ্লব
  2. বাংলাদেশঃ রক্তের ঋণ
  3. বাহাত্তর থেকে পঁচাত্তর

এসব বই বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে নেতিবাচক তথ্যে ঠাঁসা।

এছাড়া ব্ল্যাক কোট, দেয়াল - এসব বইয়েও বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে নেতিবাচক তথ্য আছে৷

নেতিবাচক তথ্যে কোন সমস্যা নাই। নিরপেক্ষতা নীতি অনুযায়ী আলোচনা সমালোচনা থাকবেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় সংস্কৃতি অনুচ্ছেদের "বই" উপ অনুচ্ছেদে ৯ টি বইয়ের উল্লেখ আছে- তার মধ্যে ৭ টিই মুজিবের সমালোচনামূলক৷ তাহলে তো নিরপেক্ষতা রক্ষিত হচ্ছে না।

তৃতীয়ত, জোছনা ও জননীর গল্পে শেখ মুজিবের বড় ধরনের কোন উপস্থিতি নেই। তাই এই বই এই নিবন্ধে উল্লেখযোগ্যতার মাপকাঠিই উত্তীর্ণ করে না।

তাই আমার প্রস্তাব হল-

  •   "জনপ্রিয় সংস্কৃতি" অনুচ্ছেদ থেকে সব বইয়ের অপসারণ করা হোক, অর্থাৎ "বই" নামে কোন উপ-অনুচ্ছেদই থাকবে না।
  • এই নিবন্ধে  উল্লেখযোগ্য বইগুলোর নাম গ্রন্থপঞ্জিতে যোগ করাই যথেষ্ট ; এখন যেমন অনেকগুলো বইয়ের উল্লেখ গ্রন্থ পঞ্জিতে আছে৷
  • এসব বইগুলোকে নিয়ে আলাদা তালিকা নিবন্ধ করা যেতে পারে।

রুহানআদিভাই - এ ব্যাপারে আপনাদের মত কী?  

আফতাবুজ্জামান ভাইয়ের মূল্যবান পরামর্শ চাচ্ছি। Abtahi Lama (আলাপ) ১৮:১৭, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

আমার পক্ষ থেকে তিনটি প্রস্তাব, উল্লেখযোগ্য সকল বইয়ের নাম রাখা, অথবা পুরো অনুচ্ছেদ মুছে ফেলা, অথবা বহুল পরিচিত উল্লেখযোগ্য আর সমাদৃত ইতিবাচক বই আর নেতিবাচক বা বিতর্কিত বইয়ের উল্লেখের সংখ্যা সমান সমান রাখা। তা না হলে বিষয়টি রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব হয়ে যাবে। আর আলাদা নিবন্ধ করতে কোন সমস্যা নেই, তাতে অসংখ্য উল্লেখযোগ্য বই যোগ করা যাবে। রাজনীতি আজ যাকে নায়ক বানায়, কাল তাকেই খলনায়ক বানাতে দ্বিধা করে না, আর প্রতি রাজনৈতিক আমলে যদি এভাবে সেই আমলের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে তথ্য যোগ বিয়োগ করা হয় তাহলে উইকিপিডিয়া আর উইকিপিডিয়া থাকবে না, রাজনীতিপিডিয়ায় পরিণত হবে, যেমনটা অনেকসময় একে ধর্মপিডিয়া বানানোর মত আবেগ এর আগে বেশ কয়েকবার তৈরি হয়েছে, কিন্তু চূড়ান্ত পর্যায়ে তেমনটা ঘটে নি। উইকিপিডিয়াকে বরাবরই এক্ষেত্রে কঠোর অবস্থান নিতে দেখা যায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্ষেত্রে আসলে কি ঘটবে সেটাই দেখার বিষয়। আর এর সাথে আরও যোগ করছি শেখ মুজিবুর রহমানের নিজস্ব উক্তি,

আজকে এই যে নতুন এবং পুরান যে সমস্ত সিস্টেমে আমাদের দেশ চলছে, আমাদের আত্মসমালোচনা প্রয়োজন আছে। আত্মসমালোচনা না করলে আত্মশুদ্ধি করা যায় না। আমরা ভুল করেছিলাম, আমাদের বলতে হয় যে, ভুল করেছি। আমি যদি ভুল করে না শিখি, ভুল করে শিখব না, সে জন্য আমি সবই ভুল করলে আর সকলেই খারাপ কাজ করবে, তা হতে পারে না। আমি ভুল নিশ্চয়ই করব, আমি ফেরেশতা নই, শয়তানও নই, আমি মানুষ, আমি ভুল করবই। আমি ভুল করলে আমার মনে থাকতে হবে, আই ক্যান রেকটিফাই মাইসেলফ। আমি যদি রেকটিফাই করতে পারি, সেখানেই আমার বাহাদুরি। আর যদি গোঁ ধরে বসে থাকি যে, না আমি যেটা করেছি, সেটাই ভালো। দ্যাট ক্যান নট বি হিউম্যান বিইং।[১]

এই কথাটি নিশ্চয়ই শেখ মুজিবুর রহমানের নিজের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে, আর আরেকটা বিষয় হল হল, ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ কুরআনের দুটি আয়াতের ও ইসলামের নবী মুহাম্মাদের দুটি বিশুদ্ধ হাদিসের সঙ্গে শেখ মুজিবের উপরোক্ত উক্তির মৌলিক মিল রয়েছেঃ

অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে, এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন; আল্লাহ মহাজ্ঞানী রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমনকি যখন মাথার উপর মৃত্যু এসে উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকে - আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফুরি(অবাধ্য) অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি।

— কুরআন, সূরা ৪ (আন-নিসা), আয়াত ১৭-১৮[২]

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, "প্রত্যেক আদম সন্তানই পাপ করে, পাপীদের মধ্যে তারাই সর্বোত্তম যারা তওবা করে।"/রাসূলুল্লাহ বলেছেন, "প্রত্যেক আদম সন্তান ত্রুটিশীল ও অপরাধী, আর অপরাধীদের মধ্যে উত্তম লোক তারা যারা তওবা করে।"

— আহমাদ ১৩০৪৯, তিরমিযী ২৪৯৯, ইবনে মাজাহ ৪২৫১, দারেমী ২৭২৭, বাইহাক্বী ৭১২৭

আবু আইয়ুব আনসারি এবং আবু হুরায়রা বর্ণনা করেন,:আল্লাহর রাসূল (সাঃ) বলেন, "সেই সত্ত্বার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, মানুষ যদি পাপ না করতো তবে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে উঠিয়ে নিয়ে এমন এক সম্প্রদায়ের অবতারণা করতেন, যারা পাপ করত এবং পরে (নিজের ভুল বুঝতে পেরে) আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতো এবং আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দিতেন।"

অর্থাৎ ইসলাম ধর্মের হিসেবেও কোন মানুষ নির্ভুল না। কোন মানুষই একচেটিয়াভাবে ভালো কিংবা খারাপ হয় না, কিন্তু কাওকে নিরপেক্ষভাবে বা মধ্যম দৃষ্টিতে না দেখে বাড়াবাড়ি ও অতিরঞ্জনের মাধ্যমে একচেটিয়াভাবে ভালো বা খারাপ বানানোর চেষ্টা করা হল অন্ধ আবেগের মাধ্যমে তার জন্য নিজ হাতে অন্ধ আত্মঅহমিকার একটি দেয়াল তৈরি করা, আর তাকে যথাযথ ন্যায্য সম্মান, যথাযথ সঠিক মূল্যায়ন, আত্মসমালোচনা, আত্ম উপলব্ধি ও সংশোধনের অত্যাবশ্যক সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা, আর অন্যান্যদের জন্য তার জীবন থেকে সঠিক শিক্ষা পাওয়ার সুযোগও নষ্ট করা, আর এরকম ক্ষেত্রে তাকে অন্ধ বানানোর মাধ্যমে উত্তেজিত করা মানুষেরা এসকল নেতিবাচক পরিণতির জন্য সমানভাবে অথবা তার চেয়ে বেশি দায়ী থাকে। এটা কখনো ভুলে গেলে চলবে না যে, প্রতিটি মানুষের মাঝে ইতিবাচক ও নেতিবাচক বিষয়ের সংমিশ্রণ থাকে, মানুষ ফেরেশতাও না, শয়তানও না, রোবটও না; আর এই চিরন্তন সত্যটাকে নিয়ে হেয়ালি কিংবা বাড়াবাড়ি না করে যথাযথ মূল্যায়ন করাটাই সত্যিকারের গঠনমূলক কাজ, আর এই সত্য থেকে যত বেশি বিচ্যুতি ঘটে, গঠনমূলক আদর্শের মানও তত কমে যেতে থাকে। - 45.125.220.162 (আলাপ) ১৮:৪৮, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@Abtahi Lama: যেহেতু জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে শেখ মুজিবুর রহমান তৈরি করা হয়েছে, এই নিবন্ধে বই, চলচ্চিত্র ও গানের একটি সারাংশ দিলেই হবে। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২৩:৪৮, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

সম্পাদনার অনুরোধ, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

উপাধি অনুচ্ছেদে আ স ম আব্দুর রবের জাতির জনক উপাধি দেয়ার তথ্যসূত্র হিসেবে এই[৩] তথ্যসূত্রটি যাচাই করে যোগ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

  1. প্রতিবেদক, নিজস্ব (১৮ আগস্ট ২০১৮)। "বঙ্গবন্ধুর অমর বাণী"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 
  2. কুরআন ০৪:১৭,কুরআন ০৪:১৮
  3. "আ স ম আবদুর রব"প্রিয়.কম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

45.125.220.162 (আলাপ) ১৮:৩৫, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

