নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নিউজিল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের লোগো
নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের লোগো
টেস্ট মর্যাদা ১৯৩০
প্রথম টেস্ট বনাম ইংল্যান্ড ইংল্যান্ড, ল্যাঙ্কাস্টার পার্ক, ক্রাইস্টচার্চ, ১০-১৩ জানুয়ারি, ১৯৩০
অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম
কোচ নিউজিল্যান্ড মাইক হেসন
আইসিসি টেস্ট, ওডিআই এবং টি২০আই র‌্যাঙ্কিং ৭ম (টেস্ট), ৭ম (ওডিআই), ৬ষ্ঠ (টি২০আই) [১]
টেস্ট ম্যাচ
– বর্তমান বছর
৩৯১
সর্বশেষ টেস্ট বনাম ভারত, ব্যাসিন রিজার্ভ, ওয়েলিংটন, নিউজিল্যান্ড, ১৪-১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
জয়/পরাজয়
– বর্তমান বছর
৭৫/১৫৮
১/০
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ পর্যন্ত

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল বা নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল (ইংরেজি: New Zealand national cricket team) নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় ক্রিকেট দল। দলটিকে সংক্ষেপে ব্ল্যাক ক্যাপস নামে ডাকা হয়ে থাকে। জানুয়ারি, ১৯৯৮ সালে ব্যবসায়িক সম্প্রচারস্বত্ত্বজনিত কারণে দলটি এ নামে পরিচিতি পাচ্ছে। ক্লিয়ার কমিউনিকেশন্স নিউজিল্যান্ড দলের নতুন নাম নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রতিযোগিতার আয়োজনের মাধ্যমে এ নাম নির্ধারণ করে।[২] পরবর্তীতে জাতীয় দলকে নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে ব্ল্যাকক্যাপস নাম অনুমোদন করে। ১৯৩০ সালে ক্রাইস্টচার্চে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে দলটির অভিষেক ঘটে। এর ফলে তারা বিশ্বের ৫ম টেস্ট ক্রিকেটভূক্ত দলের লাভ করেছিল। কিন্তু তাদেরকে প্রথম জয়ের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। ১৯৫৫-৫৬ সালে অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে।[৩] ১৯৭২-৭৩ সালে ক্রাইস্টচার্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১ম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়েছিল।

বর্তমানে টেস্ট, একদিনের আন্তর্জাতিক এবং টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের পর ড্যানিয়েল ভেট্টোরি’র পরিবর্তে রস টেলর দায়িত্ব পালন করতেন। অন্যদিকে ভেট্টোরি নিউজিল্যান্ডের সর্বাপেক্ষা সফল অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের উত্তরাধিকারী নিযুক্ত হন। ফ্লেমিং নিউজিল্যান্ডকে ২৮ টেস্ট বিজয়ে নেতৃত্ব দেন যা অন্য যে-কোন নিউজিল্যান্ডীয় অধিনায়কের সাফল্যের দ্বিগুণেরও বেশী।

ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ড দল ৩৯১ টেস্টে অংশ নিয়ে ৭৫ জয়, ১৫৮ পরাজয়, ১৫৮ ড্র করে।[৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৪৯ সালে সেরা একাদশ নিয়ে নিউজিল্যান্ড দল ইংল্যান্ড গমন করে। বার্ট সাটক্লিফ, মার্টিন ডানেলি, জন রিডজ্যাক কোয়ি’র ন্যায় তারকা খেলোয়াড় এ দলে ছিলেন। কিন্তু ৩ দিনের ঐ ৪ টেস্টের সিরিজ ড্রয়ে পরিণত হয়। ১৯৫১-৫২ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অংশ নেয়। ১৯৫৪-৫৫ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বমোট ২৬ রান করে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রান সংগ্রহ করে। পরের মৌসুমেই নিউজিল্যান্ড তাদের প্রথম টেস্ট জয় করে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ৪ টেস্টের সিরিজটি ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত হয় নিউজিল্যান্ড দল। প্রথম টেস্ট জয়লাভের জন্য দলকে ২৬ বছর ও ৪৫ টেস্টে অংশগ্রহণ করতে হয়। পরের বিশ বছরে দলটি মাত্র ৭ টেস্টে জয় পেয়েছিল। ১৯৫৫-৫৬ মৌসুমে পাকিস্তানভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অংশ নেয়। অধিকাংশ সময়ই নিউজিল্যান্ডের বিশ্বমানের কোন বোলার ছিল না। কিন্তু, গ্লেন টার্নার ও বার্ট সাটক্লিফের ন্যায় ব্যাটসম্যান এবং জন আর. রিডের ন্যায় চমৎকার অল-রাউন্ডারের সন্ধান পেয়েছিল নিউজিল্যান্ড দল।

