সমকামিতার সাথে জীববিজ্ঞানের সম্পর্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(জীববিজ্ঞান ও যৌন অভিমুখিতা থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

জীববিজ্ঞান ও যৌন অভিমুখীতার মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে গবেষনা চলছে। যৌন অভিমুখিতার জন্য দায়ী কোন সরল বা একক নির্ণায়ক, যার উপর যৌন অভিমুখিতা নির্ভর করবে, এমন কিছু দেখানো যায় নি, কিন্তু জিনগত, হরমোনগত এবং সামাজিক বিষয়ের (social factor) মিশ্রিত প্রভাবে যৌন অভিমুখিতা নির্ধারিত হয়ে থাকে বলে বিজ্ঞানীগণ মত দিয়েছেন।[১][২] যৌন অভিমুখীতা ব্যাখার ক্ষেত্রে  জীববিজ্ঞানের তত্ত্বসমূহ বেশ জনপ্রিয়।[১] এতে জিনগত বিষয়ের (genetic factor) জটিল অন্তক্রিয়া সহ মস্তিষ্ক এবং প্রাথমিক জীবনের পরিবেশ ( early uterine environment) নিয়েও আলোচনা করা হয়।[৩] এই বিষয়গুলো জিন, প্রিনাটাল হরমোন এবং মস্তিষ্কের গঠনের সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং বিষমকামী, সমকামী, উভকামী ও অকামী যৌন-অভিমুখিতা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

গবেষণা[সম্পাদনা]

যমজ পরীক্ষা[সম্পাদনা]

বিভিন্ন সময় যৌন অভিমুখিতা নিয়ে গবেষণা করতে যমজদের উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে। এই পরীক্ষাগুলো মূলত পরিবেশগত ও জিনগত কারণ তুলনা করার জন্য করা হয়ে ছিল। ১৯৯১ সালের এক গবেষণায় বেইলি ও পিলার্ড দেখেন যে যমজদের মাঝে ৫২ শতাংশ অভিন্ন যমজ ভাই (আইডেন্টিকাল বা মনোজাইগোটিক যমজ ভাই) ও ২২ শতাংশ ভিন্ন যমজেরা (ফ্র্যাটারনাল টুইন বা ডআইজাইগোটিক টুইন) সমকামিতার জন্য কনকরডেন্স দেখায়। অর্থাৎ যমজের ক্ষেত্রে একজনের মধ্যে সমকামিতা থাকলে তার অভিন্ন যমজ ভাই এর মধ্যে সমকামিতা থাকার সম্ভাবনা ৫২ শতাংশ এবং ভিন্ন যমজের ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা ২২ শতাংশ। উল্লেখ্য, তাঁরা গবেষণার জন্য "হোমোফাইল পাবলিকেশন্স" থেকে যমজদের নিয়োগ করেন। এদের মাঝে ৫৯ জনকে প্রশ্নোত্তর করা হয়েছিল।[৪] মনোজাইগোটিক বলতে একই রকম সেটের জিন থাকা অভিন্ন বা আইডেন্টিকাল যমজ নির্দেশ করে, এবং ডাইজাইগোটিক দ্বারা ভিন্ন বা ফ্রাটারনাল যমজের প্রতি ইঙ্গিত করে হয় যেখানে জিনগুলো অযমজ ভাইদের মতই অনেকটা ভিন্ন হয়। ৬১ জোড়া যমজদের মাঝে, গবেষকরা লক্ষ করেন বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষেরা (৬৬% মনোজাইগোটিক যমজ এবং ৩০% ডাইজাইগোটিক যমজ) সমকামী কনকরডেন্স (একজনের মধ্যে সমকামিতা থাকলে আরেকজনের মধ্যে সমকামিতা থাকার হার) দেখায়।[৫] ২০০০ সালে বেইলিতে ডুন এবং মার্টিন ৪,৯০১ জন অস্ট্রেলিয়ান যমজদের মাঝে গবেষণা করে রিপোর্ট করেন যে, এই বিশাল দলের অর্ধেকের চেয়ে কম মানুষ একমত প্রকাশ করেন।[৬] সমমত প্রকাশকারীদের মাঝে ২০% পুরুষ অভিন্ন যমজ এবং ২৪% নারী অভিন্ন যমজ বা মনোজাইগোটিক যমজ।

বেয়ারম্যান ও ব্রুকনার (২০০২) সালে আগের গবেষণাগুলোর সমালোচনা করেন সেগুলোর ছোটখাটো এবং সনাক্তকৃত স্যাম্পল বাছাই[৭] এবং গবেষনার বিষয়ে নন-রিপ্রেজেন্টেটিভ বাছাই করার জন্য।[৮] তাঁরা ২৮৯ জোড়া অভিন্ন এবং ৪৯৫ জোড়া ভিন্ন যমজের মাঝে পরীক্ষা চালিয়ে শুধুমাত্র ৭.৭% পুরুষ এবং ৫.৩% নারীর মধ্যে সমকামিতার কনকরডেন্স খুঁজে পান। আর এই প্যাটার্ন নিশ্চিত করে না, যে জিনগত প্রভাব সামাজিক বিষয়ের প্রতি অনির্ভরশীল। [৭] অর্থাৎ, তাদের মতে যমজ নিয়ে গবেষণা এটা নির্দেশ করতে পারে না যে যমজ নিয়ে গবেষণায় যে কনকরডেন্স এর মাধ্যমে যৌন অভিমুখিতার কারণ হিসেবে জিনগত ভিত্তি পাওয়া যায় তার উপর সামাজিক কোন প্রভাব নেই। তাদের মতে এখানে জেনেটিক্স ছাড়াও সামাজিক প্রভাব কাজ করতে পারে।

২০১০ সালে সুইডেনের প্রাপ্ত বয়স্ক যমজদের ( ৭৬০০ এরও বেশি)[৯] গবেষণা করে পাওয়া যায় যে সমকামী আচরণকে জিনগত এবং ব্যক্তি-নির্দিষ্ট পরিবেশগত উৎস্য (individual-specific environmental sources) (যেমন মায়ের গর্ভে থাকাকালীন অবস্থা, অসুস্থতা বা ট্রমা, যৌন অভিজ্ঞতা) দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়, যেখানে বণ্টিত পরিবেশের (shared-environment) ভেরিয়েবলগুলোর প্রভাব যেমন পারিবারিক পরিবেশ, সামাজিক প্রবণতা এক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে দুর্বল হলেও গুরূত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। নারীরা পরিসংখ্যানগত দিক থেকে বংশগত বা জিনগত প্রভাবের (hereditary effects) দুর্বল প্রভাবের দিকে খুব একটা প্রভাবিত হয় না, অন্যদিকে পুরুষদেরকে বণ্টিত পরিবেশগত প্রভাবে (shared environmental effects) প্রভাবিত হতে দেখা যায় না। তবে এই পরীক্ষার ফল বেশ সমালোচনার স্বীকার হয় কেননা স্বেচ্ছাসেবকেরা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক ছিল। তাই এখানে বেশি পরিমাণে সমকামী যমজ অংশগ্রহণ করার একটা সাম্ভাব্য পক্ষপাত কাজ করতে পারে;

উল্লেখ্য, আমাদের আচরণকে আমাদের জিন এবং পরিবেশ প্রভাবিত করে। যে পরিবেশ আমাদেরকে প্রভাবিত করে তা মূলত দুই রকম হয়। এগুলো হচ্ছে বণ্টিত পরিবেশ (Shared environment) এবং অ-বণ্টিত পরিবেশ (Non-shared environment)। বণ্টিত পরিবেশ বলতে পরিবেশের সেইসব প্রভাব বোঝানো হয় যা বিভিন্ন সদস্যকেই প্রভাবিত করে। আবার একই বাড়িতে ভাইদের মধ্যে (যমজ বা অযমজ) মধ্যে যে প্রভাবের ফলে একই উন্নয়নগত ও অন্যান্য ফলাফল দেখা যায় তাকেও বণ্টিত পরিবেশ, বিশেষ করে পারিবারিক বণ্টিত পরিবেশ (familial shared environment) বলে। অন্যদিকে পরিবেশের যে বিষয়গুলো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রভাবিত করে তবে তাকে অ-বণ্টিত পরিবেশ (Non-shared environment) বলে। আবার পরিবেশের যে প্রভাব একই বাড়িতে ভাইদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উদ্ভব ঘটায় তাকেও অ-বণ্টিত পরিবেশ বলে। অ-বণ্টিত পরিবেশকে ব্যক্তি-নির্দিষ্ট পরিবেশও (individual-specific environment) বলা হয়।[১১][১২]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

যমজ পরীক্ষা অনেক ভাবেই সমালোচিত হয়েছে। এই পরীক্ষাগুলো বিশেষ করে নিজস্ব ইচ্ছামতো সনাক্তকরণ প্রবণতার দোষে দূষণীয়। দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত সমকামীদের যমজ ভাই বোন রয়েছে, তারাই এই গবেষণায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নিয়েছে। এতে করে, অভিন্ন যমজদের যৌন অভিমুখিতার পার্থক্য গড়তে শুধুমাত্র জিনগত বৈশিষ্ট্যই একক ভাবে দায়ী না হওয়ার সম্ভাবনা সুনিশ্চিত হয়। [১৩]

