অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাগি গ্রীনের প্রতিকৃতি

ব্যাগি গ্রীনের প্রতিকৃতি
টেস্ট মর্যাদা ১৮৭৭
প্রথম টেস্ট বনাম ইংল্যান্ড, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন, ১৫-১৯ মার্চ, ১৮৭৭ (স্কোরকার্ড)
অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক (টেস্টওডিআই)
জর্জ বেইলি (টি২০)
কোচ ড্যারেন লেহম্যান
আইসিসি টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০আই র‌্যাঙ্কিং ৩য় (টেস্ট), ১ম (ওডিআই), ৬ষ্ঠ (টি২০) [১]
টেস্ট ম্যাচ
– বর্তমান বছর
৭৬৪
সর্বশেষ টেস্ট বনাম ইংল্যান্ড, সিডনি, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া,
৩-৭ জানুয়ারি, ২০১৪ (অ্যাশেজ)
জয়/পরাজয়
– বর্তমান বছর
৩৬৫/২০২
৭/০
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪[১] পর্যন্ত

অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল (ইংরেজি: Australia national cricket team) অস্ট্রেলিয়ার পুরুষদের জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে পরিচিত। টেস্ট ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের সাথে যুগ্মভাবে বিশ্বের প্রাচীনতম দল হিসেবে এর পরিচিতি রয়েছে। ১৮৭৭ সালে দলটি সর্বপ্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলায় অংশ নেয়।[২] এছাড়াও, দলটি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এবং টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলে থাকে। ১৯৭০-৭১ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে[৩] এবং ২০০৪-০৫ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে।[৪] উভয় খেলাতেই তারা জয়লাভ করে। শেফিল্ড শীল্ড, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া একদিনের সিরিজ এবং বিগ ব্যাশ লীগ - ঘরোয়া প্রতিযোগিতা থেকে খেলোয়াড় সংগ্রহ করে থাকে।

৭ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখ পর্যন্ত দলটি ৭৪৪টি টেস্ট খেলায় অংশ নেয়। তন্মধ্যে তাদের জয় - ৩৫০, পরাজয় - ১৯৫, ড্র - ১৯৮ এবং টাই - ২।[৫] টেস্ট ক্রিকেট র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া দলটি ৭৪ মাস পর্যন্ত রেকর্ড সময়ে শীর্ষস্থানে ছিল।

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দলটি ৭৯৭ খেলায় অংশগ্রহণ করে ৪৯০ জয়, ২৭২ পরাজয়বরণ করে ও ৯ টাই এবং ২৬ খেলায় ফলাফলবিহীন ছিল।[৬] আইসিসি ওডিআই চ্যাম্পিয়নশীপ প্রবর্তনের পর ২০০৭ সালে ৪৮ দিন ব্যতীত বাকী দিনগুলোয় শীর্ষস্থান ধরে রাখে।

২০০৬ ও ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল দুইবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করে। একমাত্র দল হিসেবে তারা পরপর দু'বার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়। দলটি এ পর্যন্ত টুযেন্টি২০ আন্তর্জাতিকে ৪৯টি খেলায় অংশগ্রহণ করেছে।[৭]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দলটি ১৮৭৭ সালে এমসিজিতে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম টেস্ট ম্যাচে অংশগ্রহণ করে। এ খেলায় তারা ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলকে ৪৫ রানে পরাজিত করেছিল। চার্লস ব্যানারম্যান ১৬৫ রান রিটায়ার্ড হার্ট হয়েছিলেন এবং টেস্টের ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরী করার গৌরব অর্জন করেছিলেন। ঐ সময়ে টেস্ট ক্রিকেট শুধুমাত্র অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ভৌগোলিক দূরত্বজনিত কারণে সাগর পরিভ্রমণ করে খেলার জন্যে কয়েক মাস লেগে যেতো। তুলনামূলকভাবে স্বল্প জনসংখ্যা থাকা স্বত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলটি বেশ প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে খেলতো। জ্যাক ব্ল্যাকহ্যাম, বিলি মারডক, ফ্রেড 'দ্য ডেমন' স্পোফোর্থ, জর্জ বোনার, পার্সি ম্যাকডোনেল, জর্জ গিফেন, চার্লস 'দ্য টেরর' টার্নার প্রমূখ ক্রিকেটারগণ স্মরণীয় হয়ে আছেন। অধিকাংশ ক্রিকেটারই নিউ সাউথ ওয়েলস কিংবা ভিক্টোরিয়ার পক্ষ হয়ে খেলেছেন। তন্মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন জর্জ গিফেন; তিনি সাউথ অস্ট্রেলিয়ার অল-রাউন্ডার ছিলেন।

