রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
Rezwana Choudhury Bannya New Jersey.jpg
রেজওয়ানা চৌধুরী
জন্ম রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
জানুয়ারি ১৩
রংপুর
জাতীয়তা বাংলাদেশী
বংশোদ্ভূত বাঙালি
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ Flag of Bangladesh.svg
পেশা শিক্ষক
যে জন্য পরিচিত রবীন্দ্র সংগীত গায়িকা, সংগীত শিক্ষক

রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আবির্ভূত একজন প্রথিতযশা রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী । তিনি তাঁর ঘরানার সংগীতের একজন বহুমুখী প্রতিভা হিসাবে বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপকভাবে সমাদৃত । তিনি তাঁর গুনানুরাগীদের কাছে শুধু মাত্র ‘বন্যা’ নামেও পরিচিত । কণিকা বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের শিষ্যদের মধ্যে তাঁকেই সবচেয়ে জনপ্রিয় গণ্য করা হয় । তিনি বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগের একজন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। ১৯৯২ সালে সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “সুরের ধারা” চালু করেন তিনি। [১]

জন্ম[সম্পাদনা]

শিক্ষা গ্রহণ[সম্পাদনা]

তিনি প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশের ছায়ানট ও পরে ভারতের বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।তিনি সেখানে শিক্ষক হিসেবে পান শান্তিদেব ঘোষ, কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীলিমা সেন, এবং আশীষ বন্দ্যোপাধায়ের মতো শিক্ষকদের। তিনি বাংলাদেশে ফিরে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং বুলবুল ললিতকলা একাডেমীতে ভর্তি হন। কিন্তু ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তিনি তাঁর অধ্যয়ন সংক্ষিপ্ত করতে বাধ্য হন। তিনি রবীন্দ্র সংগীত ছাড়াও ধ্রুপদী, টপ্পাকীর্তন গানের ওপরও শিক্ষা লাভ করেছেন। তাঁর গানের অ্যালবাম পশ্চিম বাংলাবাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি সুরের ধারা নামের একটি সংগীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু করেন। ২০০২ খ্রিস্টাব্দে তিনি আনন্দ সংগীত পুরস্কার লাভ করেন। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা হারমোনিয়ামএস্রাজ বাজাতে পারেন।

স্বীকৃতি, পুরস্কার ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

শিক্ষাগ্রহন সম্পন্ন হবার পর থেকেই তিনি তার সংগীতের প্রদর্শন, নির্ভুল উচ্চারণ এবং সবচেয়ে কঠিন ও অপ্রচলিত গানগুলোও গাইবার আগ্রহের কারণে বিশ্বভারতী ধারার একজন গুরু হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছেন । তিনি অনেক দেশ ভ্রমণ করেছেন এবং বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতে, তার বহুসংখ্যক এ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে । ঢাকায় সুরের ধারা নামে একটি সংগীতশিক্ষা স্কুলও তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন । ২০০২ সালে তিনি শ্রেষ্ঠ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী (নারী) হিসাবে প্রথম আনন্দ সংগীত পুরস্কারে ভূষিত হন, যা পরের বছরও লাভ করেন ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]