১৯৭৩ সালে নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে রিচার্ড হ্যাডলি’র। এরপর থেকেই নাটকীয়ভাবে নিউজিল্যান্ডের টেস্ট জয়ের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তিনি তাঁর সময়কালে সেরা পেস বোলার হিসেবে গণ্য হতেন। ৮৬ টেস্ট খেলে ১৯৯০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। এই ৮৬ টেস্টের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের জয়ের পরিসংখ্যান ছিল ২২ জয় ও ২৮ পরাজয়। ১৯৭৭/৭৮ মৌসুমে ৪৮ বার প্রচেষ্টার পর প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় পায় তাঁর দল। ঐ খেলায় তিনি ১০ উইকেট লাভ করেছিলেন।

সাফল্য গাঁথা[সম্পাদনা]

দলটি ১৯৭৫ সালে বিশ্বকাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা প্রবর্তনের পর এ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। তারা কমপক্ষে পাঁচবার সেমি-ফাইনাল পর্বে উত্তীর্ণ হয়। কিন্তু প্রত্যেকবারই পরাভূত হয়ে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেয়। তাদের উল্লেখযোগ্য সফলতা হচ্ছে ২০০০ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বিজয়। কেনিয়ার নাইরোবি জিমখানা ক্লাবে অনুষ্ঠিত খেলায় ভারতকে ৪ উইকেটে পরাজিত করে তারা এ সাফল্য পায়।

১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমসের ক্রিকেটে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল শ্রীলঙ্কাকে ৫১ রানে হারিয়ে ব্রোঞ্জপদক জয়লাভ করেছিল।

দলীয় কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

দলীয় সদস্য[সম্পাদনা]

আয়ান ও'ব্রায়ান এবং শেন বন্ড ২০১১ সালে খেললেও বর্তমানে তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন।[৭] জ্যাকব ওরামও এ সময়ে টেস্ট ক্রিকেট খেলায় অংশ নিয়েছিলেন।[৮] কিন্তু টেস্ট ক্রিকেট থেকে তিনিও অবসর নেন। ২০১০-১১ মৌসুমে দলের সাথে নিম্নবর্ণিত খেলোয়াড়বৃন্দ চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন:-[৯]

