চ্যাম জাতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চ্যাম
চাম ভাষায়: ꨂꨣꩃ ꨌꩌꨛꨩ
Urang Campa
Danses Cham.jpg
ভিয়েতনামের নাহা ট্রাং -এ একটি ঐতিহ্যবাহী নৃত্য পরিবেশন করছেন চাম নারী
মোট জনসংখ্যা
আনু.৮০০,০০০
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল
 কম্বোডিয়া৬০০,০০০[১]
 ভিয়েতনাম১৭৮,৯৪৮
 মালয়েশিয়া১০,০০০
 চীন৮,৫০০
 থাইল্যান্ড৪,০০০
 যুক্তরাষ্ট্র৩,০০০
 ফ্রান্স১,০০০
 লাওস৬০০[২]
ভাষা
চাম, টেস্ট, ভিয়েতনামী, খ্‌মের
ধর্ম
প্রধানত সুন্নি ইসলাম (কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ ভিয়েতনাম এবং হাইনান, চীন)
শিয়া বানি ইসলাম
হিন্দুধর্ম (মধ্য ভিয়েতনাম)[৩]
এবং বৌদ্ধধর্ম

চ্যাম (Cham: Čaṃ) বা চম্পা জাতি (Cham: ꨂꨣꩃ ꨌꩌꨛꨩ, Urang Campa;[৪] [৫] ভিয়েতনামী: Người Chăm or Người Chàm; খ্‌মের: ជនជាតិចាម , Chónchèat Cham) হল একটি অস্ট্রোনেশিয়ান জাতিগোষ্ঠী। মধ্য ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের স্বাধীন রাজ্যগুলির একটি সংলগ্ন অঞ্চলে দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত চ্যাম জনবহুল রাজ্য চম্পার অস্তিত্ব ছিল। তারা চাম ভাষা এবং টেস্ট ভাষায় কথা বলত,[৬] যা অস্ট্রোনেশিয়ান পরিবারের মালায়ো-পলিনেশিয়ান গোষ্ঠীর দুটি চামিক ভাষা[৭] বর্তমান চ্যামরা কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, চীন, থাইল্যান্ডলাওসের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বসবাস করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১১০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে চম্পা রাজ্যের ঐতিহাসিক বিস্তৃতি (সবুজ রঙে)
খেমারদের বিরুদ্ধে চাম নৌ সৈনিকের লড়াইয়ের চিত্র, বেয়নে পাথরের চিত্র

দীর্ঘকাল ধরে, গবেষকরা বিশ্বাস করেন যে, চামসরা খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দে সুমাত্রা, বোর্নিও এবং মালয় উপদ্বীপ থেকে সমুদ্রপথে পথে ভিয়েতনামে এসে বসতি স্থাপন করেছিল। চ্যামরা ঠিক কত সালে এই অঞ্চলে অভিবাসী হয়েছিল তা সঠিকভাবে জানা যায়নি। ধারণা করা হয়, আজ থেকে প্রায় ৫০০০ বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডে চ্যামদের আগমন ঘটে। যেহেতু চ্যামরা উপকূলীয় অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করেছিল তাই তারা সমুদ্রপথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করে একটি সমৃদ্ধ সামুদ্রিক অর্থনীতি উপভোগ করত। এভাবে তারা আস্তে আস্তে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তোলা শুরু করে।[৮]

প্রাথমিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

চামেরা তাদের মন্দিরগুলিকে পাথরের রিলিফ দিয়ে সজ্জিত করেছিল যা দেবতাদের চিত্রিত করে যেমন গরুড় নাগের সাথে যুদ্ধ করছে (১২-১৩ শতক)

