রামকৃষ্ণ পরমহংস-বিষয়ক গ্রন্থতালিকা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

রামকৃষ্ণ পরমহংস (১৮৩৬–১৮৮৬) ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট ভারতীয় হিন্দু ধর্মগুরু। তিনি নিজের জীবন সম্পর্কে কিছু লিখে যাননি। তাঁর শিষ্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের রচনা থেকে তাঁর জীবন ও শিক্ষার কথা জানা যায়। রামকৃষ্ণের নথিবদ্ধ শিক্ষা মূলত তাঁর জীবনের শেষ চার বছরের উক্তি থেকে জানা যায়।[১]

ব্রাহ্ম ধর্মগুরু কেশবচন্দ্র সেনের পরমহংসদেবের উক্তি (১৮৭৮) রামকৃষ্ণ-বিষয়ক সর্বপ্রথম বই বলে জানা যায়।[২] কেশবচন্দ্র তাঁর ধর্মীয় সম্প্রদায় নববিধান ব্রাহ্মসমাজের পত্রিকায় রামকৃষ্ণের শিক্ষা প্রকাশ করতেন।[৩] এর ফলে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত বাঙালি সমাজ ও ভারতে বসবাসকারী ইউরোপীয়দের কাছে রামকৃষ্ণের নাম পরিচিত হয়ে ওঠে।[৪][৫] এরপর প্রকাশিত হয় সুরেশচন্দ্র দত্তের পরমহংস রামকৃষ্ণদেবের উক্তি (১৮৮৪)।[২]

রামচন্দ্র দত্তের শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনবৃত্তান্ত (১৮৮০) হল রামকৃষ্ণ পরমহংসের সর্বপ্রথম রচিত জীবনী গ্রন্থগুলির একটি। ধর্ম-বিশেষজ্ঞ নরসিংহ শীল [৬]জেফরি কৃপালের মতে,[৭] রামচন্দ্র দত্ত রচিত বইটি রামকৃষ্ণ পরমহংসের সবচেয়ে কলঙ্কিত জীবনী। তাঁরা লিখেছেন, "containing the lurid details of his sadhana as well as his quite suggestive encounters with his patron Mathur." তাঁরা ১৮৮৪ সালে স্বামী বিবেকানন্দের লেখা একটি চিঠির উল্লেখ করেছেন, যেখানে বিবেকানন্দ লিখেছেন, “....ইত্যাদি সম্পর্কে সব অসংলগ্ন অমার্জিত ধারণাগুলি এড়িয়ে যাবে... কারণ অন্যান্য দেশের লোকেরা এগুলিকে অমার্জিত মনে করে। ইংরেজি ভাষায় তাঁর (রামকৃষ্ণ) জীবনী সারা পৃথিবী পড়বে।” [৮] বিবেকানন্দ রামচন্দ্র দত্তের রচিত জীবনীর অনুবাদকে অমার্জিত বলেছেন।[৮] তাঁরা বলেছেন যে, স্বামী বিবেকানন্দ সম্ভবত রামচন্দ্র দত্তের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন এবং রামকৃষ্ণ মিশন বইটির প্রকাশ বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও এই ধরনের মামলার কোনো প্রমাণ নেই এবং স্বামী আত্মজ্ঞানানন্দ ও প্রব্রাজিকা ব্রজপ্রাণা ১৯৯৫ সালে লিখেছেন, রামচন্দ্র দত্তের লেখা বইটির ৯টি বাংলা সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে রামকৃষ্ণ মিশন থেকে।[৯][১০] কৃপাল পরে অবশ্য রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃক বইটির প্রকাশ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ তুলে নিয়েছিলেন।[১১]

১৮৮৭ সালে অক্ষয়কুমার সেন বাংলা পদ্যে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ-পুঁথি নামে রামকৃষ্ণ পরমহংসের জীবনী লেখেন। পরে তিনি পদ্যে শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের উপদেশশ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ-মহিমা নামে দুটি বই লিখেছিলেন।