খেলোয়াড়ের নাম বয়স
(২১ মে ২০১৫)
ব্যাটিংয়ের ধরণ বোলিংয়ের ধরণ ঘরোয়া দল ধরণ জার্সি নং
উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান
পিটার ফুলটন 7001360000000000000৩৬ বছর, 7002109000000000000১০৯ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম ক্যান্টারবারি টেস্ট
হ্যামিশ রাদারফোর্ড 7001260000000000000২৬ বছর, 7001240000000000000২৪ দিন বামহাতি ওতাগো টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০
মার্টিন গুপ্টিল 7001280000000000000২৮ বছর, 7002233000000000000২৩৩ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক অকল্যান্ড টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩১
ড্যানিয়েল ফ্লিন 7001300000000000000৩০ বছর, 7001350000000000000৩৫ দিন বামহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০
মধ্যম-সারির ব্যাটসম্যান
রস টেলর 7001310000000000000৩১ বছর, 7001740000000000000৭৪ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০
কেন উইলিয়ামসন 7001240000000000000২৪ বছর, 7002286000000000000২৮৬ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২২
রব নিকোল 7001310000000000000৩১ বছর, 7002358000000000000৩৫৮ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক ক্যান্টারবারি ওডিআই, টুয়েন্টি২০
ডিন ব্রাউনলি 7001300000000000000৩০ বছর, 7002295000000000000২৯৫ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম ক্যান্টারবারি টেস্ট, টুয়েন্টি২০
উইকেট-রক্ষক
ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম 7001330000000000000৩৩ বছর, 7002236000000000000২৩৬ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম ওতাগো ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৪২
ক্রুজার ভ্যান ওয়াইক 7001350000000000000৩৫ বছর, 7002103000000000000১০৩ দিন ডানহাতি সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস
বিজে ওয়াটলিং 7001290000000000000২৯ বছর, 7002316000000000000৩১৬ দিন ডানহাতি নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৪৭
অল-রাউন্ডার
নাথান ম্যাককুলাম 7001340000000000000৩৪ বছর, 7002262000000000000২৬২ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক ওতাগো ওডিআই, টুয়েন্টি২০
কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম 7001280000000000000২৮ বছর, 7002303000000000000৩০৩ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম অকল্যান্ড ওডিআই, টুয়েন্টি২০
জ্যাকব ওরাম 7001360000000000000৩৬ বছর, 7002297000000000000২৯৭ দিন বামহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ২৪
জেমস ফ্রাঙ্কলিন 7001340000000000000৩৪ বছর, 7002195000000000000১৯৫ দিন বামহাতি বামহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট ওয়েলিংটন টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৭০
পেস বোলার
ব্রেন্ট আরনেল 7001360000000000000৩৬ বছর, 7002138000000000000১৩৮ দিন ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট
ডগ ব্রেসওয়েল 7001240000000000000২৪ বছর, 7002266000000000000২৬৬ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই
ক্রিস মার্টিন 7001400000000000000৪০ বছর, 7002162000000000000১৬২ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম অকল্যান্ড টেস্ট ৩২
অ্যান্ডি ম্যাককে 7001350000000000000৩৫ বছর, 7001340000000000000৩৪ দিন বামহাতি বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম ওয়েলিংটন ওডিআই ৫৫
কাইল মিলস 7001360000000000000৩৬ বছর, 7001670000000000000৬৭ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম অকল্যান্ড ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩৭
টিম সাউদি 7001260000000000000২৬ বছর, 7002161000000000000১৬১ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই, টুয়েন্টি২০ ৩৮
নিল ওয়াগনার 7001290000000000000২৯ বছর, 7001690000000000000৬৯ দিন বামহাতি বামহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট ওতাগো টেস্ট
এডাম মিলনে 7001230000000000000২৩ বছর, 7001380000000000000৩৮ দিন ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস টুয়েন্টি২০
ট্রেন্ট বোল্ট 7001250000000000000২৫ বছর, 7002364000000000000৩৬৪ দিন ডানহাতি বামহাতি ফাস্ট নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টস টেস্ট, ওডিআই
মিচেল ম্যাকক্লিনাগান 7001280000000000000২৮ বছর, 7002344000000000000৩৪৪ দিন বামহাতি বামহাতি ফাস্ট সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস টুয়েন্টি২০ ৮১
স্পিন বোলার
ব্রুস মার্টিন 7001350000000000000৩৫ বছর, 7001260000000000000২৬ দিন ডানহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স অকল্যান্ড টেস্ট
জিতেন প্যাটেল 7001350000000000000৩৫ বছর, 7001140000000000000১৪ দিন ডানহাতি ডানহাতি অফ-ব্রেক ওয়েলিংটন টেস্ট, ওডিআই ৩৯
লুক উডকক 7001330000000000000৩৩ বছর, 7001700000000000000৭০ দিন বামহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স ওয়েলিংটন ওডিআই, টুয়েন্টি২০
তরুণ নেথুলা 7001320000000000000৩২ বছর, 7001130000000000000১৩ দিন ডানহাতি ডানহাতি লেগ-ব্রেক সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টস ওডিআই
রোনিল হিরা 7001280000000000000২৮ বছর, 7002118000000000000১১৮ দিন বামহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স ক্যান্টারবারি টুয়েন্টি২০

