২০২১-এ বাংলাদেশে মোদী-বিরোধী বিক্ষোভ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
২০২১ সালে বাংলাদেশে মোদী বিরোধী বিক্ষোভ
বাংলাদেশে ইসলামি উগ্রবাদ-এর অংশ
তারিখ১৯ মার্চ, ২০২১- ২ এপ্রিল, ২০২১
অবস্থান
কারণবাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমন
লক্ষ্যসমূহনরেন্দ্র মোদীর সফর বাতিল
প্রক্রিয়াসমূহবিক্ষোভ, পাথর নিক্ষেপ
ফলাফলব্যর্থ; নরেন্দ্র মোদীর সফর বাতিল হয় নি
নাগরিক সংঘাতের দলসমূহ
নেতৃত্ব দানকারীগণ
ক্ষয়ক্ষতি
নিহত১৭ জন নিহত; ৫০০+ আহত[১]

২০২১ সালের মার্চের শেষ দিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনকে কেন্দ্র করে সারা বাংলাদেশ জুড়ে বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু হয়। অনেকেই এটিকে ২১ এর মোদী-বিরোধী বিক্ষোভ বলে আখ্যায়িত করেছেন। গুজরাট সহিংসতা, বাবরি মসজিদ ইস্যুর পাশাপাশি ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানদের উপর নির্যাতন এবং হিন্দুবাদী দৃৃষ্টিভঙ্গির জন্য মোদীকে অভিযুক্ত করে নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে আসছিল হেফাজতে ইসলাম ও এর সমর্থক গোষ্ঠীরা। শুক্রবার ২৬ মার্চ, ২০২১ তারিখে বাংলাদেশের ৫১তম স্বাধীনতা দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় পৌছান ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার ঢাকায় আগমন উপলক্ষ্যে সেদিন জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও সহিংসতা দেখা দেয় যা পরে সারা দেশে ছড়িয়ে পরে।

আওয়ামী লীগের সমর্থকরা বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে বিক্ষোভকারীদের থামানোর চেষ্টা করছিল তখনই মূল সংঘাতটি শুরু হয়। এর ফলে উভয় পক্ষের মধ্যেই সহিংস সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। এই ঘটনার পর দেশের বেশ কিছু জেলায় সহিংসতা ছড়িয়ে পরে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ২৬ মার্চ এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকারকে প্রতিবাদকারীদের উপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগের সমালোচনা করে "সমাবেশ করার স্বাধীনতার অধিকারকে সম্মান জানাতে এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের রক্ষ করতে" আহবান জানায়।[২]

প্রেক্ষাপট

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের নিকট হতে স্বাধীনতা অর্জন করে। আর যুদ্ধের ঘোষণা তথা স্বাধীনতার ডাক দেওয়া হয় একই বছর ২৬ মার্চে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের এই স্মৃৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী নামে বছরব্যাপী একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব যা মুজিব চিরন্তন নামে খ্যাত; মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃৃক আয়োজিত বিশেষ এই অনুষ্ঠানে পাঁচটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধানদের নিমন্ত্রণ করা হয়। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহামেদ সোলিহ, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মহিন্দ রাজাপক্ষ, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং এবং নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা ভণ্ডারীর আগমনের পর ২৬ মার্চ অনুষ্ঠানের শেষ ও চূড়ান্ত দিনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনের কথা ছিল। কিন্তু হেফাজতে ইসলাম ও এর সমর্থকেরা নরেন্দ্র মোদীর আগমনের বিরোধীতা করে আসছিল। মোদী সরকারের হিন্দুপন্থী মনোভাব এবং ভারতের মুসলমানদের প্রতি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বৈষম্যের কারণে বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলো মোদীর আগমনকে দেশ, জাতি ও মুসলমানদের জন্য অপমানজনক মনে করে। মুজিব চিরন্তন অনুষ্ঠানটি ২০২০ সালেই হওয়ার কথা ছিল এবং নরেন্দ্র মোদীও সেইবারই বাংলাদেশে আসতেন। কিন্তু কোভিড-১৯ বৈশ্বিক মহামারীর কারণে সেইবারের অনুষ্ঠান ও নরেন্দ্র মোদীসহ অন্যান্য বিদেশী অতিথিদের আগমন স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তী বছর ১৭ থেকে ২৬ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠানের সময়সূচী ধার্য করা হয়। ২০২০ সাল থেকেই হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সল্প পরিসরে মোদী সফরের বিরোধীতা আন্দোলন করে আসছিল। ২০২১ এর ২৬ মার্চ সফর চূড়ান্ত হয়ে গেলে এই বিতর্ক পুনরায় শুরু হয়।

