বিষয়বস্তুতে চলুন

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
সংক্ষেপেটি.আই.
গঠিত১৯৯৩ (1993)
ধরনআন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
উদ্দেশ্যদুর্নীতিসন্ত্রাসবাদ মোকাবেলা
সদরদপ্তরবার্লিন, জার্মানি
অবস্থান
  • অল্টারনেটিভ-মোয়াবিট ৯৬
    ১০৫৫৯ বার্লিন, জার্মানি
স্থানাঙ্ক৫২°৩১′২৬″ উত্তর ১৩°২০′৪২″ পূর্ব / ৫২.৫২৩৮° উত্তর ১৩.৩৪৫০° পূর্ব / 52.5238; 13.3450
যে অঞ্চলে কাজ করে
বৈশ্বিক
মহাপরিচালক
কোবুস ডে সোয়ার্দ
Chairman
হোসে উগাস
মূল ব্যক্তিত্ব
পিটার আইগন
ওয়েবসাইটwww.transparency.org

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত একটি অ-লাভজনক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান। আন্তর্জাতিক উন্নয়নে বিভিন্ন সংস্থা ও রাজনৈতিকভাবে সম্পৃক্ত দূর্নীতি পর্যবেক্ষণপূর্বক সাধারণের কাছে তুলে ধরাই এর মূল লক্ষ্য। বিশ্বব্যাপী দূর্নীতির তুলনামূলক চিত্র 'দূর্নীতি ধারণা সূচকের' মাধ্যমে এটি বার্ষিকভিত্তিতে প্রকাশ করে থাকে। জার্মানীর বার্লিন নগরীর সদর দফতরে অবস্থিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ৭০টিরও বেশি দেশে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৯৩ সালের মে মাসে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বা টিআই প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্বব্যাংকের সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক পিটার ইগেন এর উদ্যোক্তা। হ্যান্সজর্গ এলশর্স্ট, জো গিথোনগো, ফ্রিট্‌জ হেইমান, মাইকেল হার্শম্যান, কামাল হোসেন, ডোলোর্স এল. এস্পানোল, জর্জ মুডি স্টুয়ার্ট, জেরী পারফিট, জেরেমী পোপ এবং ফ্রাঙ্ক ভোগল - প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে 'বোর্ড মেম্বার' হিসেবে ছিলেন।[][][] পিটার ইগেন টিআইয়ের চেয়ারম্যান এবং জেরেমী পোপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে ছিলেন।[]

১৯৯৫ সালে দূর্নীতি ধারণা সূচক বা সিপিআইয়ের উন্নয়ন ঘটায় ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। সিপিআইয়ের র‌্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যবসায়ীদের উপর পরিচালিত জরীপের মাধ্যমে এক-একটি দেশের দূর্নীতি চালচিত্র ফুঁটে উঠে। 'দূর্নীতি ধারণা সূচক' ধারাবাহিকভাবে প্রতি বৎসর প্রকাশিত হয়। দুর্বল চিন্তাধারা এবং নিরপেক্ষতার অভাব হেতু উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছ থেকে প্রায়শঃই ও ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়ে থাকে। সাধারণতঃ দূর্নীতিকে চিহ্নিতকরণ ও সরকারের পরিচালনা পদ্ধতির বিব্রতকর ঘটনাগুলোই এটি ব্যাপক আকারে প্রকাশ করে।[]

১৯৯৯ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল 'ব্রাইব পেয়ার্স ইনডেক্স' বা বিপিআইয়ের মাধ্যমে দেশগুলোর র‌্যাংকিং করেছিল। এতে দেশগুলোর বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুষকে সাধারণ ঘটনা হিসেবে নিজেদের মাঝে ঠাঁই করে নিয়েছে।[]

বিষয়াদি নিয়ে সংগঠিত হয়েছিল। এর আন্তর্জাতিক সচিবালয় জার্মানীর বার্লিনে অবস্থিত। মে, ১৯৯৩ সালে একটি অ-লাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জার্মানীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখন টিআই একটি আন্তর্জাতিক বে-সরকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠেছে। পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এর অবকাঠামো গড়ে উঠেছে বলে সংস্থাটি দাবী করেছে। টিআই সংগঠন সম্পর্কে বলা হয় যে,