শুরুর দিকে চ্যামরা ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের জনগণের মত ভারতীয় সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উপাদানগুলিকে গ্রহণ করে নিতে থাকে। এভাবে অষ্টম শতাব্দীর পর থেকে ভারতের গুজরাত অঞ্চলের মুসলমানরা বাণিজ্যিক সূত্র ধরে নৌপথে এসব অঞ্চলে আসা শুরু করে। অষ্টম শতাব্দীর পর থেকে গুজরাটের মতো অঞ্চলের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমরা ভারতের বাণিজ্য ও নৌপরিবহনে ক্রমবর্ধমানভাবে উপস্থিত হতে শুরু করে। ইসলামী চিন্তাধারা বিনিময়ের বিশাল জোয়ারের একটি অংশ হয়ে উঠে, শতাব্দীর আগে যেমন হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের চিন্তাধারা যেমন এখানে আসে। তখন থেকে চ্যামদের মাঝে ইসলাম ধর্ম অধিক ছড়িয়ে পড়তে থাকে।[৯][১০]

এদিকে চ্যামরা একটি শক্তিশালী রাজ্য গড়ে তোলে এবং আশেপাশের অঞ্চগসমূহের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ১২ শতকের মধ্যভাগে চ্যামরা খেমার সাম্রাজ্যের সাথে একাধিক যুদ্ধ করে। ১১৭৭ সালে তীব্র আক্রমণ করে খেমের রাজধানী আঙ্কোরকে দখল করে নেয়। তবে কিছুদিন পর ১১৮৭ সালে তারা খমের রাজা সপ্তম জয়বর্মণের কাছে পরাজিত হয়ে পিছু হটে।[১১][১২][১৩]

ইসলামের আগমন[সম্পাদনা]

১৫৯০ সাল থেকে বক্সার কোডেক্সে চাম লোকদের চিত্রণ

নবম শতাব্দীর দিকে চ্যামদের মাঝে ইসলাম এলেও তা একাদশ শতাব্দীর পর পর্যন্ত তা চ্যাম সম্প্রদায়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠেনি।[১৪] ১২ শতকের দিকে একটি বিশেষ কারণে বেশ কিছু চ্যাম সমুদ্র পার হয়ে মালয় উপদ্বীপে পালিয়ে যায় এবং ১৫ শতকের প্রথম দিকে চ্যামরা মালাক্কায় একটি উপনিবেশ গড়ে তোলে।[১৫] ১৪১৪ সাল থেকে মালাক্কা সালতানাত আনুষ্ঠানিকভাবে মুসলিম হওয়ায় সেখানকার চ্যামরা সুন্নি ইসলামের সাথে পরিচিত হতে থাকে। এদিকে মুসলিম সুলতানদের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের খাতিরে ১৬০৭ সাল থেকে ১৬৭৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে চ্যাম রাজাদের একজন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ফলে এটি চ্যাম সমাজের সকলের ধর্ম হয়ে ওঠে এবং প্রায় সকল চ্যাম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে।[১৬][১৭][১৮]

ভিয়েতনামের সাথে যুদ্ধ ও চম্পা রাজ্যের পতন[সম্পাদনা]

৮০০ সালের দিকে খেমার সাম্রাজ্যের উত্থানের চম্পা রাজ্য সঙ্কুচিত হতে শুরু করে। ১৪৭১ সালে খেমারদের সাথে এক যুদ্ধে চ্যামরা গুরুতর পরাজয় বরণ করে এবং অনেক চ্যাম রাজ্য ছেড়ে পালিয়ে যায়। তখন ভিয়েতনামীরা চ্যামদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালায়। তারা রাজধানীতে নির্দেশ জারি করেছিল আশেপাশের সমস্ত চামকে হত্যা করার জন্য। [১৯]তখন থেকে ভিয়েতনামিদের আক্রমণ অব্যাহত থাকে এবং ১৬৯৩ সালে চম্পা রাজ্যের ভূখণ্ড ভিয়েতনামের ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে একীভূত হয়। ১৯ শতকের ভিয়েতনামী সম্রাট মিন মাং দ্বারা বিলুপ্তি ঘটে চম্পা রাজ্যের পরিপূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে। [২০]এর ফলে শেষ চ্যাম মুসলিম রাজা পো চিয়েন তার লোকদের পশ্চিমাঞ্চলে জড়ো করেন এবং দক্ষিণে কম্বোডিয়ায় পালিয়ে যান। আর উপকূলবর্তীরা মালয়েশিয়া চলে যান। তাদের একটি ছোট দল উত্তর দিকে চীনের হাইনান দ্বীপে পালিয়ে যায়। তখন থেকে চ্যামরা বিচ্ছিন্ন হয়ে বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। [২০][২১][২২]

