রবার্ট মুগাবে
| রবার্ট মুগাবে | |
|---|---|
| জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট | |
| দায়িত্ব | |
| অধিকৃত অফিস ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ |
|
| প্রধানমন্ত্রী | মর্গ্যান জানগিরাই |
| Vice President | সিমন মুজেন্ডা জয়েস মুজুরু |
| পূর্বসূরী | ক্যানান বানানা |
| জিম্বাবুয়ের প্রধানমন্ত্রী | |
| কার্যালয়ে ১৮ এপ্রিল, ১৯৮০ – ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৮৭ |
|
| রাষ্ট্রপতি | ক্যানান বানানা |
| পূর্বসূরী | এবেল মুজোরিউয়া(জিম্বাবুয়ে রোডেশিয়া) |
| উত্তরসূরী | মর্গ্যান জানগিরাই |
| জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের মহাসচিব | |
| কার্যালয়ে ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৬ – ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯ |
|
| পূর্বসূরী | জৈল সিং |
| উত্তরসূরী | জানেজ দ্রোভসেক |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯২৪ সলিসবুরি, দক্ষিণ রোডেশিয়া (বর্তমান হারারে, জিম্বাবুয়ে) |
| রাজনৈতিক দল | ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি(১৯৬০-১৯৬১) জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান পিপিল'স ইউনিয়ন(১৯৬১-১৯৬৩) জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন(১৯৬৩-১৯৮৭) জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন-প্যাট্রিওটিক ফ্রন্ট(১৯৮৭-বর্তমান) |
| দাম্পত্য সঙ্গী | সলি হেফ্রন (১৯৬১-১৯৯২) গ্রেস মারুফু (১৯৯৬-বর্তমান) |
| সন্তান | মাইকেল হ্যামোদজেনিকা বোনা রবার্ট পিটার বেলারমাইন চাটুঙ্গা |
| অধ্যয়নকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান |
ইউনিভার্সিটি অব ফোর্ট হেয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আফ্রিকা ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন |
| স্বাক্ষর | |
রবার্ট গ্যাব্রিয়েল মুগাবে (শোনা উচ্চারণ: [muɡaɓe], ইংরেজি: /muːˈɡɑːbiː/ moo-GAH-bee; (জন্মঃ ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৪) জিম্বাবুয়ের বর্তমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে ক্ষমতাসীন রয়েছেন। শ্বেতাঙ্গ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতার মর্যাদা পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৮০ সালে তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় আরোহণ করেন। ১৯৮০ - ১৯৮৭ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও ১৯৮৭ সাল থেকে রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী হিসেবে অদ্যাবধি দায়িত্ব পালন করছেন।[১]
পরিচ্ছেদসমূহ |
রাজনৈতিক জীবন [সম্পাদনা]
১৯৬০-এর দশকে মুগাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন (জানু)-এর মহাসচিব ছিলেন তিনি এবং তাঁর দল সংখ্যালঘিষ্ঠ শ্বেতাঙ্গ শাসক ইয়ান স্মিথের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। ফলশ্রুতিতে ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দশ বছরের অধিক সময় তাঁকে রোডেশিয়ার কারাগারে রাজনৈতিক বন্দী হিসেবে অবস্থান করতে হয়।[২] এডগার তেকেরের সাথে ১৯৭৫ সালে মুক্তি পেয়ে রোডেশিয়া ত্যাগ করেন। মোজাম্বিকে অবস্থান করে জিম্বাবুয়ের স্বাধীনতা সংগ্রাম বা রোডেশিয়ান বুশ ওয়ারে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭৯ সালে সমাপ্ত ঐ যুদ্ধে মুগাবে অনেক আফ্রিকাবাসীর মন জয় করে বীরের মর্যাদায় অভিষিক্ত হন রবার্ট মুগাবে।[৩][৪] ১৯৮০ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানরা ব্যাপক সংখ্যায় অংশগ্রহণ করে ও সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এতে মুগাবে জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে ১ম প্রধানমন্ত্রীত্বে অভিষিক্ত হন। দেশ পুণর্গঠনে পূর্বে যুদ্ধরত দলসহ শ্বেতাঙ্গ রোডেশিয়ান এবং বিবদমান প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ঐক্যমত্যে পৌঁছান।
