যৌনসঙ্গম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(যৌন সঙ্গম থেকে ঘুরে এসেছে)
সঙ্গমরত পুরুষ এবং নারী

যৌনসঙ্গম হল পুরুষ এবং স্ত্রীর শারীরিক মিলন যার মুখ্য আঙ্গিক হলো স্ত্রীর যোনীতে পুরুষের লিঙ্গ প্রবিষ্টকরণ ও চালনা। যে-সব প্রাণীর যৌন প্রজনন হয় তাদের মধ্যেই হয় যৌনসঙ্গম। মানবপ্রজাতিও (Homo sapiens) এর ব্যতিক্রম নয়। যৌনসঙ্গমের মৌলিক উদ্দেশ্য হলো প্রজনন বা বংশবৃদ্ধি। তবে এই প্রক্রিয়ায় শারীরিক পুলক লাভ হয় যাকে সাধারণত যৌনানন্দ, রতিসুখ, ইত্যাদি বলে অভিহিত করা হয়। নারী-পুরুষের যৌনক্রিয়া প্রধান রূপ বা পদ্ধতি হলো যৌনসঙ্গম।

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] উদ্দেশ্য

[সম্পাদনা] প্রজনন প্রক্রিয়া

পৃথিবীর সকল প্রাণীই তার প্রজনন কর্ম সম্পাদন করে। প্রজননের ফল হচ্ছে শারিরিক সুখ এবং বংশ বৃদ্ধি করা। যৌনক্রিয়ার কেন্দ্রীয় অংশ হলো "যৌনসঙ্গম" বা স্ত্রী-অঙ্গে পুরুষাঙ্গের প্রবেশ এবং বীর্যপাত। এই প্রজনন প্রক্রিয়ার ফল স্বরুপ প্রাণী তার বংশ বিস্তার করে থাকে। বিভিন্ন প্রাণী বিভিন্নভাবে তার প্রজনন চালিয়ে থাকে। যেমন মানুষ তার প্রজনন চালায় স্বীয় নারী/পুরুষ দ্বারা। মানুষের প্রজনন প্রক্রিয়াটা সকল প্রাণী থেকে ভিন্ন।

[সম্পাদনা] শারীরীক সুখ

মানুষ বিভিন্নভাবে তার সুখ পেয়ে থাকলেো এক্ষেত্রে তার কামনা থাকে আর একটি শরির। একজন মেয়ে বা ছেলে তার বিপরিত জনকে দিয়েই সাধারণত: শারীরীক সুখ লাভ করে। শারীরীক সুখ বলতে এখানে শুধুই দেহভিত্তিক লালসা বা আনন্দকে বুঝিয়েছে। এক্ষেত্রে মানুষ চরম সুখ পেয়ে থাকে।

[সম্পাদনা] যৌনসঙ্গমের বিভিন্ন পর্যায়

মানুষ স্তন্যপায়ী প্রাণী। সকল স্তন্যপায়ী প্রাণীর মতো মানুষের ক্ষেত্রেও সাধারণত প্রথমে পুরুষ এবং স্ত্রী পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং কামাসক্ত হয়। এরপর পুরুষ ও নারী নিকটবর্তী হয়ে পরস্পরকে স্পর্শ করে এবং পুরুষটি তার সঙ্গিনীকে বিভিন্নভাবে আলিঙ্গন করে। পুরুষ এবং স্ত্রী পরস্পরের কামোদ্দীপক অঙ্গগুলি স্পর্শ করে যৌন বাসনাকে বর্ধিত করে। এরপর পুরুষটি তার শিশ্নটি (পুং জননাঙ্গ) স্ত্রীটির যোনিপথে প্রবেশ করিয়ে অঙ্গচালনা করে। অঙ্গচালনার এক পর্যায়ে পুরুষের বীর্যস্খলন হয়। এই ভাবে পুরুষ স্ত্রীযৌনাঙ্গে বীর্যদান করে। এই বীর্যের মধ্যে থাকে শুক্রানু যেটি স্ত্রী শরীরে ডিম্বানুর সঙ্গে মিলিত হয় এবং ফলে স্ত্রীর গর্ভসঞ্চার হয়।

[সম্পাদনা] শৃঙ্গার

যোনীতে লিঙ্গ প্রবিষ্টকরণের পূর্বে কামোদ্দীপক কার্যকলাপকে বলা হয় শৃঙ্গার। আলিঙ্গন, চুম্বন, অঙ্গমর্দন, লেহন, দংশন প্রভৃতি স্বাভাবিক শৃঙ্গার হিসেবে পরিগণিত। বাৎসায়নের কামসূত্রে ৬৪টি কলার কথা উল্লিখিত আছে যা শৃঙ্গারের অন্তর্ভূত।

[সম্পাদনা] আসন

যৌনসঙ্গম কালে নারী-পুরুষের পারস্পরিক অবস্থানকে বলা হয় আসন।

[সম্পাদনা] চরমানন্দ বা রাগমোচন

যৌনসঙ্গমের শেষ পরিণতি চরমানন্দ লাভ। এই অবস্থাকে বলা হয় রাগমোচন (অরগ্যাজম)। পুরুষের ক্ষেত্রে বীর্যপাতের মাধ্যমে রাগমোচন কথা চরমানন্দ লাভ হয়। স্ত্রীর ক্ষেত্রে কোন বীর্যপাতের ন্যায় বিশেষ ক্ষরণ বা নিঃসরণ হয় না।

[সম্পাদনা] গর্ভসঞ্চার প্রতিরোধ

যৌনসঙ্গম কালে স্ত্রী যোনীতে পুরুষের বীর্য নিক্ষেপের ফলে গর্ভসঞ্চারের সম্ভাবনা থাকে। এই সম্ভাবনা দূরীকরণের জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র


[সম্পাদনা] আরো দেখুন

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