পাতি কালিদামা
| পাতি কালিদামা Turdus merula | |
|---|---|
| পুরুষ পাতি কালিদামা | |
| স্ত্রী পাতি কালিদামা | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | অ্যানিমালিয়া |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| উপপর্ব: | ভার্টিব্রাটা |
| শ্রেণী: | এভিস |
| বর্গ: | প্যাসারিফর্মিস |
| পরিবার: | তুর্দিদি |
| গণ: | তুর্দাস |
| প্রজাতি: | T. merula |
| দ্বিপদী নাম | |
| Turdus merula লিনায়াস, ১৭৫৮ | |
পাতি কালিদামা (বৈজ্ঞানিক নাম:Turdus merula) (ইংরেজি: Common blackbird) হচ্ছে Turdidae পরিবারের Turdus গণের পাখি। একে ইউরেশীয় কালিদামাও বলা হয়।[২] এই পাতি কালিদামা পাখি অন্য প্রজাতির সাথে থাকলেও চিনতে সমস্যা হয় না। এরা ইউরোপ, এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকায় বাস করে এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও এই প্রজাতি দেখা যায়।[৩] এই পাখির বিস্তারের পরিসর জুড়ে উপ-প্রজাতিও আছে। কিছু এশীয় উপ-প্রজাতিকে কখনও কখনও মূল প্রজাতি বলে মনে করা হয়। অক্ষাংশের উপর নির্ভর করে, পাতি কালিদামা হতে পারে আবাসিক, বা আংশিকভাবে পরিযায়ী বা সম্পূর্ণ পরিযায়ী।
এই প্রজাতির প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে পাখি সারা ইউরোপ জুড়ে দেখতে পাওয়া যায়। এরা হলুদ রিং বিশিষ্ট্য কালো চোখ এবং হলুদ ঠোঁট হয়ে থাকে, এরা সুমধুর গান গায়। প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে এবং অল্প বয়স্কদের প্রধানত গাঢ় বাদামী পালক আছে। এই প্রজাতি জঙ্গল এবং বাগানে, বিভিন্ন ধরনের কাদা-মাটির রেখায়, পরিচ্ছন্ন বাসা বানিয়ে প্রজনন কাজ শুরু করে। এই পাখি সর্বভূক, কীটপতঙ্গ, কেঁচো, বেরি, এবং ফল প্রচুর খায়।
প্রজননের ভিত্তিতে ছেলে-মেয়ে উভয়ই আঞ্চলিক হয়, প্রচুর উল্লেখযোগ্য ভয় দেখায়, কিন্তু স্থানান্তরের সময় এবং শীতকালে এলাকা পরিবর্তন স্বতঃস্ফূর্তভাবে হয়। সারা বছর জুড়ে যেখানকার জলবায়ু পর্যাপ্ত নাতিশীতোষ্ণ সেই এলাকায় জোড়ারা অবস্থান করে।




শ্রেণিবিন্যাস
[সম্পাদনা]পাতি কালিদামা সম্পর্কে কার্ল লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে 10th edition of Systema Naturae বইতে বর্ণনা করেছেন।[৪] ট্রুডুস গণে মাঝারি থেকে বড় আকারের মোট ৬৫টি প্রজাতি রয়েছে, যাদের মাথা বড়, পাখা লম্বা ও তীক্ষ্ণ আর কণ্ঠ সুরালো। ইউরোপের দুটি প্রজাতি, song thrush (সং থ্রাশ) ও mistle thrush ইউরেশিয়া থেকে উদ্ভূত, আফ্রিকার উত্তর থেকে ছড়িয়ে পরে, যদিও পাতি কালিদামা আফ্রিকা থেকে ক্যারিবীয় অঞ্চল হয়ে পরবর্তীকালে ইউরোপ পৌঁছেছে।
১৪৮৬ সালের রেকর্ড মতে এর প্রথম নাম ছিলও "কালিদামা" ("blackbird") পরবর্তিতে নাম হয়েছে পাতি কালিদামা।[৫] শেক্সপীয়ারের এ মিডসামার নাইট'স ড্রিম নাটকে এই পাখির কথা উল্লেখ আছে, সেখানে Nick Bottom নামে চরিত্রটি বলেছে "The Woosell cocke, so blacke of hew, With Orenge-tawny bill"।[৬]
