রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (তথ্যচিত্র)
| রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | |
|---|---|
| পরিচালক | সত্যজিৎ রায় |
| প্রযোজক | চলচ্চিত্র বিভাগ, ভারত সরকার |
| রচয়িতা | সত্যজিৎ রায় |
| শ্রেষ্ঠাংশে | রায়া চট্টোপাধ্যায় শোভনলাল গঙ্গোপাধ্যায় স্মরণ ঘোষাল পূর্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় কল্লোল বসু সুবীর বসু ফণী নাথ নর্ম্যান এলিস |
| সুরকার | জ্যোতিরিন্দ্রনাথ মৈত্র |
| চিত্রগ্রাহক | সৌমেন্দু রায় |
| মুক্তি | ১৯৬১ |
| স্থিতিকাল | ৫৪ মিনিট |
| ভাষা | বাংলা, ইংরেজি |

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশিষ্ট বাঙালি সাহিত্যিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন ও কর্মের উপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র।[১] ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় এই তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করেন। সত্যজিৎই এই ছবিতে ভাষ্যপাঠ করেছিলেন। সত্যজিৎ রায়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ীঃ
বালক রবি (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) ও বিশ বছর বয়স্ক যুবক রবীন্দ্রনাথের নাট্যায়িত মূহুর্তগুলি হৃদয়গ্রাহী এবং সুললিত। সত্যজিৎ রায় স্বয়ং বলেছেন, এই ছবির দশ-বারো মিনিটে প্রদর্শিত বিষয় আমার তোলা সর্বাপেক্ষা মর্মস্পর্শী ও শক্তিশালী বিষয়বস্তু।
রায় ১৯৫৮ সালের শুরুর দিকে এই তথ্যচিত্রটির কাজ শুরু করেন। সাদাকালো চিত্রে ধারণ করা এই সমাপ্ত চলচ্চিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মশতবার্ষিকী বছরে মুক্তি পেয়েছিল, যিনি ১৮৬১ সালের ৭ মে জন্মগ্রহণ করেন।[২] কবিগুরুর একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিকৃতি (অফিসিয়াল পোর্ট্রেট) হিসেবে ফুটিয়ে তোলার লক্ষ্যে রায় তার জীবনের বিতর্কিত দিকগুলো এড়িয়ে যান। যদিও ঠাকুর প্রধানত কবি হিসেবেই খ্যাত ছিলেন, তবে রায় তার কোনো কবিতা এই তথ্যচিত্রে ব্যবহার করেননি; কারণ তিনি কবিতাগুলোর ইংরেজি অনুবাদ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন না এবং বিশ্বাস করতেন যে "অনূদিত কবিতাগুলো আবৃত্তি করা হলে তা সঠিক প্রভাব তৈরি করবে না" এবং মানুষ এই অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে ঠাকুরকে "খুব বড় মাপের একজন কবি" হিসেবে বিবেচনা নাও করতে পারে।[৩] ডব্লিউ. অ্যান্ড্রু রবিনসন রচিত সত্যজিৎ রায়ের জীবনীগ্রন্থ Satyajit Ray: The Inner Eye-এ উল্লেখ করা হয়েছে যে, রায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তথ্যচিত্রটি সম্পর্কে বলেছিলেন—"এর দশ বা বারো মিনিট আমার তৈরি করা সবচেয়ে আবেগঘন এবং শক্তিশালী কাজের অন্যতম।"[৩]
প্রায়শই এক বহুমুখী প্রতিভাবান বা পলিম্যাথ হিসেবে বিবেচিত এবং গীতাঞ্জলি ও এর "গভীর সংবেদনশীল, সতেজ এবং সুন্দর পদ্য"-এর রচয়িতা হিসেবে,[৪] ঠাকুর ১৯১৩ সালে প্রথম অ-ইউরোপীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ঠাকুরের পাঁচ স্তবকের ব্রাহ্ম সঙ্গীতের প্রথম স্তবকটি ভারতের জাতীয় সঙ্গীত, "জনগণমন" হিসেবে গৃহীত হয়েছে।[৫] ঠাকুরের অন্য একটি গানের প্রথম দশটি লাইন "আমার সোনার বাংলা" ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ-এর জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।[৬] প্রসঙ্গত, শ্রীলঙ্কা-এর জাতীয় সঙ্গীত "শ্রীলঙ্কা মাতা" ঠাকুরের ছাত্র আনন্দ সমরকুন কর্তৃক রচিত ও সুরারোপিত হয়েছিল।[৭]
অ্যাকাডেমি ফাউন্ডেশনের অংশ অ্যাকাডেমি ফিল্ম আর্কাইভ সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রগুলো পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেয় এবং রায়ের ১৯টি চলচ্চিত্র সফলভাবে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়; যার মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর মূল প্রিন্ট মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া গেলেও এটি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।[৮][৯] এই চলচ্চিত্রের মূল চিত্রনাট্যটি রায়ের পুত্র সন্দীপ রায় কর্তৃক সংকলিত Original English Film Scripts Satyajit Ray নামক বইটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[১০]
পটভূমি
[সম্পাদনা]