ঘটনাপ্রবাহ

১৯ মার্চ

  • কয়েকশ বিক্ষোভকারী বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন স্থগিত করার জন্য বিক্ষোভ করে।[৩]
  • প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সমাবেশ করে এবং তারা মোদিকে বাংলাদেশে আসতে "না" করে।[৪]

২৩ মার্চ

  • পোড়ানোর আগেই মোদীর কুশপুত্তলিকা কেড়ে নেয় ছাত্রলীগ ও পালিয়ে যায়, পরে নরেন্দ্র মোদির কাগজের প্রতিকৃতি পুড়ায় ছাত্র ফেডারেশন।[৫]
  • নরেন্দ্র মোদীর প্রতিকৃতি পোড়ানোর সময়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্রের সামনে প্রগতিশীল ছাত্র জোটের কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। পাল্টা হামলা চালালে, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে তাঁদের লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে। ২০ জন বিক্ষোভকারীদে মারধর করা হয়।[৬]
  • সাংবাদিকরা এই ঘটনাটি প্রতক্ষ করতে গেলে তাদের উপর হামলা চালানো হয়। এতে একজন সাংবাদিক আহত হন।[৭]

২৬ মার্চ

  • সকাল ১১টায় ঢাকায় নরেন্দ্র মোদীর আগমন; জাতীয় স্মৃতিসৌধতে ফুল দিয়ে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
  • হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে সেদিন (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে মোদী-বিরোধী বিক্ষোভকারীদের বিশাল সমাবেশ। ছাত্রলীগ এই সমাবেশে হস্তক্ষেপ করতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের ব্যপক সংঘর্ষ; পুলিশ এসে সংঘর্ষটিকে সামাল দিতে গিয়ে রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে। ১৫০+ বিক্ষোভকারী ও নেতাকর্মী এতে আহত হন।[৮]
  • চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ছাত্ররা বায়তুল মোকাররমের এই সহিংসতার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ভূমি অফিসের সামনে সমাবেশ করে। মিছিল থেকে হঠাৎ হাটহাজারী থানা, ভূমি অফিস, ডাক বাংলোসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তারা। এ সময় পুলিশের সঙ্গে হেফাজত নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। পুলিশ গুলি ছুঁড়লে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন ও ৪ জন নিহত হন।[৮][৯]
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক প্রতিবাদ সমাবেশে প্রথম এক আন্দোলনকারীর মৃত্যু।[৮]
  • মধ্যরাতে সরকারি নির্দেশে সারাদেশে বিজিবির টহল।[১০]
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভকারী নিহতের ঘটনায় ২৮ তারিখে সারাদেশে হেফাজতে ইসলাম হরতালের ডাক দেয়।[১১]

২৭ মার্চ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজত কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বিক্ষোভ আন্দোলন অনুষ্ঠিত।
  • হেফাজত কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মহাসড়ক অবরোধ করতে গিয়ে পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে ৫ জন নিহত।[১২]
  • মোদী-বিরোধী বিক্ষোভকারীরা ফরিদপুরের ভাঙ্গার পুলিশ থানায় হামলা চালায়। লক্ষ্য ছিল মোদীর গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন রোধ করা। এই হামলায় ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন।[১৩]
  • ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ ত্যাগ।

