ফিল বেইনব্রিজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফিল বেইনব্রিজ
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৯৫৮-০৫-১৬)১৬ মে ১৯৫৮
স্নেড গ্রীন, স্টোক—অন—ট্রেন্ট, ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম পেস
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩২৪ ৩১১
রানের সংখ্যা ১৫৭০৭ ৫৫৫৯
ব্যাটিং গড় ৩৩.৭০ ২৪.৩৮
১০০/৫০ ২৪/৯৪ ১/২৭
সর্বোচ্চ রান ১৬৯ ১০৬*
বল করেছে ২৫৭৪৬ ১২৩৪২
উইকেট ৩৪৯ ২৯৩
বোলিং গড় ৩৭.৫১ ৩১.৬৪
ইনিংসে ৫ উইকেট ১০
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৮/৫৩ ৫/২২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৪৯/- ৭২/-
উৎস: ক্রিকইনফো, ৩ জুন ২০১৮

ফিলিপ বেইনব্রিজ (জন্ম: ১৬ এপ্রিল, ১৯৫৮) স্টোক—অন—ট্রেন্টের স্নেড গ্রীন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ও সাবেক ইংরেজ প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট তারকা। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে গ্লুচেস্টারশায়ারডারহামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।[১] দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মাঝারিসারির ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন ফিল বেইনব্রিজ

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

১৯৮০-এর দশকে গ্লুচেস্টারশায়ারের পক্ষে খেলেছেন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সদস্যের মর্যাদা লাভ করেন। সচরাচর ৫ কিংবা ৬ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামতেন তিনি। ১৯৭৭ সালে গ্লুচেস্টারশায়ারে যোগ দেন। এরপর ১৯৮১ সালে দলের নিয়মিত সদস্যের মর্যাদা পান। ঐ মৌসুমে প্রথমবারের মতো সহস্রাধিক রানের কোঠা অতিক্রমণে সবিশেষ দক্ষতা প্রদর্শন করেন। ইনিংস প্রতি ৪০ ঊর্ধ্ব রান সংগ্রহের পাশাপাশি ২৪টি প্রথম-শ্রেণীর সেঞ্চুরির সন্ধান পান। সর্বমোট নয়বার সহস্রাধিক রান করার ন্যায় কৃতিত্বের দাবীদার হন তিনি।

পরবর্তী তিন মৌসুমেও এ ধারা অব্যাহত রাখেন তিনি। কিন্তু, ১৯৮৫ সালে ব্যাটিংয়ের অবস্থান পরিবর্তন করে বেশ সফলতা পান। ইনিংস প্রতি ৫৬.৬৮ গড়ে ১,৬৪৪ রান তুলেন। এ পর্যায়ে দলকে নিচেরসারি থেকে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা জয়ের দিকে ধাবিত করতে প্রভূতঃ ভূমিকা পালন করেন।

ঘরোয়া ক্রিকেটে অনবদ্য ভূমিকা রাখার কারণে ১৯৮৬ সালে উইজডেন কর্তৃক অন্যতম বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে মনোনীত হন তিনি। এ সময় তাকে টেস্টের সম্ভাব্য খেলোয়াড় হিসেবে থাকার কথা ভাবা হচ্ছিল।

১৯৮৭ সাল থেকে তার খেলার ধার অনেকাংশেই ম্রিয়মান হতে থাকে ও টেস্ট আঙ্গিনায় অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে তাকে রাখা হয়। আর কখনো পূর্বেকার ন্যায় ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। এরপর আরও চার বছর ক্রিকেট খেলেন তিনি। ১৯৯০ সালে গ্লুচেস্টারশায়ার থেকে অবসর নেন ফিল বেইনব্রিজ। ব্যবসায়ের জগতে ধাবিত হন তিনি।

ডারহামে স্থানান্তর[সম্পাদনা]

১৯৯০ সালের পর ডারহামে চলে যান। প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি দল ডারহামের উন্নয়নে বিপণন কর্মের সাথে জড়িত হন। দলটিকে ১৯৯২ সালে প্রথম-শ্রেণীর মর্যাদা লাভে যথোপযুক্ত ভূমিকা রাখেন তিনি।

১৯৯১ মৌসুমের পুরোটা সময় খেলার বাইরে ছিলেন। তবে, ডারহামের প্রথম-শ্রেণীর খেলায় যুক্ত হবার প্রথম দুই মৌসুমের অধিকাংশ খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৯৩ সালে ব্যাটিং ও বোলিং - উভয় বিভাগেই শীর্ষে ছিলেন। দুই বছর বেশ ভালো ক্রীড়াশৈলী উপহার দেন। ১৯৯৪ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বভার তার কাঁধে বর্তায়। দলটি ১৬তম স্থান দখল করে। এটিই দলের প্রথমবারের মতো সর্বনিম্ন স্থানে আরোহণ ছিল না। আবারো তার খেলার মান নিচেরদিকে চলে যেতে থাকে। বেইনব্রিজকে ১৯৯৫ সালে অধিনায়ক হিসেবে পদত্যাগ করতে হয়েছিল। পরের বছরই ১৯৯৬ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে চূড়ান্তভাবে অবসর নেন ফিল বেইনব্রিজ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Phil Bainbridge"। www.cricketarchive.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১০-০২-১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]