পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু স্টেডিয়াম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু স্টেডিয়াম
পি. সারা, কলম্বো ওভাল
তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব লোগো.jpg
তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের ক্রেস্ট
স্টেডিয়ামের তথ্যাবলী
অবস্থানবোরেলা, কলম্বো
স্থানাঙ্ক৬°৫৫′০৮″ উত্তর ৭৯°৫৩′০২″ পূর্ব / ৬.৯১৮৮৯° উত্তর ৭৯.৮৮৩৮৯° পূর্ব / 6.91889; 79.88389স্থানাঙ্ক: ৬°৫৫′০৮″ উত্তর ৭৯°৫৩′০২″ পূর্ব / ৬.৯১৮৮৯° উত্তর ৭৯.৮৮৩৮৯° পূর্ব / 6.91889; 79.88389
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৪৫
ধারন ক্ষমতা১৫,০০০
স্বত্ত্বাধিকারীতামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব
পরিচালনায়শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট
অন্যান্যশ্রীলঙ্কা ক্রিকেট
প্রান্ত
এয়ার ফোর্স ফ্ল্যাটস এন্ড
প্রেস বক্স এন্ড
আন্তর্জাতিক তথ্যাবলী
প্রথম টেস্ট১৭-২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২: শ্রীলঙ্কা বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২২-২৬ অক্টোবর ২০১৫: শ্রীলঙ্কা বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
প্রথম ওডিআই১৩ এপ্রিল ১৯৮৩: শ্রীলঙ্কা বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই২০ জুলাই ২০০৭: শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ
১ম টি২০ আন্তর্জাতিক১ ফেব্রুয়ারি ২০১০: আফগানিস্তান বনাম আয়ারল্যান্ড
শেষ টি২০ আন্তর্জাতিক২৪ নভেম্বর ২০১৪: হংকং বনাম নেপাল
ঘরোয়া দলের তথ্য
তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাব (১৯৪৫ – বর্তমান)
২২ অক্টোবর ২০১৫ অনুযায়ী
উৎস: ক্রিকইনফো

পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু স্টেডিয়াম, কলম্বো ওভাল বা পি. সারা বা শুধুই পিএসএস (সিংহলি: පාකියසොති සර්වනමූත්තු ක්‍රීඩාංගනය, তামিল: பாக்கியசோதி சரவணமுத்து மைதானம்) শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অবস্থিত বহু-ব্যবহারের উপযোগী স্টেডিয়াম। বর্তমানে এখানে অধিকাংশ সময়ই ক্রিকেট খেলার জন্য ব্যবহার করা হয়। এর আসন সংখ্যা ১৫,০০০ এবং ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো টেস্ট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৫ সালে কলম্বো ওভাল নামে এ স্টেডিয়ামটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে সাবেক সরকারী কর্মকর্তা ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের প্রথম সভাপতি পাইকিয়াসোথি সারাভানামুত্তু’র নামানুসারে এ স্টেডিয়ামের পুণঃনামকরণ হয়েছে।[১][২][৩]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৮২ সালে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে উদ্বোধনী টেস্ট আয়োজনের সুযোগ পায় পি. সারাভানামুত্তু স্টেডিয়াম। ৩ নভেম্বর, ১৯৮৪ তারিখে সফরকারী নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অরবিন্দ ডি সিলভা অপরাজিত ৫০* রানসহ ২ ক্যাচ নেন ও ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পান।[৪] এরফলে তার এ প্রচেষ্টা শ্রীলঙ্কার জন্য এ মাঠে গুরুত্ব বৃদ্ধিতে অসম্ভব ভূমিকা রাখে। ১৯৮৫ সালে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে এ মাঠে শ্রীলঙ্কা তাদের প্রথম টেস্ট জয় করে। তুলনামূলকভাবে এটি ছোট মাঠ। অর্ধেকই নীচু স্তরের স্ট্যান্ড ও অর্ধেক ঘাসে পূর্ণ। ১৯৪৮ সালে ইংল্যান্ড যাবার প্রাক্কালে অস্ট্রেলিয়া দলকে নিয়ে ডন ব্র্যাডম্যান এ মাঠে খেলেন। ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত এখানে নিয়মিতভাবে আন্তর্জাতিক খেলা হতো। কিন্তু পরবর্তী আট বছর কোন খেলাই হয়নি। ২০০২ সালে অস্ট্রেলিয়া বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার টেস্ট সিরিজে নিরপেক্ষ মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ২২ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে সর্বশেষ টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। এতে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা দল জয়ী হয়।[৫] এ পর্যন্ত এখানে ১৫টি টেস্ট খেলা,[৬] ১২টি একদিনের আন্তর্জাতিক ও একটি টি২০ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ মাঠে সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৭৪* রান তুলেন স্টিফেন ফ্লেমিং[৭] ২০০২ সালে শেন ওয়ার্ন পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭/৯৪ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান যা এ মাঠে সেরা বোলিং।[৮]

ব্যবহার[সম্পাদনা]

তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রধান অনুশীলনী মাঠ এটি। শ্রীলঙ্কার গ্রীষ্মকালীন টেস্ট সময়সূচী অনুযায়ী প্রতি বছরই একটি টেস্ট খেলা পি. সারা ওভালে আয়োজিত হয়। তবে, ২০১১ সালে শ্রীলঙ্কা বনাম অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার টেস্ট খেলা পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হলে এ মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয় স্টেডিয়ামটি। বহু-ব্যবহারের ক্রীড়া কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্যে এখানে একটি সাঁতার কমপ্লেক্স ও ব্যাডমিন্টন মাঠ রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]