মাইকেল হাসি
 |
| ব্যক্তিগত তথ্য |
| পূর্ণ নাম |
মাইকেল এডওয়ার্ড কিলেন হাসি |
| জন্ম |
২৭ মে ১৯৭৫ (1975-05-27) (বয়স ৩৮)
মাউন্ট ললে, ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া |
| ডাকনাম |
মি. ক্রিকেট[১], হাস |
| উচ্চতা |
৫ ফুট 11 ইঞ্চি (১.৮ মিটার) |
| ব্যাটিংয়ের ধরন |
বামহাতি |
| বোলিংয়ের ধরন |
ডানহাতি মিডিয়াম |
| ভূমিকা |
ব্যাটসম্যান |
| সম্পর্ক |
ডিজে হাসি (ভাই) |
| আন্তর্জাতিক তথ্য |
| জাতীয় পার্শ্ব |
অস্ট্রেলিয়া |
| টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ৩৯৩) |
৩ নভেম্বর ২০০৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
| শেষ টেস্ট |
৩-৬ জানুয়ারি ২০১৩ বনাম শ্রীলঙ্কা |
| ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ১৫০) |
১ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ বনাম ভারত |
| শেষ ওডিআই |
৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ বনাম পাকিস্তান |
| ওডিআই শার্ট নং |
৪৮ |
| দেশীয় দলের তথ্য |
| বছর |
দল |
| ১৯৯৪ - |
ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া (দল নং ২) |
| ২০০১-২০০৩ |
নর্দাম্পটনশায়্যার |
| ২০০৪ |
গ্লুচেস্টারশায়্যার |
| ২০০৫ |
ডারহ্যাম |
| ২০০৮-বর্তমান |
চেন্নাই সুপার কিংস (দল নং ৪৮) |
| ২০১১-বর্তমান |
পার্থ স্কোরচার্স |
| কর্মজীবনের পরিসংখ্যান |
| প্রতিযোগিতা |
টেস্ট |
ওডিআই |
এফসি |
এলএ |
| ম্যাচসমূহ |
৭৯ |
185 |
268 |
378 |
| রানের সংখ্যা |
৬,২৩৫ |
5,442 |
22,448 |
12,088 |
| ব্যাটিং গড় |
৫১.৫২ |
48.15 |
52.44 |
44.31 |
| ১০০/৫০ |
১৯/২৯ |
3/39 |
61/101 |
12/90 |
| সর্বোচ্চ রান |
১৯৫ |
109* |
331* |
123 |
| বল বোল্ড |
৫৮৮ |
240 |
2,052 |
786 |
| উইকেট |
৭ |
2 |
27 |
20 |
| বোলিং গড় |
৪৩.৭১ |
117.50 |
40.48 |
41.45 |
| ইনিংসে ৫ উইকেট |
০ |
0 |
0 |
0 |
| ম্যাচে ১০ উইকেট |
০ |
0 |
0 |
0 |
| সেরা বোলিং |
১/০ |
1/22 |
3/34 |
3/52 |
| ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং |
৮৫/– |
105/– |
299/– |
198/– |
| উৎস: ক্রিকইনফো, ৬ জানুয়ারি, ২০১৩ |
মাইকেল এডওয়ার্ড কিলেন হাসি (ইংরেজি: Michael Edward Killeen Hussey; জন্ম: ২৭ মে, ১৯৭৫) অস্ট্রেলিয়ার সাবেক টেস্ট ক্রিকেটার। বামহাতি ব্যাটসম্যানরূপে তার সবিশেষ খ্যাতি রয়েছে। মাইক হাসি নামে পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে তিনি মিস্টার ক্রিকেট কিংবা হাস নামেও পরিচিতি পেয়েছেন। তুলনামূলকভাবে হাসি বেশ দেরীতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে অস্ট্রেলিয়া দলের পক্ষ হয়ে অংশগ্রহণ করেন। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং টেস্ট ক্রিকেটে তার অভিষেক হয় যথাক্রমে ২৮ ও ৩০ বছর বয়সে।[২] টেস্টে অংশগ্রহণের পূর্বেই তিনি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ১৫,৩১৩ রান করে ফেলেন। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশ সফলকাম হয়েছিলেন। ২০০৬ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট রেটিংয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ব্যাটসম্যান ছিলেন।[৩]
ব্যক্তিগত জীবনে মাইক হাসি বিবাহিত। তিনি অ্যামি-কে বিয়ে করেন ও তাদের সংসারে চার সন্তান রয়েছে। বাবা ছিলেন সাবেক অ্যাথলেটিক্স কোচ। ছোট ভাই ডেভিড পেশাদারী ক্রিকেটের সাথে জড়িত। ভিক্টোরিয়া, নটিংহ্যামশায়্যার, কিংস ইলাভেন পাঞ্জাব এবং অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলেরও সদস্য সে।[৪] প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণের পূর্বে মাইক হাসি বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে চেয়েছিলেন।[৫] বাবার সমর্থনের কারণে হাসি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফুটবল ক্লাবের একনিষ্ঠ সমর্থক।[৬]
খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]
দ্বিতীয় সারির অস্ট্রেলিয়া এ দলের পক্ষ হয়ে খেলার সময় তাঁর খেলার ধরণ দেখে অ্যালেন বর্ডার রসিকতা সহকারে বলেছিলেন যে হাসি পুরো ছয় ঘন্টা জালে ব্যাটিং চর্চা করছেন। বর্ডারকে আশ্চর্যান্বিত করে হাসি ঠিক তাই করে দেখিয়েছিলেন।[৫] খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে মাইক হাসি ডানহাতি ব্যাটসম্যান ছিলেন। কিন্তু অ্যালান বর্ডারের অনুপ্রেরণা ও পরামর্শে বামহাতে ব্যাটিং করে সফলতা লাভ করেন।