প্রতিযোগিতার ইতিহাস[সম্পাদনা]

বিশ্বকাপ[১০][সম্পাদনা]

সাল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি অবস্থান
১৯৭৫, ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনাল
১৯৭৯, ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনাল
১৯৮৩, ইংল্যান্ড প্রথম পর্ব
১৯৮৭, ভারত ও পাকিস্তান প্রথম পর্ব
১৯৯২, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সেমি-ফাইনাল
১৯৯৬, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা কোয়ার্টার-ফাইনাল
১৯৯৯, ইংল্যান্ড সেমি-ফাইনাল
২০০৩, দক্ষিণ আফ্রিকা পঞ্চম
২০০৭, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১০ সেমি-ফাইনাল
২০১১, ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা সেমি-ফাইনাল
২০১৫, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড
মোট ৭০ ৪০ ২৯ সেমি-ফাইনাল (৬-বার)

[১১]

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি[সম্পাদনা]

সাল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি অবস্থান[১২]
১৯৯৮, বাংলাদেশ কোয়ার্টার-ফাইনাল
২০০০, কেনিয়া চ্যাম্পিয়ন
২০০২, শ্রীলঙ্কা প্রথম পর্ব
২০০৪, ইংল্যান্ড প্রথম পর্ব
২০০৬, ভারত সেমি-ফাইনাল
২০০৯, দক্ষিণ আফ্রিকা রানার্স-আপ
২০১৩, ইংল্যান্ড প্রথম পর্ব
২০১৭, ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস
মোট ২১ ১২ চ্যাম্পিয়ন (একবার)[১৩]

টুয়েন্টি২০ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ[সম্পাদনা]

সাল খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি অবস্থান[১৪]
২০০৭, দক্ষিণ আফ্রিকা সেমি-ফাইনাল
২০০৯, ইংল্যান্ড সুপার-এইট
২০১০, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুপার-এইট
২০১২, শ্রীলঙ্কা সুপার-এইট
২০১৪, বাংলাদেশ সুপার-এইট
মোট ২৫ ১১ ১২ সেমি-ফাইনাল (১-বার)[১৫]

কমনওয়েলথ গেমস[সম্পাদনা]

ক্রিকেটের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপ[সম্পাদনা]

  • ১৯৮৫: চতুর্থ

অস্ট্রাল-এশিয়া কাপ[সম্পাদনা]

  • ১৯৮৬: সেমি-ফাইনাল
  • ১৯৯০: সেমি-ফাইনাল
  • ১৯৯৪: সেমি-ফাইনাল

সংক্ষিপ্ত ফলাফল[সম্পাদনা]

টেস্ট ক্রিকেট[সম্পাদনা]

প্রতিপক্ষ খেলা জয় পরাজয় টাই ড্র  %জয়
 অস্ট্রেলিয়া ৫২ ২৭ ১৭ ১৫.৩৮%
 বাংলাদেশ ১১ ৭২.৭২%
 ইংল্যান্ড ৯৯ ৪৭ ৪৪ ৮.০৮%
 ভারত ৫৪ ১১ ১৮ ২৬ ২০.৩৭%
 পাকিস্তান ৫০ ২৩ ২০ ১৪%
 দক্ষিণ আফ্রিকা ৪০ ২৩ ১৩ ১০.০০%
 শ্রীলঙ্কা ২৮ ১০ ১০ ৩৫.৭১%
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪৫ ১৩ ১৩ ১৯ ২৬.১9%
 জিম্বাবুয়ে ১৫ ৬০%
মোট ৩৮৯ ৭৮ ১৫৯ ১৫৭ ১৯.০২%