 করা হয়েছে। শ্রদ্ধেয় আইপি, আপনি সম্পাদনা অনুরোধ রেখে আমাদের কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। —Wiki RuHan [ Talk ] ২০:০৭, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, রুহান ভাই, আগ্রহ থাকার কারণে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করে যাচ্ছি। ভুল ত্রুটি হতে পারে, সেটা আপনারা একটু যাচাই বাছাই করে নেবেন। 45.125.220.162 (আলাপ) ২০:১১, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
আপনাকে অনুরোধ করব, যেখানে তথ্যসূত্র প্রয়োজন ট্যাগ আছে সেসব তথ্যসূত্র জোগাড় করার চেষ্টা করা। জোগাড় করে আমার উপপাতাতে যোগ করে আমাকে বার্তা দিতে পারেন।—Wiki RuHan [ Talk ] ২০:১৬, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
আরেকটা বিষয়, জাতির জনক উপাধি প্রদানের লাইনটির ক্ষেত্রে আপনি ডেইলি ক্যাম্পাসের যে তথ্যসূত্র উল্লেখ করেছেন সেটা আমার জানামতে উল্লেখযোগ্য না, কারণ ডেইলি ক্যাম্পাস উল্লেখযোগ্য সংবাদ পত্রিকা বা ওয়েবসাইটের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হবে না। তাই আমার মতে, এটি মুছে দিয়ে প্রিয় ডট কমের তথ্যসূত্রটিই যথেষ্ট হবে। আর আপনার পরামর্শ অনুযায়ী আমি যে যে তথ্যসূত্র পাই সেগুলো আপনার উপপাতায় যোগ করে দেবো। আপনি একটু দেখে পরখ করে নেবেন। - 45.125.220.162 (আলাপ) ২০:২০, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

ধ্বংসপ্রবণতা ভেবে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ[সম্পাদনা]

এই নিবন্ধ অতিবৃহৎ নিবন্ধের আকার লাভের দিকে অগ্রসর হওয়ায়, প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি ও কিছু অপ্রয়োজনীয় তথ্যের আধিক্য থাকায় এই ব্যাপরে সংস্কারের কাজ চলছে। যার ফলে শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীতে বিশদভাবে থাকা আবশ্যক নয় এমন প্রচুর তথ্য বাদ দিয়ে ফেলা হচ্ছে, আবার এর ফাঁকে নতুন তথ্য যোগও করা হচ্ছে। একে ধ্বংসপ্রবণতা ভেবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। Abtahi Lama (আলাপ) ০৫:০৫, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

কিছু মনে করবেন না, আপনি বাকশাল গঠন নিবন্ধে দ্বিতীয় বিপ্লব শব্দটি মোটা হরফে লিখেছেন এছাড়া আরও অনেক লেখা মোটা হরফে লিখেছেন, এভাবে লিখলে আরও অনেক কিছুই মোটা হরফে লেখা যায়, দয়া করে শীর্ষ অনুচ্ছেদে নাম ছাড়া সবকিছু মোটা হরফ করা থেকে বিরত থাকুন আর গুরুত্ব বোঝাতে দ্বৈত উদ্ধরণ চিহ্নসহ বাঁকা হরফ ব্যবহার করুন। জিনিসটা ধ্বংসপ্রবণতা না হলেও অতিরঞ্জন হচ্ছে। আর বাকশাল গঠন অনুচ্ছেেদের শিরোনামে আপনি দ্বিতীয় বিপ্লব শব্দটি যুক্ত করেছেন (দ্বিতীয় বিপ্লব ও বাকশাল গঠন)। বাকশাল নিয়ে স্বয়ং আওয়ামী লীগে এবং শেখ মুজিবের প্রতি অনুরাগী বহু বিশিষ্টজনের মাঝে যথেষ্ট বিতর্ক আছে আর একে দ্বিতীয় বিপ্লব নামটি শেখ মুজিবের নিজের দেওয়া, এর বাইরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে এটা নিয়ে বিস্তর আলোচনা ও সমালোচনা বিদ্যমান, তাই শিরোনামে এই অংশটি থাকা না থাকার বিষয়টি অভিজ্ঞ উইকিপিডিয়ানদের সাথে আলোচনা করে নিশ্চিত হয়ে নিন, আমার ব্যক্তিগত মতামত হল শিরোনামটি "রাজনৈতিক পুনর্গঠন ও বাকশাল গঠন" বা শুধুমাত্র "রাজনৈতিক পুনর্গঠন" বা "রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনর্গঠন" দিতে পরেন, যদি তাতে নিরপেক্ষ ভাবভঙ্গিই আনতে হয়। তবে অনুচ্ছেদের ভেতরে লেখার অংশে যেভাবে দ্বিতীয় বিপ্লবের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন, সেটা নিয়ে কারও আপত্তি থাকার কথা না, কারণ সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের দেয়া নাম বিষয়টি উল্লেখ আছে, তবে তা মোটা হরফের বদলে উদ্ধরণ চিহ্ন যোগে বাকা হরফ করে দিন। আর দয়া করে তার নামের পরিবর্তে নিবন্ধে বঙ্গবন্ধু শব্দটি ব্যবহার করবেন না, এটি তার উপাধি, নাম নয়, দরকার হলে পুরো নাম শেখ মুজিবুর রহমান ব্যবহার করুন। পাশাপাশি আপনাকে এই নিবন্ধটি অনুবাদ করার পরামর্শ দিচ্ছিঃ en:Second Revolution (Bangladesh) - 116.58.202.87 (আলাপ) ০৭:০৩, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

সম্পাদনার অনুরোধ, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

নিরপেক্ষতার স্বার্থে নিবন্ধে "রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা" অনুচ্ছেদের মাঝামাঝি মোটা হরফে লেখা "দ্বিতীয় বিপ্লব" লেখাটি মোটা হরফের বদলে উদ্ধরণ চিহ্নসহ বাঁকা হরফে করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। 116.58.204.183 (আলাপ) ১১:৩১, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

 করা হয়েছে—Wiki RuHan [ Talk ] ০৯:১০, ২ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

সম্পাদনার অনুরোধ, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

"রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা" অনুচ্ছেদে মূল নিবন্ধ টেমপ্লেটে দ্বিতীয় বিপ্লব (বাংলাদেশ) নিবন্ধের সংযোগ যুক্ত করার অনুরোধ করছি। 45.125.220.162 (আলাপ) ১৭:২১, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

 করা হয়েছে—Wiki RuHan [ Talk ] ০৯:০৯, ২ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

বঙ্গবন্ধু শব্দটির ব্যবহার[সম্পাদনা]

নিবন্ধে শেখ মুজিব বা শেখ মুজিবুর রহমান শব্দ দুটি সম্মিলিতভাবে ব্যবহার হয়েছে ২৬৪ বার, আর বঙ্গবন্ধু শব্দটি ব্যবহার হয়েছে ১৩৬ বার, অর্থাৎ মূল নাম আর উপাধি ব্যবহারের অনুপাত প্রায় ২:১। নীতিমালা অনুযায়ী বা আলোচনা সাপেক্ষে (উপাধি ব্যবহারে নীতিমালায় সঠিকভাবে চেনার প্রয়োজন বহির্ভূত ব্যবহারেও নিষেধ করা হয়েছে আবার আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিতেও সম্ভাব্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে : উইকিপিডিয়া:রচনাশৈলী নির্দেশনা/জীবনী#সম্মানসূচক উপাধি: "In general, styles and honorifics should not be included in front of the name, but may be discussed in the article. ... There are some exceptions: Where an honorific is so commonly attached to a name that the name is rarely found in English reliable sources without it, it should be included. For example, the honorific may be included for "Father Coughlin" (currently at Charles Coughlin) and Mother Teresa." এবং en:Wikipedia:Naming conventions (people)#Titles and styles: "Styles, such as "His Grace" or "HRH", are not used in the page titles of biographical articles. Honorifics and other titles such as "King", "Queen", "Blessed", "Mother", "Father", "Doctor", "Professor", etc. are not generally used to begin the titles of biographical articles, unless they are used to form the unambiguous name by which the subject is clearly best known (as in Mother Teresa, Father Damien, Mahatma Gandhi). Where such qualifiers are used, they are not abbreviated. Redirects should be created from commonly used forms containing such qualifiers; this may include abbreviated forms. For example, Blessed John Forest redirects to John Forest, and Dr Livingstone redirects to David Livingstone.") বঙ্গবন্ধু শব্দটির ব্যবহার কতটুকু বা কত অনুপাতে হওয়া উচিৎ বা না হওয়া উচিৎ। ব্যবহারকারী:আফতাবুজ্জামান, ব্যবহারকারী:NahidSultan, ব্যবহারকারী:Wikitanvir, ব্যবহারকারী:Wiki Ruhan, ব্যবহারকারী:Abtahi Lamaব্যবহারকারী:Meghmollar2017 ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আর এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতার চেয়ে রাজনৈতিক আবেগ বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে কিনা সে ব্যাপারটি বিবেচনা করার অনুরোধ করছি। 45.125.220.162 (আলাপ) ১৭:৩৪, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

সম্মানিত আইপির বক্তব্যে একটু সংশোধনী আনতে চাই। নিবন্ধে ৪২ বার বঙ্গবন্ধু শব্দটি আছে। তার মধ্যে প্রায় ১০ বার এটি উপাধি স্বরূপ উল্লেখিত হয়েছে, বিশেষণ স্বরূপ নয়। (বাকিগুলোর সংশোধন কিছুক্ষণের মধ্যেই হবে) উনি বোধ হয় তথ্যসূত্র এর বঙ্গবন্ধু শব্দগুলোকেও হিসাব করেছেন। জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি সেগুলো যেই পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল সেগুলোর শিরোনামেরই নাম। এখন সাংবাদিক প্রদত্ত শিরোনামও বিকৃত করা যাবে না। “আর এক্ষেত্রে নিরপেক্ষতার চেয়ে রাজনৈতিক আবেগ বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে কিনা সে ব্যাপারটি বিবেচনা করার অনুরোধ করছি।”- আর এই বাক্যটি আইপির বলা একেবারেই উচিত হয়নি। আমি জানি উইকিপিডিয়ার কোথায় কী ব্যবহার করা যায় আর কী করা যায় না। আর আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্য থেকে কাজটি করছি না, উইকিপিডিয়ার জন্য করছি। এটি বিস্মৃত হওয়া আইপির এই কথাটিতে বেশ আশ্চর্যান্বিত হলাম। —Wiki RuHan [ Talk ] ১৮:১১, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
রুহান ভাই, বিষয়টিকে অন্যভাবে নিবেন না দয়া করে। স্মরণ করিয়ে দিতে দোষের কিছু নেই, ইসলামের প্রধান ধর্মগ্রন্থ কোরআনে বার বার স্মরণ করিয়ে দিতে বলা হয়েছে, স্মরণ করিয়ে দেয়ায় সবসময় ভালো কিছু লুকিয়ে থাকে। 45.125.220.162 (আলাপ) ১৮:৩৩, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