আরেকটি লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, মনোজাইগোটিক যমজেরা ভিন্ন হতে পারে। ভিন্ন গঠনপদ্ধতির কারণে মনোজাইগোটিক যমজেরা সমকামি প্রবণতা না দেখানোর সম্ভাবনা রয়ে যায়। গ্রিঙ্গাস ও চেন (২০০১) একটি গঠনপদ্ধতির বর্ননা করেন যা মনোজাইগোটিক যমজদের মাঝে মায়ের গর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় একই প্লাসেন্টা ভাগাভাগি করে কিনা এর ভিত্তিতে পার্থক্যকে তুলে ধরে। [১৪] যেসব যমজেরা মাতৃগর্ভে একই প্লাসেন্টা ভাগাভাগি করে না, তাদের হরমনগত পরিবেশ ভিন্ন হয়। এতে তাদের মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ভিন্নভাবে ঘটার সুযোগ থাকে। অন্যদিকে একই প্লাসেন্টা ভাগাভাগি কয়ারী অভিন্ন যমজেরা একই ধরনের হরমনগত পরিবেশে বড় হয়। অবশ্য এক্ষেত্রে যমজদের মাঝে "ট্রান্সফিউশন সিন্ড্রোম" দেখা দিতে পারে।[১৫]

ক্রোমোজমের সাথে সংযোগ[সম্পাদনা]

যৌন অভিমুখিতার সাথে ক্রোমোজমের সংযোগ এটাই নির্দেশ করে, অসংখ্য জেনেটিক ফ্যাক্টর এর উপস্থিতি জিনোম দ্বারা যৌন অভিমুখিতায় প্রভাব ফেলে। ১৯৯৩ সালে ডিন হ্যামার এবং তার কলিগরা ৭৬ জন পুরুষ সমকামি ভাই এবং তাদের পরিবার এর উপর গবেষণা করে একটি সংযোগ খুঁজে পাওয়ার দাবী করে তা প্রকাশ করেন । [১৬] হ্যামার দেখতে পান যারা সমকামী পুরুষ, তাদের মামা, মামাত ভাইরাই; চাচা চাচাতো ভাইদের তুলনায় অধিক সমকামী। যে সব সমকামী ভাইদের মধ্যে এরকম দেখা গিয়েছিল, তাদেরকে এক্স ক্রোমোজমের ২২ তম মার্কার ব্যবহার করে একই রকম এলিলের জন্য এক্স ক্রোমোজমের সংযোগ পরীক্ষা করা হয়েছিল। অন্য আরেক গবেষণায় ৪০ জোড়ার মধ্যে পরীক্ষা করায় ৩৩ জোড়ার মধ্যে এক্সকিউ২৮ এর দূরবর্তী এলাকায় একই রকম এলিল খুজে পাওয়া গিয়েছিল, যা কাকা-কাকাতো ভাইদের তুলনায় বেশি ছিল। এই বিষয়টাই গণমাধ্যমে "সমকামী জিন'" খুজে পাওয়া গিয়েছে এই মর্মে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে শিরোনাম হয়েছিল। স্যান্ডার্স এবং তার সহযোগীরা ১৯৯৮ সালে একইরূপ গবেষণায় দেখতে পান, মামা-মামাতো ভাইদের দিক থেকে ১৩% সমকামী হয়, যেখানে চাচা-চাচাতো ভাইদের দিক থেকে ৬% সমকামী হয়। [১৭]

এইচইউ এবং তার সহযোগীদের দ্বারা পরবর্তী আরেকটি গবেষণায় এই গবেষণাটি পুনঃউৎপাদন করা হয়, এবং আগের উপাত্তকে সংশোধন করা হয়। এই গবেষণাটি- ৬৭% সমকামী ভাই; এক্স ক্রোমোজোমে(মাতা থেকে প্রাপ্ত) এক্সকিউ২৮ এ সম্পৃক্ত স্যম্পল শেয়ার করে, এটাই দেখায়। [১৮] অন্য দুইটি স্টাডি (ব্যালী এবংতার সহযোগী, ১৯৯৯; এমসিকেনাইট এবং মালকম, ২০০০) ব্যর্থ হয়েছিল, মাতার দিক থেকে সমকামী ভাইদের মধ্যে সম্পর্ক আছে বলে যে দাবী করা হয়েছিল, সেই দাবীকে প্রমাণ করতে। [১৭] রাইস এবং তার সহযোগীরা ১৯৯৯ সালে এক্সকিউ ২৮ এর সংযোগ সংক্রান্ত গবেষণাকে পুনরুৎপাদন করতে ব্যর্থ হয়।[১৯] সকল ধরনের তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বৃহত্তর বিশ্লেষণ গুলো এটাই নির্দেশ করে যে, এক্সকিউ২৮ এর সাথে একটা সুনির্দিষ্ট সংযোগ তো আছে, কিন্তু তার সাথে সাথে এটাও নির্দেশ করা হয় যে, আরো অতিরিক্ত কোনো জিন মানুষের যৌন অভিমুখিতাকে নিয়ন্ত্রণ করে। [২০]

সেক্স ক্রোমোজোমের পাশাপাশি সমকামীতায় অটোজোমের জিনগত অবদান আছে, এমনটা প্রস্তাব করা হয়। একটি গবেষণায় ৭০০০ জনের অধিক অংশগ্রহণ করেন। এলিস এবং তার সহযোগীরা (২০০৮ সাল) ৭০০০ জনের উপর একটি জরিপ চালান। তারা সমকামী এবং বিষমকামীদের মধ্যে A ব্লাড গ্রুপের আধিক্যের একটা সুনির্দিষ্ট প্রাধান্য দেখতে পান, তারা আরো দেখেন বিষমকামীদের তুলনায় সমকামী নারী-পুরুষদের Rh নেগেটিভ বেশি। যেহেতু উভয় রক্তের গ্রুপ এবং Rh ফ্যাক্টর জিনগত ভাবে উত্তরাধিকার সুত্রে এলিল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় এবং এলিলের অবস্থান ৯ নং ক্রোমোজোম১ নং ক্রোমোজমের উপর অবস্থান করছে, তাই এই গবেষণা থেকে এই সিদ্ধান্তই নেওয়া যায়, সমকামিতার সাথে জিন এবং অটোজোমের একটি সম্ভাব্য সংযোগ আছে। [২১][২২]

সংবাদ মাধ্যমের সাক্ষাৎকারে গবেষকরা বলেন, যৌন অভিমুখিতায় জিনের প্রভাব আছে, কিন্তু জিনই তা নির্ধারণ করে, এমনটা নয়। জিনের প্রভাব এবং জিন নির্ধারক দুইটি কখনো সমতুল্য নয়। ডিন হ্যামার এবং মাইকেল ব্যালী অনুসারে জিন দ্বারা অভিমুখিতা তৈরী হওয়া হচ্ছে, সমকামিতার অনেক গুলো কারণের মধ্যে একটি কারণ।[২৩][২৪]

এপিজিনেটিক গবেষণা[সম্পাদনা]

একটি গবেষনায় দেখা যায়, মায়ের জিনগত গঠন ও সমকামিতার সাথে পুত্রের যৌন অভিমুখিতার সম্পর্ক রয়েছে। নারীদের দুইটা এক্স ক্রোমোজোম আছে। এর মাঝে একটি "সুইচড অফ" বা অকার্যকরী। ভ্রুণাবস্থায় এক্স ক্রোমোজোমের এই বৈশিষ্ট্য না দেখানোর প্রবণতা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সম্পূর্ন র‍্যান্ডমলি ঘটে। বকল্যান্ড এট এল (২০০৬) রিপোর্ট করেন, সমকামি পুরুষদের মায়েদের এক্স ক্রোমোজোম অসমকামি পুরুষদের মায়েদের এক্স ক্রোমোজোমের চেয়ে অনেক বেশি তীব্রভাবে বৈশিষ্ট্য গোপন করে। ১৬ শতাংশ একজন সমকামি পুরুষের মা ও ২৩ শতাংশ দুই জন সমকামি পুরুষের মায়েরা এক্স ক্রোমোজোমের এই তীব্রতা দেখায়। অন্যদিকে সমকামি নয় এরকম পুরুষদের মায়ের ক্ষেত্রে এই হার ৪ শতাংশ মাত্র। [২৫]

জন্মসূত্রে[সম্পাদনা]