১৯৯৫ সাল থেকে টিআই বার্ষিকভিত্তিতে দূর্নীতি ধারণা সূচক (সিপিআই) প্রকাশ করে আসছে। এছাড়াও এটি বৈশ্বিক দূর্নীতি প্রতিবেদন, বৈশ্বিক দূর্নীতির পরিমাণ এবং ব্রাইব পেয়ার্স ইনডেক্স বার্ষিকী আকারে প্রকাশ করে।

টিআই কোনরূপ নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের দূর্নীতি কিংবা ব্যক্তিগত দূর্নীতি তদন্তের জন্য দায়বদ্ধ নয়। এটি দূর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে এবং সামাজিক সংস্থা, প্রতিষ্ঠান এবং সরকারের সাথে কাজ করে সচেতন করছে। টিআইয়ের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে - দূর্নীতির বিরুদ্ধে এর অবিচ্ছেদ্য এবং সংঘর্ষপূর্ণ অবস্থান করা।

দূর্নীতি ধারণা সূচক

[সম্পাদনা]

বিশ্বব্যাংকের দূর্নীতি সূচকের পাশাপাশি দূর্নীতি ধারণা সূচকও বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশে দূর্নীতির পরিমাপক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।[] এ সূচকের আলোকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়ী এবং বিশ্লেষক - উভয়কেই দেশের অভ্যন্তরে ও বাইরে থেকে দূর্নীতির বিস্তৃতি কতটুকু হয়েছে এ বিষয়ে জরীপ কার্য পরিচালনা করে। প্রকৃত দূর্নীতির ঘটনাগুলো এক দেশ থেকে অন্য দেশের আইন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থায় ভিন্নতা থাকায় সঠিকভাবে কার্যকর করা যায় না।

শীর্ষস্থানীয় দূর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকা

[সম্পাদনা]
শীর্ষ ১০: দূর্নীতিগ্রস্ত দেশ
র‌্যাংকদেশসূচক
১৭৮ সোমালিয়া১.১১.০১.৪২.১
১৭৬মিয়ানমার মায়ানমার১.৪১.৩১.৪১.৯১.৮১.৭১.৬
১৭৬ আফগানিস্তান ১.৪১.৫১.৮২.৫
১৭৫ ইরাক১.৫১.৩১.৫১.৯২.২২.১২.২
১৭২সুদান সুদান১.৬১.৬১.৮২.০২.১২.২২.৩
১৭২তুর্কমেনিস্তান তুর্কমেনিস্তান১.৬১.৮২.০২.২১.৮২.০
১৭২উজবেকিস্তান উজবেকিস্তান১.৬১.৮১.৭২.৭২.২২.৩২.৪২.৯
১৭১ চাদ১.৭১.৬১.৮২.০১.৭১.৭
১৭০বুরুন্ডি বুরুন্ডি১.৮১.৯২.৫২.৪২.৩
১৬৮ ইকুয়েটোরিয়াল গায়ানা১.৯১.৭১.৯২.১১.৯

বৈশ্বিক তালিকা

[সম্পাদনা]

