ব্যোমকেশ বক্সী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ব্যোমকেশ বক্সী
'ব্যোমকেশ বক্সী' চরিত্র
ব্যোমকেশ বক্সী.jpg
আনন্দ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত ব্যোমকেশ বক্সী কমিকসের প্রচ্ছদ
প্রথম উপস্থিতি সত্যান্বেষী
শেষ উপস্থিতি বিশুপাল বধ
স্রষ্টা শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
চরিত্রায়ণ উত্তম কুমার
সতীন্দ্র ভট্টাচার্য্য
রজত কপূর
সুদীপ মুখোপাধ্যায়
সপ্তর্ষি রায়
শুভ্রজিৎ দত্ত
আবীর চট্টোপাধ্যায়
সুজয় ঘোষ
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
গৌরব চক্রবর্তী
সুশান্ত সিং রাজপুত
ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়
যীশু সেনগুপ্ত
তথ্য
লিঙ্গপুরুষ
পেশাসত্যান্বেষী (গোয়েন্দা)
পরিবারবক্সী
দাম্পত্য সঙ্গীসত্যবতী
সন্তানখোকা
জাতীয়তাভারতীয়

ব্যোমকেশ বক্সী শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র।

চরিত্র[সম্পাদনা]

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্ট চরিত্র হিসেবে ব্যোমকেশ বক্সীর আবির্ভাব হয় সত্যান্বেষী গল্পে। ১৩৩১ বঙ্গাব্দে কলকাতার চীনাবাজার অঞ্চলে পরপর কয়েকটি খুনের ঘটনার কিনারা করতে 'বে-সরকারী ডিটেকটিভ' ব্যোমকেশ বক্সী পুলিশ কমিশনারের অনুমতি নিয়ে অতুলচন্দ্র মিত্র ছদ্মনামে এই অঞ্চলে এক মেসে বসবাস শুরু করেছিলেন। এই মেসে তার ঘরের অন্য ভাড়াটিয়া অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলমে শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশের অধিকাংশ গোয়েন্দা গল্পগুলি লিখিয়েছিলেন। সত্যান্বেষী গল্পে ব্যোমকেশের বিবরণ দিতে গিয়ে অজিত বলেছেন, ...তাহার বয়স বোধকরি তেইশ-চব্বিশ হইবে, দেখিলে শিক্ষিত ভদ্রলোক বলিয়া মনে হয়। গায়ের রঙ ফরসা, বেশ সুশ্রী সুগঠিত চেহারা-মুখে চোখে বুদ্ধির একটা ছাপ আছে। এই গল্পের শেষে জানা যায়, হ্যারিসন রোডের একটি বাড়ীর তিনতলা ভাড়া নিয়ে ব্যোমকেশ বসবাস করেন। এই বাড়িতে ব্যোমকেশ ছাড়া দ্বিতীয় ব্যক্তি তার পরিচারক পুঁটিরাম। ব্যোমকেশের অনুরোধে অজিত এই বাড়ীতে বসবাস শুরু করেন। বাড়ীর দরজায় পেতলের ফলকে লেখা ছিল শ্রীব্যোমকেশ বক্সী, সত্যান্বেষী। সত্যান্বেষীর অর্থ জিজ্ঞাসা করায় অজিতকে ব্যোমকেশ বলেন, ওটা আমার পরিচয়। ডিটেকটিভ কথা শুনতে ভালো নয়, গোয়েন্দা শব্দটা আরও খারাপ, তাই নিজের খেতাব দিয়েছি সত্যান্বেষী।[১] পরের গল্পগুলিতে ব্যোমকেশ নিজেকে সত্যান্বেষী বলেই পরিচয় দিয়েছেন। অর্থমনর্থম্‌ গল্পে ব্যোমকেশের সঙ্গে একটি খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সুকুমারবাবুর বোন সত্যবতীর পরিচয় হয়[২], যার সাথে পরে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়। আদিম রিপু গল্পে ব্যোমকেশের বাল্যকাল সম্বন্ধে কিছু তথ্য জানা যায়। ব্যোমকেশের পিতা স্কুলে অঙ্কের শিক্ষক ছিলেন ও বাড়িতে সাংখ্য দর্শনের চর্চা করতেন এবং তার মাতা বৈষ্ণব বংশের মেয়ে ছিলেন। ব্যোমকেশের যখন সতেরো বছর বয়স, তখন তার পিতা ও পরে তার মাতা যক্ষ্মা রোগে মারা যান। পরে ব্যোমকেশ জলপানির সাহায্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করেন।[৩] দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ভারতের স্বাধীনতা লাভের পরেও অজিত ও সপরিবারে ব্যোমকেশ হ্যারিসন রোডের বাড়িতে বসবাস করেন। পরে তারা দক্ষিণ কলকাতার কেয়াতলায় জমি কিনে সেখানে বাড়ি বানিয়ে চলে যাবেন বলে মনস্থির করেন।[৪]