ব্ল্যানচার্ড (Blanchard) এবং ক্ল্যাসেন (Klassen) (১৯৯৭ সালে) গবেষণা করে বলেছেন, যদি পরিবারে বড় ভাই থাকে, তাহলে প্রত্যেক বড় ভাইয়ের জন্য ছোট ভাইয়ের সমকামী হবার সম্ভাবনা দাড়ায় ৩৩%। [২৬][২৭] This is now "one of the most reliable epidemiological variables ever identified in the study of sexual orientation."[২৮] এটাকে যদি ব্যাখ্যা করতে হয়, তাহলে এটা বলা যায় যে, বারবার পুরুষের ফিটাস তৈরী হওয়ায় তা মাতৃ ইমিউন সিস্টেমকে (রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা) উত্তেজিত করে দেয়, এবং পুরুষের ধারাবাহিক ফিটাস তৈরী হওয়ায় মাতৃ ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে উঠে। গর্ভকালীন সময়ে এই মাতৃ রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থাপক প্রকল্প (maternal immunization hypothesis) (MIH) শুরু হয়, যখন পুরুষ ফিটাস থেকে কোষ মায়ের মাসিকচক্রে প্রবেশ করে অথবা মা যখন সন্তানকে জন্ম দেয়।[২৯] পুরুষ ফিটাস উৎপন্ন করে এইচ-ওয়াই এন্টিজেন যা নিশ্চিতভাবে ভার্টিব্রাটা পর্বের প্রাণীর লিঙ্গ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। এই ওয়াই লিঙ্কড প্রোটিনটিকে (যেহেতু এটা পুরুষের) মায়ের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা চিনতে পারে না, কারণ তিনি একজন নারী। এর কারণে তার এন্টিবডি; যা তার অমরার দেয়াল ধরে চলাফেরা করে, তা(এন্টিবডির) ফিটাল এর প্রকোষ্ঠে উন্নয়ম ঘটে। এখান থেকে এন্টি মেল বডি, the anti-male bodies would then cross the blood/brain barrier (BBB) of the developing fetal brain, altering sex-dimorphic brain structures relative to sexual orientation, যার ফলে ছেলে সন্তানের জন্মের পর নারীর তুলনায় পুরুষের প্রতি আকর্ষণের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। [২৯] মায়ের এইচ-ওয়াই এন্টিবডি; এইচ-ওয়াই এন্টিজেনকে মনে রাখে, তার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া দেখায়। ফলে ধারাবাহিকভাবে তৈরী হওয়া পুরুষ ফিটাস; এইচ-ওয়াই এন্টিবডি দ্বারা আক্রমণ হয়, যেটা এইচ-ওয়াই এন্টিজেনের মস্তিষ্কের পুরুষের যে বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করার কথা(পুরুষ ফিটাসে), তা করতে বাধা দেয়। [২৬]

যাইহোক এই 'মাতৃ রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রকল্প' সমালোচিত হয়েছিল, কারণ সমকামিতা বা সমকামীর আধিক্যের তুলনায়, এই ভাবে রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা আক্রমণের সংখ্যার যে হিসাব (যেটা প্রস্তাব করা হয়েছে) তা বিরল, অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যারা পুরুষ সমকামী হয়, তাদের বড় ভাই নেই। [৩০]

নারীর ঊর্বরতা[সম্পাদনা]

২০০৪ সালে, ইটালির বিজ্ঞানীরা ৪,৬০০ মানুষের উপর একটি গবেষণা চালান। এরা ৯৮ জন সমকামি ও ১০০ জন বিসমকামী পুরুষের আত্মীয় ছিলেন। সমকামি পুরুষদের নারী আত্মীয়দের তুলনামূলক বেশি বাচ্চাকাচ্চা আছে বলে পরিলক্ষিত হয়। সমকামি পুরুষদের মায়ের দিকে দিয়ে নারী আত্মীয়রা বাবার দিকে দিয়ে নারী আত্মীয়দের চেয়ে বেশি বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। এতে করে বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন, এক্স ক্রোমোজোমে করে যে জিনগত বৈশিষ্ট্য বাচ্চার মাঝে পরিবাহিত হত, তার নারীর মাঝে ঊর্বরতা এবং পুরুষের মাঝে সমকামি প্রবণতার সঞ্চার করে। যেসব গবেষণায় সমকামিতা ব্যাখ্যায় জিনগত বৈশিষ্ট্য এককভাবে না হলেও অন্তত গুরুত্বপূর্ণ কারন হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এই সম্পর্ক অন্তত সেই সকল ২০% গবেষণাকে ব্যাখ্যা করে।[৩১][৩২]

ফেরোমন গবেষণা[সম্পাদনা]

সুইডেনের এক গবেষণায় [৩৩] দাবী করা হয় সমকামি ও বিষমকামীরা যৌন উদ্দেপক ঘ্রাণের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে আচরন করে। গবেষণায় দেখায়, পুরুষের ঘামে থাকা টেস্টোটেরনের উপস্থিতি বিষমকামী নারী ও সমকামী পুরুষদের হাইপোথ্যালামাসের একটি অংশ সক্রিয় হয়ে যায়। আবার অন্যদিকে, নারীর মূত্রের সাথে পাওয়া এস্ট্রোজেনের উপস্থিতিতে বিষমকামী পুরুষের মস্তিষ্ক ঠিক একই রকম আচরণ করে। [৩৪]

মস্তিষ্কের গঠন সংক্রান্ত গবেষণা[সম্পাদনা]

মানব মস্তিষ্কের একাধিক অংশ যৌনতা ভিন্ন ভিন্নভাবে প্রকাশে প্রতিনিধিত্ব করে বলে জানা যায়। এমনকি নারী ও পুরুষের মাঝেও পার্থক্য লক্ষণীয়। এছাড়া যৌন অভিমুখিতার ভিত্তিতে মস্তিষ্কের গঠনে তফাৎ আছে বলেও একাধিক রিপোর্টে প্রকাশিত। ১৯৯০ সালে, ডিক সোয়াব এবং মিশেল এ. হফম্যান সমকামী ও বিসমকামী পুরুষদের মস্তিষ্কের সুপারকিয়াস্ম্যাটিক নিউক্লিয়াসের আকারে পার্থক্য রয়েছে বলে প্রকাশ করেন। [৩৫] ১৯৯২ সালে, এলেন ও গরস্কি এন্টেরিওর কমিশারের আকারের সাথে যৌন অভিমুখিতার সম্পর্ক খুঁজে পেলেও [৩৬] তা একাধিক গবেষণায় ভুল প্রমানিত হয়। সেসব পরীক্ষার একটিতে দেখা যায়, মূল পার্থক্য আসলে শুধুমাত্র একটি একক বাহ্যিক কারণে ঘটে থাকে। [৩৭][৩৮][৩৯]

এন্টিরিও হাইপোথ্যালামাসে সেক্সুয়ালি ডিমরফিক নিউক্লিয়াই[সম্পাদনা]

সিমন লিভ্যে, এই বিষয়ের কিছু গবেষণা করেন। তিনি হাইপোথ্যালামাসের নিউরনের চারটা গ্রুপ;- যাদেরকে আইএনএএইচ১, আইএনএএইচ২,আইএনএএইচ৩ এবং আইএনএএইচ৪ বলা হয়, তা নিয়ে গবেষণা করেন। যৌন অভিমুখিতা নিয়ে গবেষণায় মস্তিষ্কের এ অংশের উপর করা গবেষণাটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ তবিষমকামী পপুরুষে প্রমাণাদি অনুসারে এটি প্রাণিতে থাকা যৌন স্বভাবকে প্রভাবিত করে। এ অংশের উপর গবেষণা করার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল, পুর্বের তথ্য থেকে দেখা গিয়েছে, পুরুষ এবং নারীর আইএনএএইচ২ এবং আইএনএএইচ৩ এর আকারে পার্থক্য হয়।[৪০]

তিনি হাসপাতালের ৪১ জন মৃত রোগী থেকে মস্তিষ্ক সংগ্রহ করেন। তার সংগ্রহ তিনভাগে বিভক্ত ছিল। প্রথম গ্রুপে ছিল ১৯ জন সমকামী পুরুষ। যারা মারা গিয়েছেন এইডস-সংক্রান্ত অসুস্থতায়। দ্বিতীয় গ্রুপে ছিল ১৬ জন পুরুষ, যাদের যৌন অভিমুখিতা অজ্ঞাত ছিল, কিন্তু গবেষকরা তাদের যৌন অভিমুখিতা বিষমকামী বলে অনুমান করেছেন। এদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ মারা গিয়েছিলেন এইডস সংক্রান্ত অসুস্থতায়। তৃতীয় গ্রুপে ছিলেন ছয়জন নারী, যাদের যৌন অভিমুখিতা গবেষক কর্তৃক বিষমকামী বলে অনুমান করা হয়েছিল। এদের মধ্যে একজন নারী এইডস সংক্রান্ত অসুস্থতায় মারা গিয়েছিলেন।[৪০]

