যৌনশিল্প

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জার্মানীর একজন যৌনকর্মী

যৌনশিল্প এমন এক ধরণের শিল্প যাতে যৌনকর্মীদের নিয়োগ দেয়া হয় প্রাপ্তবয়স্কদের চিত্ত বিনোদনের জন্য, যেখানে বিভিন্ন যৌন উত্তেজনামূলক প্রকাশনা প্রকাশ করা হয় যা বাচ্চাদের জন্য উপযুক্ত নয়। যৌনশিল্প পৃথিবীর অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ দখল করে আছে। যৌনশিল্প ১৩ বিলিয়নেরও বেশী ডলার আমেরিকার অর্থনীতিতে যোগ করছে প্রতিবছর।[১] আধুনিক যৌনশিল্পের উদাহরণ হচ্ছে পুরুষদের জন্য মাসিক হাসলার ম্যাগাজিন, সেক্স টিভি, জার্মানির একটি বড় পতিতালয় আর্টেমিস, এ্যান সামার (ব্রিটিশ চেইন সেক্স শপ) ইত্যাদি।

ব্যবসার প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

প্রাপ্তবয়স্কদের ছবি[সম্পাদনা]

হল্যান্ডে জানলার মাধ্যমে পতিতাবৃত্তি

১৯৭০ ও ১৯৮০ দশকের ভিডিও ক্যসেট রেকর্ডারের জনপ্রিয়তা প্রাপ্তবয়স্কদের ছবির ব্যবসাকে বাধাহীনভাবে এগিয়ে নেয়। প্রযুক্তির অগ্রগতি প্রক্ষেপকের দিন পার করে নোংরা ছবি-এর সহজপ্রাপ্যতা নিশ্চিত করেছে বিশাল মুনাফার ও উন্নতির দিকে। প্রতিবছর এভিএন পুরস্কার-এ নির্বাচিত প্রাপ্তবয়স্কদের ছবিতে সেরা উচ্চমানের ছবি ও নবাগত তারকাকে পুরস্কৃত করা হয়।

ইন্টারনেট[সম্পাদনা]

১৯৮০ দশকের শেষের দিকের ও ১৯৯০ সালের প্রথম দিকের ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা পর্ণোছবির প্রচার ও প্রসার বাড়িয়েছে।

প্রাপ্তবয়স্কদের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

প্রাপ্তবয়স্কদের সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ বিভিন্ন ধরণের সেবা দিয়ে থাকে। কলগার্ল, পতিতা, যৌন উত্তেজনাকর নর্তকী এবং পতিতালয়ের দালাল এরা এসব সেবা দিয়ে থাকে।

যৌন পর্যটন[সম্পাদনা]

যৌন পর্যটন সে দেশের যৌনশিল্পকে এগিয়ে নেয় নানাভবে। তবে অবৈধ যৌন পর্যটন তৃতীয় বিশ্বের সাধারণদেশগুলোর জন্য ভয়ঙ্কর, যেমন ক্যারিবিয়ান দেশগলো ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। হামবূর্গ রিপারভান একটি নামকরা পতিতালয়। বৈধ যৌন পর্যটন সেদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে।

সামরিক বাহিনী[সম্পাদনা]

যৌনশিল্প মূলত সামরিক সেনা ছাউনির আশেপাশে বিস্তার লাভ করে বেশি। উনবিংশ শতকে পোর্টসমাউথ নামক ব্রিটিশ নৌ-সেনা ছাউনি কাছে একটি পতিতালয় ছিল। ১৯৯০ সালের আগ পর্যন্ত ফিলিপাইনে আমেরিকান সেনা ছাউনির নিকটে নিষিদ্ধ এলাকা অবস্থিত ছিল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]