২০ শতক ও গণহত্যা[সম্পাদনা]

এফএলসি-এর পতাকা - ফ্রন্ট ডি লিবারেশন ডু চম্পা , যা ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় সক্রিয় ছিল।

১৯৬০ এর দশকে ভিয়েতনামে একটি পৃথক চাম রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানিয়ে চ্যামদের বিভিন্ন আন্দোলনের উদ্ভব হয়। কিন্তু ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ান সরকারের ব্যাপক নিপীড়নের ফলে তা অস্তমিত হয়ে যায়। এরপর ১৯৭৫ সালে সংঘটিত কম্বোডিয়া গণহত্যায় চ্যামরা ব্যাপক মৃত্যুর শিকার হয়েছিল। তখন মোট ২৫,০০০০ জন চ্যাম জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৮,০০০০ থেকে ১০,০০০ জন চ্যাম গণহত্যায় মারা গিয়েছিল।[২৩][২৪][২৫][২৬]

২১ শতক[সম্পাদনা]

চ্যাম গণহত্যা সংঘটিত হওয়ার পর নির্যাতিত চ্যামরা বিশ্বের আলোচনায় আসে। ফলে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ান সরকার তাঁদের প্রতি কিছুটা সহানুভূতি দেখানো শুরু করে। বর্তমান ভিয়েতনামে চ্যামরা সরকার কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত ৪৫ টি জাতিগোষ্ঠীর একটি। ঐতিহাসিক চম্পা রাজ্যের ব্যাপক স্বীকৃতিও দেওয়া হয়। স্বীকৃতি পাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত চ্যামরা শিক্ষা দীক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চায় মনোনিবেশ করে। বিভিন্ন ধর্মীয় আন্দোলন তাদের মাঝে প্রভাব বিস্তার করে। তবে ভিয়েতনামী চ্যামদের মধ্যে সালাফি মতবাদ সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা ভিয়েতনামের সরকারের নিয়ন্ত্রণ করে রুখে দেয়। এখন চ্যামদের মাঝে তাবলিগ জামাতের ব্যাপক প্রচলন হয়েছে। তবে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় চ্যামরা এখনো নিগ্রহের স্বীকার এবং ধর্মীয় কাজে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন। তাদের তুলনা মায়ানমারে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর সাথে করা হয়। আন্তর্জাতিক চাপে চ্যামদের কেবল স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া নিজ নিজ দেশে চ্যামরা প্রয়োজনীয় নাগরিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত।[২৭][২৮][২৯]

ভূগোল[সম্পাদনা]

চ্যামরা কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম এবং লাওসে মুসলিম সম্প্রদায়ের মূল প্রতিনিধিত্ব করে। এছাড়া থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রায় ৪০০০ চ্যাম বাস করে। যাদের পূর্বপুরুষরা ভিয়েতনামে পরাজয়ের পর এখানে এসেছিলেন। ১৯৭৫ সালে ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়া থেকে প্রায় ৯৭০৪ জন চ্যাম শরণার্থী মালয়েশিয়ায় চলে যায়। সেখানে তাদের শরনার্থী হিসেবে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। এদের বেশিরভাগ কম্বোডিয়া থেকে এসেছিল এবং তারা ছিল মুসলমান। তাদের অনেকেই মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করা বেছে নিয়েছিল। কারণ তারা একটি ইসলামিক দেশে থাকতে পছন্দ করেছিল এবং মালয়েশিয়া সরকার তাদের প্রচুর সুযোগ সুবিধা প্রদান করে আইন প্রণয়ন করেছিল। এসব দেশের বাইরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স এবং চীনে কিছু সংখ্যাক চ্যাম শরণার্থী হিসেবে যায় এবং সেখানে স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যায়। [৩০][৩১][৩২]

রাজনীতি[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

চাম বাদ্যযন্ত্র ঢোল

ভাষা[সম্পাদনা]