গল্পলেখক[সম্পাদনা]

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশ বক্সী সিরিজের গল্পগুলিতে লেখক হিসেবে ব্যোমকেশের বন্ধু অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপস্থাপিত করেছেন। ব্যোমকেশের প্রতিটি রহস্যভেদের সঙ্গী অজিতের লেখনীতে ব্যোমকেশের অধিকাংশ গল্পগুলি তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু রুম নম্বর দুই, শজারুর কাঁটা, বেণীসংহার, লোহার বিস্কুট, বিশুপাল বধ এই গল্পগুলিতে অজিতকে গল্পলেখক হিসেবে উপস্থিত করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে শরদিন্দু বলেছেন, অজিতকে দিয়ে ব্যোমকেশের গল্প লেখানো আর চলছে না। একে তো ভাষা সেকেলে হয়ে গেছে, এখনো চলতি ভাষা আয়ত্ত করতে পারেনি, এই আধুনিক যুগেও 'করিতেছি', 'খাইতেছি' লেখে। উপরন্তু তাঁর সময়ও নেই। পুস্তক প্রকাশের কাজে যে লেখকেরা মাথা গলিয়েছেন তাঁরা জানেন, একবার মা-লক্ষ্মীর প্রসাদ পেলে মা-সরস্বতীর দিকে আর নজর থাকে না। তাছাড়া সম্প্রতি অজিত আর ব্যোমকেশ মিলে দক্ষিণ কলকাতায় জমি কিনেছে, নতুন বাড়ি তৈরী হচ্ছে; শীগ্‌গিরই তারা পুরনো বাসা ছেড়ে কেয়াতলায় চলে যাবে। অজিত একদিকে বইয়ের দোকান চালাচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ি তদারক করছে; গল্প লেখার সময় কোথায়? ...... দেখেশুনে অজিতকে নিস্কৃতি দিলাম, এখন থেকে আমিই যা পারি লিখব।[৪]

রচনা[সম্পাদনা]

রচনাকাল অনুসারে ব্যোমকেশ সিরিজের প্রথম গল্প পথের কাঁটা (৭ই আষাঢ়, ১৩৩৯ বঙ্গাব্দ) এবং দ্বিতীয় গল্প সীমন্ত-হীরা (৩রা অগ্রহায়ণ, ১৩৩৯ বঙ্গাব্দ)। এই দুইটি গল্প লেখার পর শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্র নিয়ে সিরিজ লেখার কথা চিন্তা করে ১৩৩৯ বঙ্গাব্দের ২৪শে মাঘ সত্যান্বেষী গল্প রচনা শেষ করে ব্যোমকেশ চরিত্রকে পাঠকের সামনে উপস্থিত করেন। সেই কারণে সত্যান্বেষী গল্পটিকে ব্যোমকেশ সিরিজের প্রথম গল্প হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। ১৩৩৯ থেকে ১৩৪৩ বঙ্গাব্দ পর্যন্ত দশটি গল্প লেখার পর পাঠকদের ভালো লাগবে না ভেবে পনেরো বছর ব্যোমকেশকে নিয়ে আর কোন গল্প লেখেননি। এরপর কলকাতার পরিমল গোস্বামীর বাড়ির ছেলেমেয়েদের অনুরোধে ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ই পৌষ চিত্রচোর গল্পটি লেখেন। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যোমকেশ চরিত্র নিয়ে তেত্রিশটি কাহিনী রচনা করেছেন। এর মাঝে বিশুপাল বধ গল্পটি তিনি সম্পূর্ণ করে যেতে পারেননি।[৫] পরবর্তীতে এই গল্প সম্পূর্ণ করেন সাহিত্যিক নারায়ণ সান্যাল। ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্র নিয়ে রচিত কাহিনীগুলি হলঃ

