ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল ও কলেজ, কুমিল্লা সেনানিবাস
অবস্থান
কুমিল্লা
বাংলাদেশ
তথ্য
ধরনবেসরকারী
নীতিবাক্যশিক্ষা ব্রতে এসো সেবার তরে যাও
প্রতিষ্ঠাকাল১৯৬২
অধ্যক্ষলেঃ কর্নেল মুনতাসীর মামুন
শ্রেণীশ্রেণী ১-১২
শিক্ষার্থী সংখ্যাকলেজ (১৫০০ প্রায়) স্কুল ২৯০০প্রায়
ক্যাম্পাসকুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট
ওয়েবসাইট

ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ বাংলাদেশের কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অবস্থিত একটি পাবলিক কলেজ যা ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি ২০১২ সালের কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৫ম স্থান[১] এবং একই বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ৩য় স্থান অধিকার করে।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৬২ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল নামে এ প্রতিষ্ঠানটি জন্মলাভ করে বর্তমান কুমিল্লা জিলা স্কুল-এ শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৩ সালে স্কুলটি বর্তমান ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড স্কুলে স্থানান্তরিত করা হয়। সর্বপ্রথম ১৯৬৪ সালে এই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়া হয়। ১৯৬৫ সালের জুন মাসে ময়নামতি পাবলিক স্কুল হিসাবে এটির নামকরণ করা হয়।[৩] ১৯৬৬ সালে ২৮শে সেপ্টেম্বর দানবীর মির্জা আহমেদ ইস্পাহানীর আর্থিক সহায়তায় গ্রহণের পর প্রতিষ্ঠানটির নাম ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল নামকরন করা হয়। পরে ১৯৭৫ সালের ২৮শে অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে কলেজ শাখা করার পর প্রতিষ্ঠানটির সর্বশেষ নামকরন করা হয় ইস্পাহানী পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ[৪]

ক্যাম্পাসের বর্ণনা[সম্পাদনা]

কলেজ আঙিনা প্রায় ৯.৩ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত। কলেজের মূল ভবনটি তিন তলা। যার অভ্যন্তরে রয়েছে গ্রন্থাগার, মসজিদ, সুবিশাল মিলনায়তন, শিক্ষকদের সমাবেশ কক্ষ, বিএনসিসি কক্ষ, অধ্যক্ষের অফিস, উপাধ্যক্ষের অফিস, একাউন্ট অফিস, বিভিন্ন বিষয়ের জন্য আলাদা গবেষণাগার এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ শ্রেণী কক্ষ। কলেজের সামনে এবং পিছনে আছে বিশাল দুটি খেলার মাঠ। কলেজে ক্যাম্পাসের মধ্যেই আছে শিক্ষকদের আবাসিক বাসস্থান।

ভর্তি[সম্পাদনা]

এই বিদ্যালয়ে সাধারণত জানুয়ারিতে প্রথম শ্রেনীতে বাংলা মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে এবং ষষ্ঠ শ্রেনিতে ইংরেজি মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে। একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার মাধ্যমে ভর্তির যোগ্যতা অর্জন করে। উচ্চমাধ্যমিক শ্রেনীতে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করার পর ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়ে থাকে।

যাতায়াত সুবিধা[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে দেওয়া একটি বাস এবং কলেজের নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয়কৃত একটি বাস বর্তমানে ছাত্রদের আনা নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়।বর্তমানে আরো ৮টি বাস রয়েছে।

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

কলেজের মূল ভবনের দোতালায় গ্রন্থাগার অবস্থিত। ছাত্ররা গ্রন্থাগার থেকে বই বাসায় নিয়ে যেতে পারে। গ্রন্থাগারের কক্ষে বসে ছাত্ররা পড়াশোনা করতে পারে। একজন গ্রন্থাগারিক ও একজন সহকারী গ্রন্থাগারিক ছাত্রদের প্রয়োজনীয় বই খুঁজে দিতে সাহায্য করে থাকেন।

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠানটি প্রতি বছরেই শৈলাচল নামের একটি স্কুল ম্যাগাজিন প্রকাশ করে। প্রতিষ্ঠানের সাবেক উপাধ্যক্ষ জনাব মাখন চন্দ্র বড়াল উক্ত নামকরণ করেন।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

কৃতিত্ব[সম্পাদনা]

উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]