যেসমস্ত রোগীদেরকে বিষমকামী বলে অনুমান করা হয়েছে, এবং তাদের মধ্যে যারা এইচআইভি পজেটিভ ছিল, মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুসারে তাদের প্রত্যেকেই হয় ড্রাগের অপব্যবহার বা রক্ত স্থানান্তরের কারণে হয়েছিল। এদের মধ্যে দুইজন বিষমকামী নিজেদের যৌন ক্রিয়ায় যুক্ত হবার প্রস্তাবনা প্রত্যাখান করেছিল। যাদেরকে বিষমকামি বলে নির্ধারণ করা হয়েছিল; তাদের প্রকৃত যৌন অভিমুখিতা কী ছিল, সেসমস্ত কোনো তথ্য পাওয়া মেডিক্যাল রেকর্ডে পাওয়া যায় নি; মোট জনসংখ্যার একটা অনুপাত হিসাব করে, তাদেরকে বিষমকামী ধরা হয়েছে।"[৪০]

লিভ্যে আইএনএএইচ১, আইএনএএইচ২ বা আইএনএএইচ৪ এর আকারের মধ্যে পার্থক্যের কোনো প্রমাণ পান নি। কিন্তু আইএনএএইচ৩ এর আকার বিষমকামী পুরুষের গ্রুপে সমকামী পুরুষের গ্রুপের তুলনায় দ্বিগুণ বড় দেখা গিয়েছিল। এমনকি যে ছয়জন বিষমকামী কিন্তু এইডস আক্রান্ত মানুষের মস্তিষ্ক পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল, তাদেরও আইএনএএইচ৩ বড় দেখা গিয়েছিল। সমকামী পুরুষের মস্তিষ্কের আইএনএএইচ৩; বিষমকামী নারীর প্রায় সমান বলে গবেষণা থেকে দেখা গিয়েছে।

যাইহোক, অন্যান্য গবেষণাগুলো দেখিয়েছে যে, প্রিঅপটিক এলাকার সেক্সুয়ালি ডিমরফিক নিউক্লিয়াস, যা আইএনএএইচ৩ ধারণ করে, তা এইডসে আক্রান্ত সমকামী পুরুষে বিষমকামীর ন্যায় সমান আকার ধারণ করে এবং এটা নারীর তুলনায় বড়। এটা পরিষ্কারভাবে সমকামী পুরুষের; 'নারীর হাইপোথ্যালামাস থাকে', এধারণার সাথে সাংঘর্ষিক। এরপরে সমকামী পুরুষদের SCN যথেষ্ট বড়। (বিষমকামী পুরুষে কোষে ঘনত্ব এবং নিউরনের সংখ্যা উভয়ই দ্বিগুণ)। এই এলাকাটি এখন পর্যন্ত সমকামী নারী, উভকামী পুরুষ ও নারীতে তেমনভাবে গবেষণা করা হয় নি। যদিও এই গবেষণাটি তেমনভাবে পরীক্ষিত নয়, তারপরেও বিস্তৃত পরিসরে স্বীকৃত ডোরনারের (Dörner) "সমকামী পুরুষের নারীর হাইপোথ্যালামাস থাকে" এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে এই গবেষণা তীব্র সন্দেহ পোষণ করে এবং "পুরুষের নারীর চেয়ে মস্তিষ্কের কলাকৌশল ভিন্ন" হবার জন্য জন্মপুর্ব থেকে টেস্টেস্টোরেণের কার্যক্রম দায়ী; আর এ কার্যক্রম এপিজেনেটিক কারণে হয়;- এমন ধারণাকেই প্রস্তাবনা করে।[৪১][৪২]

উইলিয়াম বাইন এবং তার কলিগগণ এই গবেষণাটি পুনরাবৃত্ত করার প্রয়াসে আইএনএএইচ১-৪ নিয়ে আবার তথ্য সংগ্রহ করেন। তাদের গবেষণাটি ১৪ জন এইচআইভি-পজেটিভ সমকামী পুরুষ, ৩৪ জন বিষমকামী পুরুষ (যার দশজন এইচআইভি পজেটিভ ছিলেন) এবং ৩৪ জন সমকামী নারীর (৯ জন এইচআইভি পজেটিভ) মস্তিষ্কের উপর পরিচালিত হয়। গবেষকগণ বিষমকামী পুরুষ এবং বিষমকামী নারীর মধ্যে আইএনএএইচ৩ এর আকারের সুনির্দিষ্ট পার্থক্য খুজে পান। আইএনএএইচ৩ এর আকার সমকামী পুরুষে; বিষমকামী পুরুষের তুলনায় ছোট এবং বিষমকামী নারীর তুলনায় বড়; এমনটা দেখা যায়। যদিও এই পার্থক্যটা পরিসংখ্যানগত দিক থেকে তেমন একটা উল্লেখযোগ্য নয়।[৪৩]

বাইন এবং তার সহযোগীরা আইএনএএইচ৩ এর ভরের পাশাপাশি নিউরনের সংখ্যাও গণনা করেন। গণনার কাজটি লিভ্যায় করেননি। ফলাফলে দেখা গিয়েছে আইএনএএইচ৩ এর ভর, বিষমকামী নারীর তুলনায় বিষমকামী পুরুষে সুনির্দিষ্টভাবে বড়। সমকামী পুরুষে এর ঘনত্ব বিষমকামী পুরুষের তুলনায় কিছুটা কম দেখা গেলেও নিউরনের সংখ্যায় কোনো পার্থক্য দেখা যায় নি। তবে নারী পুরুষ ভেদে এই নিউরনের সংখ্যায়ও উল্লেখযোগ্য হাতে পার্থক্য দেখা গিয়েছে।[৪৩]

২০১০ সালের গবেষণায় গার্কিয়া ফালগুয়েরাস এবং সোয়াব উদ্ধৃতিতে বলেন "ফিটাল ব্রেইনের উন্নয়ন ঘটে জরায়ুতে (intrauterine) পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে হয়। পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টেস্টোরেণের সরাসরি ক্রিয়ায় স্নায়ু কোষের উন্নয়ন ঘটে, আর নারীর ক্ষেত্রে এই হরমোনের অনুপস্থিতিতে আনুষঙ্গিক কার্যকলাপ ঘটে। এইপথে আমাদের লিঙ্গ পরিচয় (আমরা পুরুষ হই বা নারী) এবং যৌন অভিমুখিতা; মার্তৃগর্ভে থাকা অবস্থায় আমাদের মস্তিষ্কের গঠনের সময় প্রোগ্রাম বা অর্গানাইজ করা হয়। এরকম কোনো সুচনা দেখা যায় নি যে, জন্মের পর সামাজিক পরিবেশ যৌন পরিচয় বা যৌন অভিমুখিতায় প্রভাব ফেলবে।"[৪৪]

ওভাইন মডেল[সম্পাদনা]

জীববিজ্ঞানের তত্ত্বে যৌন অভিমুখিতা[সম্পাদনা]

পূর্ব নিশ্চিত তত্ত্ব[সম্পাদনা]

ভ্রুণের বিবর্ধন ও পরিবেশগত কারণে মস্তিষ্কের বিকাশ সংক্রান্ত গবেষণা পূর্ব নিশ্চিত তত্ত্বের অংশ। কিছু গবেষণায় ভ্রুণ দশায় হরমোনের প্রভাব যৌন অভিমুখিতার ক্ষেত্রে প্রাথমিক প্রভাব রাখে।[৪৫][৪৬][৪৭] সমকামী ও বিসমকামীদের মস্তিষ্কের গঠন এবং চিন্তা করার পার্থক্য এই তত্ত্বে আলোচনা করা হয়। মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় হরমোন মাত্রা এর একটি ব্যাখ্যা দেয়। হরমোণের মাত্রা ও রাসায়নিক ঘনত্ব মা ও ভ্রুণের ইম্যুউন সিস্টেম, মায়ের গৃহীয় ঔষধ এবং সরাসরি নেয়া ইঞ্জেকশোনের উপর নির্ভর করে। এই তত্ত্ব ভ্রূনীয় জন্মসূত্র ও যৌন অভিমুখিতার সাথে সম্পর্কিত।

যৌন অভিমুখিতা ও বিবর্তন[সম্পাদনা]

সাধারণ[সম্পাদনা]

বিষমকামীদের যৌন আচরনের কারণে স্বাভাবিকভাবেই বাচ্চা প্রজননের হার কমে যায়। যা বিবর্তনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে। ডারউইনের ন্যাচারাল সিলেকশন ধারণা অনুসারে বিবর্তনের হার কমাতে সমকামিতা সরাসরি জড়িত। বেশকিছু নিত্য নতুন গবেষণা এই ব্যাপারে সহমত প্রকাশ করেছে।[৪৮]

কিছু কিছু স্কলার [৪৮] বলেন, বিসমকামীদের ভাই-বোনের মধ্যে প্রজনন না ঘটার যেরকম সুবিধে আছে ঠিক সেভাবেই সমকামিতা পরোক্ষভাবে অভিযোজিত ক্ষমতার জন্য কাজ করে। এনালজির দিক দিয়ে, সিকল সেল এনিমিয়া হওয়ার কারণ একটি নির্দিষ্ট অ্যালীল। এই অ্যালীলের দুইটি কপি উপস্থিত থাকলে রোগটি হয় আবার এক কপি উপস্থিত থাকলে তা ম্যালেরিয়া রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যা হেটেরোজাইগোসীয় সুবিধা বলে চিহ্নিত। [৪৯]