প্রাথমিক জীবন [সম্পাদনা]
দক্ষিণ রোডেশিয়ার উত্তর-পশ্চিমে হারারের জিম্বা জেলার কুতামা জেসুইত মিশনের কাছে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মালাউই পিতা গ্যাব্রিয়েল মাতিবিলি এবং শোনা অধিবাসী মাতা বোনা উভয়েই রোমান ক্যাথলিক ছিলেন। ছয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ৩য় ছিলেন। বড় দুই ভাই - মাইকেল এবং দোনাতো উভয়েই তাঁর শৈশবকালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করেন।[৫] তাঁর বাবা গ্যাব্রিয়েল মাতিবিলি একজন কাঠমিস্ত্রী ছিলেন।[৬] ১৯৩৪ সালে মাইকেলের মৃত্যুর পর মুগাবে পরিবার কাজের সন্ধানে বুলাওয়ে চলে যান।[৭]
মুগাবে ম্যারিস্ট ব্রাদার্স এবং জেসুইট বিদ্যালয়সহ মর্যাদাপূর্ণ কুতামা কলেজে পড়াশোনা করেন। সেখানে তিনি আইরিশ পাদ্রী ফাদার জেরোম ও'হিয়ার ছত্রচ্ছায়ায় নিজেকে গড়েন। তরুণ বয়সে মুগাবে সামাজিক কিংবা শারীরিক কোনভাবেই জনপ্রিয় ছিলেন না। অধিকাংশ সময়ই তিনি ধর্মযাজক অথবা তাঁর মায়ের সাথে পড়াশোনা করে সময় কাটাতেন। অন্যান্যদের সাথে খেলতে পছন্দ করতেন না বরং নিজেই নিজের সাথে মজা উপভোগ করতেন।[৬] তাঁর ভাই দোনাতো বলেছিলেন যে একমাত্র বন্ধু হিসেবে ছিল বই।[৮]
শিক্ষক হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করলেও তিনি পড়াশোনার উদ্দেশ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ফোর্ট হেয়ারে চলে যান। সেখানে ১৯৫১ সালে ইউনিভার্সিটি অব ফোর্ট হেয়ার থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। সাক্ষাৎ করেন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব - জুলিয়াস নায়ারে, হার্বাট চিতেপো, রবার্ট সবুকি এবং কেনেথ কাউন্ডা প্রমূখদের সাথে। এরপর সলিসবেরি (১৯৫৩), গুইলো (১৯৫৪) এবং তাঞ্জানিয়ায় (১৯৫৫-১৯৫৭) পড়াশোনা করেন।
ধারাবাহিকভাবে দূরশিক্ষণ প্রকল্পে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আফ্রিকা থেকে - প্রশাসন ও শিক্ষায় স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন এক্সটার্নাল প্রোগ্রাম থেকে বিজ্ঞান, আইন বিষয়ে স্নাতক এবং বিজ্ঞান ও আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।[৯]
কারাগারের অভ্যন্তরে থেকে তিনি দু'টি আইন ডিগ্রী অর্জন করেছিলেন। এছাড়াও, জিম্বাবুয়ের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।[১০]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Chan, Stephen (2003). Robert Mugabe: A Life of Power and Violence. পৃ: 123.
- ↑ "HISTORY OF ZIMBABWE"। http://www.historyworld.net/wrldhis/PlainTextHistories.asp?historyid=ad28।
- ↑ Viewpoint: Kaunda on Mugabe BBC 12 June 2007
- ↑ Biles, Peter (25 August 2007)। "Mugabe's hold on Africans"। BBC News। http://news.bbc.co.uk/2/hi/programmes/from_our_own_correspondent/6960506.stm। সংগৃহীত 4 January 2010।
- ↑ Staff reporter (21 May 2007)। "Mugabe mourns reclusive brother"। newzimbabwe.com। http://www.newzimbabwe.com/pages/mugabe.16447.html। সংগৃহীত 3 April 2008।
- ↑ ৬.০ ৬.১ Staff (29 March 2007)। "Robert Mugabe: The man behind the fist"। The Economist। http://www.economist.com/world/displaystory.cfm?story_id=8922493।
- ↑ Nyarota, Geoffrey (2006). Against the Grain. পৃ: 100.