স্বামী সারদানন্দ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণলীলাপ্রসঙ্গ রচনা শুরু করেন ১৯০৯ সালে। এই গ্রন্থ ১৯২৭ সালে লেখকের মৃত্যুর সময় অসমাপ্তই থেকে যায়। যদিও অসমাপ্ত বইটি প্রকাশিত হয়েছিল এবং তা রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃক রামকৃষ্ণ পরমহংসের প্রামাণ্য জীবনী হিসেবে গৃহীতও হয়েছিল।[১২] ধর্মবিশেষজ্ঞ ও সাহিত্যিক রোমাঁ রোল্যাঁক্রিস্টোফার ইশারউড সারদানন্দকে রামকৃষ্ণ প্রসঙ্গে একজন প্রামাণ্য দার্শনিক ও ঐতিহাসিকের মর্যাদা দিয়েছেন।[১৩][১৪]

স্বামী বিবেকানন্দের বক্তৃতা মদীয় আচার্যদেব প্রকাশিত হয় ১৮৯৬ সালে।[১৫] ম্যাক্স মুলার, ওয়ালটার জি. নেভেল, ক্রিস্টোফার ইশারউড বলেছেন, বিবেকানন্দ রামকৃষ্ণের যথার্থ প্রতিকৃতি এঁকেছেন।[১৬][১৭][১৮] ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ শীল বলেছেন, রামকৃষ্ণ হলেন বিবেকানন্দের “পুরাণসৃষ্টি ও প্রচার-পরিকল্পনার” সৃষ্টি।[১৯] যদিও অপর বিশেষজ্ঞ অমিয় পি. সেনের মতে, শীল বিভিন্ন বিষয়কে “ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে” গিয়েছেন।[২০]

রামকৃষ্ণ পরমহংসের অন্যান্য জীবনীগুলি হল মহেন্দ্রনাথ দত্তের শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণের অনুধ্যান,[২১] সত্যচরণ মিত্রের শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনী ও উপদেশ (১৮৯৭),[২১] ও সুরেন্দ্রনাথ দত্তের শ্রীরামকৃষ্ণদেবের উপদেশ (১৮৯৬)।

ম্যাক্স মুলারের রামকৃষ্ণ: হিজ লাইফ অ্যান্ড সেইংস (১৮৯৮) হল কোনো ইউরোপীয় বিশেষজ্ঞের লেখা প্রথম রামকৃষ্ণ-জীবনী। ওয়াল্টার নেভেলের মতে এটি রামকৃষ্ণের একটি অপেক্ষাকৃত স্বাধীন জীবনীর সূত্র।[২২] ১৯২৯ সালে রোমা রোল্যাঁ লিখেছেন, এই বইটি প্রাথমিক সূত্রের ভিত্তিতে “বিস্তারিত ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গিতে” লেখা।[১৩] ম্যাক্স মুলার বলেছেন। এই বইটির ভিত্তি বিবেকানন্দ ও রামকৃষ্ণের পক্ষে ও বিপক্ষে বিভিন্ন নিরপেক্ষ প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ানের ভিত্তিতে লেখা।[২৩] ম্যাক্স মুলার রামকৃষ্ণ পরমহংসকে "সত্যকারের মহাত্মা" বলেছেন।[২৪]

শ্রীম ছদ্মনামের অন্তরালে মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের লেখা শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত পাঁচ খণ্ডে যথাক্রমে ১৯০২, ১৯০৫, ১৯০৮, ১৯১০ ও ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়। মহেন্দ্রনাথ গুপ্ত রামকৃষ্ণ পরমহংসের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন রোজ ডায়েরিতে লিখে রাখতেন। সেগুলি সংকলিত করেই পাঁচ খণ্ডে বাংলায় এই বইটি প্রকাশিত হয়। রোমা রোল্যাঁর মতে, এই বইটি “স্টেনোগ্রাফিক যাথার্থতা”র নিদর্শন।[১৩]

রোমা রোল্যাঁর বই লাইফ অফ রামকৃষ্ণ অ্যান্ড দি ইউনিভার্সাল গসপেল (১৯২৯) রামকৃষ্ণের অপর একটি জীবনী। এটি রামকৃষ্ণের শিষ্যদের বয়ানের ভিত্তিতে লেখা। তাঁদের সম্পর্কে লেখক বলেছেন, “আমি তাঁদের থেকে সদর্থক তথ্যাদি পেয়েছি। আমি তাঁদের কয়েকজনের পথে হেঁটেছি, যাঁরা এই মহান ধর্মগুরু এবং মানবরূপী ঈশ্বরের সঙ্গী ছিলেন। আমি তাঁদের আনুগত্যের উপর নির্ভর করতে পারি। অধিকন্তু এই প্রত্যক্ষদ্রর্শীরা গসপেলের সাধারণ ধীবর ছিলেন না। এঁদের কেউ কেউ মহান চিন্তাবিদ যাঁরা ইউরোপীয় চিন্তা ও কঠোর শিক্ষাপ্রণালীতে শিক্ষিত।” [২৫] তিনি রামকৃষ্ণের সমসাময়িক নিরপেক্ষ প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানও নিয়েছিলেন। এছাড়া তিনি সেই সব খ্রিস্টান মিশনারিদের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন, যাঁরা রামকৃষ্ণের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।[২৬]

শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেন স্বামী নিখিলানন্দ। এই বইটির নাম দ্য গসপেল অফ শ্রীরামকৃষ্ণ। নেভেল ও লেক্স হিক্সটনের মতে, এটি প্রামাণ্য ও নির্ভরযোগ্য অনুবাদ। [২৭] এই বইটি ফিলিপ এলেস্কি ও হারপারকলিন্স প্রকাশনা কর্তৃত আয়োজিত আমেরিকান বিশেষজ্ঞদের সম্মেলনে "বিংশ শতাব্দীর ১০০টি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মগ্রন্থে"র মর্যাদা পায়।[২৮][২৯]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Neevel, Walter G; Bardwell L. Smith (১৯৭৬)। "The Transformation of Ramakrishna"। Hinduism: New Essays in the History of Religions। Brill Archive। পৃষ্ঠা 61। আইএসবিএন 90-04-04495-7 
  2. Sen, Amiya P. (২০০৩)। "Anatomy of a Text"। Three essays on Sri Ramakrishna and his times। Indian Institute of Advanced Studies। পৃষ্ঠা 30–32। 
  3. Mukherjee, Dr. Jayasree (মে ২০০৪)। "Sri Ramakrishna's Impact on Contemporary Indian Society"Prabuddha Bharatha। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৯-০৪ 
  4. Müller, Max (১৮৯৮)। "Râmakrishna's Life"Râmakrishna his Life and Sayings। পৃষ্ঠা 56–57। 
  5. Debarry, William Theodore; Ainslie Thomas Embree (১৯৮৮)। Sources of Indian Tradition: From the Beginning to 1800Stephen N. Hay। Columbia University Press। পৃষ্ঠা 63। আইএসবিএন 978-0-231-06415-6 
  6. Sil, Narasingha P (মে ২৮, ১৯৯৮)। Ramakrishna Revisited। America: University Press of America। পৃষ্ঠা 368। আইএসবিএন 978-0-7618-1052-0 
  7. Kripal, Jeffery (অক্টোবর ১, ১৯৯৮)। Kali's Child। University Of Chicago Press। পৃষ্ঠা 420। আইএসবিএন 978-0-226-45377-4 
  8. The Complete Works of Swami Vivekananda ~ Volume 5 ~ Epistle XXIII
  9. Atmajnanananda, Swami (আগস্ট ১৯৯৭)। "Scandals, cover-ups, and other imagined occurrences in the life of Ramakrishnaa: An examination of Jeffrey Kripal's Kali's child"International Journal of Hindu Studies। Netherlands: Springer। 1 (2): pp.401–420। doi:10.1007/s11407-997-0007-8 
  10. Vrajaprana, Pravrajika (১৯৯৭)। "Review of Kali's child, by Jeffrey Kripal"। Hindu-Christian studies bulletin10: 59–60। 
  11. Jeffrey Kripal,। "Pale Plausibilities: A Preface for the Second Edition""I have also, I believe, overplayed the degree to which the tradition has suppressed Datta's Jivanavrttanta. Indeed, to my wonder (and embarrassment), the Ramakrishna Order reprinted Datta's text the very same summer Kali's Child appeared, rendering my original claims of a conscious concealment untenable with respect to the present 
  12. Neevel, Walter G; Bardwell L. Smith (১৯৭৬)। "The Transformation of Ramakrishna"। Hinduism: New Essays in the History of Religions। Brill Archive। পৃষ্ঠা 62। 
  13. Rolland, Romain (১৯২৯)। "Bibliography"। The Life of Ramakrishna। পৃষ্ঠা 232–237। 
  14. Isherwood, Christopher (১৯৬৫)। "The Birth of Ramakrishna"। Ramakrishna and his Disciples। পৃষ্ঠা 2। Although Saradananda did not begin his work until more than twenty years after Ramakrishna's death, there is no doubt of its authenticity. Many of those who had known Ramakrishna were then still alive, and Saradananda carefully compared his memories with theirs. 
  15. Vivekananda, Swami (১৮৯৬)। "My Master"। Complete Works। পৃষ্ঠা 154–188। 
  16. Müller, Max (১৮৯৮)। "The Dialogic Process"Râmakrishna his Life and Sayings। পৃষ্ঠা 30–31। I had made it as clear as possible to Vivekânanda that the accounts hitherto published of his Master, however edifying they might be to his followers, would sound perfectly absurd to European students, ... that descriptions of miracles performed by the Saint, however well authenticated, would produce the very opposite effect of what they were intended for. Vivekânanda himself is a man who knows England and America well, and perfectly understood what I meant. 
