আফ্রিকায় জৈনধর্ম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আফ্রিকায় জৈনধর্ম উক্ত মহাদেশে ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্টধর্মইসলামের অনেক পরে এসেছে। সেই কারণে আফ্রিকায় এই ধর্মের ইতিহাসও সংক্ষিপ্ত সময়ের। আফ্রিকায় প্রায় ১ লক্ষ জৈন[১] এবং ১০টি জৈন সংগঠন রয়েছে।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯শ শতাব্দীর শেষভাগে যখন জৈনরা প্রথম ভারত থেকে কেনিয়া, ও পরে উগান্ডা, সুদানতানজানিয়ায় বসতি স্থাপন করে, তখনই আফ্রিকায় প্রথম জৈনধর্ম প্রবেশ করেছিল।[৩]

১৯৭২ সালে ইদি আমিনের নীতির পরিপ্রেক্ষিতে জৈনরা বিপুল সংখ্যায় উগান্ডা পরিত্যাগ করেছিলেন। তারা অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হন। কেউ কেউ অস্ট্রেলিয়া,[৩] উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে চলে যান।[৪]

কেনিয়ায় জৈনধর্ম[সম্পাদনা]

কেনিয়ায় প্রায় ১০০ বছর ধরে জৈনধর্মের অস্তিত্ব রয়েছে।[৫] একটি ছোটো গোষ্ঠী নিয়মিত জৈন সম্মেলন,[৬] চলচ্চিত্র উৎসব[৭] ও অন্যান্য সাঙ্গাঠনিক অনুষ্ঠান পালন করে।

নাইরোবিমোম্বাসায় জৈন মন্দির আছে।[৮] নাইরোবি ও অন্যান্য বড়ো শহরে জৈনরা সর্বাধিক সফল ও সমৃদ্ধ ব্যবসায়ীদের মধ্যে অন্যতম।[৯]

দক্ষিণ আফ্রিকায় জৈনধর্ম[সম্পাদনা]

ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিটিশ শাসনকালে জৈনরা দক্ষিণ আফ্রিকায় বসতি স্থাপন করে এবং ব্যবসা ও বাণিজ্যে উন্নতি লাভ করে।[১০] এই দেশে প্রচুর জৈন পর্যটক আসেন এবং প্রচুর জৈন বাস করেন। তাই অনেক দক্ষিণ আফ্রিকান রেস্তোরাঁয় জৈন খাদ্য পরিবেশন করা হয়।[১১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Africa in topic টেমপ্লেট:Africa religion