রাহুল সঙ্ঘবি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাহুল সঙ্ঘবি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরাহুল লক্ষ্মণ সঙ্ঘবি
জন্ম (1974-09-03) ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ (বয়স ৪৬)
দিল্লি, ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ২৩৪)
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০১ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১১০)
১৮ জানুয়ারি ১৯৯৮ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮ বনাম জিম্বাবুয়ে
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ১০
রানের সংখ্যা
ব্যাটিং গড় ১.০০ ৪.০০
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান
বল করেছে ৭৪ ৪৯৮
উইকেট ১০
বোলিং গড় ৩৯.০০ ৩৯.৮৯
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ২/৬৭ ৩/২৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ৪/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৫ অক্টোবর ২০২০

রাহুল লক্ষ্মণ সঙ্ঘবি (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; হিন্দি: राहुल संघवी; জন্ম: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪) দিল্লি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ভারত ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের শেষার্ধ্ব থেকে ২০০০-এর দশকের সূচনাকাল পর্যন্ত সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ভারতের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লি ও রেলওয়েজ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, বামহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন রাহুল সঙ্ঘবি

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৪-৯৫ মৌসুম থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাহুল সঙ্ঘবি’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ঘরোয়া পর্যায়ের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে দিল্লি, উত্তর অঞ্চল ও রেলওয়েজ দলের পক্ষে খেলতেন। ১৯৯৪ সালে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ব্যাটিং উপযোগী পিচে তিনি দর্শনীয় খেলা উপহার দিতেন।

১৯৯৭-৯৮ মৌসুমে রঞ্জী ট্রফির একদিনের খেলায় দিল্লি দলের সদস্যরূপে হিমাচলপ্রদেশের বিপক্ষে ৮/১৫ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে তৎকালীন বিশ্বরেকর্ড গড়েন। পরবর্তীতে, দুই দশক পর ২০১৯ সালে শাহবাজ নাদিম রাজস্থানের বিপক্ষে লিস্ট এ ক্রিকেটে ৮/১০ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে রেকর্ডটি নিজের করে নেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে ও দশটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন রাহুল সঙ্ঘবি। ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০১ তারিখে মুম্বইয়ে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। অন্যদিকে, টেস্ট অভিষেকের পূর্বেই ১৮ জানুয়ারি, ১৯৯৮ তারিখে ঢাকায় পাকিস্তান দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে হারারেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে অংশ নেন। তবে, সফরকারী দল ১০ উইকেটে জয় পায়। এরফলে, টেস্ট দলের বাইরে রাখা হয়। দুই বছরের কম সময়ের মধ্যে ১০টি ওডিআইয়ে অংশ নেন। এ পর্যায়ে তিনি বেশ ভালোমানের ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শন করেছিলেন। ১৯৯৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। একই বছর শারজায় অনুষ্ঠিত কোকা কোলা কাপের চূড়ান্ত খেলায় অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে রুখে দাঁড়ান। পরবর্তী দুই বছরের অধিক সময় দলের বাইরে ছিলেন।

অবসর[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর প্রশাসনের দিকে ঝুঁকে পড়েন। ২০১৬ সালে ডিডিসিএ’র দল নির্বাচকের দায়িত্বে থাকাকালীন আইপিএলে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেন। তবে, স্বার্থের সংঘাতে তিনি মারমূখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]