লামডিং জংশন রেলওয়ে স্টেশন

স্থানাঙ্ক: ২৫°৪৫′০১″ উত্তর ৯৩°১০′৩৭″ পূর্ব / ২৫.৭৫০২° উত্তর ৯৩.১৭৬৯° পূর্ব / 25.7502; 93.1769
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Indian Railways Suburban Railway Logo.svgলামডিং জং
কম্যুটার রেল এবং আঞ্চলিক রেল
Lumding Junction Train Station.jpg
অবস্থানলামডিং, হোজাই, আসাম
ভারত
স্থানাঙ্ক২৫°৪৫′০১″ উত্তর ৯৩°১০′৩৭″ পূর্ব / ২৫.৭৫০২° উত্তর ৯৩.১৭৬৯° পূর্ব / 25.7502; 93.1769
উচ্চতা১৪২ মিটার (৪৬৬ ফু)
মালিকানাধীনভারতীয় রেল
পরিচালিতউত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল
লাইনগুয়াহাটি-লামডিং বিভাগ
লামডিং-ডিব্রুগড় বিভাগ
লামডিং-বদরপুর বিভাগ
প্ল্যাটফর্ম
নির্মাণ
গঠনের ধরনআদর্শ
পার্কিংহ্যাঁ
সাইকেলের সুবিধাহ্যাঁ
অন্য তথ্য
অবস্থাসক্রিয়
স্টেশন কোডএলএমজি
অঞ্চল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল
বিভাগ লামডিং
ইতিহাস
চালু১৯০৩
বৈদ্যুতীকরণনির্মানাধীন
আগের নামআসাম বেঙ্গল রেলওয়ে
অবস্থান
লামডিং আসাম-এ অবস্থিত
লামডিং
লামডিং
আসামে অবস্থান

লামডিং জংশন গুয়াহাটি-লামডিং বিভাগের একটি জংশন রেলওয়ে স্টেশন। এটি ভারতের আসাম রাজ্যের হোজাই জেলায় অবস্থিত। এটি লামডিং এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় রেল পরিষেবা প্রদানের কাজ করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চারত বিভাজনের পূর্ববর্তী দিনগুলিতে, আসাম চট্টগ্রাম থেকে আখাউড়া-কুলাউড়া-ছাতক লাইন এবং আখাউড়া-লাকসাম-চট্টগ্রাম লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিল। চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে রেল সংযোগের জন্য আসাম চা রোপনকারীদের দাবির প্রতিক্রিয়ায় চট্টগ্রাম সংযোগ নির্মাণ করা হয়। ১৮৯১ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ে বাংলার পূর্ব দিকে রেলপথ নির্মাণ শুরু করে। ১৮৯৫ সালে চট্টগ্রামকুমিল্লার মধ্যবর্তী ১৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ (৯৩ মাইল) ট্র্যাক খোলা হয়েছিল। ১৮৯৬-১৮৯৮ সালে কুমিল্লা-আখাউড়া-কালাউড়া-বদরপুর বিভাগ খোলা হয়েছিল এবং ১৯০৩ সালে লামডিং পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।[১][২]

১৯০০ সালে আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের লামডিং-গুয়াহাটি লাইন চালু হয়।[৩]

স্বাধীনতা ও বিভাজনের পর, ১৯৯৭ সাল নাগাদ সমগ্র গুয়াহাটি-লুডিং-দিব্রগড়-তিনসুকিয়া সেক্টর মিটার গেজ থেকে ব্রডগেজ রূপান্তর করা হয়।[৪][৫]

লামডিং-শিলচার বিভাগের গেজ রূপান্তর কাজটি মার্চ-এপ্রিল ২০১৫ সালে সম্পন্ন করা হয়।[৬]

সুযোগ-সুবিধা[সম্পাদনা]

লামডিং রেলওয়ে স্টেশনে দুটি দ্বৈত বিছানা এসি অবসর কক্ষ, সাতটি দ্বৈত বিছানা সাধারণ অবসর কক্ষ এবং একটি তিন বিছানার শোবার কক্ষ রয়েছে। বয়স্ক এবং শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষের জন্য দুটি এলিভেটর নির্মাণাধীন।[৭]

ইঞ্জিনশালা[সম্পাদনা]

লামডিংয়ে একটি মিটার গেজ লোকো শেড আছে, যখন সমগ্র গুয়াহাটি-লামদীং-ডিব্রুগড় লাইন ব্রড গেজে রূপান্তরিত করা হচ্ছিল তখন লামডিং-বদরপুর-শিলচর লাইনও ব্রড গেজে রূপান্তরিত করা হয়। নিউ গুয়াহাটি লোকে শ্যাড থেকে ওয়াইডিএম-৪ মিটার গেজ লোকো লামডিংয়ে স্থানান্তরিত করা হয়। সম্প্রতি, মিটার গেজ লোকো শেডকে অ্যালকো ও ইএমডি ইঞ্জিন সহ ১০০ টি ব্রড গেজ লোকো ধারণক্ষমতার লোকো শেডকে রূপান্তরিত হয়েছে।[৮]

লামডিং রেল বিভাগ[সম্পাদনা]

লামডিং রেল বিভাগ ১ মে ১৯৬৯ সালে গঠিত হয়।[৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Report on the administration of North East India (1921–22)Google Books। Mttal Publishers Distributors। পৃষ্ঠা 46। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ 
  2. Socio Economic and Political Problems of Tea Garden Workers: A Study of Assam by S.N.Singh, Amarendra Narain, Purnendu Kumar,page 105, published in 2006, আইএসবিএন ৮১-৮৩২৪-০৯৮-৪, Mittal Publications, New Delhi
  3. "IR History: Part III (1900-1947)"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ 
  4. "Highlights of Railway Budget, 1997-98"। Press Information Bureau। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ 
  5. "Lumding Dibrugarh GC Project"। Process Register। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ 
  6. "Gauge conversion deadline now April 2015"। The Times of India, 25 March 2013। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  7. "Retiring rooms in North East Frontier Railway"। Indian Railways। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৩ 
  8. is"Sheds and workshops"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মে ২০১৩ 
  9. Northeast Fontier Railway – Lumding Division। Lumding Division। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ 
পূর্ববর্তী স্টেশন   ভারতীয় রেলওয়ে   পরবর্তী স্টেশন
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলশেষ স্টেশন
শেষ স্টেশনউত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল
লামডিং-ডিব্রুগড় বিভাগ
শেষ স্টেশনউত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল
লামডিং-বদরপুর বিভাগ

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]