২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫
২০১৫ আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের লোগো.svg
২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক লোগো
তারিখসমূহ ১৪ই ফেব্রুয়ারি – ২৯শে মার্চ
ব্যবস্থাপক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল
ক্রিকেটের ধরন একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
প্রতিযোগিতার ধরন রাউন্ড রবিননক আউট
আয়োজক  অস্ট্রেলিয়া
 নিউজিল্যান্ড
অংশগ্রহণকারীরা ১৪[১]
খেলার সংখ্যা ৪৯
প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ক্রিকেট বিশ্বকাপ

ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫ (ইংরেজি: 2015 ICC Cricket World Cup) আইসিসি কর্তৃক পরিচালিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতার[২] একাদশ আসর। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ, ২০১৫ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড - যৌথভাবে আয়োজন করবে। সর্বমোট ৪৯টি খেলা অনুষ্ঠিত হবে। তন্মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, ক্যানবেরা, হোবার্ট, মেলবোর্ন, পার্থ ও সিডনির ১৪ মাঠে ২৬টি এবং নিউজিল্যান্ডের ৭ শহর - অকল্যান্ড, ক্রাইস্টচার্চ, ডুনেডিন, হ্যামিলটন, নেপিয়ার, ওয়েলিংটন ও নেলসনে ২৩টি খেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।[৩]

১৯৯২ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর দেশ দু’টি দ্বিতীয়বারের মতো এ প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলা মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আন্তজার্তিক ক্রীড়া হিসেবে ১৪ দলের অংশগ্রহণে চার শতাধিক স্বীকৃত ক্রিকেটার ও কর্মকর্তা এতে অংশগ্রহণ করবেন।

শচীন তেন্ডুলকর এ প্রতিযোগিতার জন্য আইসিসি কর্তৃক দূতের মর্যাদা পেয়েছেন। উল্লেখ্য যে, ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপেও তিনি দূত হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন।[৪]

পূর্বতন চ্যাম্পিয়ন ও ২০১১ বিশ্বকাপের সহঃ-স্বাগতিক দেশ ভারত চূড়ান্ত খেলায় শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটের ব্যবধানে পরাভূত করে। বি-গ্রুপে অংশগ্রহণকারী ভারত বনাম পাকিস্তানের মধ্যকার খেলা ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, মাত্র ১২ মিনিটের মধ্যে সমস্ত টিকেট বিক্রি হয়ে যায়।[৫]

স্বাগতিক নির্ধারণ[সম্পাদনা]

৩০ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে আইসিসি ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে স্বাগতিক দেশ নির্ধারণ করে। প্রকৃতপক্ষে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ২০১১ সালের আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে প্রতিযোগিতা আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করলে তা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায় যা নির্ধারণে সমঝোতার প্রয়োজন পড়ে। ২০১৯ সালের প্রতিযোগিতা পরবর্তীতে ইংল্যান্ডকে স্বাগতিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[৬] চারটি এশীয় টেস্টভূক্ত দেশ - বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে আয়োজনে ১০-৩ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু ২০০৯ সালে শ্রীলঙ্কা দলের উপর সন্ত্রাসী আক্রমণের ফলে পাকিস্তান এ মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

দুবাইয়ে অবস্থিত আইসিসি’র সদর দফতরে ১ মার্চের পূর্বদিন ট্রান্স-তাসমান দরপত্র জমা পড়ে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাহী জেমস সাদারল্যান্ডের মতে, উন্নততর মাঠ ও অবকাঠামো, অস্ট্রেলীয় ও নিউজিল্যান্ড সরকারের প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময়ে ট্যাক্স ও কাস্টম সংক্রান্ত সহায়তা এ দরপত্রের অন্যতম বিবেচ্য বিষয় ছিল।[৭] এ প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে যৌথ আয়োজকের মর্যাদা দেয়া হয়।[৮][৯] এছাড়াও, নিউজিল্যান্ড সরকার জিম্বাবুয়ের রাজনৈতিক আলোচনায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দলের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের বিষয়েও ২০০৫ সালের সফরে নিশ্চিত করা হয়।

