আবদুর রহমান আল-সুদাইস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আব্দুর রহমান আল-সুদাইস
عبد الرحمن السديس
Abdul-Rahman Al-Sudais (Cropped, 2011).jpg
মসজিদ আল-হারামের ইমাম
অফিসে
১৯৮৪
উপাধি
ব্যক্তিগত
জন্ম (1960-02-10) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ (বয়স ৬২)[১]
ধর্মইসলাম
জাতীয়তাসৌদি
আখ্যাসুন্নি
ব্যবহারশাস্ত্রহাম্বলী
উল্লেখযোগ্য কাজইমাম এর জন্য পরিচিত (প্রার্থনায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য), কুরআনের আবৃতি
যেখানের শিক্ষার্থী
অন্য নাম'আব্দ আল-রহমান
মুসলিম নেতা
ওয়েবসাইটwww.gph.gov.sa

আব্দুল রহমান ইবনে আব্দুল আজিজ আস-সুদাইস‏ ‏‎(আরবি: ‎ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺴﺪﻳﺲ; ‎ইংরেজি: ‏Abd ar-Rahman ibn ʻAbd al-Aziz as-Sudais; জন্মঃ ১৯৬০; রিয়াদ, সৌদি আরব),[১] সাধারণত আব্দুর রহমান আল-সুদাইস নামে পরিচিত, হলেন সৌদি আরবে অবস্থিত দুটি পবিত্র মসজিদের (মসজিদ আল-হারামের আর মসজিদ আল-নাবুবী) সভাপতিত্বের প্রধান এবং মক্কার প্রধান মসজিদ আল-হারামের ইমামও। এছাড়াও আল-সুদাইস পবিত্র কোরআনের একজন বিশিষ্ট পাঠক (ক্বারী), মক্কার আরবি ভাষা শিক্ষায়তনের সদস্য এবং দুবাই আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন পুরস্কার (ডিআইএইচকিউএ) আয়োজক কমিটি কর্তৃক নবম বার্ষিক "ইসলামিক ব্যক্তিত্ব বর্ষ" (The "Islamic Personality Of the Year") হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিত্ব।[২] আল-সুদাইস সন্ত্রাসবাদ প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন উদ্যোগের ব্যবস্থা করেছেন, ইসলাম বিরোধীদের কাছে "বোমা হামলা এবং সন্ত্রাসবাদ" বিষয়ে ভুল ধারণা খন্ডন করেছেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্তঃধর্ম সংলাপের আয়োজন করেছেন।[৩][৪]

জীবনী[সম্পাদনা]

জীবনের প্রথমার্ধ[সম্পাদনা]

আল সুদাইস ১৯৬০ সালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১২ বছর বয়সে কুরআন মুখস্থ করেছিলেন।[৫]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগতভাবে তিনি বিবাহিত এবং তার ৯জন সন্তান রয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

আল সুদাইস ১৯৭৯ সালে এবং ১৯৮৩ সালে রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করেন, যেখানে তিনি প্রথম ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি মাস্টার্স শেষ করেন ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এবং ১৯৯৫ সালে তিনি ইসলামী শরীয়াতে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যখন তিনি ওখানে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজে নিয়ত ছিলেন।[৬][৭]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তার প্রথম চাকরি ছিল রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক এবং তারপর উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়। যখন তিনি কাবার ইমাম নির্বাচিত হন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৪ বছর। সালের জুলাই মাসে যখন তিনি মসজিদ আল হারামে প্রথম খুতবা দেন তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৪ বছর।

আল সুদাইস বিশ্বাস করেন যে, কাবার ইমাম হওয়া শুধু তার মায়ের কারণে। এটি উল্লেখ করা হয়েছে যে ইমাম আবদুর রহমান আল-সুদাইসের মা শৈশবে তাকে দুআ করতেন এই বলে যে, "আল্লাহ আপনাকে হারামাইনের ইমাম করুন।" ২০১২ সালে, তাকে সৌদি আরবের উভয় পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সির প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করায় মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়া হয়।[৮]

আবদুল রহমান আল-সুদাইস তার হৃদয় স্পর্শকারী কুরআন তেলাওয়াতের জন্য বিখ্যাত।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Ninth Session"Dubai International Holy Quran Award। ২০০৬। ২০০৭-০৭-১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৭-০৩-১৯ 
  2. "ফেসঅফ: আব্দুর রহমান আল-সুদাইস, দুটি পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সির প্রধান কেএসএ"। ১৮ মে ২০১৮। 
  3. "Fight terrorism jointly: Al-Sudais"Arab NewsSaudi Arabia। সেপ্টেম্বর ১২, ২০০৯। আইএসএসএন 0254-833Xওসিএলসি 4574467। ১৭ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২২, ২০১২More than three million Muslim faithful attended juma, taraweeh and Qiyamullail prayers at the Two Holy Mosques on Friday as the imam of the Grand Mosque in Makkah called for joint efforts to combat terrorism. 
  4. Bin Mahfouz, Taleb। "Al-Sudais to offer 10 solutions to terrorism"Saudi GazetteSaudi Arabiaআইএসএসএন 1319-0326। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২২, ২০১২ 
  5. "নবম অধিবেশন | আব্দুল রহমান আল-সুদাইস"web.archive.org। ২০০৭-০৭-১১। Archived from the original on ২০০৭-০৭-১১। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-২৭ 
  6. "৩৮ বছর ধরে কাবার ইমামতিতে শায়খ সুদাইস (ভিডিও)"Jugantor (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-২৭ 
  7. "Abdul Rahman Al-Sudais (Imam and Preacher) - biography, personal life, career"halalummah.me (রুশ ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-২৭ 
  8. Azad, Abul Kalam। "কা'বা শরিফের প্রধান ইমাম শায়খ ড. আব্দুর রহমান আস-সুদাইসের জীবন কথা"Komashisha (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-২৭ 

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

  • ফরিদুদ্দিন, মুহাম্মদ (২০১৭)। মাশায়েখে হুফফায। বাংলাদেশ: তাহফীযুল কুরআন পাবলিকেশন। পৃষ্ঠা ৭৩। 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]