রিচার্ড জনসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রিচার্ড জনসন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরিচার্ড লিওনার্ড জনসন
জন্ম (1974-12-29) ২৯ ডিসেম্বর ১৯৭৪ (বয়স ৪৫)
চার্টসি, সারে, ইংল্যান্ড
ডাকনামজনো, লেনি, দ্য গ্রীক
উচ্চতা৬ ফুট ২ ইঞ্চি (১.৮৮ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬১৫)
৫ জুন ২০০৩ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ টেস্ট২ ডিসেম্বর ২০০৩ বনাম শ্রীলঙ্কা
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৭৭)
২৬ জুন ২০০৩ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই১৮ নভেম্বর ২০০৩ বনাম শ্রীলঙ্কা
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৭মিডলসেক্স
২০০১ - ২০০৬সমারসেট
১৯৯১ - ২০০০মিডলসেক্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১০ ১৬৬ ১৯৪
রানের সংখ্যা ৫৯ ১৬ ৩৫৪৫ ১১০৮
ব্যাটিং গড় ১৪.৭৫ ৫.৩৩ ১৭.৮১ ১১.৪২
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ২/৮ ০/১
সর্বোচ্চ রান ২৬ ১০ ১১৮ ৫৩
বল করেছে ৫৪৭ ৪০২ ২৭৮৪৪ ৮৬০৭
উইকেট ১৬ ১১ ৫২৮ ২১৩
বোলিং গড় ১৭.১৮ ২১.৭২ ২৮.৫৮ ৩২.৮৪
ইনিংসে ৫ উইকেট ২০
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৩৩ ৩/২২ ১০/৪৫ ৫/৫০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/– ০/– ৬৩/– ২৩/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৬ মে ২০২০

রিচার্ড লিওনার্ড জনসন (ইংরেজি: Richard Johnson; জন্ম: ২৯ ডিসেম্বর, ১৯৭৪) সারের চার্টসি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী কোচ ও সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ও সমারসেট দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন ‘জনো’ ডাকনামে পরিচিত রিচার্ড জনসন

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

সানবারি ম্যানর স্কুল ও স্পেল্টহর্ন কলেজে পড়াশুনো করেছেন তিনি। মোটাসোটা গড়নের সুইং বোলার হিসেবে বেশ জোড়ালো ভঙ্গীমায় রিচার্ড জনসন বোলিং কর্মে অগ্রসর হতেন।

১৯৯২-৯৩ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত কোকাকোলা ইন্টারন্যাশনাল ইয়ুথ ক্রিকেট চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাথে পরিচিত হন। এ পর্যায়ে তিনি ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৮ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। তার সাথে ভবিষ্যতের টেস্ট ক্রিকেটার মার্কাস ট্রেসকোথিকবিক্রম সোলাঙ্কি ছিলেন।[১] পরবর্তী শীতকালে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্যরূপে শ্রীলঙ্কা গমন করেন। সেখানে তিনি একটু যুব টেস্ট ও তিনটি যুব ওডিআইয়ে অংশ নেন।[১] টেস্টের উভয় ইনিংসেই তিনি তিনটি করে উইকেট পান ও মাহেলা জয়াবর্ধনে তার শিকারে পরিণত হয়েছিলেন।[২] এরপর, ওডিআই সিরিজে চার উইকেট পান। এ প্রতিযোগিতায় ১৪.১৬ গড়ে টেস্ট বোলিং ও ১৬.৫০ গড়ে ওডিআইয়ে বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন।[৩][৪]

ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে দশ উইকেট লাভের স্বীকৃতিস্বরূপ ইংল্যান্ড এ দলের সদস্য হিসেবে তাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের শীতকালে ভারত ও বাংলাদেশ গমন করেন।[৫]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯২ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত রিচার্ড জনসনের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৯২ সালে কিশোর অবস্থাতে মিডলসেক্সের পক্ষে উদ্বোধনী বোলার হিসেবে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার।

১৯৯৪ সালে মিডলসেক্সের সদস্যরূপে ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে দশ উইকেটের সবগুলো করায়ত্ত্ব করে সংবাদ শিরোনামে চলে আসেন। ১০/৪৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েছিলেন তিনি। ঐ গ্রীষ্মে ব্রায়ান লারা’র একাধারে পাঁচটি প্রথম-শ্রেণীর সেঞ্চুরি লাভের সম্ভাবনা ভেঙ্গে দেন। ১৯৯৫ সালেও চমৎকার খেলেন। ১৯৯৬ সালে এনবিসি ডেনিস কম্পটন পুরস্কার পান।