আইসিসি প্রেসিডেন্ট এহসান মানি বলেছিলেন চার-দেশীয় এশীয় দলের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন পড়ায় তাদের দরপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভোটের ফলাফলে এশীয় দেশগুলো জয়ী হয়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) জানায় যে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের ভোটই এ বিষয়ে সহায়তা করে। পাকিস্তানি সংবাদপত্র ডন এক প্রতিবেদনে ২০০৭ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটে তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে এশীয় দেশগুলো প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল যা ভোটে প্রভাববিস্তার করে।[১০] কিন্তু, এশীয় দরপত্রের মনিটরিং কমিটির সভাপতি আই.এস. বিন্দ্রা তা অস্বীকার করেন। অতিরিক্ত $৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মুনাফা লাভের প্রস্তাবনাই ভোট সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

ফলশ্রুতিতে আইসিসি ট্রান্স-ট্রান্সমান দরপত্রের সার্বিক দিক বিবেচনান্তে ২০১৫ সালের পরবর্তী বিশ্বকাপ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।[১১] এরপূর্বে সর্বশেষ দেশ দুইটি ১৯৯২ সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার আয়োজন করেছিল। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে উভয় দেশের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া বিষয় হিসেবে আখ্যায়িত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।[১২]

প্রতিযোগিতার ধরন[সম্পাদনা]

২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের ন্যায় এ আসরেও ১৪-দল অংশগ্রহণ করবে। তন্মধ্যে টেস্টভূক্ত দলসহ সহযোগী ও অনুমোদনলাভকারী সদস্য দলগুলোও ক্রিকেটের এ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ রয়েছে।[১৩][১৪]

প্রতিযোগিতার ধরনও ২০১১ সালের ন্যায়। ১৪-দলকে নিয়ে প্রারম্ভিক পর্যায়ে দুই গ্রুপে বিভক্ত হয়ে প্রত্যেক গ্রুপে ৭-দল থাকবে। সাতটি দল একে-অপরের বিপক্ষে একবার করে খেলবে। প্রত্যেক গ্রুপের শীর্ষ চার দল কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হবে। এরফলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও প্রত্যেক দলই কমপক্ষে ছয়টি খেলায় অংশ নিতে পারবে।[১৫]

অর্থ পুরস্কার[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল প্রতিযোগিতায় $১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা করে। অর্থ পুরস্কারের এ সংখ্যাটি ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশী। দলের সাফল্যের উপর ভিত্তি করে নিম্নরূপ অর্থ পুরস্কার প্রদান করা হবে:-[১৬]

পর্যায় অর্থ পুরস্কার (US$) মোট
বিজয়ী $৩,৯৭৫,০০০ $৩,৯৭৫,০০০
রানার-আপ $১,৭৫০,০০০ $১,৭৫০,০০০
সেমি-ফাইনালে পরাজিত দল $৬০০,০০০ $১,২০০,০০০
কোয়ার্টার-ফাইনালে পরাজিত দল $৩০০,০০০ $১,২০০,০০০
প্রত্যেক গ্রুপ-পর্বে বিজয়ী $৪৫,০০০ $১,৮৯০,০০০
গ্রুপ-পর্ব থেকে বিতাড়িত দল $৩৫,০০০ $২১০,০০০
সর্বমোট $১০,২২৫,০০০

কোন দল যদি অপরাজিত অবস্থায় গ্রুপ-পর্ব থেকে চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে তারা গ্রুপ-পর্বের $৪৫,০০০ অর্থসহ সর্বমোট $৪,২৪৫,০০০ অর্থ পাবে। অন্যদিকে গ্রুপ-পর্ব থেকে জয়বিহীন অবস্থায় বিদায়ী দল কেবলমাত্র $৩৫,০০০ ডলার পাবে।

বাছাই-পর্ব[সম্পাদনা]

লাল রঙে চিহ্নিত দেশগুলো ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ নিবে।
  বাছাইপর্বে খেললেও যোগ্যতা লাভে ব্যর্থ হয়

আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী ১০-পূর্ণাঙ্গ সদস্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপের পরপরই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে, কেবলমাত্র পূর্ণাঙ্গ সদস্যদের মধ্যেই এ সুযোগ সীমাবদ্ধ থাকবে।[১৭] এরফলে সহযোগী সদস্য দেশগুলো তীব্রভাবে আপত্তি জানায়। বিশেষ করে ২০০৭ ও ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভাল ফলাফল অর্জনকারী আয়ারল্যান্ড বেশ সোচ্চার হয়। আইসিসি ক্রিকেট কমিটির যোগ্যতা মানদণ্ড বিভাগ এ বিষয়ে তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে।[১৮] জুন, ২০১১ সালে আইসিসি তাদের পরিকল্পনা পূর্বাবস্থায় নিয়ে যায় ও ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ১৪-দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানায়। তন্মধ্যে ৪টি সহযোগী অথবা অনুমোদন লাভকারী সদস্য দেশ অংশ নিতে পারবে।[১৯]

