রাজস্থানী মানুষ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাজস্থানী
মোট জনসংখ্যা
৭ কোটি
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চলসমূহ
 ভারত
ভাষা
রাজস্থানী, হিন্দি, এবং ইংরেজি
ধর্ম
হিন্দুধর্ম, ইসলাম, জৈনধর্ম, শিখ ধর্ম, বৌদ্ধধর্ম, খ্রিস্টান, জরাথুস্ট্রবাদ, ইহুদী ধর্ম, বাহাই ধর্ম

রাজস্থানী মানুষ বা রাজস্থানী হল উত্তর ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ("রাজত্ব ভূমি") একটি ভারতীয় জাতিগত গোষ্ঠী। [১] তাদের ভাষা হল রাজস্থানী, এটি ইন্দো-আর্য ভাষাসমূহের পশ্চিমী গোষ্ঠীর একটি অংশ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মহারাণ প্রতাপ, তাঁর সময়ের একজন শাসক এবং দুর্দান্ত যোদ্ধা।

রাজস্থান শব্দের প্রথম উল্লেখটি এসেছিল জর্জ থমাস (মিলিটারি মেমোরিজ) এবং জেমস টডের (আনালস) কাজ থেকে। রাজস্থানের আক্ষরিক অর্থ রাজত্ব ভূমি। তবে, পশ্চিম রাজস্থান এবং পূর্ব গুজরাত ছিল "গুজরাত্রা বা গুর্জরভূমি, যেটি আদিতে গুর্জরদের ভূমি ছিল।[২] তৎকালীন স্থানীয় উপভাষাগুলি প্রথমে রাজওয়ার অর্থাৎ রাজাদের স্থান বা ভূমি এবং পরবর্তীকালে রাজপুতানা অভিব্যক্তিগুলি ব্যবহার করত।[৩][৪]

যদিও রাজস্থানের ইতিহাসের কথা সিন্ধু সভ্যতার সময়েও পাওয়া গেছে, ভারতের আদি মধ্যযুগীয় রাজ্যসমূহ যেমন পশ্চিমী ক্ষত্রপদের উত্থানের পরেই রাজস্থানী সম্প্রদায়ের ভিত্তি গঠিত হয়েছিল। পশ্চিমী ক্ষত্রপরা (খ্রিস্টপূর্ব ৩৫-৪০৫) ভারতের পশ্চিম অংশের (সৌরাষ্ট্র ও মালওয়া: আধুনিক গুজরাট, দক্ষিণ সিন্ধু, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান) শাসনকর্তা ছিলেন। তাঁরা ছিলেন ইন্দো-সিথিয়নদের উত্তরসূরি। তাঁরা উজ্জয়িনী অঞ্চল আক্রমণ করেছিলেন এবং শক যুগ (শকাব্দ) দিয়ে) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, এটি ছিল দীর্ঘকালব্যাপী বিস্তৃত শক পশ্চিমী ক্ষত্রপ রাজ্যের সূচনা।[৫] রাজস্থানী সম্প্রদায় এবং আশেপাশের অঞ্চলগুলিতে পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা শকাব্দ (ভারতীয় জাতীয় দিনপঞ্জী হিসাবেও গৃহীত হয়েছে) ব্যবহার করে। সময়ের সাথে সাথে তাদের সামাজিক কাঠামো আরও শক্তিশালীভাবে পুনর্গঠিত হয়েছিল, এভাবে বেশ কয়েকটি যুদ্ধপ্রিয় উপ জাতির জন্ম (আগে যোদ্ধা জাতি নামে ডাকা হত তবে শব্দটি এখন অপ্রচলিত) হয়েছিল। মধ্যযুগীয় ভারতে রাজস্থানীরা বড় বণিক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। রোম, পূর্ব ভূমধ্যসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রাজস্থান ছিল একটি।[৬]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The Territories and States of India By Tara Boland-Crewe, David Lea, pg 208
  2. Ramesh Chandra Majumdar; Achut Dattatrya Pusalker, A. K. Majumdar, Dilip Kumar Ghose, Vishvanath Govind Dighe, Bharatiya Vidya Bhavan (1977). The History and Culture of the Indian People: The classical age. Bharatiya Vidya Bhavan. p. 153
  3. R.K. Gupta; S.R. Bakshi (১ জানুয়ারি ২০০৮)। Studies In Indian History: Rajasthan Through The Ages The Heritage Of Rajputs (Set Of 5 Vols.)। Sarup & Sons। পৃষ্ঠা 143–। আইএসবিএন 978-81-7625-841-8। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১২ 
  4. John Keay (২০০১)। India: a history। Grove Press। পৃষ্ঠা 231–232। আইএসবিএন 0-8021-3797-0 
  5. "The dynastic art of the Kushans, John Rosenfield, p 130
  6. A brief history of India By Judith E. Walsh,43

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]