বৈশ্বিক অবস্থান

[সম্পাদনা]
বিশ্বব্যাপী দূর্নীতি সূচকের অবস্থান
র‌্যাংকদেশসূচক
২০১০ ২০১০ ২০০৯ ২০০৮ ২০০৭ ২০০৬ ২০০৫ ২০০৪ ২০০৩ ২০০২
 ডেনমার্ক৯.৩৯.৩৯.৩৯.৪৯.৫৯.৫৯.৫৯.৫৯.৫
 নিউজিল্যান্ড৯.৩৯.৪৯.৩৯.৪৯.৬৯.৬৯.৫৯.৫৯.৪
সিঙ্গাপুর সিঙ্গাপুর৯.৩৯.২৯.৩৯.৪৯.২৯.৩৯.৪৯.৪৯.৪
 ফিনল্যান্ড৯.২৮.৯৯.০৯.৪৯.৬৯.৬৯.৭৯.৭৯.৯
 সুইডেন৯.২৯.২৯.৩৯.৩৯.২৯.২৯.৩৯.৩৯.০
 কানাডা৮.৯৮.৭৮.৭৮.৭৮.৫৮.৪৮.৭৯.০৮.৯
 নেদারল্যান্ডস৮.৮৮.৯৮.৯৯.০৮.৭৮.৬৮.৯৯.০৮.৮
  সুইজারল্যান্ড৮.৭৯.০৯.০৯.০৯.১৯.১৮.৮৮.৫৮.৪
 অস্ট্রেলিয়া ৮.৭৮.৭৮.৭৮.৬৮.৭৮.৮৮.৮৮.৬৮.৫
১০ নরওয়ে৮.৬৮.৬৭.৯৮.৭৮.৮৮.৯৮.৮৮.৫৮.৬
১১ আইসল্যান্ড৮.৫৮.৭৮.৯৯.২৯.৬৯.৭৯.৬৯.৪৯.২
১১ লুক্সেমবার্গ৮.৫৮.২৮.৩৮.৪৮.৬৮.৫৮.৭৯.০৮.৭
১৩ হংকং৮.৪৮.২৮.১৮.৩৮.৩৮.৩৮.০৮.২৭.৯
১৪ আয়ারল্যান্ড৮.০৮.০৭.৭৭.৫৭.৪৭.৪৭.৫৬.৯৭.৫
১৫ অস্ট্রিয়া ৭.৯৭.৯৮.১৮.১৮.৬৮.৭৮.০৭.৮৭.৮
১৫ জার্মানি৭.৯৮.০৭.৯৭.৮৮.০৮.২৭.৭৭.৩৭.৪
১৭ বার্বাডোজ৭.৮৭.৪৭.০৬.৯৬.৭৬.৯
১৭ জাপান৭.৮৭.৭৭.৩৭.৫৭.৬৭.৩৭.০৭.১৭.১
১৯ কাতার৭.৭৭.০৬.৫৬.০৬.০৫.৯৫.৬
২০ যুক্তরাজ্য৭.৬৭.৭৭.৭৮.৪৮.৬৮.৬৮.৬৮.৭৮.৩
২১ চিলি৭.২৬.৭৬.৯৭.০৭.৩৭.৩৭.৪৭.৫৭.৫
২২ বেলজিয়াম৭.১৭.১৭.৩৭.১৭.৩৭.৪৭.৬৭.১৬.৬
২৩ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র৭.১৭.৫৭.৩৭.২৭.৩৭.৬৭.৫৭.৭৭.৬
২৪ উরুগুয়ে৬.৯৬.৭৬.৯৬.৭৬.৪৫.৯৫.৫৫.১৫.১
২৫ ফ্রান্স৬.৮৬.৯৬.৯৭.৩৭.৪৭.৫৬.৯৬.৩৬.৭
২৬ এস্তোনিয়া৬.৫৬.৬৬.৬৬.৫৬.৭৬.৪৫.৫৫.৬৫.৬
২৭স্লোভেনিয়া স্লোভেনিয়া৬.৪৬.৬৬.৭৬.৬৬.৫৬.১৫.৯৬.০৫.২
২৮ সাইপ্রাস৬.৩৬.৬৬.৪৫.৩৫.৬৫.৭৫.৪৬.১
২৮ সংযুক্ত আরব আমিরাত৬.৩৬.৫৫.৯৫.৭৬.২৬.২৬.১৫.২
৩০ ইসরায়েল৬.১৬.১৬.০৬.১৫.৯৬.৩৬.৪৭.০৭.৩
৩০ স্পেন৬.১৬.১৬.৫৬.৭৬.৮৭.০৬.৯৭.১৭.০
৩২ পর্তুগাল৬.০৫.৮৬.১৬.৫৬.৬৬.৫৬.৬৬.৩৬.৩
৩৩ পোর্টোরিকো৫.৮৫.৮৫.৮
৩৩ বতসোয়ানা৫.৮৫.৬৫.৮৫.৪৫.৬৫.৯৬.০৫.৭৬.৪
৩৩ রিপাবলিক অব চায়না৫.৮৫.৬৫.৭৫.৭৫.৯৫.৯৫.৬৫.৭৫.৬
৩৬ভুটান ভুটান৫.৭৫.০৫.৪৫.০
৩৭ মাল্টা৫.৬৫.২৫.৮৫.৮৬.৪৬.৪
৩৮ব্রুনাই ব্রুনেই৫.৫৫.৫
৩৯ দক্ষিণ কোরিয়া৫.৪৫.৫৫.৬৫.১৫.১৫.০৪.৫৪.৩৪.৫
৪০ মৌরিতাস৫.৪৫.৪৫.৫৪.৭৫.১৪.২৪.১৪.৪৪.৫
৪১ ওমান৫.৩৫.৫৫.৫৪.৭৫.৪৬.৩৬.১৬.৩
৪১ কোস্টা রিকা৫.৩৫.৩৫.১৫.০৪.১৪.২৪.৯৪.৩৪.৫
৪১ পোল্যান্ড৫.৩৫.০৪.৬৪.২৩.৭৩.৪৩.৫৩.৬৪.০
৪৪ ডোমিনিকা৫.২৫.৯৬.০৫.৬৪.৫৩.০২.৯৩.৩৩.২
৪৫ কাবু ভের্দি৫.১৫.১৫.১৪.৯