সেপ্টেম্বর, ২০১১ সালে আইসিসি প্রধান নির্বাহী কমিটির সভায় নতুন ধরণের যোগ্যতা নির্ধারণী মানদণ্ড প্রণয়ন করা হয়। ২০১১-১৩ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ চ্যাম্পিয়নশীপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি অংশ নিবে। বাদ-বাকী ছয় দল থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থান নির্ধারণে ২০১১ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ দ্বিতীয় বিভাগ ও ২০১৩ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লীগ তৃতীয় বিভাগ থেকে শীর্ষ দুই দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।[২০][২১]

৯ জুলাই, ২০১৩ তারিখে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টাই খেলার ফলাফলে আয়ারল্যান্ড প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপে নাম লেখায়।[২২] ৪ অক্টোবর, ২০১৩ তারিখে কেনিয়াকে হারিয়ে আফগানিস্তান দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপে সুযোগ পায়। ২০১৪ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে পরাজিত করে স্কটল্যান্ড ও পরাজিত দল সংযুক্ত আরব আমিরাত চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নিবে।[২৩]

দল যোগ্যতার ধরন অতীতে অংশগ্রহণ সর্বশেষ অংশগ্রহণ পূর্বেকার সেরা সাফল্য অবস্থান[ক ১] গ্রুপ
 ইংল্যান্ড পূর্ণাঙ্গ সদস্য ১০ ২০১১ রানার্স-আপ (১৯৭৯, ১৯৮৭, ১৯৯২)
 দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১১ সেমি-ফাইনাল (১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭) বি
 ভারত ১০ ২০১১ চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৩, ২০১১) বি
 অস্ট্রেলিয়া ১০ ২০১১ চ্যাম্পিয়ন (১৯৮৭, ১৯৯৯, ২০০৩, ২০০৭)
 শ্রীলঙ্কা ১০ ২০১১ চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৬)
 পাকিস্তান ১০ ২০১১ চ্যাম্পিয়ন (১৯৯২) বি
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ ২০১১ চ্যাম্পিয়ন (১৯৭৫, ১৯৭৯) বি
 বাংলাদেশ ২০১১ সুপার এইট (২০০৭)
 নিউজিল্যান্ড ১০ ২০১১ সেমি-ফাইনাল (১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৯২, ১৯৯৯, ২০০৭, ২০১১)
 জিম্বাবুয়ে ২০১১ সুপার সিক্স (১৯৯৯, ২০০৩) ১০ বি
 আয়ারল্যান্ড ডব্লিউসিএল চ্যাম্পিয়নশীপ ২০১১ সুপার এইট (২০০৭) ১১ বি
 আফগানিস্তান ১২
 স্কটল্যান্ড[২৪] বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ২০০৭ গ্রুপ পর্ব (১৯৯৯, ২০০৭) ১৩
 সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯৯৬ গ্রুপ পর্ব (১৯৯৬) ১৪ বি
  1. ৩১ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখ অনুযায়ী আইসিসি ওডিআই চ্যাম্পিয়নশীপে দলীয় অবস্থান।

বর্তমান র‌্যাঙ্কিং (ওডিআই)[সম্পাদনা]

আইসিসি ওডিআই চ্যাম্পিয়নশীপ র‌্যাঙ্কিং
র‌্যাঙ্ক পরিবর্তন দলের নাম খেলার সংখ্যা পয়েন্ট রেটিং
অপরিবর্তিত  অস্ট্রেলিয়া ৪৮ ৫৬২৩ ১১৭
অপরিবর্তিত  ভারত ৬৭ ৭৮৩৫ ১১৭
অপরিবর্তিত  দক্ষিণ আফ্রিকা ৫০ ৫৫৮৭ ১১২
অপরিবর্তিত  শ্রীলঙ্কা ৭৭ ৮৪৫৯ ১১০
অপরিবর্তিত  ইংল্যান্ড ৫২ ৫৪১৬ ১০৪
অপরিবর্তিত  পাকিস্তান ৫৭ ৫৫৬৫ ৯৮
অপরিবর্তিত  নিউজিল্যান্ড ৩৭ ৩৫৫২ ৯৬
অপরিবর্তিত  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৬ ৪৩৯৫ ৯৬
অপরিবর্তিত  বাংলাদেশ ৩৩ ২৪৬৬ ৭৫
১০ অপরিবর্তিত  জিম্বাবুয়ে ৩৬ ১৮৯৩ ৫৩
১১ অপরিবর্তিত  আফগানিস্তান ১৩ ৫৫০ ৪২
১২ অপরিবর্তিত  আয়ারল্যান্ড ২৯৭ ৩৩
তথ্যসূত্র: আইসিসি ওডিআই র‌্যাঙ্কিং, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