“....... unless they are used to form the unambiguous name by which the subject is clearly best known (as in Mother Teresa, Father Damien, Mahatma Gandhi).” এই যুক্তিতে "বঙ্গবন্ধু" কেন সহিহ নয়? মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী- যার পরিবর্তে মহাত্মা গান্ধী বহুল ব্যবহৃত এবং উইকিপিডিয়ার নীতিই তো দেখি এই ব্যবহারকেও স্বীকৃতি দিচ্ছে। “বঙ্গবন্ধু” কি বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত মনে হয় না? আইপি মহোদয় যদি বাংলাদেশের অধিবাসী হয়ে থাকেন, তবে তো এই ব্যবহার না জানার কথা নয়। এমনকি ভারতীয় বাঙালিদের কাছেও “বঙ্গবন্ধু” অব্যবহৃত নয়। তাছাড়া, নিবন্ধে “বঙ্গবন্ধু” তুলনামূলকভাবে কম ব্যবহৃত হয়েছে শেখ মুজিব ও মুজিবের তুলনায়। বাঙালিরা সাধারণত শেখ মুজিবুর রহমানকে "বঙ্গবন্ধু" হিসেবেই বেশি উল্লেখ করে । Abtahi Lama (আলাপ) ১৯:৫৬, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

Where an honorific is so commonly attached to a name that the name is rarely found in English reliable sources without it, it should be included. For example, the honorific may be included for "Father Coughlin" (currently at Charles Coughlin) and Mother Teresa." এখানে english reliable source এর বদলে যদি বাংলা নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র ধরি তাহলে বলা যায়, বাংলা তথ্যসূত্রে যদি উপাধি ছাড়া মূল নামের ব্যবহার অপ্রতূল হয় তাহলে উপাধি বা উপাধিসহ নাম ব্যবহার করা যাবে, আমার জানামতে শেখ মুজিব কিংবা শেখ মুজিবুর রহমান নামে বাংলা তথ্যসূত্রগুলোতে তাকে উল্লেখ করা অপ্রতুল না, বরং বহুলভাবে প্রচলিত, সেজন্যই নামের বদলে বা নামের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শব্দের ব্যবহারের অপরিহার্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 45.125.220.162 (আলাপ) ০২:৪৪, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
আর সাম্প্রতিক রমজান এডিটাথনের কিছু বিধিনিষেধ উল্লেখ করলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। উইকিপিডিয়া আলোচনা:অনলাইন_এডিটাথন/২০২০/রমজান থেকে তানভির রহমান ভাইয়ের মন্তব্যঃ "....আমি এই এডিটাথনে অংশগ্রহণকারী ও পর্যালোচনাকারীদের ক্ষেত্রে একটি বিষয়ে আলোকপাত করবো। ধর্ম বিষয়ক এডিটাথনে আবেগের বশ সামলানোটা জরুরী। তাই যোগকৃত বিষয়বস্তুতে নিরপেক্ষতা ও বিশ্বকোষীয় ধাঁচ যেনো বজায় থাকে সেটি লক্ষ্য রাখার অনুরোধ। একই সাথে ধর্মীয় সম্মানসূচক যে পদবীগুলো (সা., আ., র., ইত্যাদি) ও বিশেষণ যেনো বারংবার ব্যবহৃত না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার অনুরোধ। কারও যদি সম্মানসূচক পদবী বা নাম থাকে তা নিবন্ধের তথ্যছকে বা শুরুর লেখনীতে অবশ্যই উল্লেখ থাকতে পারে, কারণ ঐ ব্যক্তির যে একটি পদবী রয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কিন্তু তাকে সবসময় সেটিসহ সম্বোধন করা উইকিপিডিয়ার নীতিবিরোধী। আমি জানি সকল অভিজ্ঞ ব্যবহারকারী-ই এসকল বিষয়ে অবগত, তারপরেও আমার আশা যে আরও নতুন ব্যবহারকারীরা এই এডিটাথনে আকৃষ্ট হয়ে অংশগ্রহণ করবেন এবং উইকিপিডিয়ার রীতি-নীতি সম্পর্কে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে এ ধরনের সম্পাদনার নির্দেশনার ব্যাপারে সঠিক দিকনির্দেশনা পাবেন। ধন্যবাদ।" একই ক্ষেত্রে উইকিপিডিয়া:অনলাইন এডিটাথন/২০২০/রমজান নাহিদ সুলতান ভাইয়ের[১] বক্তব্যঃ "নিবন্ধ সম্পাদনার সময় নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করুন। (স), (আ).. ইত্যাদি সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করবেন না। মনে রাখুন, বিশ্বকোষের নিবন্ধ সব ধর্মের পাঠকদের উদ্দেশ্যে লিখা হয়।" এবার আপনি (সাঃ) এর সাথে বঙ্গবন্ধু শব্দটি তুলনা করুন আর ধর্ম বা ধর্মীয় শব্দটির পরিবর্তে রাজনীতি বা রাজনৈতিক শব্দটি ব্যবহার করে তুলনা করুন। এবার একটু নিরপেক্ষভাবে চিন্তা করে দেখুন আপনার কি মনে হয়। 45.125.220.162 (আলাপ) ০৩:১২, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
সম্মানিত আইপি ব্যবহারকারী, নিবন্ধে “অপ্রয়োজনীয়ভাবে” ব্যবহৃত “বঙ্গবন্ধু” শব্দটি “শেখ মুজিব” অথবা “শেখ মুজিবুর রহমান” দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে। অনুগ্রহ করে যেকোনো আলোচনায় অযথা ধর্মকে টেনে আনবেন না। — আদিভাইআলাপ • ০৪:০০, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
দয়া করে প্রাপ্তি ও পুরস্কার অনুচ্ছেদে শাহাদাতবার্ষিকী শব্দটির বদলে মৃত্যুবার্ষিকী শব্দটি যুক্ত করে দিন, এটিও একটি অনিরপেক্ষ শব্দ। আর ডেইলি ক্যাম্পাস নামক ওয়েবসাইটটি তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহারের জন্য উল্লেখাযোগ্য কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন। এই ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধে তথ্যসূত্র যোগ করা হয়েছে। 45.125.220.162 (আলাপ) ০৬:৫১, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
 করা হয়েছেআদিভাইআলাপ • ০৯:০৭, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

সম্পাদনার অনুরোধ, ১৪ অক্টোবর ২০২০[সম্পাদনা]

স্বাধীনতার ঘোষণা অংশে নিম্নলিখত অংশ যোগ করার অনুরোধ করছিঃ "কিন্তু মুক্তিযুদ্ধকালীন সামরিক কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের সাবেক পরিকল্পনা মন্ত্রী বীর উত্তম আবদুল করিম খন্দকার ২০১৪ সালে লিখিত ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে গ্রন্থে লেখেন, শেখ মুজিব ৭ই মার্চ থেকে শুরু করে গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত স্বাধীনতার কোন ঘোষণা দিয়ে যান নি, কোন লিখিত চিরকুট বা রেকর্ডকৃত কণ্ঠবার্তাও রেখে যান নি এবং পূর্বনির্ধারিত কোন দিকনির্দেশনাও দিয়ে যান নি।[১] তার মতে,

একদিন আমি তাকে (তাজউদ্দীন আহমেদকে) জিজ্ঞেস করেছিলাম, “স্যার, বঙ্গবন্ধু গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আপনি কি তার কাছ থেকে কোনো নির্দেশ পেয়েছিলেন?' উত্তরে তিনি বলেছিলেন, 'না, আমি কোনো নির্দেশ পাইনি।' ওই রাতে বঙ্গবন্ধু সবাইকে আত্মগোপন করার কথা বলেন, অথচ তিনি কোথায় যাবেন, সে কথা কাউকে বলেননি। যদি তিনি গ্রেপ্তার হন, তাহলে দলের নেতৃত্ব কী হবে, তা-ও তিনি কাউকে বলেননি।.... সাংবাদিক মঈদুল হাসান বলেন : ২৫-২৬ মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমান যে পাকিস্তানিদের হাতে বন্দী হবেন, তিনি যে বাড়িতেই থাকবেন--এই সিদ্ধান্তটা তিনি দলের নেতৃস্থানীয় কারও সঙ্গে আলাপ করেননি। তেমনি বলে যাননি যে তিনি না থাকলে কে বা কারা নেতৃত্ব দেবেন এবং কোন লক্ষ্যে কাজ করবেন। নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য কি কোনো আলাদা কমিটি করতে হবে? তাদের কৌশলটা কী হবে? এঁদের কি কোনো কর্মসূচি থাকবে? সেখানে দলের প্রবীণদের কী ভূমিকা হবে, তরুণদেরই বা কী ভূমিকা হবে-এসব কোনো প্রশ্নের উত্তরই কারও জানা ছিল না।...মুক্তিযুদ্ধকালে আমিও একদিন তাজউদ্দীন আহমদকে ২৫ মার্চের রাতের ঘটনা নিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তাজউদ্দীন আহমদ স্বীকার করেছিলেন, সেই খসড়া ঘোষণাটি তার নিজের লেখা ছিল এবং তিনি বঙ্গবন্ধুকে খসড়া ঘোষণাটি পাঠ করার প্রস্তাব করেছিলেন।....তাজউদ্দীন আহমদ বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন, “মুজিব ভাই, এটা আপনাকে বলে যেতেই হবে। কেননা কালকে কী হবে, যদি আমাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়? তাহলে কেউ জানবে না যে আমাদের কী করতে হবে? এই ঘোষণা কোনো গোপন জায়গায় সংরক্ষিত থাকলে পরে আমরা ঘোষণাটি প্রচার করতে পারব। যদি বেতার মারফত কিছু করা যায়, তাহলে সেটাও করা হবে।' বঙ্গবন্ধু তখন প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন, 'এটা আমার বিরুদ্ধে একটা দলিল হয়ে থাকবে। এর জন্য পাকিস্তানিরা আমাকে দেশদ্রোহের বিচার করতে পারবে।'[১]

