অশোকনগর কল্যাণগড়

স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′৫৯″ উত্তর ৮৮°৩৭′৫৯″ পূর্ব / ২২.৮৩৩° উত্তর ৮৮.৬৩৩° পূর্ব / 22.833; 88.633
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অশোকনগর কল্যাণগড়
অশোকনগর
শহর
অশোকনগর কল্যাণগড় পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
অশোকনগর কল্যাণগড়
অশোকনগর কল্যাণগড়
অবস্থান- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′৫৯″ উত্তর ৮৮°৩৭′৫৯″ পূর্ব / ২২.৮৩৩° উত্তর ৮৮.৬৩৩° পূর্ব / 22.833; 88.633
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাউত্তর চব্বিশ পরগনা
নামকরণের কারণঅশোক কুমার সেন
সরকার
 • ধরনপৌরসভা
 • শাসকঅশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা
 • মুখ্য প্রশাসকউৎপল তালুকদার[১]
 • সহঃ মুখ্য প্রশাসকঅতীশ সরকার
 • বিধায়কনারায়ণ গোস্বামী
 • সাংসদডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,২৩,৯০৬
ভাষা
 • সরকারিবাংলা
 • সহকারী সরকারিইংরেজি
সময় অঞ্চলআইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন৭৪৩২২২, ৭৪৩২৭২
টেলিফোন কোড(এস টি ডি কোড) +৯১৩২১৬
লোকসভা কেন্দ্রবারাসাত
বিধানসভা কেন্দ্রঅশোকনগর
ওয়েবসাইটwww.habralocal.com

অশোকনগর কল্যাণগড় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত সদর মহকুমার অশোকনগর থানার অধীন একটি শহর ও একটি পৌরসভা এলাকা [২]। পুরসভার নাম অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা।

অশোকনগর কল্যাণগড়ের এক বিরাট ঐতিহ্য আছে এখানকার রাজনৈতিক চেতনা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন প্রভৃতির জন্য। এই শহরটি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডা. বিধানচন্দ্র রায় দ্বারা পরিকল্পিত। কিন্তু এর প্রধান স্থপতি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা তরুন কান্তি ঘোষ, প্রয়াত কংগ্রেস নেতা কেশব ভট্টাচার্য, প্রয়াত সিপিআই(এম) নেতা ননী কর এবং প্রয়াত সিপিআই নেতা ডাঃ সাধন সেন।


অশোকনগর-কল্যাণগড় পৌরসভা এলাকার অধীন পর্যটক আকর্ষণ করার মতো দুটি উদ্যান রয়েছে - সংহতি পার্ক এবং মিলেনিয়াম সায়েন্স পার্ক। এখানে একটি ডিগ্রী কলেজ, দুটি হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যানেজমেন্ট কলেজ, দুটি কমিউনিটি হল, একাধিক সাব-কমিউনিটি হল, একটি স্টেডিয়াম, একটি পিকনিক গার্ডেন, ভাল গ্রন্থাগার, একটি সুইমিং পুল এবং তিনটি মাল্টি জিম আছে। এখানে দুটি ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলও আছে। রেল ও সড়ক পথের মাধ্যমে অশোকনগর কোলকাতার সঙ্গে সংযুক্ত।

এলাকার স্কুল গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অশোকনগর বানিপীঠ উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, অশোকনগর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল, কল্যাণগড় বিদ্যামন্দির, কল্যাণগড় বালিকা বিদ্যালয়, বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির, হরিপুর সংস্কৃতি সঙ্ঘ ইত্যাদি।

এছাড়াও রেলওয়ে স্টেশনের ঠিক বিপরীতে কল্যাণী স্পিনিং মিল নামে একটি কারখানা রয়েছে। অনেক আগে এখানে RIC-র একটি ইউনিট ছিল এবং একটি রাসায়নিক কারখানাও ছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে সেগুলো বন্ধ হয়ে যায়।

অশোকনগর কল্যাণগড় বিখ্যাত কল্যাণগড় অঞ্চলের জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে। এই অঞ্চলের জগদ্ধাত্রী পুজো জেলায় নাম ছড়িয়েছে।এই অঞ্চলকে “দ্বিতীয় চন্দননগর” বলা হয়।।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ আমলে অশোকনগর একটি রয়াল এয়ার ফোর্স (RAF) স্টেশন অর্থাৎ একটি বিমানঘাঁটি ছিল। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধান চন্দ্র রায় একে একটি পরিকল্পিত শহরে উন্নীত করেন। পূর্বে এই শহর "হাবড়া আরবান কলোনি" নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে এর উত্তর-পূর্ব অংশের নামকরণ করা হয় "কল্যাণগড়" এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের নামকরণ করা হয় "অশোকনগর"

রাজনীতি[সম্পাদনা]