  17. Neevel, Walter G; Bardwell L. Smith (১৯৭৬)। "The Transformation of Ramakrishna"। Hinduism: New Essays in the History of Religions। Brill Archive। পৃষ্ঠা 53–97। …Although Müller claims still to see "the irrepressible miraculising tendencies of devoted disciples", we can assume that Vivekananda, under the admonitions from the leading Indologist of the day, made every effort to make his account as factual and accurate as possible. 
  18. Isherwood, Christopher (১৯৬৫)। "The Birth of Ramakrishna"। Ramakrishna and his Disciples। পৃষ্ঠা 23। When we meet Vivekananda in the latter part of this story, we shall find him a highly skeptical young man with a western-agnostic education in Calcutta, who refused utterly to believe in the supernormal until he had, so to speak, banged his head against it. And even when Vivekananda's disbelief had been modified by personal experience, even when he had become one of Ramakrishna's most passionate devotees, he still discouraged blind faith in others, still urged everyone to find out the truth for himself. And, over and over again, he asserted that it really did not matter whether you believed that Ramakrishna was a divine incarnation or not. Can we accuse such men of lying? 
  19. Sil, Narasingha P। "Vivekānanda's Rāmakṛṣṇa: An Untold Story of Mythmaking and Propaganda"। Ramakrishna Revisitedজেস্টোর 3270397 
  20. Sen, Amiya P. (জুন ২০০৬)। "Sri Ramakrishna, the Kathamrita and the Calcutta middle classes: an old problematic revisited"। Postcolonial Studies9 (2): p.165–177। doi:10.1080/13688790600657835More recently, a critic has argued that Vivekananda's missionary career was really chosen by default as the life of a householder or a normal secular profession eluded him.11 There are several factors that such formulations naively overlook. First, there is the vibrant religious quest created in modern Bengal primarily by the Brahmo Samaj, but also by less known bodies. Second, there are the older and continuous male-brahmanical concerns that evidently Ramakrishna and his upper-caste devotees share. Third, a religious quest does not always follow from a sense of depravity, and material success is not in every case a measure of human happiness or well-being. 
  21. Sen, Amiya P. (জুন ২০০৬)। "Sri Ramakrishna, the Kathamrita and the Calcutta middle classes: an old problematic revisited"। Postcolonial Studies9 (2): p.165–177। doi:10.1080/13688790600657835 
  22. Neevel, Walter G; Bardwell L. Smith (১৯৭৬)। "The Transformation of Ramakrishna"। Hinduism: New Essays in the History of Religions। Brill Archive। পৃষ্ঠা 63। আইএসবিএন 90-04-04495-7 
  23. Müller, Max (১৮৯৮)। "Mozoomdar's Judgement"Râmakrishna his Life and Sayings। পৃষ্ঠা 61। 
  24. Max Müller (১৮৯৬)। "A Real Mahatman"। The Nineteenth Century। 
  25. Rolland, Romain (১৯২৯)। "Prelude"। The Life of Ramakrishna। পৃষ্ঠা xxiii। 
  26. Rolland, Romain (১৯২৯)। "The River Re-Enters the Sea"। The Life of Ramakrishna। পৃষ্ঠা 205। 
  27. Neevel, Walter G; Bardwell L. Smith (১৯৭৬)। "The Transformation of Ramakrishna"। Hinduism: New Essays in the History of Religions। Brill Archive। পৃষ্ঠা 61–62। 
  28. "100 Best Spiritual Books of the Century"। ২০০৮-০৮-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০৮-২১ 
  29. Zaleski, Philip (২০০০)। The Best Spiritual Writing 2000। San Francisco: HarperCollinsআইএসবিএন 978-0-06-251670-1