গবেষকরা আরো দেখান, ডারউইন নিজে উত্তরাধিকার বাছাইয়ের কথা অন দ্য অরিজিন অব স্পিসিস বইয়ে বলেছেন। তাই ডারউইনের বিবর্তন মডেলে শুধুমাত্র একক নয় বরং পারিবারিক দল ( রক্তের সম্পর্ক) এই বাছাইয়ের ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করতে পারে।

কুইন্সল্যান্ড ইন্সটিটিউট অব মেডিকেল রিসার্চের ব্রেন্ড জিয়েৎস একটি ভিন্ন প্রস্তাবনা দেন। তার প্রদত্ত তত্ত্বে যেসব পুরুষেরা নারীদের মতো বৈশিষ্ট্য দেখায় তাঁরা নারীদের নিকট আরো বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠে এবং তাদের সংগম সঙ্গী পাওয়ার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। এতে প্রমানিত হয় তাদের জিনগত বৈশিষ্ট্য পুরোপুরিভাবে বিসমকামিতার দিক থেকে বাতিক নয়। [৫০]

২০০৮ সালে করা একটি গবেষণার গবেষকরা উদ্ধৃত দান করে বলেন "বিবেচনা করার মত এমন অনেক প্রমাণ আছে যে, মানুষের যৌন অভিমুখিতা জিনগতভাবে প্রভাবিত। তাই এটা জানা যায় না কেন সমকামীতার ফলে সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনা এত কম থাকা সত্ত্বেও তা মানুষের জনসংখ্যায় এত অধিক হারে দেখা যায়। তারা হাইপোথিসিস দিয়ে বলেন, যেহেতু সমকামিতাকে নিয়ন্ত্রণকারী জিন সমকামীদের প্রজননের সফলতা হ্রাস করে, তার মানে পক্ষান্তরে, একই জিন যেসব বিষমকামীদের থাকে, তারা নিশ্চয়ই কোনো সুবিধাও পায়।" গবেষকদের গবেষণালব্ধ ফলাফল এটাই প্রস্তাবনা করে যে, "যেসব জিনের কারণে সমকামিতা দেখা যায়, সেই একই জিন বিষমকামীদের প্রজননে সফলতার সুবিধা দেয় এবং এইভাবেই বিবর্তনের ছাঁকুনিতে কিভাবে সমকামিতা টিকে রয়েছে, বা জনসংখ্যায় কেন সমকামিতা দেখা যায়, তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।" [৫১]

একই গবেষণা থেকে লেখকরা বলেন, "তাদের তথ্যপ্রমাণ থেকে এটা দেখা গিয়েছে যে, যদি সন্তান জমজ হয় এবং তাদের মধ্যে একজন সমকামী হয়। তাহলে অপরজন এর প্রজননের সক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়"।

বিসমকামিতা সুবিধা তত্ত্ব আরো শক্ত সমর্থন পায় ২০০৪ সালে প্রকাশীত এক ইতালীয় গবেষণার মাধ্যমে। যেখানে সমকামি পুরুষের নারী আত্মীয়দের মাঝে যৌন ফলপ্রসূতার হার বেশি বলে দেখানো হয়েছে। [৩১][৩২] হ্যামার দেখান যে, ,[৫২] বেশ ভালোমাত্রায় প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন নারীরা "গে জিন" বহন করে সহজেই মোট জনসংখ্যায় এর উচ্চ হার বজায় রাখে।[৩২]

সমকামী পুরুষ ও নারীতে জৈবিক পার্থক্য[সম্পাদনা]

শারীরতত্ত্ব বিদ্যায়[সম্পাদনা]

কিছু গবেষণা মানুষ ও তার যৌন অভিমুখিতার মধ্যে শারীরবৃত্তের আন্তঃসম্পর্ক খুঁজে পেয়েছে। প্রমাণ সমৃদ্ধ এই গবেষণাগুলো অনুযায়ীঃ

  • সমকামী পুরুষ এবং বিষমকামী নারীর মস্তিষ্কের হেমিস্ফিয়ার গড়পড়তায় একইরুপ সমান হয়। সমকামী নারী এবং বিষমকামী পুরুষের ডানদিকে ব্রেইন হেমিস্ফিয়ার গড়পড়তায় কিছুটা বড় হয়।[৫৩]
  • সোয়াব এবং হপম্যান দ্বারা হাইপোথ্যালামাসের সুপ্রাচিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াস; সমকামী পুরুষে বিষমকামীর তুলনায় বড় হয়, এমনটা পাওয়া গেছে,[৫৪] এও জানা যায় যে, সুপ্রাচিয়াসম্যাটিক নিউক্লিয়াস পুরুষে নারীর তুলনায় বড় হয়।[৫৫][৫৬]
  • প্রতিবেদন অনুসারে সমকামী পুরুষদের; বিষমকামী পুরুষের তুলনায় গড়পড়তায় দীর্ঘ এবং পাতলা পুরুষাঙ্গ থাকে।[৫৭]
  • সমকামী পুরুষ এবং সাধারণ নারীদের; মস্তিষ্কের আইএনএএইচ৩ প্রায় একই হয়। এর কোষ বিষমকামী পুরুষদের তুলনায় সমকামি পুরুষে ঘনতর হয় এবং আকারে ছোট হয়।[৪০]
  • এন্টেরিয়র কমিশার নারীতে, পুরুষের তুলনায় বড় হয়। পরবর্তীতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমকামী পুরষে; যারা সমকামি নন তাদের তুলনায় এটি বড় হয়।[৩৬] কিন্ত পরবর্তী গবেষণায় দেখা গিয়েছে; এধরনের কোনো পার্থক্য নেই।[৫৮]
  • সমকামী পুরুষদের মস্তিষ্ক সিলেক্টিভ সেরোটোনিন ফ্লুক্সেটিনের প্রভাবে ভিন্ন ভাবে সাড়া দেয়। [৫৯]
  • সমকামী নন এরুপ নারীর তুলনায় উভকামী ও সমকামী নারীদের মধ্যকর্ণ ও কেন্দ্রীয় অডিটরী সিস্টেমের কার্যাবলী পুরুষের ন্যায়। (গবেষকদের মতে এই অন্বেষণ যৌন অভিমুখিতার জন্য জন্মপুর্ব হরমোন দায়ী এই প্রকল্পের সাথে সংগতিপুর্ণ).[৬০]
  • সমকামী নারী এবং উভকামী নারীতে স্টার্টল রেসপন্স (eyeblink following a loud sound) পুরুষের ন্যায় আচরণ করে। [৬১]
  • সমকামী এবং সমকামী নন এরুপ পুরুষদের মস্তিষ্ক দুইটি পুটেটিভ (putative) সেক্স ফেরোমেনে ভিন্নভাবে সাড়াদান করে। [৩৩][৬২][৬৩]
  • মস্তিষ্কের একটি এলাকা এমিগডালা সমকামী নন, এসব পুরুষের তুলনায় সমকামী পুরুষে অনেক বেশি সক্রিয়।[৬৪] সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো দেখিয়েছে মস্তিষ্কের গঠনের সাথে (হেমিস্ফিয়ারিক অনুপাতে পার্থক্য এবং এমিগোডালার প্যাটার্ন সংযোগ অন্তর্ভুক্ত করলে) যৌন অভিমুখিতার আন্তঃসম্পর্ক আছে। সমকামী পুরুষ এমিগডালাতে বিষমকামী পুরুষের তুলনায় অধিক নারীত্বমুলক প্যাটার্ন দেখায়, এবং একইভাবে সমকামী নারী বিষমকামী নারীর তুলনায় এমিগডালাতে অধিক পুরুষত্বমুলক প্যাটার্ন দেখায়। সমকামী পুরুষ এবং বিষমকামী নারীর বাম এমিগডালা সংযোগ অধিকভাবে বিস্তৃত; এমনটাও দেখা গিয়েছে। দেখা গিয়েছে বিষমকামী পুরুষ এবংসমকামী নারীতে ডান এমিগডালা অধিকভাবে বিস্তৃত। [৬৫][৬৬]
  • সমকামী নন এরকম পুরুষ এবং সমকামী নারীর মধ্যে তর্জনী এবং অনামিকার আঙ্গুলের দৈর্ঘ্যের অনুপাতে পার্থক্য হয়।[৬৭][৬৮][৬৯][৭০][৭১][৭২][৭৩][৭৪][৭৫][৭৬]
  • বিষমকামী নারী-পুরুষের তুলনায় সমকামী পুরুষ এবং নারীদের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ভাবে বাঁহাতি ও সব্যসাচী হবার প্রবণতা বেশি দেখা গিয়েছে।[৭৭][৭৮][৭৯] সিমন লিভ্যে এর বিরুদ্ধাচরণ করে বলেন "কে কোন হাত অধিক ব্যবহার করবে; তা জন্মপুর্ব থেকে পর্যবেক্ষণ করা যায়...[৮০] সমকামী পুরুষদের মধ্যে ডানহাতি না হবার যে প্রবণতা বাড়তে থাকে, তা যৌন অভিমুখিতা জন্মপুর্ব কার্যক্রম দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার ধারণার সাথে সংগতিপুর্ণ," সম্ভবত উত্তরাধিকার সুত্রে।[৪০]
  • ৫০ জন সমকামী পুরুষের মধ্যে করা গবেষণায় দেখা গিয়েছে; তাদের ২৩ শতাংশের ঘড়ির বিপরীতক্রমে হেয়ার হোর্ল আছে, যা মোট জনসংখ্যার ৮ শতাংশ। এর সাথে বাঁহাতিদের একটা আন্তঃসংযোগ আছে।[৮১]
  • সমকামী পুরুষদের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি এবং কণিষ্ঠাঙ্গুলির ফিঙ্গারপ্রিন্ট ঘনতর হয়।[৮১]
  • সমকামী পুরুষদের বাহু এবং হাতের দৈর্ঘ্য সাধারণ জনসংখ্যার তুলনায় ছোট হয়। তবে এটা শুধুমাত্র শেতাঙ্গদের মধ্যে দেখা গিয়েছে।[৮১]

