উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(প্রোপাগান্ডা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
জাক-লুই দাভিদের ফরাসি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণামূলক চিত্রকর্ম বোনাপার্ত ফ্রঁশিসঁ ল্য-গ্রঁ-সাঁ-বের্নার (১৮০৫)। চিত্রটিতে বাস্তবতার চেয়ে নাপোলেওঁ বোনাপার্তের শৌর্য-বীর্য প্রকাশই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
একই ঘটনার পটভূমিতে আঁকা পোল দ্যলারোশের আরও বাস্তবানুগ চিত্রকর্ম বোনাপার্ত ফ্রঁশিসঁ লেজাল্প (১৮৫০)।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা (ইংরেজি ভাষায়: Propaganda) হল কোন একটি বিশেষ উদ্দেশ্য বা অবস্থানের দিকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের আচরণ চালিত করার জন্য সম্প্রচারিত এমন কিছু নিয়ন্ত্রিত যোগাযোগ মাধ্যম যেগুলো সেই উদ্দেশ্য বা অবস্থানের সকল দিক উল্লেখ না করে কেবলমাত্র একটি দিককে প্রাধান্য দেয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা সাধারণত আংশিক সত্য বা আংশিক মিথ্যাকে প্রচার করে। জনগণের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গীর কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার পুনরাবৃত্তি ঘটানো হয় এবং সব ধরনের প্রচার মাধ্যম ব্যবহার করা হয়। বক্তৃতা, প্রচারপত্র, পোস্টার, সংবাদপত্রে বিবৃতি, চলচ্চিত্র, ব্যাক্তিগত ক্যানভাসিং, সংবাদ সম্মেলন, রেডিও-টেলিভিশনে প্রচার, সেমিনার, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম, অনলাইন রেডিও, ব্লগ, ক্ষুদে বার্তা ইত্যাদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা বিস্তারের অন্যতম মাধ্যম।

সাধারণ প্রচার-প্রচারণার সাথে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার মৌলিক পার্থক্য হল, এটি নিরপেক্ষ তথ্য প্রকাশ না করে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ একটি নির্বাচিত দিকে ধাবিত করতে সহায়তা করে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা এমন কিছু নির্বাচিত ঘটনা বা তথ্য তুলে ধরে যাতে কোন একটি বিষয় সম্পর্কে দর্শক কেবলমাত্র একটি উপসংহারে উপনীত হতে বাধ্য হয়। এসব তথ্য বা ঘটনা জনমনে আবেগের সঞ্চার করে এবং যুক্তিগ্রাহ্য চিন্তাভাবনা করতে বাধা দেয়। আধুনিক বিশ্বে রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আদর্শগত বা ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের একটি বড় হাতিয়ার এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা। বিভিন্ন রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান অতীতে ও বর্তমানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাকে জনগণের মন-মানসিকতা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এমনভাবে ব্যবহার করেছে (হলোকস্টকে বৈধতাদানের জন্য নাৎসিদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা) যে তা এখন একটি চরম নেতিবাচক বিষয় হিসেবে বিবেচিত। প্রকৃত অর্থে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্র ও সমাজের রীতিনীতি মেনে চলার জন্য জনগণকে উৎসাহিত করা। একসময় স্বাস্থ্যসচেতনতা, নির্বাচনে অংশগ্রহন নিশ্চিত করা, অপরাধ সংঘটনের পর জনগণের করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহার করা হত।