  • সত্যান্বেষী
  • পথের কাঁটা
  • সীমন্ত-হীরা
  • মাকড়সার রস
  • অর্থমনর্থম্‌
  • চোরাবালি
  • অগ্নিবাণ
  • উপসংহার
  • রক্তমুখী নীলা
  • ব্যোমকেশ ও বরদা
  • চিত্রচোর
  • দুর্গরহস্য
  • চিড়িয়াখানা
  • আদিম রিপু
  • বহ্নি-পতঙ্গ
  • রক্তের দাগ
  • মণিমণ্ডন
  • অমৃতের মৃত্যু
  • শৈলরহস্য
  • অচিন পাখি
  • কহেন কবি কালিদাস
  • অদৃশ্য ত্রিকোণ
  • খুঁজি খুঁজি নারি
  • অদ্বিতীয়
  • মগ্নমৈনাক
  • দুষ্টচক্র
  • হেঁয়ালির ছন্দ
  • রুম নম্বর দুই
  • ছলনার ছন্দ
  • শজারুর কাঁটা
  • বেণীসংহার
  • লোহার বিস্কুট
  • বিশুপাল বধ (অসমাপ্ত)

চলচ্চিত্রে ব্যোমকেশ বক্সী[সম্পাদনা]

ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্র নিয়ে রচিত গল্পগুলিকে ভিত্তি করে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এই চলচ্চিত্রগুলি তালিকাবদ্ধ করা হল-

চলচ্চিত্র ভাষা পরিচালক মুক্তি কাহিনী অবলম্বনে ব্যোমকেশের চরিত্রে অজিতের চরিত্রে সত্যবতীর চরিত্রে
চিড়িয়াখানা[৬][৭] বাংলা সত্যজিৎ রায় ১৯৬৭ চিড়িয়াখানা উত্তম কুমার শৈলেন মুখোপাধ্যায়
শজারুর কাঁটা[৮][৯] বাংলা মঞ্জু দে ১৯৭৪ শজারুর কাঁটা সতীন্দ্র ভট্টাচার্য্য শৈলেন মুখোপাধ্যায়
মগ্ন মৈনাক[৯] বাংলা স্বপন ঘোষাল ২০০৯ মগ্ন মৈনাক শুভ্রজিৎ দত্ত রাজর্ষি মুখোপাধ্যায় পিয়ালী মুন্সী
ব্যোমকেশ বক্সী[৯] বাংলা অঞ্জন দত্ত ২০১০ আদিম রিপু আবীর চট্টোপাধ্যায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ঊষসী চক্রবর্তী
আবার ব্যোমকেশ[১০] বাংলা অঞ্জন দত্ত ২০১২ চিত্রচোর আবীর চট্টোপাধ্যায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ঊষসী চক্রবর্তী
সত্যান্বেষী[১১][১২][১৩] বাংলা ঋতুপর্ণ ঘোষ ২০১৩ চোরাবালি সুজয় ঘোষ অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়
দূরবীন বাংলা স্বাগত চৌধুরী ২০১৪ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যোমকেশ ফিরে এলো বাংলা অঞ্জন দত্ত ২০১৪ বেণী সংহার আবীর চট্টোপাধ্যায় শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ঊষসী চক্রবর্তী
ডিটেকটিভ ব্যোমকেশ বক্সী![১৪][১৫][১৬] হিন্দি দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৫ সত্যান্বেষী সুশান্ত সিং রাজপুত আনন্দ তিওয়ারি দিব্যা মেনন
শজারুর কাঁটা[১৭][১৮] বাংলা শৈবাল মিত্র ২০১৫ শজারুর কাঁটা ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় প্রদীপ মুখোপাধ্যায়
ব্যোমকেশ বক্সী[১৯] বাংলা অঞ্জন দত্ত ২০১৫ কহেন কবি কালিদাস যীশু সেনগুপ্ত শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ঊষসী চক্রবর্তী
হর হর ব্যোমকেশ বাংলা অরিন্দম শীল ২০১৫ বহ্নি-পতঙ্গ আবীর চট্টোপাধ্যায় ঋত্বিক চক্রবর্তী সোহিনী সরকার
ব্যোমকেশ ও চিড়িয়াখানা বাংলা অঞ্জন দত্ত ২০১৬ চিড়িয়াখানা যীশু সেনগুপ্ত শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ঊষসী চক্রবর্তী
ব্যোমকেশ পর্ব বাংলা অরিন্দম শীল ২০১৬ অমৃতের মৃত্যু আবীর চট্টোপাধ্যায় ঋত্বিক চক্রবর্তী সোহিনী সরকার
ব্যোমকেশ ও অগ্নিবান বাংলা অঞ্জন দত্ত ২০১৭ অগ্নিবাণ ও উপসংহার যীশু সেনগুপ্ত শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ঊষসী চক্রবর্তী
ব্যোমকেশ গোত্র বাংলা অরিন্দম শীল ২০১৮ রক্তের দাগ আবীর চট্টোপাধ্যায় রাহুল ব‍্যানার্জি সোহিনী সরকার

