জন মুনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জন মুনি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজন ফ্রান্সিস মুনি
জন্ম (1982-02-10) ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ (বয়স ৩৭)
ডাবলিন, প্রজাতন্ত্রী আয়ারল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাঅল-রাউন্ডার
সম্পর্কপল মুনি (ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
১৩ জুন ২০০৬ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ ওডিআই৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ বনাম ইংল্যান্ড
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ ১৩)
২১ জুলাই ২০০৯ বনাম বাংলাদেশ
শেষ টি২০আই৩০ নভেম্বর ২০১৩ বনাম আফগানিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৪-২০০৯আয়ারল্যান্ড
২০০১-বর্তমাননর্থ কাউন্টি
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই টি২০আই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৪৮ ২৩ ১৪ ৭৫
রানের সংখ্যা ৭৩৭ ২০৪ ৫৭৫ ১,১১৭
ব্যাটিং গড় ২৩.৭৭ ১৭.০০ ৩৫.৯৩ ২১.৯০
১০০/৫০ ০/২ ০/০ ১/৩ ০/৩
সর্বোচ্চ রান ৫৫ ৩১* ১০৭ ৮৬
বল করেছে ১,১৫৩ ৮৪ ১,০০৯ ২,০২৮
উইকেট ৩৫ ২৫ ৫৬
বোলিং গড় ২৯.৬০ ২৩.৫০ ২০.২৪ ৩১.৬৪
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - - -
সেরা বোলিং ৪/২৭ ২/১১ ৫/৩৬ ৪/২৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৭/– ১৩/– ১২/– ২৭/–
উৎস: CricketArchive, ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪

জন ফ্রান্সিস মুনি (জন্ম: ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২) প্রজাতন্ত্রী আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে জন্মগ্রহণকারী আইরিশ ক্রিকেটার। আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করছেন। তিনি মূলতঃ বোলার হিসেবে দলে খেলছেন।[১] বামহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি মিডিয়াম-পেস বোলিংয়ে জন মুনি পারদর্শী।

২০১০ সালে তিনি আয়ারল্যান্ডের বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের সম্মানে ভূষিত হন। তার ভাই পলও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

২০০০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের সদস্য ছিলেন। এরপর ২০০৪ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে মুনি’র অভিষেক ঘটে। আইসিসি আন্তর্মহাদেশীয় কাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তার এই অভিষেক। তিনি একবারমাত্র ব্যাটিং করেন। কিন্তু এডগার শিফার্লি’র বলে কোন রান সংগ্রহ করার পূর্বেই এলবিডব্লিউ’র শিকার হন। এছাড়াও তিনি বোলিং করেননি।[২] দুই বছর পর আগস্ট, ২০০৬ সালে দ্বিতীয়বারের মতো প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেন।[৩] খেলায় তিনি কোন রান না পেলেও স্কটল্যান্ডের জন ব্লেইনকে জেরেমি ব্রে’র হাতে ক্যাচ দেন।[৪]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৩ জুন, ২০০৬ তারিখে আয়ারল্যান্ড তাদের প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করে। তিনি প্রথম একাদশের অন্যতম সদস্য ছিলেন। স্টরমন্টে অনুষ্ঠিত ও গ্যালারিতে দর্শক পরিপূর্ণ ঐ খেলায় ইংল্যান্ড ৩৮ রানে জয়লাভ করে।[৫] খেলায় তিনি মার্কাস ট্রেসকোথিক, পল কলিংউডইয়ান বেলের উইকেট পান। ঐ খেলাকে তিনি তার খেলোয়াড়ী জীবনের অন্যতম সেরা খেলার একটিরূপে বর্ণনা করেন। এছাড়াও ব্যাট হাতে ২৬ বলে অপরাজিত ৩০ রান পান।[১] ২০১০ সালে ছয়জন খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড কর্তৃপক্ষে সাথে পূর্ণাঙ্গভাবে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Interview with John Mooney, CricketArchive, ১০ আগস্ট ২০০৯, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৩-০২ 
  2. f48037 Netherlands v Ireland: ICC Inter-Continental Cup 2004 (Europe Group), CricketArchive, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৩-০২ 
  3. First-class matches played by John Mooney (6), CricketArchive, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৩-০২ 
  4. f49498 Scotland v Ireland: ICC Inter-Continental Cup 2006 (Group A), CricketArchive, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৩-০২ 
  5. Luke, Will (১৩ জুন ২০০৬), England's win fails to hide cracks, Cricinfo, সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৩-০২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]