প্রস্তুতি-পর্ব[সম্পাদনা]

স্থানীয় পরিচালনা কমিটি[সম্পাদনা]

২০১৫ বিশ্বকাপ সফলভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিযোগিতার পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। জন হার্নডেনকে[২৫] প্রধান নির্বাহী, জেমস স্ট্রং[২৬] সভাপতি ও রাল্ফ ওয়াল্টার্সকে[২৭] উপ-সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

প্রচারমাধ্যম[সম্পাদনা]

প্রতিটি বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় প্রচারমাধ্যম ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ২০১৫ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ত্ব ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ইএসপিএন স্টার স্পোর্টসস্টার ক্রিকেটের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। স্ট্রংয়ের ভাষ্য মোতাবেক স্থানীয় পরিচালনা কমিটি প্রতিযোগিতাটিকে আরও সমর্থক-বান্ধব ক্রীড়া পরিবেশ নিশ্চিতকরণে ও ক্রিকেট সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মাধ্যমে বিস্তৃত করতে চায়।[২৮]

শচীন তেন্ডুলকরকে ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো দূত হিসেবে মনোনীত করা হয়। এরপূর্বে ২০১১ সালে তিনি দূতের মর্যাদা পেয়েছিলেন।[৪]

টেলিভিশন[সম্পাদনা]

অবস্থান টেলিভিশন সম্প্রচার রেডিও সম্প্রচার ওয়েব স্ট্রিমিং
 আফগানিস্তান ক্যাবল/স্যাটেলাইট আরিয়ানা টেলিভিশন নেটওয়ার্ক: লিমার টিভি [২৯]
 অস্ট্রেলিয়া
এবিসি লোকাল রেডিও ফক্স স্পোর্টস
(Foxsports.com.au)
আফ্রিকা সাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন
সুপারস্পোর্টস(কেবলমাত্র দক্ষিণ আফ্রিকায়)
সুপারস্পোর্ট
 বাংলাদেশ ক্যাবল/স্যাটেলাইট বাংলাদেশ টেলিভিশনগাজী টেলিভিশন[৩১] বাংলাদেশ বেতার স্টার স্পোর্টস
 ভুটান স্টার স্পোর্টস
 কানাডা এশিয়ান টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ইকোস্টার
মধ্য আমেরিকা ইকোস্টার
 গণচীন স্টার স্পোর্টস
ইউরোপ (যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ড ব্যতীত) ইউরোস্পোর্ট২ ইউরোস্পোর্ট
 ফিজি ফিজি টিভি
 ভারত
অল ইন্ডিয়া রেডিও
 আয়ারল্যান্ড ক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): স্কাই স্পোর্টস[৩৩] বিবিসি রেডিও বিস্কাইবি
 জামাইকা টেলিভিশন জামাইকা
 মালদ্বীপ স্টার স্পোর্টস
মধ্যপ্রাচ্য আরব রেডিও ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আরব রেডিও ও টেলিভিশন নেটওয়ার্ক
 নেপাল স্টার স্পোর্টস ১ ও ২
 নিউজিল্যান্ড ক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): স্কাই স্পোর্টস[৩৪] স্কাই স্পোর্ট
 পাকিস্তান ক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): পিটিভি স্পোর্টস[৩৫] হাম এফএম স্টার স্পোর্টস
 সিঙ্গাপুর স্টার ক্রিকেট[৩৬]
 শ্রীলঙ্কা ক্যাবল/স্যাটেলাইট: সিএসএনস্টার ক্রিকেট শ্রীলঙ্কা ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন স্টার স্পোর্টস
 সংযুক্ত আরব আমিরাত হাম এফএম
 যুক্তরাজ্য ক্যাবল/স্যাটেলাইট (পে): স্কাই স্পোর্টস[৩৩] বিবিসি রেডিও বিস্কাইবি
 যুক্তরাষ্ট্র
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্যাবল/স্যাটেলাইট: ক্যারিবিয়ান মিডিয়া কর্পোরেশন[৩৮] সিএমসি সিএমসি
বহিঃর্বিশ্ব সুপারস্পোর্ট