টেলিভিশন ধারাবাহিকে ব্যোমকেশ বক্সী[সম্পাদনা]

টেলিভিশন ধারাবিহিকে ভাষা পরিচালক সম্প্রচার চ্যানেল ব্যোমকেশের চরিত্রে অজিতের চরিত্রে সত্যবতীর চরিত্রে
ব্যোমকেশ বক্সী[২০] হিন্দী বাসু চট্টোপাধ্যায় ১৯৯৩ দূরদর্শন রজত কপূর কে কে রায়না সুকন্যা কুলকর্ণি
ব্যোমকেশ বক্সী বাংলা স্বপন ঘোষাল ২০০৪ দূরদর্শন সুদীপ মুখোপাধ্যায় দেবদূত ঘোষ মৈত্রেয়ী মিত্র
ব্যোমকেশ বক্সী বাংলা স্বপন ঘোষাল ২০০৭ তারা মিউজিক সপ্তর্ষি রায় বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায় পিয়ালি মিত্র]]
ব্যোমকেশ বাংলা অমিত সেনগুপ্ত
গোপাল চক্রবর্তী
জয়দীপ মুখোপাধ্যায়
২০১৪ কালার্স বাংলা গৌরব চক্রবর্তী সৌগত বন্দ্যোপাধ্যায় ঋদ্ধিমা ঘোষ

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সত্যান্বেষী, ব্যোমকেশের ডায়েরী, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম প্রকাশ-১৩৪০ বঙ্গাব্দ, প্রকাশক পি সি সরকার অ্যান্ড কোং
  2. অর্থমনর্থম্‌, ব্যোমকেশের কাহিনী, শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম প্রকাশ-১৩৪০ বঙ্গাব্দ, প্রকাশক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স
  3. আদিম রিপু শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম প্রকাশ শ্রাবণ ১৩৬২ বঙ্গাব্দ, প্রকাশক গুরুদাস চট্টোপাধ্যায় অ্যান্ড সন্স
  4. বেণীসংহার, [ভূমিকা], শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রথম সংস্করণ, ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯৬৮, প্রকাশক আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড
  5. ব্যোমকেশ সমগ্র, লেখক- শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়, ব্যোমকেশের কথা, পৃষ্ঠা ৯৯৫, প্রকাশক-আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম সংস্করণ মে ১৯৯৫
  6. Bhattacharya Supriya (১ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। Impressions 8, 2/E। Pearson Education India। পৃষ্ঠা 1–। আইএসবিএন 978-81-317-2777-5। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১২ 
  7. Andrew Robinson (১৯৮৯)। Satyajit Ray: The Inner Eye। University of California Press। পৃষ্ঠা 231–। আইএসবিএন 978-0-520-06946-6। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১২ 
  8. "Sajaraur Kanta"। Complete index to world film। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৪ 
  9. Chatterjee, Shoma (২৪ মে ২০১৪)। "Mystery Trail"The Times of India। ২৬ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০১৪ 
  10. "Abar Byomkesh"Telegraph, Calcutta। ৩১ মার্চ ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৭ অক্টোবর ২০১২ 
  11. "Sujoy Ghosh to not act in any film after Rituparno's 'Satyanweshi'"IBNLIve। ১৫ আগস্ট ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৩ 
  12. "Rituparno Ghosh's cinematographer, not Sujoy Ghosh to complete Satyanweshi"Hindustan Times। ১০ জুন ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৩ 
  13. "Satyanweshi poster: Sujoy Ghosh looks like a real detective!"Bollywood Life। ৩১ জুলাই ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৩ 
  14. "Sushant Singh Rajput to play Detective Byomkesh Bakshi"June 28, 2013। NDTV। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১৬, ২০১৪ 
  15. "Sushant Singh Rajput in Yash Raj Film's Detective Byomkesh Bakshi"June 27, 2013। Indian Express। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১৬, ২০১৪ 
  16. Ankita R Kanabar (এপ্রিল ২৪, ২০১৪)। "The date shuffle"। The Indian Express। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৪-২৫ 
  17. "Another Byomkesh Bakshi mystery - The Indian Express"The Indian Express 
  18. "Konkona Sen Sharma-Indraneil Sengupta to star in new Byomkesh Bakshi film - The Indian Express"The Indian Express 
  19. "Jisshu as Byomkesh?"The Times of India 
  20. shahabkalim-1। "Byomkesh Bakshi (TV Series 1993– )"IMDb