ইংরেজি শব্দের ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

ইংরেজি প্রোপাগান্ডা শব্দটি একটি আধুনিক লাতিন শব্দ যা প্রোপাগারে ক্রিয়াটির একটি বিশেষ্য আকার। এর অর্থ হল ছড়িয়ে যাওয়া। তাই "প্রোপাগান্ডা" শব্দটির আভিধানিক অর্থ হল যা ছড়িয়ে যায়।[১] উৎপত্তিগতভাবে এই শব্দটির উদ্ভব হয়েছিল একটি ক্যাথলিক গির্জা এর ১৬২২ সালে তৈরি একটি নতুন প্রশাসনিক সংগঠন থেকে, যার নাম ছিল কংগ্রেগেশিও ডে প্রোপাগান্ডা ফিদে (বিশ্বাসকে ছড়িয়ে দেবার জন্য সংগঠন)। এই প্রতিষ্ঠানকে অনানুষ্ঠানিকভাবে "প্রোপাগান্ডা" বলা হত।[২][৩] প্রতিষ্ঠানটির কাজ ছিল অ-ক্যাথলিক দেশসমূহে ক্যাথলিক বিশ্বাসকে ছড়িয়ে দেয়া।[২]

১৭৯০ এর দশক থেকে এই শব্দটি ধর্মনিরপেক্ষ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।[২] ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই শব্দটি একটি নেতিবাচক অর্থ ধারণ করে, যখন শব্দটিকে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে ব্যবহার করা শুরু হয়।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ইতিহাসের দিকে তাকালে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার আদি ধরণ নিয়ে কিছু নথি পাওয়া যায়। বেহিস্তুন লিপিতে (আনু. খ্রিষ্টপূর্ণ ৫১৫) পারস্যে সম্রাট ১ম দারিউসের উত্থান সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা আছে। বেশিরভাগ ঐতিহাসিকের মতে এটাকেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার প্রাথমিক উদাহরণ হিসেবে মনে করেন।[৪] প্রাচীন ইতিহাসের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার আরেকটি উদাহরণ পাওয়া যায় শেষ রোমান গৃহযুদ্ধগুলোতে যেখানে অক্টাভিয়ান এবং মার্ক এন্টনি উভয়ই একে অপরকে তাদের পিতৃপরিচয়ের অভাব, পাশবিকতা, কাপুরুষতা, সাহিত্য ও বাগ্মীতায় অনুপযুক্ততা, লাম্পট্য, বিলাসিতা, মাতলামি এবং অন্যান্য খারাপ বিষয় নিয়ে দোষারোপ করেছিলেন।[৫]

ধর্মসংস্কার আন্দোলনের সময় ইউরোপে, বিশেষ করে জার্মানিতে ছাপাখানার আবিষ্কারের ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা খুব সহজেই ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হয়। সেসময় ছাপাখানার আবিষ্কারের ফলে জনসাধারণের নিকট অনেক নতুন চিন্তাধারা, নীতি সহজে পৌঁছে যেতে শুরু করে, যা ১৬শ শতকের আগে কখনও দেখা যায় নি। যুক্তরাষ্ট্র বিপ্লবের সময়, যুক্তরাষ্ট্রের উপনিবেশগুলোতে সংবাদপত্র ও ছাপাখানার একটি উন্নত নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। এরা পেট্রিয়টদের (যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার পক্ষে যারা) পক্ষে বেশি কাজ করত এবং লয়ালিস্টদের (ব্রিটিশদের পক্ষে যারা) পক্ষে কম কাজ করত।

১৯৪২ সালের বাটান মার্চ সম্পর্কিত একটি সংবাদপত্র প্রতিবেদনে থাকা চিত্র

বর্তমানে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা বলতে যা বোঝানো হয়, সেই ধারণাটি তৈরি হয় ১৯ শতকে শিক্ষিত ও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় সমাজ গঠনের ফলে, যেই সমাজ গণমাধ্যম কর্তৃক বিভিন্ন বিষয়ে সংবাদ লাভ করত। একারণে সরকার সেসময় থেকেই তাদের নিজেদের নীতিসমূহের পক্ষে জনসাধারণের মতামতকে প্রভাবিত করার প্রয়োজন বুঝতে শুরু করে। ফরাসী বিপ্লব এবং নেপোলিয়নিক যুগে প্রচুর পরিমাণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহার করা হত। ১৯ শতকে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের এবলিশনিস্টগণ (যারা দাসপ্রথার বিলুপ্তি চাইতেন) দাসপ্রথার বিরুদ্ধে জটিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা অভিযান শুরু করেছিলেন।