Political aspects[সম্পাদনা]

যৌন অভিমুখিতা জিনগত বা মনস্তত্ব বিষয় এর উপির নির্ভর করে কিনা; তা নিয়ে উচ্চমাত্রায় রাজনৈতিক ইস্যু হয়েছে। দ্য এডভোকেট, একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পুরুষ সমকামী এবং নারীসমকামী ভিত্তিক পত্রিকা ১৯৯৬ সালের প্রতিবেদনে বলেছে, এই পত্রিকার ৬১ শতাংশ পাঠক মনে করে "যদি সমকামিতা জৈবিকভাবে স্বীকৃত এমনটা গবেষণা থেকে খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সহজতর হবে।"[৮২] যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন এবং সুইডেনে করা একটি জরিপ থেকে দেখা গেছে, যারা বিশ্বাস করে সমকামিতা জন্মগত, তারা তুলনামুলকভাবে অন্য যারা সমকামীতা মানুষের ইচ্ছাকৃত ধরে নেয়, তাদের তুলনায় সমকামিদের প্রতি পজেটিভ দৃষ্টিকোণ উপস্থাপন করে।[৮৩][৮৪]

Equal protection analysis in U.S. law determines when government requirements create a “suspect classification" of groups and therefore eligible for heightened scrutiny based on several factors, one of which is immutability.

যৌন অভিমুখিতা জৈবিকভাবে নির্ধারিত এর সপক্ষে প্রমাণ দেওয়া গেলে (অথবা যৌন অভিমুখিতা অপরিবর্তনীয় এমনটা নিশ্চিত হলে) তা বৈষম্যকারী আইনকে চ্যালেঞ্জ করে সমকামিতার পক্ষে শক্তিশালী যুক্তি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয়।[৮৫][৮৬][৮৭]

The perceived causes of sexual orientation have a significant bearing on the status of sexual minorities in the eyes of social conservatives. The Family Research Council, a conservative Christian think tank in Washington, D.C., argues in the book Getting It Straight that finding people are born gay "would advance the idea that sexual orientation is an innate characteristic, like race; that homosexuals, like African-Americans, should be legally protected against 'discrimination;' and that disapproval of homosexuality should be as socially stigmatized as racism. However, it is not true." On the other hand, some social conservatives such as Reverend Robert Schenck have argued that people can accept any scientific evidence while still morally opposing homosexuality.[৮৮] National Organization for Marriage board member and fiction writer Orson Scott Card has supported biological research on homosexuality, writing that "our scientific efforts in regard to homosexuality should be to identify genetic and uterine causes... so that the incidence of this dysfunction can be minimized.... [However, this should not be seen] as an attack on homosexuals, a desire to 'commit genocide' against the homosexual community.... There is no 'cure' for homosexuality because it is not a disease. There are, however, different ways of living with homosexual desires."[৮৯]

Some advocates for the rights of sexual minorities resist linking that cause with the concept that sexuality is biologically determined or fixed at birth. They argue that sexual orientation can shift over the course of a person's life.[৯০] At the same time, others resist any attempts to pathologise or medicalise 'deviant' sexuality, and choose to fight for acceptance in a moral or social realm.[৮৮] Chandler Burr has stated that "[s]ome, recalling earlier psychiatric "treatments" for homosexuality, discern in the biological quest the seeds of genocide. They conjure up the specter of the surgical or chemical "rewiring" of gay people, or of abortions of fetal homosexuals who have been hunted down in the womb."[৯১] LeVay has said in response to letters from gays and lesbians making such criticisms that the research "has contributed to the status of gay people in society."[৮৮]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

নোটস[সম্পাদনা]