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সারদা দেবীর ঘরে জন্মগ্রহণ করেন, যিনি তাদের জীবিত তেরোটি সন্তানের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন। সতেরো বছর বয়সে তাকে উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে পাঠানো হয়, তবে তিনি সেখানে তার পড়াশোনা শেষ করেননি। তিনি শান্তিনিকেতন-এ উপনিষদ-এর শিক্ষাদর্শের ওপর ভিত্তি করে একটি বিদ্যালয় শুরু করেন।[১১] তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন-এও অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঠাকুর ১৯১৩ সালে প্রথম অ-ইউরোপীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি তার কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি (Song Offerings)-এর জন্য এই পুরস্কারে ভূষিত হন, যার মধ্যে তার নিজের করা বাংলা কবিতার ইংরেজি অনুবাদসহ ১০৩টি কবিতা অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ রাজন্যবর্গ ঠাকুরকে নাইটহুড (স্যার উপাধি) প্রদান করে। তবে ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি এই উপাধি বর্জন করেন।[১২] ৮০ বছর বয়সে, ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার জোড়াসাঁকোর পৈতৃক বাসভবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
কাহিনীরূপ
[সম্পাদনা]সত্যজিৎ রায়-এর ধারাভাষ্যের মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি শুরু হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়াণের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া শোভাযাত্রার দৃশ্য দিয়ে। তৎকালীন "ক্যালকাটা" বা বর্তমান কলকাতা শহরের সংক্ষিপ্ত বিবরণের পর তথ্যচিত্রটিতে দ্বারকানাথ ঠাকুর-এর হাত ধরে ঠাকুর বংশের বংশলতিকা ও ইতিহাস ব্যাখ্যা করা হয়। দ্বারকানাথ ঠাকুরের জ্যেষ্ঠ পুত্র দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর সাথে ভারতীয় ধর্মীয়, সামাজিক ও শিক্ষাসংস্কারক রাজা রামমোহন রায়-এর ঘনিষ্ঠতার কথা উল্লেখ করে এবং দেবেন্দ্রনাথের চোদ্দোটি সন্তানের মধ্যে কয়েকজনের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পর তথ্যচিত্রটি শিশু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (যাকে ভালোবেসে "রবি" বলে ডাকা হতো) জন্মের দিকে এগিয়ে যায়। চলচ্চিত্রটি এরপর রবির প্রাথমিক স্কুলের দিনগুলো, বাবার সাথে উত্তর ভারত ভ্রমণ, তার বাবার সম্পাদিত পত্রিকায় প্রথম কবিতা প্রকাশ এবং উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডন গিয়েও পড়াশোনা শেষ না করে ফিরে আসার ব্যর্থ প্রচেষ্টার কাহিনী বর্ণনা করে।
তথ্যচিত্রটিতে ঠাকুরের প্রথম গীতিনাট্য বাল্মীকি-প্রতিভা-র কিছু দৃশ্য দেখানো হয়েছে, যেখানে তিনি ঋষি বাল্মীকির গল্প ফুটিয়ে তুলতে রাগপ্রধান গানের পাশাপাশি পশ্চিমা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত ব্যবহার করেছিলেন এবং নিজে মূল নামভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। মৃণালিনী দেবীর সাথে তার বিবাহের কথা উল্লেখ করে তথ্যচিত্রটিতে শান্তিনিকেতন-এ একটি নতুন বিদ্যালয় স্থাপন এবং তার সম্পূর্ণ ভিন্ন শিক্ষা পদ্ধতির উদ্দেশ্য, খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে তার স্ত্রী ও সন্তানদের অকাল মৃত্যু এবং ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে তার সম্পৃক্ততা ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এরপর এটি ১৯১২ সালে ঠাকুরের ইংল্যান্ড সফরের বিবরণ দেয়, যেখানে তার নিজের করা গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনূদিত কবিতাগুলো ইংরেজ চিত্রশিল্পী উইলিয়াম রোদেনস্টাইন-এর কাছে পরিচিতি পায় এবং তিনি এগুলো আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস-কে দেখান। এটি ইংল্যান্ডে গীতাঞ্জলি প্রকাশের পথ সুগম করে এবং এর ফলশ্রুতিতে ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার এবং ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে নাইটহুড লাভ করেন।