চাম ভাষা অস্ট্রোনেশীয় ভাষা পরিবারের অংশ। চ্যাম ভাষা বিভিন্ন ভাষার সংস্পর্শে আসার ফলে এতে অনেক কৃতঋণ শব্দ ও পরিভাষা রয়েছে যা এর শব্দভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। বেশিরভাগ চ্যাম চাম ভাষায় কথা বলেন। তবে কিছুসংখ্যক ভিয়েতনামী, খেমার, মালয় ও অন্যান্য প্রভাবশালী ভাষাও বলেন। ধর্মীয় সম্পৃক্ততায় অনেক চ্যাম আরবিও বলতে লিখতে পারেন।[৩৩]

ধর্ম[সম্পাদনা]

চ্যামদের প্রথম নথিভুক্ত ধর্ম ছিল শৈব, যা হিন্দুধর্মের একটি রূপ। এটি ভারত থেকে সমুদ্রপথে এখানে এসে বিস্তৃত লাভ করে। এরপর নবম শতাব্দীর সময় এখানে ইসলামের আগমন ঘটে এবং এটি চ্যাম সমাজে ব্যাপক বিস্তৃতি লাভ করতে থাকে। ১২ শতাব্দীতে চ্যামদের একটি বিরাট অংশ ইসলামে দীক্ষিত হয়ে যায়। তবে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত চাম সম্প্রদায়ের মধ্যে হিন্দুধর্মই ছিল প্রধান ধর্ম। ভিয়েতনামে অসংখ্য শিবের মন্দির পাওয়া যায়। ১৬০৭ সালের পর একজন চ্যাম রাজা ইসলাম গ্রহণ করলে ইসলাম রাজকীয় ধর্ম হয়ে ওঠে এবং প্রায় অধিকাংশ চ্যামই ইসলাম গ্রহণ করে। সংখ্যাগরিষ্ঠ চ্যাম মুসলিম সুন্নি ইসলামের অনুসারী।


এছাড়া চ্যামদের মাঝে সংখ্যালঘু একটি দল বানি শিয়া ও হিন্দুধর্ম পালন করে। আনুমানিক ১০,০০০ চাম হিন্দু রয়েছে এবং তাদের বালামন চাম বা বালামন হিন্দু বলা হয়।[৩৪] বালামন শব্দটি ব্রাহ্মণ শব্দের অপভ্রংশ। হিন্দুদের মাঝে কোনো বর্ণপ্রথা নেই।[৩৫] হিন্দু মন্দিরগুলি চাম ভাষায় বিমং নামে পরিচিত, তবে ভিয়েতনামি ভাষায় এটি সাধারণত থাপ "স্তুপা" নামে পরিচিত। যদিও তাদের ধর্মকে সাধারণত "হিন্দুধর্ম" হিসাবে ডাকা হয়, তবে তারা কোনো হিন্দু দেবতার পূজা করে না। কারণ ১৭ শতকে চ্যাম রাজা পো রোমের শাসনামলে বালামনরা রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের বিশ্বাসের অন্যান্য বালামন দেবতার উপাসনা বজায় রেখে আল্লাহকে সর্বোত্তম ঈশ্বর হিসাবে মেনে নেয়।।[৩৬][৩৭]

রন্ধনপ্রণালী[সম্পাদনা]

চাম সরমন তরকারি

উল্লেখযোগ্য চ্যামস[সম্পাদনা]