অশোকনগর একদা বাম রাজনীতির অন্যতম ঘাঁটি ছিল। এই এলাকা ১৯৫৯ এবং ১৯৬৬ এর খাদ্য আন্দোলন সাক্ষী ছিল। শরণার্থী, ছাত্র এবং শিক্ষকদের আন্দোলন সমাবেশ এলাকায় রাজনৈতিকভাবে স্পন্দনশীল ছিল ১৯৭৭ পর্যন্ত । ১৯৬৭ সালে হাবড়া বিধানসভা এলাকা থেকে পৃথক হয়ে প্রথমবার গঠিত হয় ‘অশোকনগর বিধানসভা কেন্দ্র’। ১৯৬৭ সালের প্রথম নির্বাচনে সি.পি.আই এর প্রার্থী ডাঃ সাধন সেন জয়ী হয়েছিলেন। তিনি ১৯৬৯ সালেও এই আসনে জয়ী হন। সিপিআই(এম) এর ননী কর ১৯৭১,১৯৮৭, ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে কেশবচন্দ্র ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। এছাড়াও ১৯৭৭, ১৯৮২ সালে সিপিআইএম এর ননী কর নির্দল হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কেশবচন্দ্রর ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেন। এরফলে ননী কর অশোকনগর বিধানসভার পাঁচ বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। মাঝে ১৯৭২ সালের নির্বাচনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে কেশব ভট্টাচার্য ননী করকে পরজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে সিপিআই(এম)-এর নীরোদ রায়চৌধুরী জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী ধীমান রায়কে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। পরবর্তীকালে নীরোদ রায়চৌধুরীর আকস্মিক মৃত্যুতে, এই আসনে উপনির্বাচন হয় ১৯৯৮ সালে। উক্ত নির্বাচনে বিজেপির শ্রী বাদল ভট্টাচার্য ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থন দ্বারা সিপিআই(এম) প্রার্থী রেখা গোস্বামীকে পরাজিত করেন। ২০০১ সালে সিপিআই(এম) এর শর্মিষ্ঠা দত্ত সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এর অশোক কৃষ্ণ দত্ত কে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। সিপিআই(এম) এর সত্যসেবী কর ২০০৬ সালে অশোকনগর বিধানসভা আসনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এর ধীমান রায়কে পরাজিত করেন। ২০১১ সালে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ধীমান রায় বিপুল ভোটে বিধানসভা নির্বচনে সিপিআই(এম) এর প্রার্থী সত্যসেবী করকে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ধীমান রায় আবারও সিপিআই(এম) ও জাতীয় কংগ্রেসের জোট প্রার্থী সত্যসেবী করকে অল্প ব্যাবধানে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ২০২১ সালে নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নারায়ণ গোস্বামী নিকটবর্তী বিজেপি প্রার্থী তনুজা চক্রবর্তীকে হারিয়ে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য ২০২১ এর নির্বাচনে অশোকনগরে প্রথমবার সিপিআইএম প্রার্থী দেয়নি। তার বদলে সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আইএসএফের তাপস ব্যানার্জী।

পৌর নির্বাচন[সম্পাদনা]

অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা বামফ্রন্টের অধীনে ছিল ২০১০ সাল পর্যন্ত। পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত চেয়ারপার্সন ছিলেন শ্রী বিকাশ রায়চৌধুরী। সিপিআইএম এর বিকাশ রায় চৌধুরী ১৯৮১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করছেন। পরবর্তীতে ১৯৯৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত সিপিআইএম এর শ্রীমতি শর্মিষ্ঠা দত্ত পৌরসভার প্রধান ছিলেন। উভয় সময়েই সিপিআই এর চিত্তরঞ্জন বসু ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন। যিনি অবকাঠামো ও বিনোদনমূলক, বিনোদন শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন উন্নয়ন চালিত করেন। পরে ওঁনার আসনটি সিপিআই অনগ্রসর বর্ণ প্রার্থীর জন্য বরাদ্দ করা হলে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা ছেড়ে দেন। এরপর ২০১০ সালে রাজনৈতিক পালা বদল ঘটে। তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রী সমীর দত্ত অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভার পৌর প্রধান নির্বাচিত হন। ২০১০ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনেও পৌরসভা তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে যায়। তবে এবার বিদায়ী পৌরপ্রধান সমীর দত্তকে উপ পৌরপ্রধান করা হয়। অপরদিকে বিদায়ী উপ পৌরপ্রধান তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রী প্রবোধ সরকার চেয়ারম্যান হন। ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন। বর্তমানে নির্বাচন না হবার কারণে পৌরসভায় প্রশাসক বসানো হয়েছে।

২০২০ সালে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের পৌর প্রশাসক মন্ডলী গঠন করা হয়। মুখ্য পৌর প্রশাসক রূপে বিদায়ী পৌর প্রধান প্রবোধ সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০০৫ সালে প্রথম মানবাধিকার সংগঠন এই এলাকা, সমাজকর্মী শ্রী শ্যামল কুমার সোম উদ্যেগে CPDR গঠিত হয়, অশোকনগর শাখা নামে পরিচিত।

ভূগোল[সম্পাদনা]

অশোকনগরের ভৌগোলিক অবস্থান :- ২২°৪৯'৫৯" উত্তর ৮৮°৩৭'৫৯" পূর্ব/২২.৮৩৩° উত্তর ৮৮.৬৩৩° পূর্ব