প্রথমবারের মত বিস্তৃত পরিসরে সুশৃঙ্খলভাবে সরকারি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ছড়ানো হয়েছিল ১৯১৪ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবার পর। ১ম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর, এরিক লুডেনড্রফের মত সামরিক কর্মকর্তাগণ বলেছিলেন, তাদের পরাজয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম কারণ ছিল ব্রিটিশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা। এডলফ হিটলারও একই কথা বলেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, ব্রিটিশদের এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাই ছিল ১৯১৮ সালে জার্মান হোম ফ্রন্ট এবং নেভির মনোবল ভাঙ্গন এবং বিদ্রোহের কারণ। পরবর্তীতে নাৎসীরা তাদের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় ব্রিটিশদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা কৌশল ব্যবহার করেছিল। জার্মানির বেশিরভাগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাই তৈরি হত "মিনিস্ট্রি অব পাবলিক এনলাইটেনমেন্ট এন্ড প্রোপাগান্ডা" থেকে। জোসেফ গোয়েবলস এই মন্ত্রণালয়ের কর্তৃত্বে ছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে একটি যুদ্ধাস্ত্র হিসেবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার অবিরাম ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, যা ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতাপ্রসূত। হিটলারের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাকারী জোসেফ গোয়েবলস, ব্রিটিশদের পলিটিকাল ওয়ারফেয়ার এক্সেকিউটিভ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অফিস অব ওয়ার ইনফরমেশন, কেউই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহারে কারও থেকে কম ছিল না।

২০শ শতকের প্রথম দিকে, চলচ্চিত্রের আবিষ্কারের ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা প্রস্তুতকারকগণ রাজনৈতিক এবং সামরিক স্বার্থকে চরিতার্থ করার জন্য একটি বিশাল সুযোগ লাভ করেন। এর মাধ্যমে জনসাধারণের একটি বিশাল অংশকে কোন বিষয়ে রাজি করানো বা কোন বাস্তব বা কাল্পনিক সত্তাকে শত্রুতে পরিণত করা বা কাউকে শত্রু স্থান থেকে সরিয়ে ফেলার একটি সুযোগ তৈরি হয়। ১৯১৭ সালের অক্টোবর বিপ্লবের পর সোভিয়েত সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চলচ্চিত্র তৈরি করার উদ্দেশ্যে রাসিয়ান ফিল ইন্ডাস্ট্রিকে স্পনসর করেছিল। তখনকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চলচ্চিত্রসমূহের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল ১৯২৫ সালের দ্য ব্যাটেলশিপ পোটেমকিন যেখানে সমাজতান্ত্রিক আদর্শকে মহিমান্বিত করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসী চলচ্চিত্র-প্রস্তুতকারকগণ সুডেটেনল্যান্ড দখল এবং পোল্যান্ড আক্রমণের জন্য জনসমর্থন তৈরি করতে উচ্চমাত্রার আবেগী চলচ্চিত্র প্রস্তুত করেন। ১৯৩০ এবং ১৯৪০ এর দশককে "উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার স্বর্ণযুগ" বলা হয়, যেসময়ে টোটালিটেরিয়ান বা সর্বগ্রাসী রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। নাৎসী জার্মানিতে কার্যরত চলচ্চিত্র-প্রস্তুতকারক লেনি রিফেনস্টাল সবচেয়ে পরিচিত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে একটি তৈরি করেন যার নাম ছিল ট্রায়াম্ফ অব দ্য উইল । যুক্তরাষ্ট্রে এনিমেশন খুব জনপ্রিয় হয়েছিল। এই জনপ্রিয়তার কারণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের তরুণ দর্শকদের মন জয় করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ-প্রচেষ্টায় এর সহায়তা দান। এই এনিমেশনগুলোর মধ্যে একটি হল ডার ফুয়েরারস ফেস (১৯৪২)। এই এনিমেশনগুলোতে হিটলারকে একটি কমিকাল চরিত্র হিসেবে দেখানো হয় এবং এটি 'স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে' - এরকম একটি মূল্যবোধ তৈরি করে। ১৯৪০ এর দশকের প্রথম দিকের যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধসংক্রান্ত চলচ্চিত্রগুলো এমনভাবে বানানো হয়েছিল যাতে সেগুলো দর্শকদের মধ্যে একটি দেশপ্রেমী ধারণা তৈরি করতে পারে এবং তাদেরকে বিশ্বাস করাতে পারে যে "শত্রুকে" পরাজিত করার জন্য প্রয়োজনে আত্মত্যাগ করতে হবে।