দি এ্যাশেজ[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল ১৮৮২ সালে ওভাল টেস্টে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়লাভ। ৪র্থ ইনিংসে ফ্রেড স্পোফোর্থের অবিস্মরণীয় ক্রীড়ানৈপুণ্যে ইংল্যান্ড মাত্র ৮৫ রানের লক্ষ্যমাত্রায়ও পৌঁছুতে পারেনি। এতে স্পোফোর্থ ৪৪ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট লাভ করেছিলেন। ফলে, ইংল্যান্ড তার নিজ ভূমিতে অনুষ্ঠিত প্রথম সিরিজে ১–০ ব্যবধানে হেরে যায়। ফলে লন্ডনের প্রধান সংবাদপত্র দ্য স্পোর্টিং টাইমস্‌ তাদের প্রতিবেদনে ইংলিশ ক্রিকেট নিয়ে বিদ্রুপাত্মকভাবে বিখ্যাত উক্তি মুদ্রিত করে:

ইংলিশ ক্রিকেটকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে ওভালের ২৯ আগস্ট, ১৮৮২ তারিখটি। গভীর দুঃখের সাথে বন্ধুরা তা মেনে নিয়েছে। ইংলিশ ক্রিকেটকে ভস্মিভূত করা হয়েছে এবং ছাইগুলো অস্ট্রেলিয়াকে প্রদান করেছে।

এভাবেই বিখ্যাত এ্যাশেজ সিরিজের সূত্রপাত ঘটে যাতে কেবলমাত্র অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মধ্যকার টেস্ট সিরিজই অন্তর্ভূক্ত থাকে। যারা সিরিজ জয় করে তারা অ্যাশেজ ট্রফি লাভ করে। দুই দলের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ নিয়ে গঠিত এ প্রতিযোগিতাটি অদ্যাবধি ক্রীড়া বিশ্বে ব্যাপক আগ্রহ-কৌতুহলের সৃষ্টি করে।

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাশেজ সিরিজ সফর শুরু হয়েছিল। এ গ্রুপে দলটির সাথে ছিল ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা[৮] কিন্তু দলটি ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার কাছে পরাভূত হয় এবং নিউজিল্যান্ডের সাথে বৃষ্টিবিঘ্নিত খেলায় পরিত্যক্ত হওয়ায় এক পয়েন্ট অর্জন করে।[৯] এরফলে অস্ট্রেলিয়া গ্রুপ-এ’র সর্বনিম্ন স্থানে অবস্থান করে ও প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়।[১০]

বর্তমান সদস্য[সম্পাদনা]