খেলা বন্টননামা[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে বিশ্বকাপের দরপত্র দাখিলের সময় অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড খেলা বন্টনে প্রত্যেকেই অর্ধেক পাবে বলে ঘোষণা করে। ৩০ জুলাই, ২০১৩ তারিখে অস্ট্রেলিয়ায় ২৬টি ও নিউজিল্যান্ড ২৩টি খেলা আয়োজনের দায়িত্ব পাবে বলে জানানো হয়। বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা আয়োজনে মেলবোর্নসিডনি আগ্রহ প্রকাশ করে।[৩৯] কিন্তু ৩০ জুলাই তারিখে মেলবোর্নকে ফাইনালের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়। এছাড়াও, সিডনি ও অকল্যান্ডকে সেমি-ফাইনাল খেলা আয়োজনের দায়িত্ব দেয়া হয়।[৪০]

মাঠসমূহ[সম্পাদনা]

সিডনি, এনএসডব্লিউ মেলবোর্ন, ভিক্টো অ্যাডিলেড, দ. অ. ব্রিসবেন, কুইন্স পার্থ, প. অ.
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড অ্যাডিলেড ওভাল ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড ওয়াকা গ্রাউন্ড
ধারনক্ষমতা: ৪৮,০০০ (পরিবর্ধিত) ধারণক্ষমতা: ১০০,০২৪ ধারণক্ষমতা: ৫৩,৫০০ (পরিবর্ধিত) ধারণক্ষমতা: ৪২,০০০ ধারণক্ষমতা: ২৪,৫০০
Ashes 2010-11 Sydney Test final wicket.jpg MCG (Melbourne Cricket Ground).jpg Adelaide Oval Western Grandstand.jpg Australia vs South Africa.jpg 3rd Test, Perth, 15Dec2006.jpg
হোবার্ট, তাস ক্যানবেরা, এসিটি
বেলেরিভ ওভাল ম্যানুকা ওভাল
ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ (পরিবর্ধিত) ধারণক্ষমতা: ১৩,৫৫০
Bellerive oval hobart.jpg Manuka Oval.JPG
অকল্যান্ড ক্রাইস্টচার্চ
ইডেন পার্ক হ্যাগলে ওভাল
ধারণক্ষমতা: ৪৬,০০০ ধারণক্ষমতা: ২০,০০০
Eden Park at Dusk, 2013, cropped.jpg Hagley Oval 2007 - from HagleyParkAerialPhoto.jpg
হ্যামিলটন নেপিয়ার ওয়েলিংটন নেলসন ডুনেডিন
সেডন পার্ক ম্যাকলিন পার্ক ওয়েলিংটন রিজিওন্যাল স্টেডিয়াম স্যাক্সটন ওভাল ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন
ধারণক্ষমতা: ১২,০০০ ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ ধারণক্ষমতা: ৩৩,০০০ ধারণক্ষমতা: ৫,০০০ ধারণক্ষমতা: ৬,০০০
Waikato cricket ground.jpg Westpac Stadium Cricket luving Crowd.jpg Saxton oval panorama cropped.jpg New Zealand vs Pakistan, University Oval, Dunedin, New Zealand.jpg

দলীয় সদস্য[সম্পাদনা]

দলগুলো তাদের ৩০-সদস্যের তালিকা প্রকাশ করে। এরপর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে ৭ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে বা এর পূর্বে দলের ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।

প্রস্তুতিমূলক খেলা[সম্পাদনা]

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ অস্ট্রেলিয়া 
 ভারত
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড


৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দক্ষিণ আফ্রিকা 
 শ্রীলঙ্কা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ


৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ নিউজিল্যান্ড 
 জিম্বাবুয়ে
বার্ট সাটক্লিফ ওভাল, লিঙ্কন


৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ইংল্যান্ড 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি


৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ পাকিস্তান 
 বাংলাদেশ
ব্ল্যাকটাউন অলিম্পিক পার্ক, সিডনি


১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ আয়ারল্যান্ড 
 স্কটল্যান্ড
ব্ল্যাকটাউন অলিম্পিক পার্ক, সিডনি


১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ভারত 
 আফগানিস্তান
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড


১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ নিউজিল্যান্ড 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ


১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ শ্রীলঙ্কা 
 জিম্বাবুয়ে
বার্ট সাটক্লিফ ওভাল, লিঙ্কন


১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ অস্ট্রেলিয়া 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন


১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ইংল্যান্ড 
 পাকিস্তান
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি


১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
 স্কটল্যান্ড
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি


১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ আয়ারল্যান্ড 
 বাংলাদেশ
ব্ল্যাকটাউন অলিম্পিক পার্ক, সিডনি


১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ আফগানিস্তান 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
জংশন ওভাল, মেলবোর্ন

গ্রুপ পর্ব[সম্পাদনা]

গ্রুপ এ[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি এনআরআর পয়েন্ট
 ইংল্যান্ড
 অস্ট্রেলিয়া
 শ্রীলঙ্কা
 বাংলাদেশ
 নিউজিল্যান্ড
 আফগানিস্তান
 স্কটল্যান্ড


১৪ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 শ্রীলঙ্কা
১ম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

১৪ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 ইংল্যান্ড
২য় খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

১৭ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 স্কটল্যান্ড
৬ষ্ঠ খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

১৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
 আফগানিস্তান
৭ম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

২০ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 ইংল্যান্ড
৯ম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

২১ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 বাংলাদেশ
১১তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

২২ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
 আফগানিস্তান
১২তম খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

২৩ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 স্কটল্যান্ড
১৪তম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

২৬ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
আফগানিস্তান 
 স্কটল্যান্ড
১৭তম খেলা
ইউনিভার্সিটি ওভাল, ডুনেডিন

২৬ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
 শ্রীলঙ্কা
১৮তম খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 অস্ট্রেলিয়া
২০তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

১ মার্চ
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 শ্রীলঙ্কা
২২তম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 আফগানিস্তান
২৬তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
বাংলাদেশ 
 স্কটল্যান্ড
২৭তম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

৮ মার্চ
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 আফগানিস্তান
৩১তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

৮ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 শ্রীলঙ্কা
৩২তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 বাংলাদেশ
৩৩তম খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

১১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
শ্রীলঙ্কা 
 স্কটল্যান্ড
৩৫তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

১৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
নিউজিল্যান্ড 
 বাংলাদেশ
৩৭তম খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ইংল্যান্ড 
 আফগানিস্তান
৩৮তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

১৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
অস্ট্রেলিয়া 
 স্কটল্যান্ড
৪০তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

গ্রুপ বি[সম্পাদনা]

দল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি এনআরআর পয়েন্ট
 দক্ষিণ আফ্রিকা
 ভারত
 পাকিস্তান
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
 জিম্বাবুয়ে
 আয়ারল্যান্ড
 সংযুক্ত আরব আমিরাত


১৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
 জিম্বাবুয়ে
৩য় খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 পাকিস্তান
৪র্থ খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

১৬ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
৫ম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

১৯ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
জিম্বাবুয়ে 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
৮ম খেলা
স্যাক্সটন ওভাল, নেলসন

২১ ফেব্রুয়ারি
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১০ম খেলা
হ্যাগলে ওভাল, ক্রাইস্টচার্চ

২২ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
১৩তম খেলা
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২৪ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
 জিম্বাবুয়ে
১৫তম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

২৫ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
১৬তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

২৭ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
১৯তম খেলা
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

২৮ ফেব্রুয়ারি (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
২১তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 জিম্বাবুয়ে
২৩তম খেলা
ব্রিসবেন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন

৩ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
২৪তম খেলা
ম্যানুকা ওভাল, ক্যানবেরা

৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
২৫তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

৬ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ
২৮তম খেলা
ওয়াকা গ্রাউন্ড, পার্থ

৭ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
পাকিস্তান 
 দক্ষিণ আফ্রিকা
২৯তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

৭ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 জিম্বাবুয়ে
৩০তম খেলা
বেলেরিভ ওভাল, হোবার্ট

১০ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 আয়ারল্যান্ড
৩৪তম খেলা
সেডন পার্ক, হ্যামিলটন

১২ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
৩৬তম খেলা
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

১৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
ভারত 
 জিম্বাবুয়ে
৩৯তম খেলা
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

১৫ মার্চ
স্কোরকার্ড
ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
 সংযুক্ত আরব আমিরাত
৪১তম খেলা
ম্যাকলিন পার্ক, নেপিয়ার