কিন্তু প্রকাশের পরপর সমসাময়িক আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মাঝে এবং সংসদ অধিবেশনে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয় এবং লেখক ও বইটির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তথ্য বিকৃতির অভিযোগে মামলা করা হয়[২], এবং প্রথমদিকে অনড় অবস্থায় থাকলেও পরবর্তীতে লেখক বইটির উক্ত অংশ ও তৎসংশ্লিষ্ট আরও কিছু অংশ প্রত্যাহার করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন[৩] ও ২০১৯ সালের ১১ই আগস্ট এর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে শেখ মুজিবের ব্যপারে ভুল তথ্য দেওয়ার জন্য জাতির নিকট ক্ষমা প্রার্থনা ঘোষণা করেন।[৪]" 45.125.220.162 (আলাপ) ০৭:০৩, ১৪ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

এত বড় অংশ বই থেকে টুকে দিতে আমার আপত্তি রয়েছে। এটিকে সংক্ষেপে লেখা উচিত। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২০:৩৫, ১৪ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@আফতাবুজ্জামান: ছোট করেছি, আরও ছোট করতে হলে বলেন। আর কারাভোগ অনুচ্ছেদটি মুক্তিযুদ্ধ ও বন্দীজীবন অনুচ্ছেদের পরে দিলে ভালো হয়। 116.58.203.127 (আলাপ) ০৩:৪২, ১৫ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
এই পুরো অংশটি নিবন্ধে বিশ্বকোষীয় মূল্য সংযোজন করে না। এটির সরমর্ম হলো - একজন বই প্রকাশ করে এক তথ্য দিয়েছেন এবং পরে তিনি সমালোচনার মুখে তথ্যটি বর্জন করে ভুল স্বীকার করেছেন। সুতরাং বাক্যটি এভাবে দেওয়া যায়, “স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সামরিক কর্মকর্তা ও আওয়ামী লীগের সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল করিম খন্দকার ২০১৪ সালে লিখিত ১৯৭১ : ভেতরে বাইরে গ্রন্থে দাবী করেন, শেখ মুজিবুর রহমান ৭ই মার্চ থেকে ২৫শে মার্চ গ্রেপ্তারের পূর্ব পর্যন্ত স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি। গ্রন্থটি প্রকাশের পর লেখক ও বইটির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক তথ্য বিকৃতির অভিযোগে মামলা হয় এবং সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখক দুঃখ প্রকাশ করে তথ্যটি প্রত্যাহার করে নেন।” ~ যুদ্ধমন্ত্রী আলাপ ০৯:২৫, ২০ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
দেওয়া যায়। আর সাথে বই উদ্ধৃতি টেমপ্লেটে quote অংশে প্রথমে যেভাবে দিয়েছিলাম, সেভাবে অসংক্ষিপ্ত পুরোটা উক্তিই দিয়ে দেওয়া যায়। আর তাজউদ্দিন আহমেদ ও মঈদুল হাসানের উদ্ধৃতি দিয়ে দাবি করেন বললে বিষয়টি আমার মতে আরও বিবৃত ও স্পষ্ট হবে।116.58.205.50 (আলাপ) ১১:৫৫, ২০ অক্টোবর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
করা হয়নি। --আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ২২:৫০, ২০ এপ্রিল ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

তথ্যসূত্র

  1. খন্দকার, এ কে (২০১৪)। ১৯৭১: ভেতরে বাইরে। প্রথমা প্রকাশন। পৃষ্ঠা ৩১–৫৬। আইএসবিএন 978-984-90747-4-8। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২০ 
  2. "Court summons AK Khandaker"banglanews24.com। ১১ জুন ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২০ 
  3. "AK Khandker revises his book"Dhaka Tribune। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২০ 
  4. প্রতিবেদক, নিজস্ব। "জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন এ কে খন্দকার"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০২০ 

সম্পাদনার অনুরোধ, ১১ নভেম্বর ২০২০[সম্পাদনা]

নিবন্ধের তথ্যছকের পর টেমপ্লেট:শেখ মুজিবুর রহমান ধারাবাহিক যুক্ত করার অনুরোধ জানাচ্ছি। 45.125.220.162 (আলাপ) ১৬:০৮, ১১ নভেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

 করা হয়েছে। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ০২:৫৩, ৩ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

নির্বাচিত নিবন্ধ তৈরির প্রক্রিয়ায় আপাত তথ্যসূত্রহীন অপসারিত বাক্য সংরক্ষণ[সম্পাদনা]

নির্বাচিত নিবন্ধ তৈরির প্রক্রিয়ায় আপাতত সহজলভ্য কোনো তথ্যসূত্র ও স্বচ্ছ ধারণা না পাওয়ায় নিম্নোক্ত লাইনগুলো তারিখ অনুসারে সংরক্ষণ করা হলো। আপনি তথ্যসূত্র প্রদান করে এই বাক্যগুলোকে নিবন্ধে অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করতে পারেন।

এই হাসান হল মুবাশির হাসান (en:Mubashir Hassan) (ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় আগে শুধু হাসান দেওয়া ছিল, সংযোগ ছিল না, এখন দেখলান পুরো নাম মুবাশির হাসান দেওয়া আছে, সাথে নিবন্ধের সংযোগও দেওয়া আছে।) 103.67.157.78 (আলাপ) ১১:৩৬, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
 করা হয়েছে। — আদিভাইআলাপ • ১২:১৭, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
এই তথ্য খুঁজে পাই নি, আর তথ্যটার গুরুত্ব কোথায় সেটাই আমি বুঝতে পারছি না, প্লেনের কোম্পানির সাথে রাজনীতির কি সম্পর্ক? 103.67.157.78 (আলাপ) ১১:৪১, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
  • "সেনা অভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমানসহ ১৪ জন<!-- তালিকা --> সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। বাকিরা বিদেশে পালিয়ে গিয়েছিলেন।" অনুচ্ছেদ: প্রতিক্রিয়া ও বিচার। — আদিভাইআলাপ • ০৬:৩৭, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

নিবন্ধের মালিকানা[সম্পাদনা]

মেঘমল্লার ভাই, আপনি দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগ হয়ে গেছেন, আওয়ামী লীগ মনে করে শেখ মুজিব তাদের সম্পত্তি। আপনিও কি এই নিবন্ধটি আপনার সম্পত্তি মনে করেন নাকি যে, যে-ই সম্পাদনা করে না কেন আপনি পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেন! আপনি কি এই নিবন্ধের মালিকানা নিয়েছেন নাকি? নবাব (আলাপ) ১৩:৪৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

প্রথমত আমি ঝগড়ার মুডে নাই। আপনার সম্পাদনা কেন প্রত্যাখ্যান করেছি, তার ব্যাখ্যা আপনার আলাপ পাতায় দিয়েছি। দ্বিতীয়ত মালিকানার প্রশ্ন আসে না এবং আমি তার দাবিও করছি না। তৃতীয়ত প্রয়োজন ছাড়া আমি কারও সম্পাদনা প্রত্যাখ্যান করছি না। আপনার আগে এই সপ্তাহেই অনেকে সম্পাদনা করেছেন, যেগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। এবং সর্বশেষ বিষয়টি হলো, এটি একটি আলোচনা পাতা, তাতে র‍্যাশনালি চিন্তা করে সুচিন্তিত মত দিন। ব্যক্তি আক্রমণ থেকে বিরত থাকুন। ধন্যবাদ। — আদিভাইআলাপ • ১৪:০৪, ১৪ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

গুপ্তহত্যা বনাম হত্যাকাণ্ড[সম্পাদনা]

@Meghmollar2017: সুপ্রিয় আদিব ভাই, কিছুদিন আগে আমি এই নিবন্ধের তথ্যছকে "মৃত্যুর কারণ"-এ গুপ্তহত্যার বদলে হত্যাকাণ্ড লিখেছিলাম। কিন্তু আপনি তা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নিয়েছেন। (নবাব সাহেবের বক্তব্য দেখে ইতিহাস ঘেঁটে জানতে পারলাম) হত্যাকাণ্ড আর আর গুপ্তহত্যার মধ্যে একটা পার্থক্য রয়েছে। আব্রাহাম লিঙ্কন, ইন্দিরা গান্ধী, মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যু হয়েছে গুপ্ত হত্যায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু সেভাবে নয়। সঙ্গবদ্ধ ভাবে একদল মানুষ বাড়িতে হামলা করে হত্যা করেছে এবং তা প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছে। তাই আমার মনে হয় এখানে "হত্যাকাণ্ড"ই যথাযথ। ধন্যবাদ।≈ MS Sakib  «আলাপ» ০৬:৩৩, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