  1. Frankowski BL; American Academy of Pediatrics Committee on Adolescence (জুন ২০০৪)। "Sexual orientation and adolescents"Pediatrics 113 (6): 1827–32। ডিওআই:10.1542/peds.113.6.1827পিএমআইডি 15173519 
  2. Långström, Niklas; Qazi Rahman; Eva Carlström; Paul Lichtenstein (৭ জুন ২০০৮)। "Genetic and Environmental Effects on Same-sex Sexual Behaviour: A Population Study of Twins in Sweden"। Archives of Sexual Behavior (Archives of Sexual Behavior) 39 (1): 75–80। ডিওআই:10.1007/s10508-008-9386-1পিএমআইডি 18536986 
  3. "Submission to the Church of England’s Listening Exercise on Human Sexuality"। The Royal College of Psychiatrists। সংগৃহীত ১৩ জুন ২০১৩ 
  4. "A Genetic Study of Male Sexual Orientation"। Archives of General Psychiatry 48 (12): 1089–96। ১৯৯১। ডিওআই:10.1001/archpsyc.1991.01810360053008পিএমআইডি 1845227 
  5. Whitam FL et al. (১৯৯৩)। "Homosexual orientation in twins: a report on 61 pairs and three triplet sets."। Arch Sex Behav. 22 (3): 187–206.। ডিওআই:10.1007/bf01541765 
  6. "Genetic and environmental influences on sexual orientation and its correlates in an Australian twin sample"J Pers Soc Psychol 78 (3): 524–36। মার্চ ২০০০। ডিওআই:10.1037/0022-3514.78.3.524পিএমআইডি 10743878 
  7. Bearman P. S.; Bruckner H. (২০০২)। "Opposite-sex twins and adolescent same-sex attraction"American Journal of Sociology 107 (5): 1179–1205। ডিওআই:10.1086/341906 
  8. While inconsistent with modern findings, the first relatively large-scale twin study on sexual orientation was reported by Kallman in 1952. (See: Kallmann FJ (এপ্রিল ১৯৫২)। "Comparative twin study on the genetic aspects of male homosexuality"। J. Nerv. Ment. Dis. 115 (4): 283–97। পিএমআইডি 14918012 ).Examining only male twin pairs, he found a 100% concordance rate for homosexuality among 37 monozygotic (MZ) twin pairs, compared to a 12%–42% concordance rate among 26 dizygotic (DZ) twin pairs, depending on definition. In other words, every identical twin of a homosexual subject was also homosexual, while this was not the case for non-identical twins. This study was criticized for its vaguely described method of recruiting twins and for a high rate of psychiatric disorders among its subjects. (See Rosenthal, D., "Genetic Theory and Abnormal Behavior" 1970, New York: McGraw-Hill.)
  9. "Genetic and environmental effects on same-sex sexual behavior: a population study of twins in Sweden"। Arch Sex Behav 39 (1): 75–80। ফেব্রুয়ারি ২০১০। ডিওআই:10.1007/s10508-008-9386-1পিএমআইডি 18536986 
  10. Genetic and Environmental Effects on Same-sex Sexual Behavior: A Population Study of Twins in Sweden
  11. "Psychology Glossary" 
  12. "Psychology Glossary" 
  13. Schacter, Daniel L., Gilbert, Daniel T., and Wegner, Daniel M. (2009) "Psychology". Worth Publishers: 435.
  14. Gringas, P.; Chen, W. (২০০১)। "Mechanisms for difference in monozygous twins"। Early Human Development 64 (2): 105–117। ডিওআই:10.1016/S0378-3782(01)00171-2পিএমআইডি 11440823 
  15. Rutter, M. (2006). Genes and Behavior. Oxford, UK: Blackwell Publishing.
  16. "A linkage between DNA markers on the X chromosome and male sexual orientation"Science 261 (5119): 321–7। জুলাই ১৯৯৩। ডিওআই:10.1126/science.8332896পিএমআইডি 8332896 
  17. Wilson, G.D., & Rahman, Q. (2005). Born Gay: The Biology of Sex Orientation. London: Peter Owen Publishers.
  18. "Linkage between sexual orientation and chromosome Xq28 in males but not in females"। Nat. Genet. 11 (3): 248–56। নভেম্বর ১৯৯৫। ডিওআই:10.1038/ng1195-248পিএমআইডি 7581447 
  19. Vilain E (২০০০)। "Genetics of sexual development"। Annu Rev Sex Res 11: 1–25। পিএমআইডি 11351829 
  20. Hamer DH; Rice G; Risch N; Ebers G (১৯৯৯)। "Genetics and Male Sexual Orientation"Science 285 (5429): ৮০৩। ডিওআই:10.1126/science.285.5429.803a। সংগৃহীত ২০ মার্চ ২০১৬ 
  21. Ellis L; Ficek C; Burke D; Das S (২০০৮)। "Eye Color, Hair Color, Blood Type, and the Rhesus Factor: Exploring Possible Genetic Links to Sexual Orientation"। Arch Sex Behav. 37 (1): 145–9। আইএসএসএন 1573-2800ডিওআই:10.1007/s10508-007-9274-0পিএমআইডি 18074215 
  22. Aldo Poiani (২০১০)। Animal Homosexuality: A Biosocial Perspective। Cambridge University Press। পৃ: 55–96। আইএসবিএন 1139490389 
  23. Connor, Steve (৩১ অক্টোবর ১৯৯৫)। "The 'gay gene' is back on the scene"The Independent 
  24. Knapton, Sarah (১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "Being homosexual is only partly due to gay gene, research finds"The TelegraphTelegraph Media Group 
  25. "Extreme skewing of X chromosome inactivation in mothers of homosexual men"Hum. Genet. 118 (6): 691–4। ফেব্রুয়ারি ২০০৬। ডিওআই:10.1007/s00439-005-0119-4পিএমআইডি 16369763 
  26. "H-Y antigen and homosexuality in men"। J. Theor. Biol. 185 (3): 373–8। এপ্রিল ১৯৯৭। ডিওআই:10.1006/jtbi.1996.0315পিএমআইডি 9156085 
  27. "Pas de Deux of Sexuality Is Written in the Genes"The New York Times। ১০ এপ্রিল ২০০৭। 
  28. Blanchard R (১৯৯৭)। "Birth order and sibling sex ratio in homosexual versus heterosexual males and females"। Annu Rev Sex Res 8: 27–67। পিএমআইডি 10051890 
  29. Anthony F. Bogaert & Malvina Skorska (এপ্রিল ২০১১)। "Sexual orientation, fraternal birth order, and the maternal immune hypothesis: a review"। Frontiers in neuroendocrinology 32 (2): 247–254। ডিওআই:10.1016/j.yfrne.2011.02.004পিএমআইডি 21315103 
  30. Whitehead NE (২০০৭)। "An antiboy antibody? Re-examination of the maternal immune hypothesis"। J Biosocial Sci 39 (6): 905–921। ডিওআই:10.1017/S0021932007001903পিএমআইডি 17316469 
  31. "Evidence for maternally inherited factors favouring male homosexuality and promoting female fecundity"। Proc. Biol. Sci. 271 (1554): 2217–21। নভেম্বর ২০০৪। ডিওআই:10.1098/rspb.2004.2872পিএমআইডি 15539346পিএমসি 1691850 
  32. A. Camperio Ciani; P. Cermelli; G. Zanzotto (২০০৮)। "Sexually Antagonistic Selection in Human Male Homosexuality"। PLoS ONE 3 (6): e2282। ডিওআই:10.1371/journal.pone.0002282পিএমআইডি 18560521পিএমসি 2427196 
  33. "Brain response to putative pheromones in homosexual men"। Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A. 102 (20): 7356–61। মে ২০০৫। ডিওআই:10.1073/pnas.0407998102পিএমআইডি 15883379পিএমসি 1129091 
  34. Wade, Nicholas. (May 9, 2005). "Gay Men Are Found to Have Different Scent of Attraction." New York Times.
  35. "An enlarged suprachiasmatic nucleus in homosexual men"Brain Res. 537 (1–2): 141–8। ডিসেম্বর ১৯৯০। ডিওআই:10.1016/0006-8993(90)90350-Kপিএমআইডি 2085769 
  36. Allen, L. S.; Gorski, R. A. (১৯৯২)। "Sexual orientation and the size of the anterior commissure in the human brain"। Proceedings of the National Academy of Sciences 89 (15): 7199–7202। আইএসএসএন 0027-8424ডিওআই:10.1073/pnas.89.15.7199পিএমআইডি 1496013পিএমসি 49673 
  37. Byne W.; Parsons B. (১৯৯৩)। "Human sexual orientation: The biological theories reappraised"। Archives of General Psychiatry 50 (3): 228–239। ডিওআই:10.1001/archpsyc.1993.01820150078009পিএমআইডি 8439245 
  38. Byne William; Tobet Stuart; Mattiace Linda A.; Lasco Mitchell S.; Kemether Eileen; Edgar Mark A.; Morgello Susan; Buchsbaum Monte S. এবং অন্যান্য (২০০১)। "The Interstitial Nuclei of the Human Anterior Hypothalamus: An Investigation of Variation with Sex, Sexual Orientation, and HIV Status"। Hormones and Behavior 40 (2): 86–92। ডিওআই:10.1006/hbeh.2001.1680পিএমআইডি 11534967 
  39. "A lack of dimorphism of sex or sexual orientation in the human anterior commissure"। Brain Res. 936 (1–2): 95–8। মে ২০০২। ডিওআই:10.1016/s0006-8993(02)02590-8পিএমআইডি 11988236 
  40. LeVay, Simon (১৯৯১)। "A difference in hypothalamic structure between heterosexual and homosexual men"। Science (American Association for the Advancement of Science) 253 (5023): 1034–1037। আইএসএসএন 0036-8075ডিওআই:10.1126/science.1887219পিএমআইডি 1887219 
  41. Judaš, Miloš; Kostović, Ivica। "Neurobiologija emocija i spolnosti" (PDF)। Temelji Neuroznanosti: Sadržaj Poglavlja (hr ভাষায়)। পৃ: ৪০৮। ২৩ মার্চ ২০১৬-এ মূল থেকে আর্কাইভ 
  42. Swaab, D. F.; Gooren, L. J.; Hofman, M. A. (১৯৯২)। "Gender and sexual orientation in relation to hypothalamic structures"। Horm Res। 38 Suppl 2 (2): 51–61। ডিওআই:10.1159/000182597পিএমআইডি 1292983 
  43. "The interstitial nuclei of the human anterior hypothalamus: an investigation of variation with sex, sexual orientation, and HIV status"। Horm Behav 40 (2): 86–92। সেপ্টেম্বর ২০০১। ডিওআই:10.1006/hbeh.2001.1680পিএমআইডি 11534967 
  44. "Sexual Hormones and the Brain: An Essential Alliance for Sexual Identity and Sexual Orientation"। Endocr Dev। Endocrine Development 17: 22–35। ২০১০। আইএসবিএন 978-3-8055-9302-1ডিওআই:10.1159/000262525পিএমআইডি 19955753 
  45. Garcia-Falgueras, Alicia, & Swaab, Dick F., Sexual Hormones and the Brain: An Essential Alliance for Sexual Identity and Sexual Orientation, in Endocrine Development, vol. 17, pp. 22–35 (2010) (ISSN 1421-7082) (authors are of Netherlands Institute for Neuroscience, of Royal Netherlands Academy of Arts and Sciences) (author contact is 2d author) (vol. 17 is Sandro Loche, Marco Cappa, Lucia Ghizzoni, Mohamad Maghnie, & Martin O. Savage, eds., Pediatric Neuroendocrinology).