১৫ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
আয়ারল্যান্ড 
 পাকিস্তান
৪২তম খেলা
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

নক-আউট পর্ব[সম্পাদনা]

তারিখ ও মাঠ নির্ধারণ করা স্বত্ত্বেও স্বাগতিক দলের যোগ্যতা অর্জনের উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। যদি অস্ট্রেলিয়া কোয়ার্টার-ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়, তাহলে ২০ মার্চ অ্যাডিলেডে খেলবে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড কোয়ার্টার-ফাইনালে উন্নীত হলে ২১ মার্চ ওয়েলিংটনে খেলবে।[৪১]

পরবর্তী শীর্ষ দুই দল শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ড কোয়ার্টার-ফাইনালে প্রবেশ করলে তারা যথাক্রমে সিডনি ও মেলবোর্নে খেলবে। কিন্তু শ্রীলঙ্কা কিংবা ইংল্যান্ড কোয়ার্টার-ফাইনাল খেলতে ব্যর্থ হলে উপরোক্ত শর্ত প্রযোজ্য হবে। বি-গ্রুপের দলগুলো এ-গ্রুপের সাথে খেলবে। খেলার ধারাটি হচ্ছে: এ১ ব বি৪, এ২ ব বি৩, এ৩ ব বি২, এ৪ ব বি১।

যদি অস্ট্রেলিয়া সেমি-ফাইনালে উঠে তাহলে সিডনিতে ২৬ মার্চ খেলবে। নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনাল খেলার সুযোগ পেলে ২৪ মার্চ অকল্যান্ডে খেলবে। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হলে এ-গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় দল খেলা আয়োজনের সুযোগ পাবে।[৪১][৪২]


কোয়ার্টার-ফাইনাল সেমি-ফাইনাল ফাইনাল
                         
এ১    
বি৪    
     
     
বি২  
এ৩    
     
   
এ২    
বি৩    
   
     
বি১  
এ৪    


কোয়ার্টার-ফাইনাল[সম্পাদনা]

১৮ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ১
বি৪
১ম কোয়ার্টার ফাইনাল
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

১৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ২
বি৩
২য় কোয়ার্টার-ফাইনাল
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

২০ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ৩
বি২
৩য় কোয়ার্টার-ফাইনাল
অ্যাডিলেড ওভাল, অ্যাডিলেড

২১ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
এ৪
বি১
৪র্থ কোয়ার্টার-ফাইনাল
ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়াম, ওয়েলিংটন

সেমি-ফাইনাল[সম্পাদনা]

২৪ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
১ম কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
৪র্থ কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
১ম সেমি-ফাইনাল
ইডেন পার্ক, অকল্যান্ড

২৬ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
২য় কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
৩য় কোয়ার্টার-ফাইনাল বিজয়ী
২য় সেমি-ফাইনাল
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড, সিডনি

ফাইনাল[সম্পাদনা]

২৯ মার্চ (দিন/রাত)
স্কোরকার্ড
১ম সেমি-ফাইনাল বিজয়ী
২য় সেমি-ফাইনাল বিজয়ী
ফাইনাল
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড, মেলবোর্ন