২০০১ সালে সমারসেটের দিকে ধাবিত হন। এর দুই বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করেন। ২০০৪ সালে ওয়াল্টার লরেন্স ট্রফি লাভ করেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে স্বল্পস্থায়ী খেলোয়াড়ী জীবনে ইংল্যান্ডের পক্ষে তিনটিমাত্র টেস্ট ও দশটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন রিচার্ড জনসন। ঐ এক বছরই তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশ নিতে পেরেছিলেন। ৫ জুন, ২০০৩ তারিখে চেস্টার-লি-স্ট্রিটে সফরকারী জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২ ডিসেম্বর, ২০০৩ তারিখে গলেতে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তাকে ইংল্যান্ড দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। তবে, আঘাতের কারণে তিনি খেলতে পারেননি। দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ বছর পর ইংল্যান্ড দল থেকে তাকে পুণরায় আমন্ত্রণ জানানো হয়। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের শেষ তিন টেস্টে তাকে রাখা হয়। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ শেষে ইংল্যান্ডের ওডিআই দলে তাকে নেয়া হয়।

অবশেষে, জুন, ২০০৩ সালে ট্রেন্ট ব্রিজে সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয় তার। জনসনের টেস্ট খেলোয়াড়ী জীবনের সূত্রপাত বেশ ভালোভাবে হয়। জুন, ২০০৩ সালে সফরকারী জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেট লাভ করেন।[৬] তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি উইকেট-শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করেন। তাসত্ত্বেও, রিচার্ড জনসনকে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার প্রদান করা হয়।[৭] তার এ পরিসংখ্যানটি টেস্ট ক্রিকেট অভিষেকে যে-কোন ইংরেজ ক্রিকেটারের ষষ্ঠ সেরা সংগ্রহ।[৮]

ঐ একই মাসের শেষদিকে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক হয় তার। ২০০৩ সালের ন্যাটওয়েস্ট সিরিজে জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন। ড্যারেন গফের সাথে বোলিং উদ্বোধনে নামেন। তিন উইকেট পান তিনি। তাসত্ত্বেও জিম্বাবুয়ে দল দুই ওভার বাকী থাকতে জয় পায়।[৯] দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই খেলায় তিনি উইকেট-শূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়েন। পরের খেলায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আরও দুই উইকেট পান। জেমস অ্যান্ডারসনের দলে প্রত্যাবর্তনের ফলে তাকে উদ্বোধনী বোলারের স্থান ছেড়ে দিতে হয়। এর পরিবর্তে প্রথম পরিবর্তিত বোলার হিসেবে বোলিং করার সুযোগ পান। পাঁচজন পেসারের বোলিং আক্রমণে জিম্বাবুয়ে দলকে মাত্র ৯২ রানে অল-আউট হতে হয়। হিথ স্ট্রিক চার উইকেট পেলেও ইংল্যান্ড দল মাত্র ১৭.৫ ওভারে জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায়।[১০] জ্যাক ক্যালিসকে কট আউটে বিদেয় করে প্রথম জিম্বাবুয়েবিহীন উইকেট লাভ করেন। এর দুই ওভার পর অ্যান্ড্রু হলের উইকেট পান তিনি।[১১] চূড়ান্ত খেলায় আরও একটি উইকেট পান। এরফলে, ২২.১২ গড়ে আট উইকেট লাভে সক্ষম হন।[১২]

বাংলাদেশ গমন[সম্পাদনা]

হাঁটুর আঘাতের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের পরের টেস্টে খেলতে পারেননি। এরফলে, জেমস অ্যান্ডারসনকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়।[১৩] হাঁটুর আঘাত থেকে সুস্থ হবার পর শীতকালে বাংলাদেশ গমনে আসেন। চট্টগ্রামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অংশ নেন এবং আবারও পাঁচ-উইকেট পান।