৬ জুলাই, ২০১৪ পর্যন্ত

একদিনের আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

প্রতিপক্ষ খেলা জয় পরাজয় টাই ফলাফল হয়নি  %জয়[১৬]
টেস্ট সদস্য
 অস্ট্রেলিয়া ১২৫ ৩৪ ৮৫ ২৮.৫৭%
 বাংলাদেশ ২৪ ১৬ ৬৬.৬৬%
 ইংল্যান্ড ৭৭ ৩৮ ৩৩ ৫৩.৪২%
 ভারত ৯৩ ৪১ ৪৬ ৪৫.৯৩%
 পাকিস্তান ৮৯ ৩৫ ৫১ ৪০.৮০%
 দক্ষিণ আফ্রিকা ৫৮ ২০ ৩৪ ৩৭.০৩%
 শ্রীলঙ্কা ৮২ ৩৭ ৩৮ ৪৯.৩৪%
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬০ ২৩ ৩০ ৪৩.৩৯%
 জিম্বাবুয়ে ৩৫ ২৫ ৭৫.০০%
সহযোগী/অনুমোদনকৃত সদস্য
 কানাডা ১০০%
পূর্ব আফ্রিকা ১০০%
 আয়ারল্যান্ড ১০০%
 কেনিয়া ১০০%
 নেদারল্যান্ডস ১০০%
 স্কটল্যান্ড ১০০%
 সংযুক্ত আরব আমিরাত ১০০%
 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১০০%
মোট ৬৫৪ ২৮০ ৩৩৩ ৩৫ ৪৫.৭২%[১৭]

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ পর্যন্ত

টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

প্রতিপক্ষ খেলা জয় পরাজয় টাই+জয় টাই+পরাজয়  %জয়[১৮]
 অস্ট্রেলিয়া ২০%
 বাংলাদেশ ১০০%
 ইংল্যান্ড ১১ ৩০%
 ভারত ১০০%
 আয়ারল্যান্ড ১০০%
 কেনিয়া ১০০%
 পাকিস্তান ৩৩.৩৩%
 স্কটল্যান্ড ১০০%
 দক্ষিণ আফ্রিকা ১১ ২৭.২৭%
 শ্রীলঙ্কা ১২ ৫০%
 ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫৬.২৫%
 জিম্বাবুয়ে ১০০%
মোট ৭১ ৩২ ৩২ ৫০%[১৯]

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ পর্যন্ত

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Team records | One-Day Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  2. Anderson, Ian (29 January 1998)। "It's Clear Black Caps very dull"। Waikato Times। পৃ: 12। 
  3. Frindall, Bill (2009)। Ask BeardersBBC Books। পৃ: 163। আইএসবিএন 978-1-84607-880-4 
  4. "Records | Test matches | Team records | Results summary publisher=ESPN Cricinfo"। 1 January 1970। সংগৃহীত 3 January 2014 
  5. "http://www.dailymail.co.uk/sport/cricket/article-2176366/New-Zealand-Mike-Hesson-new-cricket-coach.html"। সংগৃহীত 2012-07-20 
  6. McMillan joins New Zealand as batting coach
  7. Iain O'Brien to retire from international cricket CricInfo
  8. Shane Bond quits Test cricket, CricInfo
  9. "Milne and Vettori in New Zealand World T20 squad". CricInfo (ESPN). 2012-08-15
  10. "Team records | One-Day Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  11. "Team records | One-Day Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  12. "Team records | One-Day Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  13. "Team records | One-Day Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  14. "Team records | Twenty20 Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  15. "Team records | Twenty20 Internationals | Cricinfo Statsguru publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  16. "Cricket Records | Records | New Zealand | One-Day Internationals | Result summary publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 23 January 2013 
  17. "Records | One-Day Internationals | Team records | Results summary publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  18. "Cricket Records | Records | New Zealand | Twenty20 Internationals | Result summary publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 
  19. "Records | Twenty20 Internationals | Team records | Results summary publisher=ESPN Cricinfo"। সংগৃহীত 7 May 2012 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:New Zealand national teams