২৮ মার্চ

  • রোববার হেফাজতের ডাকা হরতালে সারাদেশ জুড়ে তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম ও এর সমর্থকেরা। রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
  • সহিংসতায় রূপ নেয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের হরতাল। বিক্ষোভকারীরা ট্রেন স্টেশন ও সরকারি অফিসসমূহে হামলা চালায়। পুলিশ ও বিজিবি বিক্ষোভ সামলানোর চেষ্টা করে। আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।[১৪] কিছু সূত্রমতে হিন্দু মন্দিরেও হামলা চালানো হয়েছিল সেদিন।[১৫] ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের এক সাংবাদিক ফোনে রয়টার্সকে "ব্রাহ্মণবাড়িয়া জ্বলছে" বলে উল্লেখ করেন।

২৯ মার্চ

  • বিএনপি এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে।[১৬]
  • পুলিশের আনুষ্ঠানিক ভাবে এই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। পিবিআই এর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পরিদর্শন করে।

৩০ মার্চ

  • সারাদেশে বিএনপির বিক্ষোভ ও হরতাল অনুষ্ঠিত হয়। কিছু স্থানে সহিংসতা হয়।
  • একটি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর "হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নেই", এই বিষয়টি পরিষ্কার করে।

২ এপ্রিল

  • শুক্রবারে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ করে।[১৭]
  • গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় হেফাজতে ইসলাম ও এর সমর্থক গোষ্ঠীদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যপক সংঘর্ষ হয়; এতে ২০ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়।[১৮]

মৃত্যু

হেফাজতের একটি সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয় যে, ২৮ শে মার্চ ২০২১ ইং তারিখে, ধর্মঘট চলাকালীন সময়ে বিক্ষোভের এক পর্যায়ে সারা দেশে ১৭ জন মৃত্যুবরণ করেন এবং প্রায় ৫০০ জন এর অধিক লোক আহত হন।[১] তাদের দাবি অনুযায়ী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ জন, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ৪ জন এবং নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। অপরদিকে ২৮শে মার্চ, ২০২১ ইং তারিখে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৪ জন মৃত্যুবরণ করেন বলে খবর প্রকাশিত হয়।

প্রতিক্রিয়া

সংবাদ ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করতে এবং সারা দেশে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বাংলাদেশ সরকার ২৬ মার্চ বিকেল থেকে ফেসবুক বন্ধ করে দেয়।[১৯] ফেসবুক এক বিবৃতিতে জানায় যে, "আমরা জানি যে বাংলাদেশে আমাদের সেবা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তারা আরও বলে যে, "আমরা আরো বোঝার জন্য কাজ করছি এবং আশা করি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি খুলে দেওয়া হবে।"[২০]

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, এই বিক্ষোভের উত্তরে বাংলাদেশ সরকারের কর্মকান্ডকে "রক্তাক্ত অভিযান" বলে অভিহিত করে এবং বলে যে, "বাংলাদেশী কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সমাবেশের স্বাধীনতাকে সম্মান করতে হবে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা দিতে হবে"।[২১]

বাংলাদেশের ২০ জন বিশিষ্ট নাগরিক যৌথ বিবৃতিতে মোদী বিরোধী বিক্ষোভকারীদের উপর হামলা এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সহিংসতা চালানোর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দাবি করেন। এইসব বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে আছেন: এম হাফিজ উদ্দিন খান, আলী ইমাম মজুমদার, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, বদিউল আলম মজুমদার, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, সারা হোসেন, সিআর আবরার, ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, আসিফ নজরুল, শহীদুল আলম, হাসনাত কাইয়ুম, নূর খান লিটন, শিরীন হক, জাকির হোসেন, পারভিন হাসান, লুবনা মারিয়াম, শারমিন মুর্শিদ, ফেরদৌস হাসান, আজিম জামান ও রাহনুমা আহমেদ।[২২]