অভিষেকে বেশ ভালো খেলা উপহার দেয়া স্বত্ত্বেও সফরের শুরুতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা সফরে ইংল্যান্ডের টেস্ট দলে রিচার্ড জনসনকে রাখা হয়নি। তবে, হাঁটুর আঘাতের কারণে জেমস অ্যান্ডারসন নাম প্রত্যাহার করে নিলে রিচার্ড জনসন মধুচন্দ্রীমা বাতিল করেন ও স্টিভ হার্মিসনের আঘাতের ফলে দ্বিতীয় টেস্ট খেলার সুযোগ পান।[১৪] সুযোগ পেয়েই তিনি প্রথম ইংরেজ বোলার হিসেবে ১৯৮৩ সালে নিক কুকের পর উপর্যুপরী দুই টেস্টে পাঁচ-উইকেট লাভের কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন। খেলায় তিনি ৯/৯৩ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন ও আরও একবার ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার লাভের অধিকারী হন।[১৫] এরপর ওডিআই খেলায় অংশ নেন। দ্বিতীয় খেলায় তিন উইকেট লাভ করলেও প্রথমটিতে উইকেট-শূন্য অবস্থায় মাঠ ত্যাগ করতে হয়েছিল। কিন্তু, স্টিভ হার্মিসনের প্রত্যাবর্তনের ফলে তাকে দলের সংরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয় ও আর তাকে দল নির্বাচকমণ্ডলী মাঠে নামানোর কথা ভাবেননি।

ডিসেম্বর, ২০০৩ সালে নিজস্ব তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্টে অংশ নেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে খেলেন তিনি। কুমার সাঙ্গাকারা’র একমাত্র উইকেট পান। দ্বিতীয় টেস্টে ম্যাথু হগার্ডকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয় ও ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে দলে রাখা হয় এবং জেমস কার্টলিকে বাদ দেয়। উভয় বোলারই গালের নিষ্প্রাণ পিচে বলে বৈচিত্র্য না আনায় সমালোচনার সম্মুখীন হন।[১৬]

শেষ মিনিটে তাকে ভারত সফরে রাখা হয়। সীমিত সুযোগ পান। নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবার জন্যে বড়দিনের পরপরই অ্যান্ড্রু ক্যাডিককে দলে ভেড়ানো হয়।

অবসর[সম্পাদনা]

২০০৬ সাল শেষে মিডলসেক্স কর্তৃপক্ষ তাদের দলের আক্রমণ ভাগকে আরও শক্তিশালীকরণে তৎপর হয়। তিনি প্রথম একাদশে ফিরতে পারেননি। অতঃপর, ঐ মৌসুম শেষে অবসর গ্রহণ করেন তিনি। অক্টোবর, ২০০৭ সালে ৩২ বছর বয়সে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে নিজের অবসর গ্রহণের কথা ঘোষণা করেন রিচার্ড জনসন।

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর কোচিং জগতের দিকে ধাবিত হন। ৫ নভেম্বর, ২০১৮ সালে তাকে সারে দলের সহকারী কোচ হিসেবে মনোনীত করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Other matches played by Richard Johnson (30)"CricketArchive। ৪ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ মার্চ ২০১০ 
  2. "Sri Lanka Under-19s v England Under-19s"CricketArchive। ১৪ জানুয়ারি ১৯৯৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  3. "Under-19 Test Bowling for England Under-19s: England Under-19s in Sri Lanka 1993/94"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  4. "Under-19 ODI Bowling for England Under-19s: England Under-19s in Sri Lanka 1993/94"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  5. "Player Oracle Reveals Results: RL Johnson"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  6. "2nd Test: England v Zimbabwe at Chester-le-Street, Jun 5–7, 2003"espncricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৩ 
  7. "England v Zimbabwe"CricketArchive। ৫ জুন ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  8. Brenkley, Stephen (২০০৪)। Matthew, Engel, সম্পাদক। Wisden Cricketers' Almanack 2004Alton, Hampshire: Wisden। পৃষ্ঠা 419। আইএসবিএন 0-947766-83-9 
  9. "England v Zimbabwe"CricketArchive। ২৬ জুন ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  10. "England v Zimbabwe"CricketArchive। ৬ জুলাই ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  11. "England v South Africa"CricketArchive। ৮ জুলাই ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  12. "Bowling for England: National Westminster Bank Series 2003"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  13. Wisden CricInfo staff (২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৩)। "England bring in Johnson to replace Anderson"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  14. Miller, Andrew (২০০৪)। Matthew, Engel, সম্পাদক। Wisden Cricketers' Almanack 2004Alton, Hampshire: Wisden। পৃষ্ঠা 1074। আইএসবিএন 0-947766-83-9 
  15. "Bangladesh v England"CricketArchive। ২৯ অক্টোবর ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 
  16. Miller, Andrew (২২ ডিসেম্বর ২০০৩)। "Could do better – and will need to in West Indies"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০৩-২১ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]