ইংল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইংল্যান্ড
১৯৩৫ সালে সিডনিতে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়া ব ইংল্যান্ডের মহিলাদের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট খেলার দৃশ্য।
১৯৩৫ সালে সিডনিতে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়া ব ইংল্যান্ডের মহিলাদের মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্ট খেলার দৃশ্য।
অধিনায়ক শার্লত এডওয়ার্ডস
আনুষ্ঠানিকভাবে ১ম খেলা ২৮ ডিসেম্বর, ১৯৩৪ ব অস্ট্রেলিয়া, ব্রিসবেন একজিবিশন গ্রাউন্ড, ব্রিসবেন, অস্ট্রেলিয়া
বিশ্বকাপ
উপস্থিতি ৮ (First in ১৯৭৩)
সেরা ফলাফল বিজয়ী: ১৯৭৩, ১৯৯৩ ও ২০০৯
টেস্ট ম্যাচ
টেস্ট খেলার সংখ্যা ৯১
টেস্ট জয়/পরাজয় ২০১২
ওডিআই ম্যাচ
ওডিআই খেলার সংখ্যা ২২৬
ওডিআই জয়/পরাজয় ১২৩/৯৪
১২ মার্চ ২০০৯ হিসাবে


ইংল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দল জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে মহিলাদের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডওয়েলসের প্রতিনিধিত্ব করছে। এছাড়াও, ইংল্যান্ড ওম্যান’স একাডেমি নামে একটি দল রয়েছে যা পূর্ণাঙ্গ ইংল্যান্ড দলে পরেই অবস্থান করছে।[১] ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে সর্বপ্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করে। তিন টেস্টের ঐ সিরিজে অস্ট্রেলিয়া মহিলা ক্রিকেট দলকে ২-০ ব্যবধানে পরাজিত করেছিল। বর্তমান অধিনায়ক হিসেবে রয়েছেন শার্লত এডওয়ার্ডস। সাবেক অধিনায়ক ক্লেয়ার কোনরের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে ২০০৫ সাল থেকে তিনি এ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।[২] তার আমলে ইংল্যান্ড ১৯৬৩ সালের পর প্রথমবারের মতো অ্যাশেজ সিরিজ জয় করেছিল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ড ১৯৩৪-৩৫ মৌসুমে প্রথমবারের মতো মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে অংশগ্রহণ করে। পুরুষ দলের বডিলাইন সিরিজের পর বেটি আর্চডেলের নেতৃত্বে দলটি অস্ট্রেলিয়া সফর করে। অস্ট্রেলীয়দের কাছ থেকে অধিনায়কসহ দলটি উষ্ণ সম্বর্ধনা পায়।[৩] দলটি প্রথম দুই টেস্টে জয়লাভ করে ও তৃতীয় টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হয়। এরফলে তারা সিরিজ জয়লা করে। এছাড়াও স্বদেশে অনুষ্ঠিত নিউজিল্যান্ড দলকে ইনিংস ও ৩৩৭ রানের বিরাট ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছিল।[৪] বেটি স্নোবল খেলায় ১৮৯ রান সংগ্রহ করেছিলেন যা অর্ধ-শতাব্দীকাল অক্ষত ছিল।[৫] ঐ যুগে দলের অল-রাউন্ডার মার্টল ম্যাকলাগান ছিলেন অন্যতম সেরা ক্রিকেটার। ৭ জানুয়ারি, ১৯৩৫ তারিখে মহিলাদের টেস্ট খেলায় প্রথমবারের মতো সেঞ্চুরি করেছিলেন।

দুই বছর পর ইংল্যান্ড দল প্রথমবারের মতো পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে। ইংল্যান্ডে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়া দল সফরে এসে নর্দাম্পটনে এ সাফল্য পায়। ইংল্যান্ড দলে ৭জন খেলোয়াড়ের অভিষেক স্বত্ত্বেও তারা ৩০০ রান অতিক্রম করে। অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১০২ রানে আউট হলেও দলটি ৩১ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়।[৬] পরবর্তী টেস্টে মার্টল ম্যাকলাগানের ১১ রান ও বোলিং উদ্বোধন করতে নেমে পাঁচ উইকেট গ্রহণের ফলে ইংল্যান্ড জয়ী হয়।[৭] তৃতীয় টেস্ট ড্র হওয়ায় ১-১ সিরিজে পরিণত হয়।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Cricket in England table cells

টেমপ্লেট:National sports teams of England