  • লেস কোসেম, ফুলরোতে কম্বোডিয়ান-চাম কর্মী নেতা।
  • পো ধর্ম , ফুলরোর ভিয়েতনামী-চাম কর্মী নেতা। তিনি একজন চাম সাংস্কৃতিক ইতিহাসবিদও ছিলেন
  • সোস ম্যাথ, কম্বোডিয়ান-চাম গায়ক। ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ এর দশক পর্যন্ত গীতিকার; তার ছেলে সোস মাকও ৯০ এর দশকের একজন জনপ্রিয় গায়ক।
  • হ্যাস সালান, ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ এর দশক পর্যন্ত কম্বোডিয়ান-চাম শাস্ত্রীয় বেহালাবাদক, সুরকার এবং অভিনেতা।
  • মুসা পোরোম, চ্যাম অধিকার কর্মী।
  • মহা সজন, চম্পার  রাজা।
  • আমু নান, চাম সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ।
  • পো বিনাসুর, চম্পার শেষ শক্তিশালী রাজা।
  • চে লিন,  ভিয়েতনামী-চাম গায়ক।
  • ড্যাং নাং থো, ভিয়েতনামী-চাম ভাস্কর এবং চাম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক।
  • হাই ওসমান হাসান (អូស្មាន ហាស្សាន់៖), কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ, কম্বোডিয়ার শ্রম ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রসচিব , প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিশেষ দূত
  • হুন সেন, কম্বোডিয়ান মুসলিম ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (সিএমডিএফ) এর প্রেসিডেন্ট, কম্বোডিয়ান ইসলামিক সেন্টার (CIC) এর পরিচালক, ইসলামিক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অফ কম্বোডিয়া (IMAC) এর পৃষ্ঠপোষক, কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টির রাজনীতিবিদ।
  • হে নোস ল্লেস, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ ; কম্বোডিয়ার শিক্ষা ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্র সচিব; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টির রাজনীতিবিদ।
  • তিনি অমথ ইয়াশ্যাও অমধ ইয়াহিয়াকে লিপিলিপি করেছেন : কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ ; প্রাক্তন পার্লামেন্ট সদস্য , কম্বোডিয়ার ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে ডেপুটি, কাম্পং চাম প্রদেশের প্রতিনিধি , কম্বোডিয়ান ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (সিআইডিএ) এর সভাপতি; ক্যান্ডেললাইট পার্টি এবং কম্বোডিয়া ন্যাশনাল রেসকিউ পার্টি
  • হাই জাকারিয়া অ্যাডাম: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; সংস্কৃতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্র সচিব, সিএমডিএফ-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট, সিআইসি-এর সাধারণ সম্পাদক এবং আইডব্লিউএমসি-এর ভাইস-চেয়ারপারসন; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি
  • সিথ ইব্রাহিম: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; সংস্কৃতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্র সচিব ; FUNCINPEC
  • মহামান্য ড. সোস মুসিন: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি অফ স্টেট , কম্বোডিয়ান মুসলিম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং IMAC-এর সভাপতি, CMDF-এর সদস্য, CIC-এর আন্ডার-জেনারেল সেক্রেটারি; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি
  • হাই স্মান টিথ: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; Pursat-এর প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ সদস্য, CMDF-এর সদস্য, CIC-এর আন্ডার-জেনারেল সেক্রেটারি; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি
  • তিনি সেম সোখা: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; সামাজিক বিষয়ক ও ভেটেরান্স মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি অফ স্টেট, সিএমডিএফের সদস্য; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি
  • তার ই. কোব মারিয়া: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; মহিলা মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি , কম্বোডিয়ান ইসলামিক উইমেন ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কম্বোডিয়ান ইসলামিক উইমেন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক, সিএমডিএফের সদস্য; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি
  • HE Msas Loh: কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; মন্ত্রী পরিষদের অফিসে আন্ডার সেক্রেটারি অফ স্টেট, কম্বোডিয়ান ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনের পৃষ্ঠপোষক; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি
  • HE Paing Punyamin : কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; কাম্পং ছানাং প্রতিনিধিত্বকারী সংসদ সদস্য, CMDF-এর সদস্য, CIC-এর নির্বাহী সদস্য; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি।
  • এইচ ওয়ান ম্যাথ, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; সিনেট সদস্য, কম্বোডিয়ান ইসলামিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টির রাজনীতিবিদ।
  • তিনি সাবো বাচা, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; সিনেট সদস্য ।
  • মিঃ সেম সোপ্রে, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; কাম্পং চাম প্রদেশের ভাইস গভর্নর এবং সিএমডিএফ সদস্য; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি।
  • জনাব সালেহ সেন, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; কাম্পং ছানাং প্রদেশের ভাইস গভর্নর এবং সিএমডিএফ সদস্য।
  • মহামান্য ইসমাইল ওসমান, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; কম্বোডিয়া কিংডমের হিজ রয়্যাল হাইনেস প্রিন্স নরোডম রণরিদ্ধ (នរោត្តម រណឫទ្) উপদেষ্টা , জাতীয় পরিষদের সভাপতি।
  • জেনারেল চাও তোল, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ, প্রধানমন্ত্রী হুন সেনের সহকারী  ; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি।
  • জেনারেল সেন কোমারি, কম্বোডিয়ান-চাম রাজনীতিবিদ; জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান, IMAC-এর সদস্য; কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি।
  • সামড বাউন্থং , চ্যাম-আমেরিকান সকার খেলোয়াড়।[৩৮]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Leonie Kijewski (১৩ ডিসেম্বর ২০১৯)। "'Beautifying Phnom Penh': Muslim Cham face eviction in Cambodia"। Al Jazeera। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  2. "Western Cham in Laos"। Joshua Project। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০২১ 
  3. "Cham"। ১৯ জুন ২০১৫। 
  4. Andaya, Leonard Y. (২০০৮)। Leaves of the same tree: trade and ethnicity in the Straits of Melakaবিনামূল্যে নিবন্ধন প্রয়োজনUniversity of Hawaii Press। পৃষ্ঠা 44আইএসবিএন 978-0-8248-3189-9 
  5. Kijewski, Leonie। "'Beautifying Phnom Penh': Muslim Cham face eviction in Cambodia"www.aljazeera.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২৯ 
  6. Project, Joshua। "Utsat in China"joshuaproject.net 
  7. Brown, Rajeswary Ampalavanar (২০১৩-১০-০১)। Islam in Modern Thailand: Faith, Philanthropy and Politics - Rajeswary Ampalavanar Brown - Google BooksGoogle Booksআইএসবিএন 9781134583898। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ 
  8. Study Skills in English for a Changing World' 2001 Ed. (ইংরেজি ভাষায়)। Rex Bookstore, Inc.। আইএসবিএন 978-971-23-3225-8 
  9. Taylor, Philip (২০০৭)। Cham Muslims of the Mekong Delta: Place and Mobility in the Cosmopolitan Periphery (ইংরেজি ভাষায়)। NUS Press। আইএসবিএন 978-9971-69-361-9 
  10. Halili, M. c (২০০৪)। Philippine History (ইংরেজি ভাষায়)। Rex Bookstore, Inc.। আইএসবিএন 978-971-23-3934-9 
  11. "Genetic ancestry highly correlated with ethnic and linguistic groups in Asia"EurekAlert! (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২০ 
  12. "Vietnamese History & Legends"web.archive.org। ২০১০-১১-২৯। Archived from the original on ২০১০-১১-২৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২০ 
  13. Heng, Derek (২০০৯-১১-১৫)। Sino–Malay Trade and Diplomacy from the Tenth through the Fourteenth Century (ইংরেজি ভাষায়)। Ohio University Press। আইএসবিএন 978-0-89680-475-3 
  14. Halili, M. c (২০০৪)। Philippine History (ইংরেজি ভাষায়)। Rex Bookstore, Inc.। আইএসবিএন 978-971-23-3934-9 
  15. The Filipino Moving Onward 5' 2007 Ed. (ইংরেজি ভাষায়)। Rex Bookstore, Inc.। আইএসবিএন 978-971-23-4154-0 
  16. Taylor, Philip (২০০৭)। Cham Muslims of the Mekong Delta: Place and Mobility in the Cosmopolitan Periphery (ইংরেজি ভাষায়)। NUS Press। আইএসবিএন 978-9971-69-361-9 
