২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫
2015 Cricket World Cup logo.png
২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক লোগো
তারিখসমূহ ৪ঠা অক্টোবর – ১৭ই ডিসেম্বর
ব্যবস্থাপক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল
ক্রিকেটের ধরন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
প্রতিযোগিতার ধরন রাউন্ড রবিন ও নক আউট
আয়োজক

 অস্ট্রেলিয়া

 নিউজিল্যান্ড
অংশগ্রহণকারীরা ১৪[১]
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫ (ইংরেজি: 2015 ICC Cricket World Cup) আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার[২] একাদশ আসর। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড - যৌথভাবে আয়োজন করবে। সর্বমোট ৪৯টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। তন্মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, ক্যানবেরা, হোবার্ট, মেলবোর্ন, পার্থ ও সিডনির ১৪ মাঠে ২৬টি এবং নিউজিল্যান্ডের ৭ শহর - অকল্যান্ড, ক্রাইস্টচার্চ, ডুনেডিন, হ্যামিলটন, নেপিয়ার, ওয়েলিংটন ও নেলসনে ২৩টি খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর দেশ দু’টি দ্বিতীয়বারের মতো এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে।

স্বাগতিক নির্ধারণ[সম্পাদনা]

৩০ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে আইসিসি ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে স্বাগতিক দেশ নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতা আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করলে তা দ্বিধাভক্ত হয়ে যায় যা নির্ধারণে সমঝোতার প্রয়োজন পড়ে। ২০১৯ সালের প্রতিযোগিতা পরবর্তীতে ইংল্যান্ডকে স্বাগতিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[৩] চারটি এশীয় টেস্টভূক্ত দেশ - বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজনে ১০-৩ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ফলে পাকিস্তান এ মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি’র সদর দফতরে ১ মার্চের পূর্বদিন ট্রান্স-ট্রান্সমান দরপত্র জমা পড়ে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ডের মতে, উন্নততর মাঠ ও অবকাঠামো, অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ড সরকারের প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে ট্যাক্স ও কাস্টম সংক্রান্ত সহায়তা এ দরপত্রের অন্যতম বিবেচ্য বিষয় ছিল।[৪] এ প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে যৌথ আয়োজকের মর্যাদা দেয়া হয়।[৫][৬] এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড সরকার জিম্বাবুয়ের রাজনৈতিক আলোচনায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়েও ২০০৫ সালের সফরে নিশ্চিত করা হয়।

আইসিসি প্রেসিডেন্ট এহসান মানি বলেছিলেন চার-দেশীয় এশীয় দলের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়ায় তাদের দরপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভোটের ফলাফলে এশীয় দেশগুলো জয়ী হয়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানায় যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের ভোটই এ বিষয়ে সহায়তা করে। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন এক প্রতিবেদনে ২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটে তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে এশীয় দেশগুলো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল যা ভোটে প্রভাববিস্তার করে।[৭] কিন্তু, এশীয় দরপত্রের মনিটরিং কমিটির সভাপতি আই.এস. বিন্দ্রা তা অস্বীকার করেন। অতিরিক্ত US$৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুনাফা লাভের প্রস্তাবনাই ভোট সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

ফলশ্রুতিতে আইসিসি ট্রান্স-ট্রান্সমান দরপত্রের সার্বিক দিক বিবেচনান্তে ২০১৫ সালের পরবর্তী বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়। এরপূর্বে সর্বশেষ দেশ দুইটি ১৯৯২ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার আয়োজন করেছিল। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে উভয় দেশের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।[৮]

প্রতিযোগিতার ধরন[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ন্যায় এ আসরেও ১৪-দল অংশগ্রহণ করবে। তন্মধ্যে টেস্টভূক্ত দলসহ সহযোগী ও অনুমোদনলাভকারী সদস্য দলগুলোও ক্রিকেটের এ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