আইএনজি কাপে চমকপ্রদ ক্রীড়ানৈপুণ্যের পর ২০০৪-০৫ মৌসুমে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সাথে চুক্তিবদ্ধ হন। পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে হাসি'র আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশ সফলতা লাভ করেছেন। জুন, ২০১০ সাল পর্যন্ত ৫২.১৬ রান গড়ে টেস্টের ব্যাটিং গড় রয়েছে তার। মাঝে মাঝে মিডিয়াম পেস বোলিং করে থাকেন। সাধারণতঃ পেস বোলারদেরকে বিশ্রাম দিয়ে তিনি বোলিং করে থাকেন। ২৮ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে বক্সিং ডে টেস্টের ৩য় দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার পল হ্যারিসকে মিচেল জনসনের হাতে ক্যাচ দেয়ার মাধ্যমে তিনি টেস্টে তার একমাত্র উইকেটটি লাভ করেছিলেন। একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও তিনি দুইটি উইকেট পেয়েছিলেন। তার ধীরগতিতে বোলিং করার ভারত সফরে এসে অস্ট্রেলিয়ার সফলতম অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের একটি ম্যাচে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ হয়েছিল।
৩ নভেম্বর, ২০০৫ সালে ব্রিসবেনের গাব্বায় পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ব্যাটসম্যান জাস্টিন ল্যাঙ্গারের পরিবর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে অভিষিক্ত হন। ১৮ এপ্রিল, ২০০৬ সালে এক পঞ্জিকা মৌসুমে সবচেয়ে দ্রুততম হাজার রানের কোঠা অতিক্রম করেন। এ মাইলফলক অতিক্রমণে তিনি মাত্র ১৬৬ দিন ব্যয় করেছিলেন।[৭] এছাড়াও তিনি এলজি আইসিসি ক্রিকেট রেটিং খুব দ্রুত শীর্ষ দশে স্থান পান। ২০০৬-০৭ অ্যাশেজ সিরিজে ১০৫.২৫ গড়ে রান করেছিলেন। ঐ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল। এ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে হাসি নিজস্ব ৫ম শতক অর্জনের মাত্র ৯ রান পূর্বে ৯১ রানে ম্যাথু হগার্ডের বলে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৮ ওভারে ১৬৮ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হলে শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার দু'টি উইকেটের পতন ঘটে। ড্যামিয়েন মার্টিনের পরিবর্তে চার নম্বরে উত্তরণ ঘটিয়ে রিকি পন্টিং এবং তিনি শক্ত জুটি গড়েন। ৪৯ রানে পন্টিং আউট হলেও হাসি ৬১ রানে অপরাজিত থেকে জয়সূচক রানটি করেন। ঐ সময় তার সহযোদ্ধা ছিলেন মাইকেল ক্লার্ক, যিনি ২১ রানে অপরাজিত ছিলেন।[৮]
২০১২ সালের মেলবোর্নে আয়োজিত বক্সিং ডে টেস্ট শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন মাইক হাসি। সিডনী ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৩ জানুয়ারি, ২০১৩ তারিখে অনুষ্ঠিত নতুন বছরের সময়সূচী মোতাবেক শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলাটিই ছিল তাঁর শেষ খেলা। তিনি অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণে পরিকল্পনা করেছেন।[৯] অবসর নেয়ার বিষয়ে হাসি ব্যাখ্যা করেছেন যে, নিজ পরিবারের সাথে আরো সময় ব্যয় করাই এর প্রধান কারণ।[১০]
টেমপ্লেট:Western Warriors squad
টেমপ্লেট:Perth Scorchers current squad
টেমপ্লেট:Australia Squad 2007 ICC World Twenty20 টেমপ্লেট:Australia Squad 2009 ICC World Twenty20 টেমপ্লেট:Australia Squad 2010 ICC World Twenty20
টেস্টে ৫০ ঊর্ধ্ব ব্যাটিং গড়ের অধিকারী ব্যাটসম্যান
|
|
| অস্ট্রেলিয়া |
|
|
| ইংল্যান্ড |
|
|
| ভারত |
|
|
| পাকিস্তান |
|
|
| দক্ষিণ আফ্রিকা |
|
|
| শ্রীলঙ্কা |
|
|
| ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
|
|
| জিম্বাবুয়ে |
|
|
|
|
|
|
ওডিআইয়ে ৪০-এর বেশী ব্যাটিং গড়ের অধিকারী ব্যাটসম্যান
|
|
| অস্ট্রেলিয়া |
|
|
| বাংলাদেশ |
|
|
| ইংল্যান্ড |
|
|
| ভারত |
|
|
| নিউজিল্যান্ড |
|
|
| পাকিস্তান |
|
|
| দক্ষিণ আফ্রিকা |
|
|
| ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
|
|
| নেদারল্যান্ডস |
|
|
|
কমপক্ষে ২০ ইনিংসের জন্য প্রযোজ্য। বর্তমান খেলোয়াড়দেরকে বাঁকা হরফে চিহ্নিত করা হয়েছে।
|
|