উপপ্রজাতি
[সম্পাদনা]এই প্রজাতি একটি বিশাল প্যাসারিফর্মিস প্রজাতির মধ্যে পড়ে। বিভিন্ন ভৌগোলিক সীমারেখায় এর বিভিন্ন উপ-প্রজাতি স্বীকৃত আছে।[৭]
- T. m. merula মনোনীত উপপ্রজাতি, আইসল্যান্ড থেকে ইউরোপের বেশিরভাগই জুড়েআছে, এছাড়া ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ, উরাল পর্বতমালা, নীলনদ অববাহিকায় সাধারণত এই প্রজাতি থাকে।[৭]
- Azores মধ্যে বংশবৃদ্ধি যা একটি ছোট জাতি।
- T. m. azorensis হচ্ছে ছোট উপপ্রজাতি। এই প্রজাতির ছেলে পাখি Merulaএর তুলনায় গাঢ় এবং চকচকে হয়।[৮]
- T. m. cabrerae AngelCabrera-এর থেকে দেয়া নাম, পতুগার্লের মাদেইরা ও স্পেন এর কানারি দ্বীপপুঞ্জ-এ প্রজনন করে এবং azorensis উপপ্রজাতির অনুরুপ।[৮]
- T. m. mauretanicus এর পালক কালো ও চকচকে। উত্তর মরক্কো, আলজেরিয়া, উত্তর তিউনিসিয়া থাকে। [৮]
- T m. aterrimus এই প্রজাতি তুরস্ক, কাতার, গ্রিস, ইরাক অঞ্চলে থাকে। [৮]
- T. m. syriacus এই প্রজাতি তুরস্ক, জর্দান, ইসরাইল, সিনাই উপদ্বীপ, নীলনদে থাকে।[৭]
- T. m. intermedius তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, চীন, ইরাকে থাকে।[৯]
একই প্রজাতিসমূহ
[সম্পাদনা]ইউরোপে, পাতি কালিদামা Ring ouzel (Turdus torquatus) বা চিত্রা শালিকএর সাথে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ।[১০] ট্রুডুস গণের আরো কিছু দামা পাখি পাতি কালিদামার এলাকার বাইরে বাস করে, উদাহরণস্বরূপ দক্ষিণ আমেরিকার Chiguanco thrush (Turdus chiguanco).[১১] ভারতীয় কালিদামা, তিব্বতী কালিদামা এবং চীনা কালিদামাকে আগে উপপ্রজাতি বলে গণ্য করা হতো।[১২]
বিবরণ
[সম্পাদনা]পাতি কালিদামার উপ-প্রজাতি T. m. merula-দের দৈর্ঘ্য ২৩.৫ থেকে ২৯ সেন্টিমিটার (৯.২৫ থেকে ১১.৪ ইঞ্চি), এদের একটি দীর্ঘ পুচ্ছ আছে এবং ওজনে প্রায় ৮০-১২৫ গ্রাম (২.৮ থেকে ৪.৪ আউন্স) হয়ে থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের পাখির চকচকে কালো পালক থাকে, পায়ের রং কালো-বাদামী রঙের, হলুদ, কমলা-হলুদ রিং বিশিষ্ট্য কাল চোখ রয়েছে। শীতকালে ঠোঁটের কালোভাব আরও গাঢ় হয়। প্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে পাখির পালকের রং ধূসর হলদে-বাদামী কালো, গলার পালকের রং বাদামী-সাদা।
অল্প বয়স্ক মেয়ে পাখির উপরের অংশে ফ্যাকাশে দাগ আছে, এবং বুকের পাখনাগুলো দাগযুক্ত । প্রথম বছর ছেলে পাখিকে দেখতে প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে পাখির অনুরূপ মনে হয়, কিন্তু এদের গাঢ় কালো চোখে হালকা হলদে রিং থাকে এবং এর ভাঁজযুক্ত ডানায় শরীরের পালকের মতো কালচে-বাদামী রঙের পালক থাকে।[৭]