প্রতিযোগিতার ধরনও ২০১১ সালের ন্যায়। ১৪-দলকে নিয়ে প্রারম্ভিক পর্যায়ে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রত্যেক গ্রুপে ৭-দল থাকবে। সাতটি দল একে-অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। প্রত্যেক গ্রুপের শীর্ষ চার দল কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হবে। এরফলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও প্রত্যেক দলই কমপক্ষে ছয়টি খেলায় অংশ নিতে পারবে।

বাছাই-পর্ব[সম্পাদনা]

লাল রঙে চিহ্নিত দেশগুলো ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ নিবে।
  বাছাইপর্বে খেললেও যোগ্যতা লাভে ব্যর্থ হয়

আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী ১০-পূর্ণাঙ্গ সদস্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপের পরপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, কেবলমাত্র পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের মধ্যেই এ সুযোগ সীমাবদ্ধ থাকবে।[৯] এরফলে সহযোগী সদস্য দেশগুলো তীব্রভাবে আপত্তি জানায়। বিশেষ করে ২০০৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভাল ফলাফল অর্জনকারী আয়ারল্যান্ড বেশ সোচ্চার হয়। আইসিসি ক্রিকেট কমিটির যোগ্যতা মানদণ্ড বিভাগ এ বিষয়ে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে।[১০] জুন, ২০১১ সালে আইসিসি তাদের পরিকল্পনা পূর্বাবস্থায় নিয়ে যায় ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ১৪-দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায়। তন্মধ্যে ৪টি সহযোগী অথবা অনুমোদন লাভকারী সদস্য দেশ অংশ নিতে পারবে।[১১]

সেপ্টেম্বর, ২০১১ সালে আইসিসি প্রধান নির্বাহী কমিটির সভায় নতুন ধরণের যোগ্যতা নির্ধারণী মানদণ্ড প্রণয়ন করা হয়। ২০১১-১৩ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ চ্যাম্পিয়নশীপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি অংশ নিবে। বাদ-বাকী ছয় দল থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণে ২০১১ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ দ্বিতীয় বিভাগ ও ২০১৩ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ তৃতীয় বিভাগ থেকে শীর্ষ দুই দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।[১২][১৩]

৯ জুলাই, ২০১৩ তারিখে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টাই খেলার ফলাফলে আয়ারল্যান্ড প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপে নাম লেখায়।[১৪] ৪ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে কেনিয়াকে হারিয়ে আফগানিস্তান দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে সুযোগ পায়। ২০১৪ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পরাজিত করে স্কটল্যান্ড ও পরাজিত দল সংযুক্ত আরব আমিরাত চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নিবে।[১৫]

Team Method of qualification Past appearances Last appearance Previous best performance Rank[nb ১] Group
 ইংল্যান্ড Full member 10 2011 Runners-up (1979, 1987, 1992) 1 A
 দক্ষিণ আফ্রিকা 6 2011 Semi-finals (1992, 1999, 2007) 2 B
 ভারত 10 2011 Champions (1983, 2011) 3 B
 অস্ট্রেলিয়া 10 2011 Champions (1987, 1999, 2003, 2007) 4 A
 শ্রীলঙ্কা 10 2011 Champions (1996) 5 A
 পাকিস্তান 10 2011 Champions (1992) 6 B
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ 10 2011 Champions (1975, 1979) 7 B
 বাংলাদেশ 4 2011 Super 8 (2007) 8 A
 নিউজিল্যান্ড 10 2011 Semi-finals (1975, 1979, 1992, 1999, 2007, 2011) 9 A
 জিম্বাবুয়ে 8 2011 Super 6 (1999, 2003) 10 B
 আয়ারল্যান্ড WCL Championship 2 2011 Super 8 (2007) 11 B
 আফগানিস্তান 0 12 A
 স্কটল্যান্ড[১৬] World Cup Qualifier 2 2007 Group stage (1999, 2007) 13 A
 সংযুক্ত আরব আমিরাত 1 1996 Group stage (1996) 14 B
  1. Full members' ranks are based on the ICC ODI Championship rankings as of 31 December 2012.