নাম বয়স ব্যাটিংয়ের ধরণ বোলিংয়ের ধরণ রাজ্য দল ক্রিকেটের ধরণ পোষাক নং[১১]
টেস্ট এবং ওডিআই অধিনায়ক; উচ্চ মধ্যম-সারি
মাইকেল ক্লার্ক 33 ডানহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি অর্থোডক্স নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই ২৩
টুয়েন্টি২০ অধিনায়ক; নিম্ন মাঝারী-সারির ব্যাটসম্যান
জর্জ বেইলি 31 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি মিডিয়াম তাসমানিয়া তাসমানিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০
টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০ সহ-অধিনায়ক; উচ্চ মাঝারী-সারির অল-রাউন্ডার
শেন ওয়াটসন 32 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩৩
উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান
এড কাউয়ান 31 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি লেগ-ব্রেক তাসমানিয়া তাসমানিয়া টেস্ট ৩৭
ফিলিপ হিউজ 25 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি অফ-ব্রেক দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া সাউথ অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ২২
ডেভিড ওয়ার্নার 27 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি লেগ-ব্রেক নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩১
উচ্চ মাঝারী-সারির ব্যাটসম্যান
ট্রাভিস বার্ট 32 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট তাসমানিয়া তাসমানিয়া টুয়েন্টি২০ ৮১
আরন ফিঞ্চ 27 ডানহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি মিডিয়াম ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া টুয়েন্টি২০ ১৬
পিটার ফরেস্ট 28 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি মিডিয়াম কুইন্সল্যান্ড কুইন্সল্যান্ড ওডিআই ৬৬
উসমান খাজা 27 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি মিডিয়াম কুইন্সল্যান্ড কুইন্সল্যান্ড টেস্ট ৮৯
শন মার্শ 30 বামহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি অর্থোডক্স পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০
রব কুইনি 31 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি মিডিয়াম ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া টেস্ট -
নিম্ন মাঝারী-সারির ব্যাটসম্যান
ডেভিড হাসি 36 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি অফ-ব্রেক ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২৯
ক্যামেরন হোয়াইট 30 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি লেগ-ব্রেক ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া টুয়েন্টি২০
উইকেটরক্ষক
ব্রাড হাড্ডিন 36 ডানহাতি ব্যাটসম্যান নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই ৫৭
ম্যাথিও ওয়াদে 26 বামহাতি ব্যাটসম্যান ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩৫
অল-রাউন্ডার
ডেনিয়েল ক্রিশ্চিয়ান 30 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া সাউথ অস্ট্রেলিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৫৪
জেমস ফকনার 23 ডানহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি মিডিয়াম তাসমানিয়া তাসমানিয়া টুয়েন্টি২০ ৪৪
জন হেস্টিংস 27 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া ওডিআই ৩২
ব্রাড হগ 43 বামহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি চাইনাম্যান পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া টুয়েন্টি২০ ৭১
মিচেল জনসন 32 বামহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি ফাস্ট পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২৫
মিচেল মার্শ 22 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০
গ্লেন ম্যাক্সওয়েল 25 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি অফ-ব্রেক ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২৮
স্টিফেন ও’কীফ 29 ডানহাতি ব্যাটসম্যান স্লো বামহাতি অর্থোডক্স নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টুয়েন্টি২০ ৭২
স্টিভ স্মিথ 24 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি লেগ-ব্রেক নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৪৯
পেস বোলার
ডগ বোলিঙ্গার 32 বামহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস ওডিআই
ট্রেন্ট কোপল্যান্ড 28 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট ৫৯
প্যাট্রিক কামিন্স 20 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩০
রায়ান হ্যারিস 34 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম কুইন্সল্যান্ড কুইন্সল্যান্ড টেস্ট, ওডিআই ৪৫
বেন হিলফেনহস 31 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম তাসমানিয়া তাসমানিয়া টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২০
ক্লিনটন ম্যাককে 31 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২৭
জেমস প্যাটিনসন 23 বামহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ১৯
পিটার সিডল 29 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া) ভিক্টোরিয়া টেস্ট ১০
মিচেল স্টার্ক 24 বামহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি ফাস্ট নিউ সাউথ ওয়েল্স নিউ সাউথ ওয়েলস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৫৬
স্পিন বোলার
মাইকেল বিয়ার 29 ডানহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি অর্থোডক্স পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া টেস্ট
জাভিয়ের দোহার্তি 31 বামহাতি ব্যাটসম্যান বামহাতি অর্থোডক্স তাসমানিয়া তাসমানিয়া ওডিআই, টুয়েন্টি২০ 3
নাথান লিওন 26 ডানহাতি ব্যাটসম্যান ডানহাতি অফ-ব্রেক দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া সাউথ অস্ট্রেলিয়া টেস্ট, ওডিআই ৬৭

কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

প্রতিযোগিতার পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপ ক্রিকেট[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলিয়া ছয়বার বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে অংশগ্রহণ করে চারবার বিশ্বকাপ ট্রফি লাভ করে। একমাত্র দল হিসেবে তারা ১৯৯৬, ১৯৯৯, ২০০৩ এবং ২০০৭ সালে ধারাবাহিকভাবে ৪ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এছাড়াও ১৯ মার্চ, ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটের খেলার পূর্ব পর্যন্ত দলটি একাধারে ৩৪টি খেলায় অপরাজিত ছিল। এদিন তারা পাকিস্তানের কাছে ৪ উইকেটে পরাজিত হয়েছিল।[১৩]