এমনকি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধের নামও হত্যাকাণ্ড। তাই আমি আবার হত্যাকাণ্ড লিখেছি। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ০৬:৪৯, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@MS Sakib এবং নবাব: অভিযোগ ভালো, কিন্তু আক্রমণ নয়। ছাকিব তোমার আর নবাব ভাইয়ের সম্পাদনার ধরন ভিন্ন। প্রত্যাখ্যানের সময় সারাংশে আমি তার ব্যাখ্যা দিয়েছি এবং এর কারণ আলাপ পাতায় বলেছি। নবাব ভাই কোনো কারণ ছাড়াই তথ্যছক থেকে শেখ হাসিনা বাদে সবার নাম মুছে দিয়েছেন, এবং মূল্যায়নকে "সম্মাননা" করে দিয়েছেন। উনাকে বার্তা দেওয়ার পরেও উনি শান্তিপূর্ণ আলোচনায় না এসে পালটা আক্রমণাত্মক ভঙ্গি দেখিয়েছেন। এই ধরনের হঠকারী সিদ্ধান্তে আমি গঠনমূলক কিছু দেখি না। এর সাথে তোমার সম্পাদনার কোনো তুলনা চলে না। গুপ্তহত্যা আর হত্যাকাণ্ডের মধ্যে পার্থক্য আছে। শেখ মুজিবুর রহমান (ইংরেজি)ইন্দিরা গান্ধী (ইংরেজি) উভয়কেই হত্যা করা হয়েছিল, যাকে বলে Assassination (সাধারণ পরিভাষা "গুপ্তহত্যা"[১][২])। অন্যদিকে বাংলা উইকিপিডিয়ায় সকলক্ষেত্রে "হত্যাকাণ্ড" (Massacre[১][২]) ব্যবহার করা হয়েছে। দুইটি টার্মের পার্থক্যে বলা যায়, A massacre is a killing, typically of multiple victims, considered morally unacceptable, especially when perpetrated by a group of political actors against defenseless victims. এবং Assassination is the act of deliberately killing a prominent person. নিবন্ধের শিরোনামে কোনো কারণে "হত্যাকাণ্ড" থাকলেও মূল নিবন্ধে বিষয়বস্তুর আলোচনায় ব্যাখ্যামূলক সংজ্ঞার্থ থাকা বাঞ্ছনীয়। — Meghmollar2017আলাপ • ০৬:৫৯, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
 তথ্যসূত্র:—
  1. বাংলা একাডেমি ইংরেজি-বাংলা অভিধান
  2. বাংলা একাডেমি বাংলা-ইংরেজি অভিধান
পুনশ্চঃ আলোচনা চলাকালীন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে সম্পৃক্ত ব্যক্তি হিসেবে কোনো আলোচ্য পরিবর্তন নীতিমালার লঙ্ঘন। তোমার সম্পাদনা আমি অপসারণ করবো না, তাতে নির্বাচিত নিবন্ধ করার প্রক্রিয়া আটকে যাবে। আশা করি, সেটা নিজেই করবে। আলোচনা শেষ হোক। ঐকমত্যের সিদ্ধান্ত আমি মেনে নেবো, হঠকারিতা না। — Meghmollar2017আলাপ • ০৬:৫৯, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: নীতিমালা লঙ্ঘিত হওয়ায় দুঃখিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। ইংরেজিতে একই নাম ব্যবহৃত হলেও লক্ষ্য করলে দেখবেন দুজনের হত্যাপ্রক্রিয়া এক নয়। হত্যাকাণ্ডের সংজ্ঞায় থাকা multiple victims বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রে খাটে, কিন্তু ইন্দিরা গান্ধীর ক্ষেত্রে খাটেনা। তাই ওটা গুপ্তহত্যা হলেও বঙ্গবন্ধুর ক্ষেত্রে গুপ্তহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নিয়ে আলোচনার অবকাশ আছে। বঙ্গবন্ধুর হত্যার ক্ষেত্রে ২-১ জন সম্পৃক্ত ছিলনা। এর একটা সেনা group সহ political actors-ও ছিল। তাই আপনার প্রদত্ত সংজ্ঞা থেকে এটাকে হত্যাকাণ্ড-ই মনে হচ্ছে। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ০৭:১৭, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@MS Sakib: সাধারণ সংজ্ঞার্থে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (এক্ষেত্রে রাষ্ট্রনেতা) হত্যাকে অ্যাসাসিনেশন (গুপ্তহত্যা) বলে। সপরিবারের রাষ্ট্রনেতার হত্যাকাণ্ডের আরেকটি উদাহরণ দেওয়া যায় প্রতিবেশী নেপালে রাজা বীরেন্দ্র'র হত্যাকাণ্ড। দুইটির মধ্যে পার্থক্য হলো একটি সংঘবদ্ধ পূর্বপরিকল্পিত হত্যা, কিন্তু অন্যটি নয়। দুইটিতে গুলিয়ে ফেললে তো চলে না। — Meghmollar2017আলাপ • ০৭:২৯, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: সাধারণত গুপ্ত হত্যা বলতে কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে (মূল উদ্দেশ্য তাকেই হত্যা করা) আচমকা হত্যাকরাকে বুঝায়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে দেখবেন, এখানে উদ্দেশ্য শুধু তাকেই হত্যা করা নয়। তাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। এখানে কেউ কেউ বলতে পারে, একই বাড়িতে থাকায় হত্যার পথ মসৃণ করতে অন্যদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু একই সাথে আরও দুই বাড়িতে (ফজলুল হক মণি এবং আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়িতে) হামলা করে একাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়। অর্থাৎ, লক্ষ্য শুধু বঙ্গবন্ধুই ছিলেন না বরং তার নিজ পরিবার এবং প্রভাবশালী নিকটাত্মীয়। এখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে শুধু কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নয় বরং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির পাশাপাশি multiple victims ছিল।গুপ্তহত্যা সাধারণ একজন ভিক্টিম থাকে (ব্যতিক্রম থাকতে পারে)। আর massacre এর মূল "থিম"ই হচ্ছে multiple victims। এক্ষেত্রে মিল পাওয়া যায় রাজা বীরেন্দ্র'র হত্যাকাণ্ডের সাথে। ইংরেজিতে এক্ষেত্রে massacre ব্যবহৃত হয়েছে। আপনি দুইটির মধ্যে পার্থক্য হিসেবে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকে নিয়ে এসেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা যে পূর্বপরিকল্পিত তাতে কারও কোন সন্দেহ নেই। আবার রাজার আয়োজিত "পার্টি"তে রাজা সহ রাজপরিবারের অনেকজনকে হত্যা করা পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া কোনভাবেই সম্ভবনা। তাই দুটোর মধ্য পার্থক্য খুব বেশি নেই। তাই উভয় ক্ষেত্রেই হত্যাকাণ্ড ব্যবহার করাটাই আমার কাছে যৌক্তিক মনে হচ্ছে। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১১:০৪, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@MS Sakib: গুপ্ত হত্যা বলতে কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে (মূল উদ্দেশ্য তাকেই হত্যা করা) "আচমকা হত্যা করা"কে বুঝায় না। গুপ্তহত্যায় পূর্বপরিকল্পনা থাকে; ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে কখনো কখনো লোক ভাড়া করে গুপ্তহত্যা করা হতো, এখনও হয়৷ এটি "গোপনে" হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। (আমার ধারণা হয় "গুপ্ত" শব্দের কারণেই তোমার আপত্তি। সময়ের সাথে শব্দের অর্থ পালটে যায়।) [আমার জানা মতে,] নেপালের যুবরাজের হত্যা করার কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এতে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ছিল না, কারণ যুবরাজ নিজেই নিজের গুলিতে মারা গেছিলেন। তোমার মূল পয়েন্ট হলো Multiple victims হলে অ্যাসাসিনেশন হবে কিনা, সেটা বিচার করলে মূল বিষয় থেকে সরে আসা হয়। কয়েকটি অভিধানের সংজ্ঞার্থ দেখা যাক।
assassination (গুপ্তহত্যা)
​the murder of an important or famous person, especially for political reasons.ক্যামব্রিজ অভিধান, অক্সফোর্ড অভিধান
massacre (হত্যাকাণ্ড)
massacre somebody to kill a large number of people, especially in a cruel way. অক্সফোর্ড
তাছাড়া এখানে দুই শব্দের মধ্যে কিছু পার্থক্য দেওয়া আছে, যেখান থেকে স্পষ্ট "শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি"কে রাজনৈতিক কিংবা আদর্শবাদের কারণে হত্যা করা মানেই অ্যাসাসিনেশন (গুপ্তহত্যা; এক্ষেত্রে পারিভাষিক অর্থ একই)। বাংলা নিবন্ধের শিরোনাম "হত্যাকাণ্ড" [হয়তো শুনতে ভালো লাগে, তাই] রাখা হলেও নিবন্ধে মূল বিষয়ের বিস্তারিত বিষয়ের ব্যাখ্যা রাখাটাই ভালো হবে। তাছাড়া নিবন্ধটি শুধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিষয়ে। — Meghmollar2017আলাপ • ০৩:২৫, ২০ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@Meghmollar2017: আপনার উপরের বক্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে "গুপ্তহত্যা" শব্দের আভিধানিক অর্থ বিবেচনা করলে এক্ষেত্রে "গুপ্তহত্যা" শব্দটি ব্যবহারের পক্ষে বেশ ভালো যুক্তি রয়েছে। হত্যার উদ্দেশ্য গুপ্তহত্যার সাথে মিললেও, হত্যাপ্রক্রিয়া কতটা গুপ্তহত্যার সাথে সামর্থক সেটা নিয়ে আরও আলোচনার অবকাশ আছে।

তবে প্রায়োগিক দিক চিন্তা করলে এক্ষেত্রে গুপ্তহত্যা শব্দটি "কেমন যেন লাগে"। প্রথমত, এই ঘটনাটি অন্যান্য গুপ্তহত্যার (যেমন, মহাত্মা গান্ধী, ইন্দিরা গান্ধী, লিয়াকত আলী খান, আব্রাহাম লিংকন, কেনেডি) মতো নয়। একাধিক সেনা ইউনিট মিলে রাষ্ট্রপতি এবং তার একাধিক নিকটাত্মীয়ের বাড়তে আক্রমণ করে রাষ্ট্রপতি সহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করাকে গুপ্তহত্যা বলাটা প্রায়োগিক দিক থেকে আমার কাছে যথাযথ মনে হচ্ছে না।

শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড নিবন্ধ অনুযায়ী, "মুজিবের বাসভবনের রক্ষায় নিয়োজিত আর্মি প্লাটুন প্রতিরোধের কোনো চেষ্টা করে নি।", "মুজিবকে পদত্যাগ করা ও তাকে এ বিষয়ে বিবেচনা করার জন্য বলা হয়।" আবার বঙ্গবন্ধু পরিস্থিতি প্রতিকূলে থাকায় সাহায্যের জন্য কর্নেল জামিলকে ফোন করেন। এমনকি বঙ্গবন্ধু সেনাপ্রধান শফিউল্লাহকেও ঘটনা জানান। (সূত্র: তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা) বাড়িতে হামলার আধা ঘণ্টারও বেশি সময় (সঠিক সময় মনে নেই) পর তাকে হত্যা করা হয়।

বাড়ি আক্রমণের পর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার আগেই আশেপাশের বাড়ির মানুষজন ঘটনা জানতে পারে। আবার হত্যার পর, ঘাতকদল রেডিওতে তা প্রচার করেছে।

ফলে ঘটনাটা আর কতটা "গুপ্ত" সেটাও বিবেচনার বিষয়। সবশেষে হত্যা প্রক্রিয়ার কারণে আমি এক্ষেত্রে "হত্যাকাণ্ড" কিংবা শুধু "হত্যা" ব্যবহারের পক্ষে মত দিচ্ছি। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১১:১৯, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@MS Sakib: গুপ্তহত্যা এখন আর গুপ্ত হয় না, ঠিক সেরকমভাবেই, যেভাবে assassinরা এখন আর [তাদের নাম সার্থক করতে] খুন করতে যাওয়ার আগে Hassiss (হাশিশ) খায় না! :) তবে হত্যাকাণ্ড ও গুপ্তহত্যার মধ্যকার মূল পার্থক্যটাই হলো যে, গুপ্তহত্যায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে মারা হবে। এছাড়া আর-আর পার্থক্যগুলো নিয়ে মতভেদ রয়েছে এবং সবগুলো অভিধানে সেগুলোকে পাওয়া যায় না। কাজেই বিবেচনায় আনতে গেলে এটিই সবচেয়ে বড় পয়েন্ট। — Meghmollar2017আলাপ • ১১:২৫, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: আভিধানিক ব্যাখ্যায় যদিও গুপ্তহত্যায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে মারার কথা আছে, তবুও অন্যান্য ক্ষেত্রে এটা শতভাগ যথাযথ হলেও এখানে তেমনটা না। হত্যাকাণ্ডের প্রায় সব শর্ত পূরণ করলেও শুধু এই কারণে এটাকে গুপ্তহত্যা বলা হচ্ছে। কিন্তু গুপ্তহত্যা্র বেশিরভাগ প্রচলিত শর্তই মানছেনা। তাই আমার মতামত হত্যাকাণ্ডের পক্ষেই। তাছাড়া এটা যেহেতু নিবন্ধের নামের মতো খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছুনা, শুধু তথ্যছকের "মৃত্যুর কারণ"-এর মতো ছোট একটি বিষয়, তাই "গুপ্তহত্যা" এবং "হত্যাকাণ্ড" দুটোকেই সমর্থন করে এমন শব্দ হত্যা ব্যবহার করা যেতে পারে। ≈ MS Sakib  «আলাপ» ১৩:০৮, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
আমার মতে এটি গুপ্তহত্যা। কেননা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়নি। খুনীরা পরবর্তীতে এই হত্যার দায় প্রকাশ্যে স্বীকার/প্রচার করেছিল কিনা, তা আপাতত বলতে পারছিনা। কিন্তু হত্যাটি হয়েছিল কিন্তু লোকচক্ষুর অন্তরালেই, গোপন একটি ব্লু-প্রিন্টের মাধ্যমে; অর্থাৎ, যারা এই হত্যাটি করবে 'তারা' ও যারা তাদের সাথে সামিল ছিল, 'তার'-ই শুধু জানতো যে ঘটনাটি ঘটবে। এছাড়া অন্য কেও জানতোনা কি হতে চলেছে, জানলে হয়তো ঘটনাটিই ঘটতো না। তাই স্পষ্টতই বলা যায় হত্যাটি ছিল আসলে গুপ্তহত্যা। আরেকটি কথা হলো, হত্যা গোপনে করা হোক বা প্রকাশ্যে, সেটিকে হত্যাকাণ্ডই বলা হবে। তবুও, ঘটনাটির সুস্পষ্ট ব্যাখ্যার জন্য গুপ্তহত্যা-ই উত্তম। ~ নাহিয়ান আলাপ ১৩:২৬, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@MS Sakib: এমনিতে গুপ্তহত্যা হোক কিংবা হত্যাকাণ্ড, এমন কিছুই যায় আসে না। হত্যাটি গুপ্তহত্যা ছিল, আবার গুপ্তহত্যা মানেই হত্যাকাণ্ড; তাই না? নিবন্ধের শিরোনাম, মিডিয়া কাভারেজ সব কিছুতে মুজিব হত্যাকাণ্ড ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্বকোষীয় নিবন্ধের অভ্যন্তরভাগে অবশ্যই সংজ্ঞামূলক ব্যাখ্যা থাকা উচিত। হত্যা (killing কিংবা murder) ব্যবহার করলে সেটি হয় না। উপরন্তু হত্যাকাণ্ড ও গুপ্তহত্যার মধ্যে যে একমাত্র (কিংবা মূল) পার্থক্য, তাতে এটি গুপ্তহত্যাই তো মনে হচ্ছে। ঘুরেফিরে একই বিষয় আসছে। তাই আমার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আর কথা বাড়াব না, নয়তো আবার সেই অহেতুক কুতর্ক হবে। নাহিয়ান যেরকম বললো, সেরকম করে হত্যাকাণ্ডের পক্ষেও আরো ভালো জনমত গঠন হওয়া দরকার। নয়তো পরিবর্তনের পক্ষপাতী নই। আপাতত নিয়মানুসারে, এক সপ্তাহ নাগাদ অপেক্ষা করে দেখা যাক, নতুন কেউ কোনো মন্তব্য কিংবা যুক্তি উপস্থাপন করে কিনা। সেটাই মনে হয় ভালো হবে। @Nahian:, এ বিষয়ে তোমার কোনো মন্তব্য? — Meghmollar2017আলাপ • ১৩:৪৩, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@Meghmollar2017: হত্যাকাণ্ড কোন শ্রেণি হলে, গুপ্তহত্যা হবে তার উপশ্রেণি। আর এই নিবন্ধে উপযুক্ত হবে গুপ্তহত্যা; কেন হবে তার ব্যাখা উপরে বলেছি। কিন্তু তবুও, তোমাতে-আমাতে মিলেই আমরা কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত উপনীত হতে পারিনা। সাকিব আমাদের থেকে আরো ছোট। অভিজ্ঞতার স্বল্পতার কারণে হলেও আমাদের তিনজনের সিদ্ধান্তেই কোন ভুল হলেও হতে পারে। তাই অভিজ্ঞ কারও মতামত নিয়ে তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যেতে হবে। তবে আমার সমর্থন গুপ্তহত্যা 'র পক্ষে। ~ নাহিয়ান আলাপ ১৩:৫৩, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

এটি আমার কাছে অবোধগম্য কেন সব ক্ষেত্রে আমাদের ইংরেজি দেখতে হবে। ইংরেজিতে কি আছে তা আমাদের এই ক্ষেত্রে দেখার দরকার নেই বলে মনে করি। হত্যাকাণ্ড শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আমি যে অর্থ বুঝি তা হল হত্যাকাণ্ড = হত্যা করার একটি ঘটনা। এছাড়া এই পর্যন্ত আমি এই হত্যা নিয়ে যত লেখা পড়েছি সব জায়গা হত্যা, হত্যাকাণ্ড লিখতে দেখেছি। এখন যদি একে উইকিতে গুপ্তহত্যা লেখা হয় তবে এই ক্ষেত্রে এটি প্রচলিত শব্দ, মতের বাইরে গিয়ে উইকিপিডিয়ানদের গবেষণার মত হয়ে যায়। আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ০৪:৪৬, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@আফতাবুজ্জামান: ভাইয়া, দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলা একাডেমির আধুনিক বাংলা অভিধান, ব্যবহারিক বাংলা অভিধান, সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান কোনোটিতেই "গুপ্তহত্যা" বলে কোনো ভুক্তিই নেই। তাহলে কী এই নামে কোনো শব্দ নেই? আবার দেখুন পরিভাষাকোষ ও ইংরেজি-বাংলা অভিধানে Assassination এর বাংলা অর্থ দেখিয়েছে "গুপ্তহত্যা"। আবার বাংলা-ইংরেজি অভিধানে "গুপ্ত" শব্দের উপভুক্তি হিসেবে "গুপ্তহত্যা" এসেছে৷ যার সমার্থক ইংরেজি শব্দ হিসেবে দিয়েছে murder, assassination। দ্বিতীয়ত, বাংলায় কোনো বিখ্যাত লেখক বা সংগঠন কর্তৃক গুপ্তহত্যা কিংবা হত্যাকাণ্ডের পার্থক্যজ্ঞাপক গবেষণাধর্মী কোনো লেখা কিংবা রচনা খুঁজে পাই নি। তাই ইংরেজিতে ভুক্তিগুলোর পার্থক্য খোঁজা। আমার কাছে গুপ্তহত্যা, হত্যাকাণ্ড - যাই রাখা হোক একই বিষয়ই হবে। তবে আলোচনায় উভয় পক্ষের যুক্তি এবং মতপার্থক্য খুঁটিয়ে না দেখে মন্তব্যও তো করতে পারতাম না। আরেকটি বিষয় লক্ষণীয় যে, আধুনিক বাংলা অভিধানে "গুপ্তঘাতক" শব্দের অর্থ দেওয়া আছে- যে গোপনে হত্যা করে। আবার বাংলা-ইংরেজি অভিধানে গুপ্তঘাতকের সংজ্ঞা এসেছে, person who commits a secret murder, one who murders a person for political reasons or reward, assassin। ইংরেজি উইকিতে যে নামটি ব্যবহার করা হয়েছে, পরিভাষাকোষ অনুযায়ী সেটি "গুপ্তহত্যা"। ইংরেজি উইকিকে একপাশে সরিয়ে রাখা গেলেও বাংলা একাডেমির প্রকাশনাকে সরিয়ে রাখা যাবে না। এখানে আমাদের ব্যক্তিগত গবেষণার সুযোগ নেই। আমি আমার সামনে যে নথিগুলো এসেছে সেগুলো উপস্থাপন করেছি মাত্র। — Meghmollar2017আলাপ • ০৫:০৯, ২৩ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
  • @আফতাবুজ্জামান এবং MS Sakib: এক মাস পরেও এখানে নতুন কোনো মন্তব্য আসে নি। আমার মনে হয়, "গুপ্তহত্যা"কে "হত্যাকাণ্ড" হিসেবে পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আমি নিবন্ধে "গুপ্তহত্যা" পুনরায় স্থাপন করছি। — Meghmollar2017আলাপ • ০৮:০৫, ২৪ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