ঠাকুরের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিবরণ দেওয়ার পাশাপাশি তথ্যচিত্রটিতে ১৯১৯ সালের জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তার নাইটহুড উপাধি বর্জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর সাথে তার বিদ্যালয়ের জন্য তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তার বিশ্বভ্রমণ, তার আঁকা ছবি এবং তার ৭০তম জন্মজয়ন্তী উদযাপনের ঘটনাও নথিভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে বিশ্বের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের শুভেচ্ছাবার্তা নিয়ে দ্য গোল্ডেন বুক অব টেগোর (The Golden Book of Tagore) নামক একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। এই বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে ছিলেন ফরাসি নাট্যকার রোম্যাঁ রোলাঁ, জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন, গ্রিক কবি কোস্তিস পালামাস, ভারতীয় বিজ্ঞানী ও বহুবিদ্যাবিশারদ জগদীশচন্দ্র বসু এবং ভারতীয় রাজনৈতিক নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী। ঠাকুরের জীবনের শেষ দিনগুলো, বিশ্ববাসীর প্রতি তার শেষ বার্তা সভ্যতার সংকট এবং ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট ৮০ বছর বয়সে তার জন্মস্থানেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগের কথা উল্লেখ করার মধ্য দিয়ে তথ্যচিত্রটি শেষ হয়।
কলাকুশলী ও অভিনয়শিল্পী
[সম্পাদনা]অভিনয়শিল্পী
[সম্পাদনা]- রায়া চট্টোপাধ্যায়
- স্মরণ ঘোষাল
- পূর্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
- কল্লোল বোস
- সুবীর বোস
- ফণি নান
- নরম্যান এলিস
অন্যান্য কলাকুশলী
[সম্পাদনা]- ধারাভাষ্যকার: সত্যজিৎ রায়
- সম্পাদনা: দুলাল দত্ত
- উৎপাদন নিয়ন্ত্রক: অনিল চৌধুরী
- শিল্প নির্দেশনা: বংশী চন্দ্রগুপ্ত
- শব্দ পরিকল্পনা (সাউন্ড ডিজাইনার): সুজিৎ সরকার
- চিত্রগ্রহণ: সৌমেন্দু রায়
- সঙ্গীত পরিচালনা: জ্যোতিরিদ্র মৈত্র
- রূপটান (মেক-আপ): শক্তি সেন
- শব্দ গ্রহণ: সত্যেন চট্টোপাধ্যায় এবং দুর্গাদাস মিত্র
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]- ৯ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৬১): সেরা তথ্যচিত্র চলচ্চিত্রের জন্য রাষ্ট্রপতির স্বর্ণপদক (প্রেসিডেন্টস গোল্ড মেডেল)[১৩]
- ১৪তম লোকার্নো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (১৯৬১): গোল্ডেন সেল (ছোট ছবি বিভাগ)[১৪]
- মন্টেভিডিও চলচ্চিত্র উৎসব (উরুগুয়ে)
- মন্টেভিডিও চলচ্চিত্র উৎসব (১৯৬২): বিশেষ উল্লেখ (স্পেশাল মেনশন)[১]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Rabindranath Tagore@satyajitray.org"। ২৯ জুন ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Rabindranath Tagore profile@The Open University"। ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৩।
- 1 2 উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "raybook" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Rabindranath Tagore: Facts"। NobelPrize.org। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মে ২০২৩।
- ↑ "National Anthem of India"। ১৫ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Bangladesh: Amar Shonar Bangla"। NationalAnthems.me। ১১ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Sri Lanka: Sri Lanka Matha"। NationalAnthems.me। ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "restore" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Rabindranath Tagore 1961 HD Remastered | Satyajit Ray | Documentary (ইংরেজি ভাষায়), ২৯ অক্টোবর ২০২২, সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২৩
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; "rayscript" নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ "Rabindranath Tagore profile@nobel"। ১৬ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "Rabindranath Tagore"। Encyclopædia Britannica। ১৭ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৩।
- ↑ "9th National Film Awards"। International Film Festival of India। ২ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ "Golden Sail, Short Films"। pardo.ch। ১৪ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ১৯৬১-এর চলচ্চিত্র
- ১৯৬১-এর ভারতীয় চলচ্চিত্র
- ১৯৬১-এর ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র
- সত্যজিৎ রায় পরিচালিত চলচ্চিত্র
- ভারতীয় জীবনীসংক্রান্ত চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার ভারতীয় চলচ্চিত্র
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কিত সৃষ্টিকর্ম
- ভারতীয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামাঙ্কিত স্মারক
- নোবেল বিজয়ী সম্পর্কে চলচ্চিত্র
- সাদাকালো প্রামাণ্য চলচ্চিত্র
- ইংরেজি ভাষার প্রামাণ্য চলচ্চিত্র