- ↑ Andrew Norman: Robert Mugabe and the betrayal of Zimbabwe. Book published 2004 by McFarland & co, Jefferson, North Carolina USA.
- ↑ "President bio contents"। Zimbabwean government website। Government of Zimbabwe। archived from the original on 10 October 2007। http://web.archive.org/web/20071010052824/http://www.gta.gov.zw/president+bio/president_bio_contents.htm। সংগৃহীত 4 April 2008।
- ↑ Christine Kenyon Jones, The People's University: 150 years of the University of London and its External students (University of London External System, 2008) pp. 148–149 ISBN 0-9557689-1-8.
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
সংজ্ঞা, উইকিঅভিধান হতে
পাঠ্যবই, উইকিবই হতে
উক্তি, উইকিউক্তি হতে
রচনা সংকলন, উইকিউৎস হতে
ছবি ও অন্যান্য মিডিয়া, কমন্স হতে
ভ্রমণ নির্দেশিকা, উইকিভয়েজ হতে
সংবাদ, উইকিসংবাদ হতে
- President Mugabe's address to the 63rd session of the United Nations General Assembly, 25 September 2008
- "Mugging Mugabe" (a commentary in defence of Mugabe)
- "The truth about Mugabe" (an anti-Mugabe commentary)
- "Zimbabwe election – a defeat for imperialism"
- "Zimbabwe's silent selective starvation"
- "Robert Mugabe's War to Crush Press Freedom in Zimbabwe"
- Reporters Without Borders profile on Mugabe
- Opening Remarks – 4th African-African American Summit, Harare 1997 (video excerpt)
- Freedom House report on Zimbabwe
- IFEX– Media Coverage Favours Mugabe
- "Robert Mugabe at UMass" from the WGBH series, Ten O'clock News
- Indict Zimbabwe's demagogue before the International Criminal Court
- "Zimbabwe and the Politics of Torture"
- Human Rights Watch on Zimbabwe
- “Comrade Mugabe is our leader”, War Vets million man march for Mugabe Zimbabwe Metro
- "The Destroyer: Robert Mugabe and the destruction of Zimbabwe".
| পার্টির রাজনৈতিক কার্যালয় | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী হার্বার্ট চিতেপো |
জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়নের নেতা ১৯৭৫-১৯৮৭ |
জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন - প্যাট্রিওটিক ফ্রন্টে রূপান্তর |
| নতুন রাজনৈতিক দল জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন - প্যাট্রিওটিক ফ্রন্টে রূপান্তর হয়েছে
|
জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল ইউনিয়ন - প্যাট্রিওটিক ফ্রন্টের নেতা ১৯৮৭-বর্তমান |
দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য |
| রাজনৈতিক দফতর | ||
| পূর্বসূরী এবেল মুজোরেউয়া as জিম্বাবুয়ের রোডেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী |
জিম্বাবুয়ের প্রধানমন্ত্রী ১৯৮০-১৯৮৭ |
উত্তরসূরী মর্গ্যান সানগিরাই |
| পূর্বসূরী ক্যানান বানানা |
জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট ১৯৮৭-বর্তমান |
দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য |
| কূটনৈতিক পদবী | ||
| পূর্বসূরী জৈল সিং |
জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলনের মহাসচিব ১৯৮৬-১৯৮৯ |
উত্তরসূরী জানেজ দ্রোনোভসেক |
| পূর্বসূরী পল বিয়া |
আফ্রিকান ইউনিয়নের সভাপতি ১৯৯৭-১৯৯৮ |
উত্তরসূরী ব্লেইজ কমপাউরে |
- ১৯২৪-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- লন্ডন এক্সটার্নাল সিস্টেম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র
- ফোর্ট শশক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র
- দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র
- স্নায়ুযুদ্ধের নেতা
- বর্তমান জাতীয় নেতা
- ক্যান্সার আক্রান্ত ব্যক্তি
- জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপতি
- জিম্বাবুয়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি কর্মিবৃন্দ
- জিম্বাবুয়ের রাজনীতিবিদ
- জিম্বাবুয়ের বিপ্লবী
- জিম্বাবুয়ের রোমান ক্যাথলিক