  17. Renard, John (২০০৯)। Tales of God's Friends: Islamic Hagiography in Translation (ইংরেজি ভাষায়)। University of California Press। আইএসবিএন 978-0-520-25322-3 
  18. "Sunan Ampel » Atlas Wali Songo"web.archive.org। ২০১৬-০৩-০৪। ২০১৬-০৩-০৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২০ 
  19. Andaya, Barbara Watson (২০০৬)। The flaming womb : repositioning women in early modern Southeast Asia। Internet Archive। Honolulu : University of Hawaiʻi Press। আইএসবিএন 978-0-8248-2955-1 
  20. Hubert, Jean-François (২০১২-০৫-০৮)। The Art of Champa (ইংরেজি ভাষায়)। Parkstone International। আইএসবিএন 978-1-78042-964-9 
  21. The New Encyclopaedia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। Encyclopaedia Britannica। ২০০৩। আইএসবিএন 978-0-85229-961-6 
  22. Wook, Choi Byung (২০০৪)। Southern Vietnam Under the Reign of Minh Mạng (1820-1841): Central Policies and Local Response (ইংরেজি ভাষায়)। SEAP Publications। আইএসবিএন 978-0-87727-138-3 
  23. Kiernan, Ben (১৯৮৮-১২-০১)। "Orphans of genocide: The Cham muslims of Kampuchea under Pol Pot"Bulletin of Concerned Asian Scholars20 (4): 2–33। আইএসএসএন 0007-4810ডিওআই:10.1080/14672715.1988.10412580 
  24. "Chams"Wikipedia (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২২-১০-১১। 
  25. "গণহত্যায় দুই খেমাররুজ নেতার আমৃত্যু কারাদণ্ড"www.jugantor.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২১ 
  26. "খেমার রুজ গণহত্যা করেছে – DW – 16.11.2018"dw.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২১ 
  27. Reid, Anthony (২০০৬-১২-০১)। Verandah of Violence: The Background to the Aceh Problem (ইংরেজি ভাষায়)। Singapore University Press। আইএসবিএন 978-9971-69-331-2 
  28. Féo, Agnès De (২০০৯-১২-০১)। "Les musulmans de Châu Đốc (Vietnam) à l'épreuve du salafisme"Moussons. Recherche en sciences humaines sur l’Asie du Sud-Est (ফরাসি ভাষায়) (13-14): 359–372। আইএসএসএন 1620-3224ডিওআই:10.4000/moussons.976 
  29. Andaya, Leonard Y. (২০০৮)। Leaves of the same tree : trade and ethnicity in the Straits of Melaka। Internet Archive। Honolulu : University of Hawai'i Press। আইএসবিএন 978-0-8248-3189-9 
  30. "Thailand's World : Cham People Thailand"web.archive.org। ২০১৭-০৬-১৯। ২০১৭-০৬-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২১ 
  31. Hunt, Luke; Hayes, Michael। "Cham students caught up in Thailand's troubled south"www.phnompenhpost.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২১ 
  32. Wong Tze-Ken, Danny (২০১৩)। "The Cham Arrivals in Malaysia: Distant Memories and Rekindled Links"Archipel85 (1): 151–165। ডিওআই:10.3406/arch.2013.4389 
  33. Skutsch, Carl, সম্পাদক (২০০৫)। Encyclopedia of the World's Minorities। New York: Routledge। পৃষ্ঠা 276, 277। আইএসবিএন 1-57958-468-3 
  34. "The Cham: Descendants of Ancient Rulers of South China Sea Watch Maritime Dispute From Sidelines"National Geographic News। ১৮ জুন ২০১৪। 
  35. India's interaction with Southeast Asia, Volume 1, Part 3 By Govind Chandra Pande, Project of History of Indian Science, Philosophy, and Culture, Centre for Studies in Civilizations (Delhi, India) p.231,252
  36. Interview with High Priest or Po Adhia of Ninh Thuan province and his assistant, 23 December 2011
  37. Yoshimoto, Yasuko (ডিসেম্বর ২০১২)। "A Study of the Hồi giáo Religion in Vietnam: With a Reference to Islamic Religious Practices of Cham Bani" (পিডিএফ)Southeast Asian Studies। Kyoto: Center for Southeast Asian Studies, Kyoto University। 1 (3)। 
  38. "Samad Bounthong"Lao American Sports (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-২৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

উইকিমিডিয়া কমন্সে চ্যাম জাতি সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।