সার্কভূক্ত দেশের অবস্থান

[সম্পাদনা]
সার্ক দেশসমূহে দূর্নীতি সূচকের অবস্থান
র‌্যাংকদেশসূচক
২০১০ ২০১০ ২০০৯ ২০০৮ ২০০৭ ২০০৬ ২০০৫ ২০০৪ ২০০৩ ২০০২ ২০০১
৩৬ভুটান ভুটান৫.৭৫.০৫.৪৫.০
৮৭ ভারত৩.৩৩.৪৩.৪৩.৫৩.৩২.৯২.৮২.৮২.৭
৯১ শ্রীলঙ্কা৩.২৩.১৩.২৩.২৩.১৩.২৩.৫৩.৪৩.৭
১৩৪ বাংলাদেশ২.৪২.১২.০২.০১.৭১.৫১.৩১.২|align="center" |
১৪৩ পাকিস্তান২.৩২.৫২.৪২.২২.১২.১২.৫২.৬
১৪৩ মালদ্বীপ২.৩২.৮৩.৩
১৪৬নেপাল নেপাল২.২২.৭২.৫২.৫২.৫২.৮
১৭৬আফগানিস্তান আফগানিস্তান১.৪১.৫১.৮২.৫

প্রতিযোগিতা ও দূর্নীতি

[সম্পাদনা]

নভেম্বর, ১৯৯৮ সালে বিভিন্ন দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং এর সাথে দূর্নীতির সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রাগে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে 'আন্তর্জাতিক দূর্নীতিবিরোধী সম্মেলন' অনুষ্ঠিত হয় তিন বছর পর।[]

"রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং প্রতিষ্ঠানের অ-সম্পৃক্ততাঃ দেশের অলিগলিতে পার্থক্য" শীর্ষক মারা ফ্যাসিও (পুরদিউ ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র) কর্তৃক একটি প্রতিবেদন তৈরী করা হয়।[]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Kumar, Brij (১৯৯৮)। Ethics in International Management। Walter de Gruyter। পৃ. ২০৮। আইএসবিএন ৯৭৮-৩১১০১৫৪৪৮১ {{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  2. "When and why was Transparency International (TI) founded?" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৪ এপ্রিল ২০১২ তারিখে, FAQ, Transparency International
  3. Hicks, Bill (২০১০)। "Transparency International"। Pinkindustry.com। {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |url= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)
  4. 1 2 Larmour, Peter (২০০৬)। Bowden, Brett (সম্পাদক)। Global standards of market civilization। Routledge। পৃ. ৯৫–১০৬। আইএসবিএন ০৪১৫৩৭৫৪৫২ {{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  5. 1 2 Chaikin, David (২০০৯)। Corruption and money laundering: a symbiotic relationship। Palgrave Macmillan। পৃ. ১২–১৩। আইএসবিএন ০২৩০৬১৩৬০৮ {{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |month= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  6. Anticorruption ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে at web.worldbank.org
  7. "tenth international anti-corruption conference: The Prague agenda" (HTML)Differences between Politically Connected and Non-Connected Firms: A Cross Country Comparison (English ভাষায়)। Financial Management, Autumn 2010, vol 39(3), 905–927। ডিওআই:2002 November। সংগ্রহের তারিখ 2010 Dec 10 {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |ডিওআই= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য); |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  8. "Differences between Politically Connected and Non-Connected Firms: A Cross Country Comparison"Differences between Politically Connected and Non-Connected Firms: A Cross Country Comparison (English ভাষায়)। Financial Management, Autumn 2010, vol 39(3), 905–927। ডিওআই:2010 November। ৭ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (HTML) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ 2010 Dec 10 {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |ডিওআই= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য); |সংগ্রহের-তারিখ= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]