বণ্টন ও আবাস
[সম্পাদনা]পাতি কালিদামা পাখি প্রজনন করে মূলত ইউরেশিয়া অঞ্চলে, তাছাড়াও এই প্রজাতি উত্তর আফ্রিকা, কানারি দ্বীপপুঞ্জ, এবং দক্ষিণ এশিয়ার বাস করে। এই পাখি অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডও চলাচল করে।[৭] অবস্থানের দক্ষিণ এবং পশ্চিম অংশের পরিসীমা অঞ্চলে এদের সংখ্যা বেশি হয়, যদিও উত্তরের পাখিগুলো শীতকালে পরিযায়নের সময় দক্ষিণে যায়, যতদূর সম্ভব উত্তর অফ্রিকায় ও ক্রান্তীয় এশিয়ায়। শীতকালে শহরের ছেলে পাখি গ্রামীণ ছেলে পাখির তুলনায় বেশি শীত সহ্য করতে পারে।[১৩] কম উষ্ণ অঞ্চল এবং প্রচুর খাদ্যের সন্ধানে পাখিগুলো পরিযায়ন প্রক্রিয়া শুরু করে এবং বছরের শুরুতে এই প্রক্রিয়া শুরু করতে হয়। দক্ষিণ নরওয়ে, ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম, হল্যান্ড, ডেনমার্ক, এবং সুইডেন পর্যন্ত এই পরিযায়ন বিস্তৃত থাকে।[১৪] ছেলে পাখির চেয়ে মেয়ে কালিদামা স্কটল্যান্ড ও উত্তর ইংল্যান্ডে বেশি যায়।[১৫]
কালিদামা পাখি উচু কাঠের গাছে বাসা তৈরি করে। বড় বাগানগুলিতে হেক্টর প্রতি ৭.৩ জোড়া অর্থাৎ প্রতি একরে তিন জোড়া পর্যন্ত প্রজননের আবাস করে থাকে।[১৬] এছাড়া ঘনত্বপূর্ণ, খোলা, প্রাচুয্যপূর্ণ বনভূমি এদের প্রজননের জন্য উপযোগী।[১৭] এই প্রজাতি উঁচুতে থাকতে পছন্দ করে। এছাড়াও পাতি কালিদামা বসবাস করে থাকে পার্ক, বাগান এবং ঝোপালো গাছের সারিতে।[১৮]
পাতি কালিদামা ইউরোপে ১০০০ মিটার (৩৩০০ ফুট), উত্তর আফ্রিকায় ২৩০০ মিটার বা ৭৫৯০ ফুট, এবং ভারত ও শ্রীলঙ্কা উপদ্বীপে ৯০০-১৮২০ মিটার (৩০০০-৬০০০ ফুট) উচ্চতায় দেখা যায়।T. m. maximus সর্বাধিক ৩২০০-৪৮০০ মিটার (১০৫৬০-১৬০০০ ফুট) এবং শীতকালে সর্বোচ্চ ২১০০ মিটার (৬৯৩০ ফুট) উচ্চতায় পাওয়া যায়। এই প্রজাতি নিজেদের ব্যপ্তি স্থান ইউরেশিয়ার ব্যতিরেকে অন্য এলাকাতে ভবঘুরেদের মতো বিচরণ করে।
আচরণ ও বাস্তুসংস্থান
[সম্পাদনা]


ছেলে পাতি কালিদামা প্রজনন এলাকা রক্ষা করে, অন্য ছেলে পাখিদের থেকে দুরত্ব বজায় রাখার জন্য হুমকিমূলক আচরণ প্রদর্শন করে। কখনও প্রজনন এলাকায় শত্রু পক্ষ প্রবেশ করলে ছেলে পাতি কালিদামা মারামারি বাধায় এবং অল্প সময়ে শত্রুকে তাড়িয়ে দেয়। বসন্ত কালে অনুকূল পরিবেশে বাসা তৈরির জন্য অন্য পাখির সাথে প্রতিযোগিতা শুরু হয় এবং মেয়ে কালিদামা সেই সময় আগ্রাসি হয়ে ওঠে এবং যদিও এইসময় মারামারি খুব অল্প ক্ষেত্রেই হয়, কিন্তু মারামারির ঝোঁক থাকে ভয়ংকর।[১৬]
পাতি কালিদামার ঠোঁট পারস্পরিক আকর্ষণ ও উপস্থিতি বুঝানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এলাকা ধরে রাখার জন্য কমলা ঠোঁটের পাখি বেশি আক্রমনাত্বক হয় হলুদ ঠোঁটি পাখির চেয়ে। মেয়ে পাখি যদিও ঠোঁটের রংয়ের ক্ষেত্রে উদাসীন তদুপরি আকৃষ্ট হয় ঠোঁটের রং ও উজ্জ্বলতা দেখে।[১৯]