মাঠসমূহ[সম্পাদনা]

সিডনি, এনএসডব্লিউ মেলবোর্ন, ভিক্ট অ্যাডিলেড, দ.অ. ব্রিসবেন, কুইন্স পার্থ, প.অ.
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড অ্যাডিলেড ওভাল ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড ওয়াকা গ্রাউন্ড
ধারনক্ষমতা: ৪৮,০০০ (পরিবর্ধিত) ধারণক্ষমতা: ১০০,০২৪ ধারণক্ষমতা: ৫৩,৫০০ (পরিবর্ধিত) ধারণক্ষমতা: ৪২,০০০ ধারণক্ষমতা: ২৪,৫০০
Ashes 2010-11 Sydney Test final wicket.jpg MCG (Melbourne Cricket Ground).jpg Adelaide Oval Western Grandstand.jpg Australia vs South Africa.jpg 3rd Test, Perth, 15Dec2006.jpg
হোবার্ট, তাস ক্যানবেরা, এসিটি
বেলেরিভ ওভাল ম্যানুকা ওভাল
ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ (পরিবর্ধিত) ধারণক্ষমতা: ১৩,৫৫০
Bellerive oval hobart.jpg Manuka Oval.JPG
অকল্যান্ড ক্রাইস্টচার্চ
ইডেন পার্ক হ্যাগলে ওভাল
ধারণক্ষমতা: ৪৬,০০০ ধারণক্ষমতা: ২০,০০০
Eden Park at Dusk, 2013, cropped.jpg Hagley Oval 2007 - from HagleyParkAerialPhoto.jpg
হ্যামিলটন নেপিয়ার ওয়েলিংটন নেলসন ডুনেডিন
সেডন পার্ক ম্যাকলিন পার্ক ওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়াম স্যাক্সটন ওভাল ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন
ধারণক্ষমতা: ১২,০০০ ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ ধারণক্ষমতা: ৩৩,০০০ ধারণক্ষমতা: ৫,০০০ ধারণক্ষমতা: ৬,০০০
Waikato cricket ground.jpg Westpac Stadium Cricket luving Crowd.jpg Saxton oval panorama cropped.jpg New Zealand vs Pakistan, University Oval, Dunedin, New Zealand.jpg

গ্রুপ পর্ব[সম্পাদনা]

গ্রুপ এ[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি এনআরআর পয়েন্ট
 ইংল্যান্ড
 অস্ট্রেলিয়া
 শ্রীলঙ্কা
 বাংলাদেশ
 নিউজিল্যান্ড
 আফগানিস্তান
 স্কটল্যান্ড


১৪ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 শ্রীলঙ্কা
১ম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

১৪ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 ইংল্যান্ড
২য় খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

১৭ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 স্কটল্যান্ড
৬ষ্ঠ খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

১৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
 আফগানিস্তান
৭ম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

২০ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 ইংল্যান্ড
৯ম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

২১ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 বাংলাদেশ
১১তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

২২ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
 আফগানিস্তান
১২তম খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

২৩ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 স্কটল্যান্ড
১৪তম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

২৬ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
 স্কটল্যান্ড
১৭তম খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

২৬ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
 শ্রীলঙ্কা
১৮তম খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 অস্ট্রেলিয়া
২০তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

১ মার্চ
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 শ্রীলঙ্কা
২২তম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 আফগানিস্তান
২৬তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
 স্কটল্যান্ড
২৭তম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

৮ মার্চ
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 আফগানিস্তান
৩১তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

৮ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 শ্রীলঙ্কা
৩২তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 বাংলাদেশ
৩৩তম খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

১১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
 স্কটল্যান্ড
৩৫তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

১৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 বাংলাদেশ
৩৭তম খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 আফগানিস্তান
৩৮তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

১৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 স্কটল্যান্ড
৪০তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