বিশ্বকাপ ক্রিকেট রেকর্ড
বছর রাউন্ড অবস্থান খেলার সংখ্যা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি
ইংল্যান্ড ১৯৭৫ রানার-আপ ২/৮
ইংল্যান্ড ১৯৭৯ ১ম রাউন্ড ৬/৮
ইংল্যান্ড ১৯৮৩ ১ম রাউন্ড ৬/৮
ভারতপাকিস্তান ১৯৮৭ চ্যাম্পিয়ন ১/৮
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ১৯৯২ ১ম রাউন্ড ৫/৯
ভারত পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা ১৯৯৬ রানার-আপ ২/১২
ইংল্যান্ড ১৯৯৯ চ্যাম্পিয়ন ১/১২ ১০
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৩ চ্যাম্পিয়ন ১/১৪ ১১ ১১
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ২০০৭ চ্যাম্পিয়ন ১/১৬ ১১ ১১
ভারত শ্রীলঙ্কা বাংলাদেশ ২০১১ কোয়ার্টার ফাইনাল ৫/১৪ -
অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড ২০১৫ স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা অর্জন -
ইংল্যান্ড ২০১৯ স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা অর্জন -
সর্বমোট ৪ শিরোপা ১০/১০ ৭৬ ৫৫ ১৯

টুয়েন্টি২০ বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

বিশ্ব টুয়েন্টি২০ রেকর্ড
বছর রাউন্ড অবস্থান খেলার সংখ্যা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০৭ সেমি-ফাইনাল ৩/১২
ইংল্যান্ড ২০০৯ ১ম রাউন্ড ১১/১২
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড ২০১০ রানার্স-আপ ২/১২
শ্রীলঙ্কা ২০১২ সেমি-ফাইনাল ৩/১২
বাংলাদেশ ২০১৪
ভারত ২০১৬
সর্বমোট - ৪/৪ ২১ ১৩

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Records | Test matches | Team Records | Results Summary | ESPN Cricinfo"। Stats.espncricinfo.com। 4 January 2010। সংগৃহীত ৭ ডিসেম্বর, ২০১২ 
  2. "1st Test: Australia v England at Melbourne, Mar 15–19, 1877 | Cricket Scorecard"। ESPN Cricinfo। 1 January 1970। সংগৃহীত 14 January 2011 
  3. "Only ODI: Australia v England at Melbourne, Jan 5, 1971 | Cricket Scorecard"। ESPN Cricinfo। সংগৃহীত 14 January 2011 
  4. "Only T20I: New Zealand v Australia at Auckland, Feb 17, 2005 | Cricket Scorecard"। ESPN Cricinfo। সংগৃহীত 14 January 2011 
  5. "Records | Test matches | Team Records | Results Summary | ESPN Cricinfo"। Stats.espncricinfo.com। সংগৃহীত 4 January 2011 
  6. "Records | One-Day Internationals | Team records | Results summary | ESPN Cricinfo"। Stats.espncricinfo.com। সংগৃহীত 14 January 2011 
  7. "Records | Twenty20 Internationals | Team records | Results summary | ESPN Cricinfo"। Stats.espncricinfo.com। সংগৃহীত 20 August 2012 
  8. "Australia tour of England and Scotland, 2013 / Fixtures"। ESPNcricinfo। সংগৃহীত 25 June 2013 
  9. "Australia tour of England and Scotland, 2013 / Results"। ESPNcricinfo। সংগৃহীত 25 June 2013 
  10. Chowdrey, Saj (17 June 2013)। "Champions Trophy: Australia out after Sri Lanka defeat"। BBC Sport। সংগৃহীত 25 June 2013 
  11. ODI/Twenty20 shirt numbers CricInfo
  12. "Ali de Winter named Australia bowling coach"The Hindu। 3 August 2012। 
  13. "World Cup day 29 as it happened"BBC News। 19 March 2011। 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Australian cricket team seasons

টেমপ্লেট:Australia national teams