এক এলাকায় শীতকালে যতক্ষণ খাদ্য পাওয়া যায়, ছেলে ও মেয়ে পাখি উভয়ই একসাথে সেই অঞ্চলে থাকবে, যদিও বিভিন্ন এলাকা দখলে রাখে। পরিযায়নের জন্য দলবদ্ধ হয় এবং ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে চলে। পরিযায়নের সময় পাখা দ্রুত চালাতে হয়, এই সময় পাখিদের অনেক দ্রুত গতির হতে হয়।[৮]
প্রজনন
[সম্পাদনা]ছেলে পাতি কালিদামা মেয়ে পাতি কালিদামার সাথে মিলনে আকৃষ্ট করার জন্য বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি করতে থেকে; আকর্ষণ করার জন্য উড়াউড়ি করে মেয়ের আশেপাশে, ঠোঁটের বিভিন্ন ভঙ্গি করে, মাথাকে নানাভাবে ঘুরায়, গলা চেপে ধীরে ধীরে সুর করে ডাকতে থাকে। মেয়ে পাখিটি স্থির থাকে আর ছেলে পাখিটা নিজের মাথা ও লেজ নাড়িয়ে যায় যতক্ষণ না অন্যদিক থেকে সম্মতি আসে। ছানা বড় হওয়া পর্যন্ত ছেলে ও মেয়ে পাখি একসাথে থাকে।[১৬] জোড়ার বিচ্ছেদের কারণে প্রজনন হার ২০% কমে যায়।[২০] এই প্রজাতি মূলত একগামী বা একজনের সাথে সম্পর্ক রাখে, তবে গবেষণায় দেখা যায় শতকরা ১৭ ভাগ অতিরিক্ত প্রজনন অতিরিক্ত-পিতৃত্ব অবস্থায় ঘটে থাকে।[২১] সাধারনত মনোনীত T. merula মার্চ মাসে প্রজননকাল শুরু করে। কিন্তু পূর্ব অঞ্চলে ও ভারতীয় দ্বীপ অঞ্চলে এক মাস বা তার বেশি পরে প্রজননকাল শুরু হয়, এবং নিউজিল্যান্ডে পাখিগুলো আগস্টে অর্থাৎ শীতকালের শেষে বাসা বানাতে শুরু করে।[৭] প্রজননের জন্য জোড়ারা তৈরি করে আরামদায়ক নীড়, এজন্য তারা ব্যবহার করে লতা ও গুল্ম। নীড়ের ছাউনি বা বাইরের আবরণ ভালভাবে তৈরি করে। গোল আকারের বাসা বানানোর জন্য ঘাস, পাতা, গাছের ছোট ছোট টুকরা কাদা মাটি ব্যবহার করে। এটি একা মেয়ে পাখি দ্বারা নির্মিত। মেয়েটি তিন থেকে পাঁচটি (সাধারণত চারটি) নীল সবুজ ডিম দেয়।[১৬]
পাতি কালিদামা ২.৪ বছর গড় আয়ু ধারণ করে,[২২] তবে অতীতের রেকর্ড থেকে বয়স ২১ বছর ১০ মাস পর্যন্ত দেখা গেছে।[২৩]
- বাসা বাঁধার উপকরণসহ স্ত্রী পাখি
- বাসায় পাখির ডিম
- একটি বাসায় দুটি ছানা
- পাতি কালিদামা বাচ্চাগুলোকে খাওয়ানো হচ্ছে
- পুরুষ পাখি ছানাদের খাওয়াচ্ছে
- ইংল্যান্ডের নরফোকে সাধারণ কৃষ্ণচূড়া শিকারী পাখি
- ফ্রান্সের তুলুজের কাছে ডুমুর খাচ্ছে
- ছানাকে খাওয়ানো এবং মলত্যাগের থলি অপসারণ করা
গান ও ডাক
[সম্পাদনা]উত্তর গোলার্ধে অল্প বয়স্ক ছেলে পাতি কালিদামা বছরের শুরুতে জানুয়ারীর শেষের দিকে শীত আবহাওয়াতে গান গাওয়ার জন্য একটি অঞ্চল বেছে নেয়, মার্চের শেষে প্রজাতিটি পুরোপুরি গান শিখে যায়। ছেলে পাখির গানের কন্ঠ বৈচিত্র্যময় এবং সুমধুর বাঁশির সুরের মতো। মূলত মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত গাছ, ছাদ বা অন্যান্য উঁচু স্থানে এই পাখি গান গায়, মাঝে মাঝে জুলাই মাসেও গায়। এদের ডাকের সুর পুক পুক পুক বা কুক কুক কুক, সন্ধ্যাবেলায় ছেলে পাখি চিংক চিংক শব্দে ডাকে ও অন্য পাখিকে সংকেত দেয়। যখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল পড়ে তখন কালিদামা পাখিদের মধ্যে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করে, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে তারা সুর করে গান গায় না।