জলবায়ু[সম্পাদনা]

জলবায়ু গ্রীষ্মমন্ডলীয় - গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ন্যায়। বর্ষা - জুনের শুরু থেকে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে। শীতকালে আবহাওয়া শুষ্ক থাকে (নভেম্বর নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি) এবং গ্রীষ্মকালে আর্দ্রতা থাকে।

তাপমাত্রা: মে মাসে (সর্বোচ্চ) ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং জানুয়ারীতে (ন্যূনতম) ১০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস

আপেক্ষিক আর্দ্রতা: মার্চ মাসে ৫৫% এবং জুলাইতে ৯৮% এর মধ্যে থাকে

বৃষ্টিপাত: ৩১ মিমি (সাধারণত)

জনসংখ্যার পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

২০১১ সালে ভারতের আদমশুমারি অনুযায়ী অশোকনগরের জনসংখ্যা ছিল ১,২৩,৯০৬। এর মধ্যে পুরুষ ৬২,৫৫৪ জন এবং নারী ৬১,৩৫২। ০-৬ বছর বয়সী দের সংখ্যা ছিল ৮৮৮৫। অশোকনগরের সাক্ষরতার গড় হার ছিল ৯২.৪৫ % [৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

এখানকার সাক্ষরতার হার ৯২.৪৫ % (২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী) [৩]। অশোকনগর-কল্যাণগড় পৌর এলাকায় মেয়েদের ও ছেলেদের জন্য বেশ কয়েকটি উচ্চবিদ্যালয় এবং প্রচুর প্রাথমিক বিদ্যালয় (সরকারি ও বেসরকারি) আছে। এগুলোর মধ্যে কল্যাণগড় বিধানচন্দ্র বিদ্যাপীঠ (উঃ.মা.), কল্যাণগড় বিদ্যামন্দির(উঃ.মা.), অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল, অশোকনগর বাণীপীঠ গার্লস হাই স্কুল, সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুল, নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয় প্রধান।

সিনেমা হল/অডিটোরিয়াম[সম্পাদনা]

  • নটরাজ সিনেমা হল
  • শহীদ সদন

ব‍্যাঙ্কসমূহ[সম্পাদনা]

  • ভারতীয় স্টেট ব‍্যাঙ্ক
  • ইউনিয়ন ব‍্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
  • ইউনাইটেড ব‍্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
  • অ্যাক্সিস ব‍্যাঙ্ক
  • ইউকো ব‍্যাঙ্ক
  • এলাহাবাদ ব‍্যাঙ্ক
  • ব‍্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
  • বঙ্গীয় গ্রামীণ বিকাশ ব্যাঙ্ক

স্বাস্থ্য পরিষেবা[সম্পাদনা]

হাসপাতাল[সম্পাদনা]

  • অশোকনগর রাজ‍্য সাধারণ হাসপাতাল
  • সরস্বতী সেবাসদন

নার্সিংহোম[সম্পাদনা]

  • ব্লু প্রিন্ট নার্সিংহোম

পরিবহন[সম্পাদনা]

অশোকনগর পূর্ব রেল-এর শিয়ালদহ - বনগাঁ লাইনে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ৪১ কিলোমিটার (২৫ মাইল) এবং বারাসাত স্টেশন থেকে ২৩ কিমি [৪]। অশোকনগর সড়ক পথে সরাসরি NH 35 (যশোর রোড)-এর সঙ্গে সংযুক্ত।

হাবড়া বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যহ বাস যায় নৈহাটি , হাবড়া, মছলন্দপুর, বনগাঁ, বারাসাত , মধ্যমগ্রাম, কল্যাণী , বসিরহাট, বাগদা, চাকদা, কলকাতা,দীঘা, দুর্গাপুর , ব্যান্ডেল , বারুইপুর, হাওড়া , কৃষ্ণনগর প্রভৃতি জায়গায়। অশোকনগর বাইপাস রোড সরাসরি সংযুক্ত NH 35 (যশোর রোড) এবং NH 34(শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা)-এর সঙ্গে।

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

সংস্কৃতির অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসাবে গণ্য করা হয় অশোকনগর কে। ফুটবলার সমরেশ চৌধুরী ( পিন্টু চৌধুরী ), শঙ্কর সাঁধূ, অসীম বিশ্বাস ও ক্রীড়াবিদ তড়িৎ বাবু এই এলাকার বাসিন্দা। এছাড়াও রয়েছে অভিযাত্রী নাট্যোৎসব কমিটি, নাট্যমুখ, সমাঙ্গণ, আদরের নৌকো।

উৎসব[সম্পাদনা]

এখানে দুর্গোৎসব, শ্যামা পূজার পাশাপাশি জগদ্ধাত্রী পুজো বেশ সমারোহে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Official District Administration site"। ১৫ জানুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৫ 
  2. District-wise list of statutory towns
  3. "Census of India 2001: Data from the 2001 Census, including cities, villages and towns (Provisional)"। Census Commission of India। ২০০৪-০৬-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-০১ 
  4. Eastern Railway time table

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]