রোল্যান্ড ল্যাফেব্রে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রোল্যান্ড ল্যাফেব্রে
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরোল্যান্ড ফিলিপ ল্যাফেব্রে
জন্ম (1963-02-07) ৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩ (বয়স ৫৬)
রটার্ডাম, নেদারল্যান্ডস
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক১৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৩ বনাম জিম্বাবুয়ে
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯৩–১৯৯৫গ্ল্যামারগন
১৯৯০–১৯৯২সমারসেট
১৯৯০/৯১ক্যান্টারবারি
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১১ ৭৭ ১৩৭
রানের সংখ্যা ১৭১ ১৪৯৪ ৯৫৫
ব্যাটিং গড় ২৮.৫০ ২০.৪৬ ১৭.০৫
১০০/৫০ ০/০ ১/৩ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৪৫ ১০০ ৪৫
বল করেছে ৫৩৪ ১৩৪৮৫ ৬৭৮৩
উইকেট ১৪৯ ১৭৮
বোলিং গড় ৩৮.৪৪ ৩৬.২৩ ২৩.০৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ২/৩৮ ৬/৪৫ ৭/১৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৪/– ৩৬/– ৬৩/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৫ মে ২০১৭

রোল্যান্ড ফিলিপ লেফেব্রে (ইংরেজি: Roland Lefebvre; জন্ম: ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৩) রটার্ডামে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট সাবেক ওলন্দাজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও অধিনায়ক। নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ১৯৯০ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত সমারসেট দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।[১] দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করার পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করা সফলতা পেয়েছেন। তাকে নেদারল্যান্ডসের সফলতম ক্রিকেটার হিসেবে গণ্য করা হয়ে থাকে। টেস্ট ক্রিকেট বহির্ভূত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সফল খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেছেন রোল্যান্ড লেফেব্রে

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯০ সালে সমারসেটের সদস্যরূপে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। পরের সপ্তাহেই তিনি কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের প্রথম খেলায় অংশ নিয়ে ৫/৩০ লাভ করেন। ঐ বছরের শেষদিকে ৭/১৫ নিয়ে লিস্ট এ ক্রিকেটের তৎকালীন যৌথভাবে পঞ্চম সেরা বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। ফলে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফিতে ডেভনের বিপক্ষে ৩৪৬ রানের বিশাল ব্যবধানে সমারসেটের জয়ের রেকর্ড গড়তে সহায়তা করেন। শীতকালে ক্যান্টারবারির সদস্যরূপে নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নেন। সেখানে তিনি তার নিজস্ব সেরা প্রথম-শ্রেণীর বোলিং পরিসংখ্যান ৬/৪৫ গড়েন। এরপর ১৯৯১ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন ও ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে তার একমাত্র প্রথম-শ্রেণীর শতক হাঁকান ঠিক ১০০ রান করে।

১৯৯৩ সালে গ্ল্যামারগনের সাথে খেলার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন ও একদিনের ক্রিকেটে তার যথার্থতা তুলে ধরেন। ধারাবাহিকভাবে নিখুঁত বোলিং করে ব্যাটসম্যানদেরকে প্রাধান্য বিস্তারে বাঁধার কারণ হয়ে দাঁড়ান। ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির কোয়ার্টার-ফাইনালে ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে মনোমুগ্ধকর বোলিং পরিসংখ্যান করেন ১১-৫-১৩-২। ১৯৯৩ সালে গ্ল্যামারগনের সানডে লীগ বিজয়ে লেফেব্রের বোলিং গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৫ সালে ক্রমবর্ধমান আঘাতের কারণে পেশাদার ক্রিকেট ছাড়তে হয় তাকে। তবে, আইসিসি ট্রফিতে নিজ দেশের পক্ষে খেলা চালিয়ে যান। এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে তিনি অনেকগুলো রেকর্ডের সাথে নিজেকে যুক্ত করেন। তন্মধ্যে, সর্বাধিক ৪৩ খেলায় অংশগ্রহণ, ১১.৬৪ গড়ে সর্বাধিক ৭১ উইকেট দখল ও আউটফিল্ডার হিসেবে সর্বাধিক ২৬ ক্যাচ নেয়া অন্যতম। ২০০১ সালের আইসিসি ট্রফিতে রায়ান টেন ডেসকাটকে সাথে নিয়ে দলকে শিরোপা জয়ে প্রভূতঃ সহায়তা করেন তিনি।[২] ঐ প্রতিযোগিতা তিনি প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়াসহ সর্বাধিক ২০ উইকেট পান।

এছাড়াও, ১৯৯৬ ও ২০০৩ সালের বিশ্বকাপসহ ২০০২-০৩ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি প্রতিযোগিতায় পূর্ণাঙ্গ একদিনের আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলায় তার অংশগ্রহণ ছিল। ১৯৯৯ সাল থেকে ওলন্দাজ দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

২০০৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ শেষে খেলা থেকে চূড়ান্তভাবে অবসর নেন। বর্তমানে তিনি ওলন্দাজ জাতীয় যুব দলের কোচের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


আরও দেখুন[সম্পাদনা]