[২৪] অন্য পাখির মতো নিজেকে শিকারের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য চিকন সুরে উচ্চ কন্ঠে হুমকির সুরে সিইইই ডাকে এবং গাছের পাতা বা স্থান দ্রুত ত্যাগ করে নিজেকে আড়াল করে।[২৫]
খাদ্যাভ্যাস
[সম্পাদনা]
পাতি কালিদামা সর্বভুক প্রাণী, এরা কীটপতঙ্গ, কেঁচো, বীজ এবং তুঁতজাতীয় ফল খায়। এরা মাটিতে পড়ে থাকা খাবার খায়। এরা মাটি থেকে কেঁচো টেনে বের করে, এদের দৃষ্টিশক্তি তীক্ষ্ণ, কিন্তু কখনও কখনও শ্রবণ শক্তির মাধ্যমেও খাবার খুঁজে বের করে এবং অন্যান্য অমেরুদণ্ডীদের গাছের শিকড় বা পাতা থেকে খুঁজে বের করে। এরা উভচর ও সরীসৃপ প্রাণী শিকার করে। বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় সংগ্রহ করে খায় ও বাচ্চাদের খাওয়ায়।[১৬]
প্রাকৃতিক হুমকি
[সম্পাদনা]
মানুষের বাসস্থানের কাছাকাছি পাতি কালিদামা থাকলে এদের প্রধান শিকারী গৃহপালিত বিড়াল, মূলত ছানাদের জন্য সেটা অনেক বিপদজনক। কিছু শিকারি পাখি এদের ধরে খায়।[২৬] কালিদামার ডিম, বাচ্চা ও মা পাখি বেশি হুমকির সম্মুখীন হয়।[২৭] এরা মাঝে মাঝে বাসা পরজীবীতার জন্য কোকিল দ্বারা আক্রান্ত হয়, এছাড়াও বাজ পাখি ও কালিদামার অন্য প্রজাতি দ্বারা ডিম ও ছানা নষ্ট হয়।[২৮] এই পাখির বাসায় কোকিলের ডিমও পাওয়া যায়।[২৯] দীর্ঘদিন থেকে এইভাবে চলে আসছে তাই প্রাপ্তবয়স্করাও কোকিলের ডিম চিনতে ভুলে যায়।[৩০]
অন্য প্যাসারিফর্মিস পাখির মতো এরাও সাধারণ পরজীবি দ্বারা আক্রান্ত হয়। শতকরা ৮৮ ভাগ পাতি কালিদামা পাখির অন্ত্রে পরজীবী পাওয়া যায়।[৩১] এছাড়াও ৮০% এর বেশি পাতি কালিদামাতে হিম্যাটোজোয়ান পরজীবী থাকে।[৩২]
পাতি কালিদামা বেশিরভাগ সময় মাটিতে খাবার খোঁজে এবং দেখে কোথায় কীটপতঙ্গ আছে, এর ফলে পরজীবী বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পাতি কালিদামার মাথায় আক্রমণ করে।[৩৩] উকুন জাতীয় রোগ সংক্রামক জীবাণু ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া ও বোরেলিয়া ব্যাকটেরিয়া পাখির শরীরে প্রবেশ করে আক্রান্ত করে।[৩৪]
পাতি কালিদামা প্রজাতিটি বেশি ঘুমায় কারণ এতে তাদের মস্তিষ্কের অর্ধেক বিশ্রাম নেওয়া হয় এবং অন্য অর্ধেক সময় সতর্ক থাকে। এর ফলে সুবিধে হয়, শিকার ধরার সময় পরিশ্রম করতে পারে ও দূরে যেতে হলে অনেকক্ষণ উড়তে পারে এবং নিজেকে রক্ষা করার সময় মনোযোগী থাকতে পারে।[৩৫]

(১৭৭০) এ পাতি কালিদামা পাখির ঐতিহাসিক চিত্র
অবস্থা এবং সংরক্ষণ