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ICC annual conference: Associates included in 2015 World Cup | Cricket News | Cricinfo ICC Site"। ESPN Cricinfo। 1 January 1970। সংগৃহীত 29 June 2011 
  2. "2015 World Cup Schedule"। from CricketWorld4u। সংগৃহীত 2014-08-04 
  3. ICC Cricket World Cup 2015 Launched
  4. ৪.০ ৪.১ "Sachin Tendulkar Named As 2015 Cricket World Cup Ambassador", "Affairscloud", 22 December 2014.
  5. World Cup 2015: Tickets of India-Pakistan clash sold out in 12 minutes
  6. Next two World Cups will be 10-team events - ICC
  7. "Asia to host 2011 World Cup"ESPNcricinfo (ESPN EMEA)। 30 April 2006। সংগৃহীত 31 July 2013 
  8. "Boards 'disappointed' with 2011 World Cup snub"ESPNcricinfo। 30 April 2006। 
  9. "Asia to host 2011 World Cup"ESPNcricinfo। 30 April 2006। 
  10. "Asia promises spectacular World Cup"Dawn। 2 May 2005। সংগৃহীত 2 May 2005 
  11. "England lands Cricket World Cup"। 30 April 2006। সংগৃহীত 6 January 2015 
  12. "ICC Cricket World Cup 2015 - Australia and New Zealand | Official Website"। Cricketworldcup.com। সংগৃহীত 30 July 2013 
  13. Nayar, K.R. (29 June 2011)। "International Cricket Council approves 14-team cup"Gulf News। সংগৃহীত 29 June 2011 
  14. "ICC reinstates associates for 2015 Cricket World Cup" [অনির্ভরযোগ্য উৎস?]
  15. Archit Athani (15 November 2014)। "The ICC World Cup 2015 format"Sportzwiki। সংগৃহীত 15 November 2014 
  16. "ICC raises prize pool for World Cup"। Cricket Australia। সংগৃহীত 13 November 2014 
  17. "ICC news: ICC confirms 10 teams for next two World Cups"ESPNcricinfo। সংগৃহীত 29 June 2011 
  18. Irish handed further World Cup boost after ICC meeting
  19. "ICC annual conference: Associates included in 2015 World Cup"ESPNcricinfo। 28 June 2011। সংগৃহীত 29 June 2011 
  20. "Results of the ICC Chief Executives' Committee meeting in London"। 12 September 2011। সংগৃহীত 13 September 2011 
  21. "ICC spells out 2015 WC qualification plan"ESPNcricinfo (ESPN Internet Ventures)। 11 October 2011। সংগৃহীত 11 October 2011 
  22. "Ireland become first team to qualify for the 2015 Cricket World Cup"Independent.ie (Independent News & Media)। 9 July 2013। সংগৃহীত 30 July 2013 
  23. "Afghanistan celebrates cricket World Cup qualification"BBC News (British Broadcasting Corporation)। 4 October 2013। সংগৃহীত 29 December 2013 
  24. "Scotland Win World Cup Qualifier"Cricket World Media। সংগৃহীত 17 July 2014 
  25. John Harnden announced as ICC Cricket World Cup 2015 CEO ICC Official Website. Retrieved 26 January 2012
  26. James Strong announced as ICC Cricket World Cup 2015 Chairman ICC Official Website. Retrieved 26 January 2012
  27. Ralph Waters announced as ICC Cricket World Cup 2015 Deputy Chairman ICC Official Website. Retrieved 26 January 2012
  28. Prime Ministers Gillard and Key open innings for CWC2015 ICC Official Website. Retrieved 28 January 2012
  29. ICC World Cup Cricket 2015 Live TV Channels Broadcasters List | Morningringer
  30. "FOX SPORTS and the Nine Network home to ICC's Cricket World Cups from 2012-2015"। Foxtel। 29 August 2012। সংগৃহীত 2 January 2014 
  31. ICC World Cup Cricket 2015 Live TV Channels, Radio Broadcasters List | Morningringer
  32. "ESPN STAR Sports and ESPN International Announce Agreement for ICC Events and Champions League Twenty20 for the Caribbean through 2015"। BusinessWire India। 27 June 2012। সংগৃহীত 18 January 2014 
  33. ৩৩.০ ৩৩.১ "Sky wins new ICC deal"। Sky Sports। 1 May 2012। সংগৃহীত 2 January 2014 
  34. Connolly, Eoin (26 July 2013)। "Sky to show Cricket World Cup in New Zealand"। SportsPro। সংগৃহীত 2 January 2014 
  35. Connolly, Eoin (26 July 2013)। "Ptv to show Cricket World Cup in Pakistan"। SportsPro। সংগৃহীত 2 January 2014 
  36. ICC World Cup Cricket Live Streaming TV Channels | Morningringer
  37. "ESPN buys US rights for 2015 World Cup"। ESPNCricinfo। 23 March 2011। সংগৃহীত 7 October 2014 
  38. 2015 World Cup Cricket Live TV Channels, Radio, Internet, Website Streaming List | Morningringer
  39. Warner, Michael (14 June 2012)। "Melbourne and Sydney will jostle for the right to host the final of the 2015 ICC Cricket World Cup"Fox Sports (Fox Sports Australia)। সংগৃহীত 31 July 2013 
  40. "ICC World Cup 2015 : World Cup final returns to Melbourne"ESPNcricinfo (ESPN EMEA)। 29 July 2013। সংগৃহীত 30 July 2013 
  41. ৪১.০ ৪১.১ "Fixtures - Cricket World Cup 2015"। ICC। সংগৃহীত 3 March 2014 
  42. "2015 Cricket World Cup pools and venues revealed"Herald Sun। July 30, 2013। সংগৃহীত 3 March 2014 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]