২৬ থেকে ২৮ মার্চ বাংলাদেশে সফরকালে প্রতিবাদ চলাকালীন সারা দেশে কমপক্ষে ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়ে তাৎক্ষণিক, নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে ১১টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন।[২৩]

বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রতিবাদের সময় মানুষ হত্যার প্রতিবাদ করে। তারা ২৯ মার্চ এবং ৩০ মার্চ দেশব্যাপী বিক্ষোভ ঘোষণা করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

১৯ এপ্রিল, ২০২১ তারিখে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী ২৬ মার্চের বিক্ষোভে দেশব্যাপী কোলাহল ও ভাংচুরের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

আরও দেখুন

তথ্যসূত্র

  1. "দু'দিনে নিহত ১৭ জন, ২ এপ্রিল ফের বিক্ষোভ"নয়া দিগন্ত। ২৮ মার্চ ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০২১ 
  2. "Bangladesh: Authorities must respect right to peaceful protest following bloody crackdowns"অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১ 
  3. প্রতিবেদক, নিজস্ব। "নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২১ 
  4. রিপোর্টার, বিশ্ববিদ্যালয়। "মোদির আগমন ঠেকাতে কর্মসূচি ঘোষণা প্রগতিশীল ছাত্র জোটের"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০২১ 
  5. "কুশপুত্তলিকা কেড়ে নেওয়ায় মোদীর ছবি পোড়ালো ছাত্র ফেডারেশন"campuslive24.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২১ 
  6. "প্রগতিশীল ছাত্রজোটের কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলা"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২১ 
  7. "বাম ছাত্রজোটের মোদিবিরোধী কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের হামলা"সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মার্চ ২০২১ 
  8. "হাটহাজারীতে পুলিশ-হেফাজত সংঘর্ষ, নিহত ৪, রণক্ষেত্র বায়তুল মোকাররম"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১ 
  9. "শনিবার বিক্ষোভ, রোববার হরতালের ডাক হেফাজতে ইসলামের"banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  10. "মোদির সফর: হিংসা মোকাবিলায় বাংলাদেশের রাস্তায় নামল বিজিবি"bartamanpatrika.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  11. "শনিবার বিক্ষোভ, রবিবার সারাদেশে হরতালের ডাক হেফাজতের"ইত্তেফাক। ২৬ মার্চ ২০২১। 
  12. "ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে শনিবার আরও ৫ জনের মৃত্যু"বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১ 
  13. "মিছিলে বাধা দেয়ায় থানায় হামলা, ৬ পুলিশ আহত"যুগান্তর (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  14. "ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তৃতীয় দিনেও সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে"বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  15. গুপ্ত, অপ্রমিয়া দত্ত (২৮ মার্চ ২০২১)। "মোদী সফরের পরই রণক্ষেত্র বাংলাদেশ, মন্দির থেকে ট্রেনে চলল ধ্বংসলীলা"হিন্দুস্থান টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  16. রিপোর্টার, স্টাফ (২৮ মার্চ ২০২১)। "বিএনপির দুই দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  17. "গাজীপুরে পুলিশ হেফাজত সংঘর্ষে আহত ২০"www.deshrupantor.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  18. "গাজীপুরে পুলিশের সঙ্গে হেফাজতের সংঘর্ষ, আহত ২০"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  19. "দেশে ফেসবুক বন্ধ, বিকল্প পথে ব্যবহার করছেন অনেকে, বেড়েছে নিরাপত্তাহীনতা"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১ 
  20. "Facebook services down in Bangladesh amid protests against Modi visit"রয়টার্স (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১ 
  21. "Bangladesh: Authorities must respect right to peaceful protest following bloody crackdowns"অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১ 
  22. "Punish those responsible" [দোষীদের শাস্তি দিন]। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মার্চ ২০২১ 
  23. সংবাদদাতা, কূটনৈতিক। "মোদি বিরোধী প্রতিবাদে মৃত্যুর নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০২১