[সম্পাদনা]পাতি কালিদামার বিস্তৃতি পরিসর ব্যাপক, আনুমানিক ১০ মিলিয়ন (নিযুত) বর্গ কিলোমিটার এলাকায় এদের বাস এবং ইউরোপে এদের সংখ্যা বেশি, প্রায় ৭৯ থেকে ১৬০ মিলিয়ন সংখ্যায় হবে। আইআইসিএন রেড লিস্ট অনুযায়ী এই প্রজাতিটি ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত।[৩৬] উত্তর আফ্রিকা এবং আরব উপদ্বীপের এর সংখ্যা স্থিতিশীল,[৮] কিন্তু এদের সংখ্যা এখন কমতে শুরু করেছে বিশেষ করে কৃষিভূমিতে, কৃষি সম্প্রসারণের কারণে বনভূমি কমে যাচ্ছে ও খাবারের পরিমাণ কমে যাচ্ছে।[৩৭]
অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে ১৮৫৭ সালে এই প্রজাতি বেশ ছিলো,[৩৮] ১৮৫৭-এর পরে মেলবোর্নার পাদদেশে এটির পরিমাণ বাড়তে থাকে, এবং অ্যাডিলেড দক্ষিণ-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার অন্তর্ভুক্ত, ও তাসমানিয়া, ব্যাস প্রণালীর দ্বীপসমূহে এই প্রজাতির বৃদ্ধি ঘটে।[৩৯] মনে করা হয় এই পাখি বিভিন্ন প্রকার আগাছা ছড়ায়, ব্ল্যাকবেরি খায়, স্থানীয় পাখিদের মধ্যে খাবার ও বাসস্থান নিয়ে প্রতিযোগিতা চলে।[৩৮][৪০]
পাতি কালিদামা অনেক উচ্চতায় যেতে পারে। এরা ১,৫০০ মিটার (৪,৯২১ ফুট) উচ্চতায় এবং ক্যাম্পবেল এবং কেরমারডেসের মতো দূরবর্তী দ্বীপগুলির উপরে উড়ে যায়।[৪১] এটি স্থানীয় এবং বিদেশি ফল খায় এবং প্রাকৃতিকভাবে বন বা আগাছা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।[৪২]
সংস্কৃতিতে
[সম্পাদনা]
পাতি কালিদামাকে ধ্রুপদী গ্রিক লোককথায় পবিত্র, যদিও ধ্বংসাত্মক, পাখি হিসাবে দেখা হতো।[৪৩] অন্য আনেক ছোট পাখির মতো গ্রামীণ এলাকায় রাতে এই পাখি শিকার করা হতো।[৪৪]
বিশিষ্ট লেবানিজ গায়িকা, আরব বিশ্বের বিশ শতকের বৃহত্তম রেকর্ডিং এবং চলচ্চিত্র তারকা, সাবাকে তার সুন্দর কণ্ঠস্বরের কারণে ও শৈল্পিক কর্মজীবনের জন্য "blackbird of the valley" ডাক নামে ডাকা হতো।[৪৫]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ BirdLife International (২০১৬)। "Turdus merula"। The IUCN Red List of Threatened Species। ২০১৬। IUCN: e.T১০৩৮৮৮১০৬A৮৭৮৭১০৯৪। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2016-3.RLTS.T103888106A87871094.en। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১৮।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Alderfer, Jonathan, সম্পাদক (২০০৬)। Complete Birds of North America। Washington, D.C.: National Geographic Society। পৃ. ৪৮৯। আইএসবিএন ০-৭৯২২-৪১৭৫-৪।
- ↑ Long, John L. (1981). Introduced Birds of the World. Agricultural Protection Board of Western Australia. pp. 21–493