  46. Wilson, G.D. & Rahman, Q (2005) Born Gay: The Psychobiology of Sex Orientation, Peter Owen, London
  47. "Plasma testosterone levels in heterosexual and homosexual men"। Am J Psychiatry 131 (1): 82–3। জানুয়ারি ১৯৭৪। ডিওআই:10.1176/ajp.131.1.82পিএমআইডি 4808435 
  48. "Sperm competition and the persistence of genes for male homosexuality"। BioSystems 31 (2–3): 223–33। ১৯৯৩। ডিওআই:10.1016/0303-2647(93)90051-Dপিএমআইডি 8155854 
  49. Baker, Robin (1996) Sperm Wars: The Science of Sex, p.241 ff.
  50. "Gender bending"The Economist 
  51. Zietsch, B.; Morley, K.; Shekar, S.; Verweij, K.; Keller, M.; Macgregor, S. (নভেম্বর ২০০৮)। "Genetic factors predisposing to homosexuality may increase mating success in heterosexuals"। Evolution and Human Behavior 29 (6): 424–433। ডিওআই:10.1016/j.evolhumbehav.2008.07.002 
  52. Hamer, D., Copeland, P. The Science of Desire: The Search for the Gay Gene and the Biology of Behavior (Simon and Schuster, 1994) আইএসবিএন ০-৬৮৪-৮০৪৪৬-৮
  53. "BBC NEWS - Health - Scans see 'gay brain differences'" 
  54. http://www.dafml.unito.it/anatomy/panzica/pubblicazioni/pdf/1995PanzicaJEI.pdf[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  55. "Development of vasoactive intestinal polypeptide neurons in the human suprachiasmatic nucleus in relation to birth and sex"। Brain Res. Dev. Brain Res. 79 (2): 249–59। ১৯৯৪। ডিওআই:10.1016/0165-3806(94)90129-5পিএমআইডি 7955323 
  56. Roughgarden, Joan (২০০৪)। Evolution's Rainbow: Diversity, Gender, and Sexuality in Nature and People। Berkeley, CA: University of California Press। পৃ: ২৪৫। 
  57. "The relation between sexual orientation and penile size"। Arch Sex Behav 28 (3): 213–21। ১৯৯৯। ডিওআই:10.1023/A:1018780108597পিএমআইডি 10410197 
  58. Lasco, M. S.; Jordan, T. J.; Edgar, M. A.; Petito, C. K.; Byne, W. (২০০২)। "A lack of dimorphism of sex or sexual orientation in the human anterior commissure"। Brain Research 936 (1–2): 95–98। ডিওআই:10.1016/S0006-8993(02)02590-8পিএমআইডি 11988236 
  59. "Differential brain activation in exclusively homosexual and heterosexual men produced by the selective serotonin reuptake inhibitor, fluoxetine"। Brain Res. 1024 (1–2): 251–4। ২০০৪। ডিওআই:10.1016/j.brainres.2004.07.070পিএমআইডি 15451388 
  60. McFadden D (২০০২)। "Masculinization effects in the auditory system"। Arch Sex Behav 31 (1): 99–111। ডিওআই:10.1023/A:1014087319682পিএমআইডি 11910797 
  61. "Sexual orientation-related differences in prepulse inhibition of the human startle response"। Behav. Neurosci. 117 (5): 1096–102। ২০০৩। ডিওআই:10.1037/0735-7044.117.5.1096পিএমআইডি 14570558 
  62. "Smelling of odorous sex hormone-like compounds causes sex-differentiated hypothalamic activations in humans"। Neuron 31 (4): 661–8। ২০০১। ডিওআই:10.1016/S0896-6273(01)00390-7পিএমআইডি 11545724 
  63. "Brain response to putative pheromones in lesbian women"। Proc. Natl. Acad. Sci. U.S.A. 103 (21): 8269–74। ২০০৬। ডিওআই:10.1073/pnas.0600331103পিএমআইডি 16705035পিএমসি 1570103 
  64. "Neural correlates of sexual arousal in homosexual and heterosexual men"। Behav. Neurosci. 121 (2): 237–48। ২০০৭। ডিওআই:10.1037/0735-7044.121.2.237পিএমআইডি 17469913 . The authors of the study caution that any interpretation of this finding must take into account that the group difference in brain activation between heterosexual men and homosexual men in the amygdala region is not large and that the most robust finding is that both heterosexual and homosexual men used the same areas when they reacted to sexually preferred stimuli. "For the most part, homosexual and heterosexual men showed very similar patterns of activation (albeit to different erotic stimuli). One possible exception was the amygdala, in which homosexual men showed greater activational differences between preferred and nonpreferred erotic stimuli compared with heterosexual men. However, this difference was not hypothesized a priori, was not large, and was the only group difference found out of many tested. Thus, this finding needs replication."(Debra A. Hope (editor), What is Sexual Orientation and Do Women Have One? (presentation by J.M. Bailey), Nebraska Symposium on Motivation, Volume 54 p. 47, Springer Science, 2009.)
  65. Swaab, D. F. (২০০৮)। "Sexual orientation and its basis in brain structure and function"। Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America 105 (30): 10273–4। ডিওআই:10.1073/pnas.0805542105পিএমআইডি 18653758পিএমসি 2492513 
  66. Swaab, Dick F. (২০০৭)। "Sexual differentiation of the brain and behavior"। Best Practice & Research Clinical Endocrinology & Metabolism 21 (3): 431–44। ডিওআই:10.1016/j.beem.2007.04.003পিএমআইডি 17875490 
  67. Williams TJ; Pepitone ME; Christensen SE এবং অন্যান্য (মার্চ ২০০০)। "Finger-length ratios and sexual orientation"Nature 404 (6777): 455–6। ডিওআই:10.1038/35006555পিএমআইডি 10761903 
  68. Tortorice JL (২০০২)। Written on the body: butch vs. femme lesbian gender identity and biological correlates of low digit ratio। Rutgers University। ওসিএলসি 80234273 
  69. "Finger-length ratios in female monozygotic twins discordant for sexual orientation"। Archives of Sexual Behavior 32 (1): 23–8। ফেব্রুয়ারি ২০০৩। ডিওআই:10.1023/A:1021837211630পিএমআইডি 12597269 
  70. "Sexual orientation and the 2nd to 4th finger length ratio: evidence for organising effects of sex hormones or developmental instability?"। Psychoneuroendocrinology 28 (3): 288–303। এপ্রিল ২০০৩। ডিওআই:10.1016/S0306-4530(02)00022-7পিএমআইডি 12573297 
  71. Putz, David A.; Gaulin, Steven J. C.; Sporter, Robert J.; McBurney, Donald H. (মে ২০০৪)। "Sex hormones and finger length: What does 2D:4D indicate?"Evolution and Human Behavior 25 (3): 182–99। ডিওআই:10.1016/j.evolhumbehav.2004.03.005আসল থেকে ২০১০-০১-০৭-এ আর্কাইভ করা। 
  72. Rahman Q (মে ২০০৫)। "Fluctuating asymmetry, second to fourth finger length ratios and human sexual orientation"। Psychoneuroendocrinology 30 (4): 382–91। ডিওআই:10.1016/j.psyneuen.2004.10.006পিএমআইডি 15694118 
  73. "Finger length ratio (2D:4D) and dimensions of sexual orientation"। Neuropsychobiology 53 (4): 210–4। ২০০৬। ডিওআই:10.1159/000094730পিএমআইডি 16874008 
  74. "2D:4D finger-length ratios in children and adults with gender identity disorder"। Hormones and Behavior 54 (3): 450–4। আগস্ট ২০০৮। ডিওআই:10.1016/j.yhbeh.2008.05.002পিএমআইডি 18585715 
  75. "Sexual orientation and the second to fourth finger length ratio: a meta-analysis in men and women"। Behav Neurosci 124 (2): 278–287। ২০১০। ডিওআই:10.1037/a0018764পিএমআইডি 20364887 
  76. "The second to fourth digit ratio (2D:4D) in a Japanese twin sample: heritability, prenatal hormone transfer, and association with sexual orientation"। Arch Sex Behav 41 (3): 711–24। Jun ২০১২। ডিওআই:10.1007/s10508-011-9889-zপিএমআইডি 22270254 
  77. "Sexual orientation and handedness in men and women: a meta-analysis"। Psychol Bull 126 (4): 575–92। ২০০০। ডিওআই:10.1037/0033-2909.126.4.575পিএমআইডি 10900997 
  78. "Dermatoglyphics, handedness, sex, and sexual orientation"। Arch Sex Behav 31 (1): 113–22। ২০০২। ডিওআই:10.1023/A:1014039403752পিএমআইডি 11910784 
  79. Lippa RA (২০০৩)। "Handedness, sexual orientation, and gender-related personality traits in men and women"। Arch Sex Behav 32 (2): 103–14। ডিওআই:10.1023/A:1022444223812পিএমআইডি 12710825 
  80. "Handedness in the human fetus"। Neuropsychologia 29 (11): 1107–11। ১৯৯১। ডিওআই:10.1016/0028-3932(91)90080-Rপিএমআইডি 1775228 
  81. The Science of Gaydar by David France. New York Magazine. 18 June 2007.
  82. The Advocate (1996, February 6). Advocate Poll Results. p. 8.
  83. "Biological explanation, psychological explanation, and tolerance of homosexuals: a cross-national analysis of beliefs and attitudes"। Psychol Rep 65 (3 Pt 1): 1003–10। ডিসেম্বর ১৯৮৯। ডিওআই:10.2466/pr0.1989.65.3.1003পিএমআইডি 2608821 
  84. Whitley B. E. Jr (১৯৯০)। "The relationship of heterosexuals' attributions for the causes of homosexuality to attitudes toward lesbians and gay men"। Personality and Social Psychology Bulletin 16 (2): 369–377। ডিওআই:10.1177/0146167290162016 
  85. Balog, Kari (2005–2006) "Equal Protection for Homosexuals: Why the Immutability Argument is Necessary and How it is Met.", Cleveland St. L. Rev. 545–573.
  86. "Is Sexuality Immutable?", Margaret Talbot, The New Yorker, January 25, 2010.
  87. "Prop. 8 trial: defenders of gay-marriage ban make their case"Christian Science Monitor। সংগৃহীত ২৭ জানুয়ারি ২০১০ 
  88. What Makes People Gay? By Neil Swidey. The Boston Globe. Published August 14, 2005. Accessed June 18, 2009.
  89. Card, Orson Scott (আগস্ট ৭, ২০০৮)। "Science on gays falls short"Deseret Morning News। সংগৃহীত জুন ১২, ২০১০ 
  90. Myths About Queer by Choice People. Queer by Choice. Accessed March 6, 2009.
  91. Homosexuality and Biology. By Chandler Burr. The Atlantic Monthly. June 2007.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Human group differences