তথ্য যুক্তকরণ[সম্পাদনা]

@Meghmollar2017:, চলচ্চিত্র অনুচ্ছেদে টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই৫৭০ চলচ্চিত্র-এর কথা যুক্ত করে দিতে পারেন। ‍‍‍‍~ ফায়সাল বিন দারুল (২০২০) ১৭:০৪, ২১ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@FaysaLBinDaruL: করা যায়। তবে কিনা শেখ মুজিবকে নিয়ে অনেক চলচ্চিত্র আছে, সবগুলোকে একটি নিবন্ধেই রাখা যায় না। তবে আপনার দেওয়া নিবন্ধগুলো কনটেক্সট অনুসারে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো রাখা যাবে। তবে মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা দরকার। সুব্রতদা এমনিতেই এক দফা পরিষ্করণ ট্যাগ লাগিয়ে দিয়েছিলেন, কারণ নিবন্ধের "অধিকাংশগুলো"ই এখনও মুক্তি পায় নি। তাই আপনি আপাতত জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে শেখ মুজিবুর রহমান নিবন্ধে যোগ করে দিন। চলচ্চিত্রগুলো মুক্তি পাওয়া সাপেক্ষে এই দুইটি নিবন্ধে যোগ করে দেবেন। (আপনিই করে দেবেন, আমাকে বলতে হবে না।) :) — Meghmollar2017আলাপ • ১৭:১৭, ২১ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017 আমিও ছবি মুক্তির পর যোগ করার পক্ষে, নিশ্চিত না হয়ে যোগ করতে চাচ্ছিলাম না। আপনার সাথে একমত। ধন্যবাদ। ‍‍‍‍~ ফায়সাল বিন দারুল (২০২০) ১৯:২৩, ২১ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল[সম্পাদনা]

শেখ মুজিবুর রহমানের মরদেহকে ৫৭০ সাবান দিয়ে গোসল দেওয়া হয়েছিল, তথ্যটি কি নিবন্ধে স্থান পাওয়ার যোগ্য? 43.245.122.130 (আলাপ) ১৯:১৫, ২১ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@43.245.122.130: না। ~ নাহিয়ান আলাপ ১১:৪৮, ২২ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

তথ্যছক প্রসঙ্গে[সম্পাদনা]

@Wiki Ruhan, Meghmollar2017, এবং Abtahi Lama: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী, ৫৬ সালের প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রী এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় আইনসভার সদস্য ছিলেন। এগুলো কি তথ্যছকে যোগ করা হবে না? ≈ MS Sakib  «আলাপ» ০৫:১৬, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@MS Sakib: বিষয়টি আলোচনাসাপেক্ষ। তথ্যছকটি এমনিই অনেক বড় হয়ে গেছে। তাছাড়া এইসকল পদে শেখ মুজিবের পর কে ছিলেন, পূর্বে কে ছিলেন, সেসব তথ্য পাওয়া যায় না। @আফতাবুজ্জামান: ভাইয়ের মন্তব্যও কামনা করছি। রুহান, আবতাহীকে তো পিং করা হলোই। — Meghmollar2017আলাপ • ০৫:২০, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
ইচ্ছা। দিলেও চলে, না দিলেও চলবে। আফতাবুজ্জামান (আলাপ) ১৯:৫৩, ২৮ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
বর্তমানে তথ্যছক সংক্ষিপ্ত করার জন্য দেওয়া হয়নি। সাকিব চাইলে তুমি দিয়ে দাও (যুক্তফ্রন্ট আর ৫৬ সালেরটা শুধু)। শুভকামনা।—Wiki RuHan [ Talk ] ১৩:৪৬, ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

বেলুচিস্তানের কসাই টিক্কা খান[সম্পাদনা]

আচ্ছা, ইংরেজি উইকিপিডিয়ায় en:1970s operation in Balochistan এখানে দেখলাম, বেলুচিস্তানের অপারেশন সঙ্ঘটিত হয় ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত, তাহলে বেলুচিস্তানের কসাই নামটিও টিক্কা খানের অন্তত ১৯৭৩ সালে পাওয়ার কথা, তাহলে এই নিবন্ধের ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের প্রেক্ষাপটে টিক্কা খানের আগে "বেলুচিস্তানের কসাই নামে খ্যাত" কথাটি কি প্রাসঙ্গিক হবে? এখানে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে সেটি তো ঘটনা ঘটার আগেই ভবিষ্যতের রটনা করা হয়ে গেলো, আর টিক্কা খান বাংলার কসাই নাম পেয়েছিলেন, সেটিও অপারশন সার্চলাইটে তার নেতৃত্বের কারণে মানে অপারেশন সার্চলাইটের পরে, তাই এখানেও তো ঘটনা ঘটার আগে বাংলার কসাই নামটিও যদি ব্যবহার করা হয় সেটিও কি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় না? 103.67.157.140 (আলাপ) ১৭:০৭, ৮ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

পাশাপাশি নবরাষ্ট্র পুনর্গঠন অনুচ্ছেদে "১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পরিচালিত নয় মাস ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর সমগ্র বাংলাদেশ মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়।" এখানে উইকির নিজস্ব পরিভাষায় মৃত্যুপুরী কথাটা একেবারেই গ্রহণযোগ্য না, এর পরিবর্তে ""১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী পরিচালিত নয় মাস ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর সমগ্র বাংলাদেশের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ছিল।" এভাবে দেওয়া উচিৎ বলে মনে করি। এছাড়া নিবন্ধে আরও অনেক আবেগীয় ও অনিরপেক্ষ শব্দ ও দৃষ্টিকোণ ব্যবহার করা হয়েছে, যা উইকিপিডিয়ায় অনুমোদিত নয়। 43.245.121.14 (আলাপ) ০৬:৫০, ১৫ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: উপরে দেখো। 103.134.25.90 (আলাপ) ০৭:৫১, ২৪ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
 করা হয়েছেMeghmollar2017আলাপ • ০৭:৫৯, ২৪ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: আরেকটু কাজ আছে, সূচনা অনুচ্ছেদে "এর সাত মাস পরে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই আগস্ট একদল বিপথগামী সামরিক কর্মকর্তার হাতে তিনি সপরিবারে নিহত হন।" এখানে বিপদগামী শব্দটাও উইকিপিডিয়ার নীতিমালা অনুযায়ী একপাক্ষিকভাবে আরোপিত ও নিরপেক্ষ নয়, এটাও অপসারণযোগ্য, এর বদলে চাইলে বিক্ষুব্ধ দেওয়া যেতে পারে। এছাড়া আরও সমস্যা যদি আমি দেখি তাহলে তোমাকে এখানে জানাবো। আমার মনে হয় যেহেতু তুমি নিবন্ধটায় মনোযোগ দিচ্ছ, তোমার নিজের এরকম আরোপিত দৃষ্টিভঙ্গিগুলো খুঁজে বের করে নিরপেক্ষকরণ করা উচিৎ। মাথায় রেখো, পূর্ণ নিরপেক্ষতা সকল যুগে সকল কালেই গ্রহণযোগ্য, আর নিরপেক্ষতা মানে কাওকে ছোট করা বা বড় করা নয়, বরং তার বিশুদ্ধ ও শতভাগ ভারসাম্যপূর্ণ "অমূল্যায়িত" মূল্যায়ন। নিরপেক্ষতাকে সকল যুগেই আপাতদৃষ্টিতে ঝুঁকিপূর্ণ মনে হয়, কিন্তু বাস্তবতা হল চূড়ান্ত নিরপেক্ষতাই পৃথিবীর সর্বোচ্চ ঝুঁকিহীন বিষয়, কারণ এখানে কোন পক্ষকেই "বিশেষ সুবিধা" দেওয়া হয় না, এটা সারাজীবন ধরে শেখার বিষয়, আমি নিজেও প্রতি মুহূর্তে শিখছি। 103.134.25.90 (আলাপ) ২১:০৭, ২৪ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
এছাড়াও প্রতিক্রিয়া ও বিচার অনুচ্ছেদে "সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সামরিক কর্মকর্তারা।" লাইনটি "বিক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সামরিক কর্মকর্তারা সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন।" এভাবে লেখা উচিৎ। 103.134.25.90 (আলাপ) ২১:৪২, ২৪ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017: আবারও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 103.134.25.90 (আলাপ) ০৫:৪৯, ২৫ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@আফতাবুজ্জামান:, উপরের অনুরোধটি দেখুন। 103.67.156.23 (আলাপ) ০২:২৮, ২৬ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
ভুমিকাংশে "ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দমনের লক্ষ্যে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে তিনি একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে বাধ্য হন।" এখানে বাধ্য হন কথাটিও আরোপিত। তার পরিবর্তে করেন লেখা উচিৎ। 103.134.25.90 (আলাপ) ১৭:৩৯, ২৬ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@আফতাবুজ্জামান:, উপরের অমীমাংসিত অনুরোধগুলো দেখুন। 103.134.25.90 (আলাপ) ১৭:৪৩, ২৬ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