- ↑ Linnaeus, Carolus (১৭৫৮)। Systema naturae per regna tria naturae, secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis. Tomus I. Editio decima, reformata (Latin ভাষায়)। Holmiae (Laurentii Salvii)। পৃ. ১৭০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - ↑ Oxford English Dictionary, Oxford University Press, 1933: Bird (sense 2), Blackbird
- ↑ Lockwood, W. B. (১৯৮৪)। Oxford Book of British Bird Names। Oxford: Oxford University Press। আইএসবিএন ০-১৯-২১৪১৫৫-৪।
- 1 2 3 4 5 6 Clement, Peter; Hathway, Ren; Wilczur, Jan (২০০০)। Thrushes (Helm Identification Guides)। Christopher Helm Publishers Ltd.। আইএসবিএন ০-৭১৩৬-৩৯৪০-৭।
- 1 2 3 4 5 6 Snow, David; Perrins, Christopher M., সম্পাদকগণ (১৯৯৮)। The Birds of the Western Palearctic concise edition (2 volumes)। Oxford: Oxford University Press। আইএসবিএন ০-১৯-৮৫৪০৯৯-X। p1215–1218
- ↑ Collar, N. J. (2005). Common Blackbird (Turdus merula). p. 645 in: del Hoyo, J., Elliott, A., & Christie, D. A. eds. (2005) Handbook of the Birds of the World. Vol. 10. Cuckoo-shrikes to Thrushes. Lynx Edicions, Barcelona. আইএসবিএন ৮৪-৮৭৩৩৪-৭২-৫
- ↑ Mullarney, Killian; Svensson, Lars, Zetterstrom, Dan; Grant, Peter. (2001). Birds of Europe. Princeton University Press. p 304–306 আইএসবিএন ০-৬৯১-০৫০৫৪-৬
- ↑ Fjeldså, J., & N. Krabbe (1990). The Birds of the High Andes. Zoological Museum, University of Copenhagen, Copenhagen. আইএসবিএন ৮৭-৮৮৭৫৭-১৬-১
- ↑ Gill, F.; Donsker, D. (২০ জুলাই ২০১৫)। "Thrushes"। IOC World Bird List, version 5.3। সংগ্রহের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫।
- ↑ Partecke, J.; Gwinner, E. (২০০৭)। "Increased sedentariness in European blackbirds following urbanization: a consequence of local adaptation?"। Ecology। ৮৮ (4): ৮৮২–৯০। ডিওআই:10.1890/06-1105। পিএমআইডি 17536705।
- ↑ Eggeling W J "The Isle of May: a Scottish nature reserve" Oliver and Boyd (1960) page 108
- ↑ Snow D "A Study of Blackbirds" (1958) page 173
- 1 2 3 4 5 Snow, David (১৯৮৮)। A Study of Blackbirds। British Museum (Natural History)। আইএসবিএন ০-৫৬৫-০১০২১-২।
- ↑ Evans G (১৯৭২)। The Observer's Book of Birds' Eggs। London: Warne। পৃ. ৭৮। আইএসবিএন ০-৭২৩২-০০৬০-২।
- ↑ Holden, Peter (২০১২)। RSPB Handbook Of British Birds। পৃ. ২২৫। আইএসবিএন ৯৭৮ ১ ৪০৮১ ২৭৩৫ ৩।
- ↑ Bright, Ashleigh; Waas, Joseph R. (আগস্ট ২০০২)। "Effects of bill pigmentation and UV reflectance during territory establishment in blackbirds" (পিডিএফ)। Animal Behaviour। ৬৪ (2): ২০৭–২১৩। ডিওআই:10.1006/anbe.2002.3042। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুলাই ২০১৯।
