আউগুস্তো পিনোচে
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| আউগুস্তো পিনোচে | |
|
30th President of Chile
|
|
|---|---|
| অফিসের কার্যকাল 17 December 1974 – 11 March 1990 |
|
| পূর্বসূরী | Salvador Allende |
| উত্তরসূরী | Patricio Aylwin |
|
|
|
| অফিসের কার্যকাল শুরু 11 September 1973 – 17 December 1974 |
|
| উত্তরসূরী | José Toribio Merino |
|
|
|
| জন্ম | নভেম্বর ২৫, ১৯১৫ Valparaíso, Chile |
| মৃত্যু | ডিসেম্বর ১০, ২০০৬ (৯১ বছর) Santiago, Chile in the Military Hospital |
| জাতীয়তা | Chilean |
| রাজনৈতিক দল | None (Military) |
| দাম্পত্য সঙ্গী | Lucía Hiriart |
| পেশা | Soldier |
| ধর্ম | Roman Catholicism |
| স্বাক্ষর | |
আউগুস্তো হোসে রামোন পিনোচে উগার্তে (স্পেনীয় ভাষায়: Augusto José Ramón Pinochet Ugarte) (২৫শে নভেম্বর, ১৯১৫–১০ই ডিসেম্বর, ২০০৬) ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত চিলির সামরিক স্বৈরশাসক ছিলেন। তিনি প্রথমে একজন পেশাদার যোদ্ধা ছিলেন। ১৯৩৬ সালে সান্তিয়াগো সামরিক একাডেমী থেকে স্নাতক হন। ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে চিলির সেনাবাহিনীর প্রধান হন। এর ১৮ দিন পরেই তিনি একটি ক্যু-এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি আয়েন্দেকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করেন। পিনোচে একটি সামরিক কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে ক্ষমতা দখল করেন এবং নিপীড়ন শুরু করেন। প্রথম তিন বছরে প্রায় ১ লক্ষ লোককে কারাবন্দী করেন। এদের অনেকের উপরেই নির্যাতন চালানো হয়। অনেকে নিখোঁজ হয়। ১৯৭৪ সালে নিজেকে চিলির রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করেন। ১৯৭৮ সালে একটি গণভোটের আয়োজন করেন, যাতে ৭৫% লোক তার নীতির প্রতি সমর্থন জানায়। ১৯৮০ সালে পিনোচে নতুন সংবিধান রচনা করেন এবং আরেকটি গণভোটের মাধ্যমে সেটিকে কার্যকর করা হয়। নতুন সংবিধান অনুসারে পিনোচে আরও ৮ বছর দেশ শাসন করার শপথ নেন। কিন্তু ১৯৮০-র দশকে তার শাসনের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিরূপ ভাব প্রদর্শন শুরু করে, যদিও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-র সাহায্য নিয়েই তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন। ১৯৮২ সালের অর্থনৈতিক ধ্বস তাঁর আভ্যন্তরীণ প্রভাব খর্ব করে। ১৯৮৮ সালে তিনি আবার একটি গণভোট ডাকেন, কিন্তু এবার ৫৫% চিলীয় তাঁর বিরুদ্ধে ভোট দেয়। তিনি জনতার রায় মেনে নিয়ে ১৯৯০ সালে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্তু ১৯৯৮ সাল পর্যন্তও তিনি সামরিক বাহিনীর প্রধান ছিলেন এবং রাজনীতিতে তখনও নেপথ্যে প্রভাব রেখে যাচ্ছিলেন। এরপর তিনি অবসর গ্রহণ করেন। ২০০৪ সালে চিলির আদালত তাঁকে বিচারে কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর জন্য শারীরিকভাবে উপযুক্ত বিবেচনা করে এবং তাঁকে গৃহবন্দী করা হয়। গৃহবন্দী অবস্থাতেই তিনি ২০০৬ সালের ১০ই ডিসেম্বর মারা যান। এসময় তাঁর বিরুদ্ধে ৩০০-রও বেশি মামলা ঝুলে ছিল, যদিও তিনি কোনটিতেই দোষী সাব্যস্ত হননি।