২২ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর একটি তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আমি গুগল নিউজে ইংরেজি পত্রিকাগুলোর আর্কাইভ থেকে সংবাদ অনুসন্ধানের পদ্ধতি খুঁজে পেলাম। গুগল নিউজে অনুসন্ধান বাক্সে অনুসন্ধানের শব্দের সঙ্গে site:news.google.com/newspapers যোগ করলেই এমন ফলাফল পাওয়া যাবে। মুজিব লিখে অনুসন্ধান করে ২২ ডিসেম্বর ১৯৭১-এর এই লেখাটি পেলাম। বাংলা পত্রিকাগুলোর এমন আর্কাইভ থাকলেও ভালো হত। আমরা নতুন প্রজন্ম আরও একটু নির্ভরযোগ্যতার আস্থা পেতাম, উইকিপিডিয়ার জন্যও সুবিধা হত। 116.58.202.214 (আলাপ) ০৯:১৯, ১৬ জানুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

মুজিব সেনা (অপসারিত বাক্য সংরক্ষণ)[সম্পাদনা]

শেখ মুজিবুরের আদর্শে অনুপ্রাণিত রাজনৈতিক নেতা-কর্মীবৃন্দ নিজেদের মুজিব সেনা বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।{{cn}} — Meghmollar2017আলাপ • ১১:৩৫, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

মোটামুটি পর্যালোচনা শেষ করেছি। তবে, [স্বাধীনতার ঘোষণা] উপ-অনুচ্ছেদের [... করাচি বিমানবন্দরে পেছনে দাঁড়ানো দুই পুলিশ কর্মকর্তার সামনের আসনে বসা অবস্থায় শেখ মুজিবের ছবি পরদিন প্রায় সব দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতায় ছাপা হয়। ...] চিত্র যোগ করা যেতে পারে! সকলকে ধন্যবাদ - Suvray (আলাপ) ১৪:২২, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Suvray:, মুক্ত-নয় ঐতিহাসিক চিত্র লাইসেন্সে আপলোডকৃত এই চিত্রটি যুক্ত করা হয়েছে। — Meghmollar2017আলাপ • ১৫:৫৮, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

প্রসঙ্গ: “বাঙালির অধিকার রক্ষা[সম্পাদনা]

নিবন্ধটির দ্বিতীয় বাক্যে লেখা হয়েছে -তিনি বাঙালির অধিকার রক্ষায় ব্রিটিশ ভারত থেকে শুরু করে ভারত বিভাজন আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং পরবর্তীকালে পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কেন্দ্রীয়ভাবে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। উক্ত বাক্য থেকে প্রশ্ন:

  • ভারত বিভাজন আন্দোলনে (এখানে ১৯৪৭ সালের বাংলা বিভাজন) সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কি ভাবে বাঙালির অধিকার রক্ষা হয়? ... যেখানে ধর্মীয় কারণে বাংলা বিভাজনের ফলে বাংলার দুই প্রধান বাঙালি ধর্মীয় সম্প্রদায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে যায়। আর বিভাজনের মূল ভিত্তি ছিল ধর্ম, জাতি স্বত্বা নয়।
  • বাক্যে ব্রিটিশ ভারত-এ বাঙালির অধিকার রক্ষায় অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু নিবন্ধের (নির্বাচিত নিবন্ধ) ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক সক্রিয়তা অনুচ্ছেদে কোথায়ও বাংলা ভাষা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন প্রকার আন্দোলনে অংশগ্রহণের উল্লেখ নেই। এর কারণ কি? ... নাকি ব্রিটিশ ভারতে বাঙালির অধিকার রক্ষার আন্দোলন উল্লেখযোগ্য বিষয় নয়?

বিষয়টি নিয়ে অভিজ্ঞ উইকিপিডিয়ানগণের মতামত আশা করছি। -- খাঁ শুভেন্দু (আলাপ) ০৯:৫৭, ১৪ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@আফতাবুজ্জামান:, @Wiki Ruhan:, @Meghmollar2017:। --খাঁ শুভেন্দু (আলাপ) ০৪:১১, ১৫ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@খাঁ শুভেন্দু: দাদা, আপনাকে ধন্যবাদ দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য। বাংলাভাগের সময় ধর্মের ভিত্তিতে ভারত-পাকিস্তান বিভাজনের পাশাপাশি বাঙালি জাতীয়তাবাদকেন্দ্রিক আরেকটি বিকল্প ধারা ছিল যুক্তবঙ্গ আন্দোলন। শেখ মুজিবের সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণের বিষয়ে নিবন্ধের মূল অংশে উল্লেখ আছে, ... ভারত ও পাকিস্তান কর্তৃত্বের বাইরে অবিভক্ত স্বাধীন বাংলা গঠনের যে “যুক্তবঙ্গ আন্দোলন” সংগঠিত হয়, শেখ মুজিব তাতেও যুক্ত হন।[২৯]
ব্রিটিশ ভারতে ভাষা আন্দোলনের বিষয়টি এখানে কেন এসেছে, তা আমার বোধগম্য হলো না। শেখ মুজিব হলওয়েল মনুমেন্ট আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, পাকিস্তান আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, এ বিষয়গুলো নিবন্ধে উল্লেখ আছে। তৎকালীন করিমগঞ্জ, কাছাড় এমনকি কলকাতাও পাকিস্তানে না আসা পাকিস্তানবিরোধী বাঙালি জাতীয়তাবাদের অংশ হিসেবে দেখা হতো। এ বিষয়ের ইঙ্গিত নিবন্ধে টীকা আকারে দেওয়া আছে। — Meghmollar2017আলাপ • ০৪:৩৮, ১৫ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
@Meghmollar2017:, ভারত বিভাজন মোটা দাগে 'ব্রিটিশ ভারতকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের ঘটনাকে উল্লেখ করে। এখানে বাঙালি অধিকারের কোন বিষয় নেই। আর তা ছাড়া, ভারত বিভাজনের কথা উল্লেখ করা হলে - কেউ যুক্তবঙ্গ গঠনের আন্দোলনের কথা ভেবে না। ফলে আমার মনে হয় বাক্যটিতে ভারত বিভাজন কথার পরিবর্তে যুক্তবঙ্গ গঠন কথাটি ব্যবহার করা উচিত এবং এর ফলে বাক্যের নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ পাবে।
তৎকালীন করিমগঞ্জ, কাছাড় এমনকি কলকাতাও পাকিস্তানে না আসা পাকিস্তানবিরোধী বাঙালি জাতীয়তাবাদের অংশ হিসেবে দেখা হতো। - এই বাক্যের সঠিক অর্থ বুঝে উঠতে পারিনি। ... বাংলার একটা অংশ পাকিস্তানের সাথে যুক্ত হওয়া বা না হওয়ার সাথে বাঙালি জাতীয়তাবাদের সম্পর্কটা কি? ... বরং বিষয়টি কি ধর্মীয় ছিল না?
ব্রিটিশ ভারতে ভাষা আন্দোলন কথাটির মধ্য দিয়ে আমি বাঙালি অধিকারের বিষয়টি বোঝাতে চেয়েছিলাম। --খাঁ শুভেন্দু (আলাপ) ১০:৪১, ১৫ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]
শুভেন্দু দার সাথে আমি একমত। ভারত বিভাজন আন্দোলনে (এখানে ১৯৪৭ সালের বাংলা বিভাজন) সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে কি ভাবে বাঙালির অধিকার রক্ষা হয় না। (সংশোধিত) দ্বিতীয়ত দাদা বলেছেন- বাক্যে ব্রিটিশ ভারত-এ বাঙালির অধিকার রক্ষায় অংশগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু নিবন্ধের (নির্বাচিত নিবন্ধ) ব্রিটিশ ভারতে রাজনৈতিক সক্রিয়তা অনুচ্ছেদে কোথায়ও বাংলা ভাষা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের কোন প্রকার আন্দোলনে অংশগ্রহণের উল্লেখ নেই। এর কারণ কি? ... নাকি ব্রিটিশ ভারতে বাঙালির অধিকার রক্ষার আন্দোলন উল্লেখযোগ্য বিষয় নয়?

ব্রিটিশ ভারতে বাঙালির অধিকার রক্ষার আন্দোলন অবশ্যই উল্লেখযোগ্য বিষয়। বাংলা ভাগ ও তার ফলে যাতে মুসলিম বাঙালিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান যথেষ্ট সক্রিয় ছিলেন। আর কেন বাংলা ভাষা আন্দোলন ব্যাপারটি নেই ব্রিটিশ ভারতের অংশে। কারণ ভাষা নিয়ে আন্দোলন ১৯৪৭-৪৮ এ শুরু হলেও ৫২ তে চরমরূপ পায়। যা পাকিস্তান আমল ছিল। (তাই দ্বিতীয় প্রশ্নটিও মীমাংসিত) ধন্যবান্তে- —Wiki RuHan [ Talk ] ২৩:৩০, ১৫ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]

@Wiki Ruhan:, আপনাকে বাক্যটি সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ। -- খাঁ শুভেন্দু (আলাপ) ০৯:৩৫, ১৬ মে ২০২১ (ইউটিসি)[উত্তর দিন]