কোল্ড ওয়ার বা স্নায়ুযুদ্ধের সময় পাশ্চাত্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ইভয়ই প্রচুর পরিমাণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহার করেছিল। উভয় পক্ষই তাদের নিজেদের অঞ্চলের এবং তৃতীয় বিশ্বের দেশের নাগরিকদেরকে প্রভাবিত করার জন্য চলচ্চিত্র, টেলিভিশন এবং রেডিও প্রোগ্রামিং ব্যবহার করে। জর্জ অরওয়েলের সাহিত্য অ্যানিম্যাল ফার্ম এবং নাইনটিন এইটি-ফোর ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহারের উপর অঘোষিত পাঠ্যপুস্তক। কিউবার বিপ্লবের সময় ফিদেল কাস্ত্রো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার গুরুত্বের উপর জোর দেন।[৬] ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সমাজতান্ত্রিক শক্তিগুলো জনগণের মতামতকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রচুর পরিমাণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহার করেছিল।[৭]

যুগোস্লাভ যুদ্ধকালীন সময়ে ফেডারেল রিপাবলিক অব যুগোস্লোভিয়া সরকার এবং ক্রোয়েশিয়া সরকার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণাকে সামরিক কৌশল হিসেবে ব্যবহার করে। জনগণের মাঝে, বিশেষ করে সার্ব জনগণের মাঝে অন্যান্য জাতিগুলোর প্রতি (বসনিয়াক, ক্রোয়াট, আলবেনিয়ান এবং অন্যান্য অ-সার্ব) ভয় ও ঘৃণা ছড়িয়ে দেবার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা ব্যবহার করে। যুগোস্লাভ যুদ্ধকালীন সময়ে সার্বীয় গণমাধ্যম সার্বীয় সামরিক বাহিনীর যুদ্ধাপরাধের ন্যায্যতা প্রতিপাদন করার জন্য এবং অস্বীকার করার জন্য প্রচুর প্রচেষ্টা চালিয়েছিল।[৮]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

সাম্প্রতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Oxford dictionary.
  2. Diggs-Brown, Barbara (2011) Strategic Public Relations: Audience Focused Practice p. 48
  3. "Online Etymology Dictionary"। সংগৃহীত ৬ মার্চ ২০১৫ 
  4. Nagle, D. Brendan; Stanley M Burstein (২০০৯)। The Ancient World: Readings in Social and Cultural History। Pearson Education। পৃ: ১৩৩। আইএসবিএন 978-0-205-69187-6 
  5. Borgies, Loïc (২০১৬)। Le conflit propagandiste entre Octavien et Marc Antoine. De l'usage politique de la uituperatio entre 44 et 30 a. C. n.আইএসবিএন 978-90-429-3459-7 
  6. prudentiapolitica। "Prudentia Politica"। সংগৃহীত ৬ মার্চ ২০১৫ 
  7. [1] Vietnamese propaganda reflections from 1945–2000
  8. "Serbian Propaganda: A Closer Look"। ১২ এপ্রিল ১৯৯৯। "NOAH ADAMS: The European Center for War, Peace and the News Media, based in London, has received word from Belgrade that no pictures of mass Albanian refugees have been shown at all, and that the Kosovo humanitarian catastrophe is only referred to as the one made up or over-emphasised by Western propaganda."