আখেরী চাহার শোম্বা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
মুহাম্মাদ
বিষয়ের ধারাবাহিকের একটি অংশ
মুহাম্মাদ

আখেরী চাহার শোম্বা হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পালিত অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি স্মারক দিবস।[১] আখেরী চাহার শোম্বা একটি আরবীফার্সি শব্দ-যুগল; এর আরবী অংশ আখেরী, যার অর্থ “শেষ” এবং ফার্সি অংশ চাহার শোম্বা, যার অর্থ “চতুর্থ বুধবার”।[১][২]

মূল ঘটনা[সম্পাদনা]

এই দিন কিছুটা সুস্থবোধ করায় ইসলামের মহান নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) গোসল করেন।

মদীনাবাসী এই খবরে আনন্দ-খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলেন[৩] এবং দলে দলে এসে নবীকে একনজর দেখে গেলেন।[৪] সকলে তাদের সাধ্য মতো দান-সাদকা করলেন, শুকরিয়া নামাজ আদায় ও দোয়া করলেন।[৩] নবীর রোগমুক্তিতে তাঁর অনুসারীরা এতটাই খুশি হয়েছিলেন যে ,তাদের কেউ দাস মুক্ত করে দিলেন, কেউবা অর্থ বা উট দান করলেন;[৩] যেমনঃ আবু বকর সিদ্দিক ৫ হাজার দিরহাম, উমর ৭ হাজার দিরহাম, ওসমান ১০ হাজার দিরহাম, আলী ৩ হাজার দিরহাম, আবদুর রহমান ১০০ উট, ইবনে আউফ ১০০ উট দান করেন।[৪]

তাৎপর্য[সম্পাদনা]

পালন বিধি[সম্পাদনা]

কিছু নির্দিষ্ট বিধি-বিধানের আলোকে 'আখেরি চাহার শোম্বা' পালন করা হয়; যদিও ধর্ম-তত্ত্ববিদগণের মধ্যে এই দিবসটি পালন করা নিয়ে কিছুটা মতভেদ রয়েছে।[৪] দিবসটি মূলতঃ ‘শুকরিয়া দিবস’ হিসাবে পালিত হয়; যাতে সাধারণতঃ গোসল করে দু’রাকাত শোকরানা-নফল নামাজ আদায় শেষে রোগ থেকে মুক্তির দোয়া ও দান-খয়রাত করা হয়।[১] বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, দরবার, খানকায় ওয়াজ-নসিহত, জিকির-আসকার, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এই দিনটি পালন উপলক্ষে। এদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিভাবে বন্ধ রাখার পাশাপাশি অফিস-আদালতে ঐচ্ছিকভাবে ছুটির দিন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "আজ পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা"দৈনিক প্রথমআলো। ১ জানুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  2. "আখেরী চাহার সোম্বা পালিত"। দৈনিক সিলেটের ডাক। ১০ ডিসেম্বর ২০১৫। 
  3. "অবিস্মরণীয় আখেরী চাহার সোম্বা"দৈনিক ইত্তেফাক। ৪ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  4. "আজ পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা"দৈনিক ইসকিলাব। ৯ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]