গ্রুপ বি[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি এনআরআর পয়েন্ট
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 ভারত
 পাকিস্তান
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
 জিম্বাবুয়ে
 আয়ারল্যান্ড
 সংযুক্ত আরব আমিরাত


১৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
 জিম্বাবুয়ে
৩য় খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 পাকিস্তান
৪র্থ খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

১৬ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৫ম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

১৯ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
৮ম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

২১ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১০ম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

২২ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৩তম খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২৪ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
 জিম্বাবুয়ে
১৫তম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

২৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
১৬তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

২৭ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

২৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
২১তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 জিম্বাবুয়ে
২৩তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
২৪তম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
২৫তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

৬ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২৮তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

৭ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
২৯তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

৭ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 জিম্বাবুয়ে
৩০তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

১০ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 আয়ারল্যান্ড
৩৪তম খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১২ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
৩৬তম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

১৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 জিম্বাবুয়ে
৩৯তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

১৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
৪১তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

১৫ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 পাকিস্তান
৪২তম খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

নক-আউট পর্ব[সম্পাদনা]

কোয়ার্টার-ফাইনাল[সম্পাদনা]

১৮ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ১
বি৪
১ম কোয়ার্টার ফাইনাল
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

১৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ২
বি৩
২য় কোয়ার্টার-ফাইনাল
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২০ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ৩
বি২
৩য় কোয়ার্টার-ফাইনাল
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

২১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ৪
বি১
৪র্থ কোয়ার্টার-ফাইনাল
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

সেমি-ফাইনাল[সম্পাদনা]

২৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
১ম কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
৪র্থ কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
১ম সেমি-ফাইনাল
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

২৬ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
২য় কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
৩য় কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
২য় সেমি-ফাইনাল
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

ফাইনাল[সম্পাদনা]

২৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
১ম সেমি-ফাইনাল বিজয়ী
২য় সেমি-ফাইনাল বিজয়ী
ফাইনাল
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ICC annual conference: Associates included in 2015 World Cup | Cricket News | Cricinfo ICC Site"। ESPN Cricinfo। 1 January 1970। সংগৃহীত 29 June 2011 
  2. "2015 World Cup Schedule"। from CricketWorld4u। সংগৃহীত 2014-08-04 
  3. Next two World Cups will be 10-team events - ICC
  4. "Asia to host 2011 World Cup"ESPNcricinfo (ESPN EMEA)। 30 April 2006। সংগৃহীত 31 July 2013 
  5. "Boards 'disappointed' with 2011 World Cup snub"ESPNcricinfo। 30 April 2006। 
  6. "Asia to host 2011 World Cup"ESPNcricinfo। 30 April 2006। 
  7. "Asia promises spectacular World Cup"Dawn। 2 May 2005। সংগৃহীত 2 May 2005 
  8. "ICC Cricket World Cup 2015 - Australia and New Zealand | Official Website"। Cricketworldcup.com। সংগৃহীত 30 July 2013 
  9. "ICC news: ICC confirms 10 teams for next two World Cups"ESPNcricinfo। সংগৃহীত 29 June 2011 
  10. Irish handed further World Cup boost after ICC meeting
  11. "ICC annual conference: Associates included in 2015 World Cup"ESPNcricinfo। 28 June 2011। সংগৃহীত 29 June 2011 
  12. "Results of the ICC Chief Executives' Committee meeting in London"। 12 September 2011। সংগৃহীত 13 September 2011 
  13. "ICC spells out 2015 WC qualification plan"ESPNcricinfo (ESPN Internet Ventures)। 11 October 2011। সংগৃহীত 11 October 2011 
  14. "Ireland become first team to qualify for the 2015 Cricket World Cup"Independent.ie (Independent News & Media)। 9 July 2013। সংগৃহীত 30 July 2013 
  15. "Afghanistan celebrates cricket World Cup qualification"BBC News (British Broadcasting Corporation)। 4 October 2013। সংগৃহীত 29 December 2013 
  16. "Scotland Win World Cup Qualifier"Cricket World Media। সংগৃহীত 17 July 2014 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]