- ↑ Streif, Michael; Rasa O. Anne E. (২০০১)। "Divorce and its consequences in the Common blackbird Turdus merula"। Ibis। ১৪৩ (4): ৫৫৪–৫৬০। ডিওআই:10.1111/j.1474-919X.2001.tb04882.x।
- ↑ Garamszegia, László Zsolt; Anders Pape Møller (২০০৪)। "Extrapair paternity and the evolution of bird song"। Behavioral Ecology। ১৫ (3): ৫০৮–৫১৯। ডিওআই:10.1093/beheco/arh041।
- ↑ "British garden birds – lifespan"। garden-birds.co.uk। ২৪ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০০৭।
- ↑ "European Longevity Records"। euring.org। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০০৭।
- ↑ "Blackbird"। British Garden Birds। ৯ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জানুয়ারি ২০১৬।
- ↑ Burton, Robert (১৯৮৫)। Bird behaviour। London: Granada। পৃ. ১২৫। আইএসবিএন ০-২৪৬-১২৪৪০-৭।
- ↑ "Blackbird Action Plan" (পিডিএফ)। Lambeth Council's Parks and Greenspaces Business Unit। ৫ অক্টোবর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০০৭।
- ↑ "Blackbird – Turdus merula"। The Royal Horticultural Society/The Wildlife Trusts। ২৯ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১২।
- ↑ Davies, N. B.; Brooke, M. de L. (১৯৮৯)। "An experimental study of co-evolution between the Cuckoo, Cuculus canorus, and its hosts. I. Host egg discrimination"। Journal of Animal Ecology। ৫৮ (1): ২০৭–২২৪। ডিওআই:10.2307/4995। জেস্টোর 4995।
- ↑ Glue, David; Morgan, Robert (১৯৭২)। "Cuckoo hosts in British habitats"। Bird Study। ১৯ (4): ১৮৭–১৯২। ডিওআই:10.1080/00063657209476342।
- ↑ Hale, Katrina; Briskie, James V. (মার্চ ২০০৭)। "Response of introduced European birds in New Zealand to experimental brood parasitism" (পিডিএফ)। Journal of Avian Biology। ৩৮ (2): ১৯৮–২০৪। ডিওআই:10.1111/j.2007.0908-8857.03734.x। আইএসএসএন 0908-8857। ১৩ জানুয়ারি ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১২।
- ↑ Misof, Katharina (২০০৫)। Eurasian Blackbirds (Turdus merula) and their gastrointestinal parasites: A role for parasites in life-history decisions? (পিডিএফ)। Doctoral dissertation, Bonn। ১৯ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ Hatchwell, B. J.; Wood; Anwar, M. J. M.; Perrins C. M. (২০০০)। "The prevalence and ecology of the haematozoan parasites of European blackbirds, Turdus merula"। Canadian Journal of Zoology। ৭৮ (4): ৬৮৪–৬৮৭। ডিওআই:10.1139/cjz-78-4-684।
- ↑ Gregoire, Arnaud; Faivre, Bruno; Heeb, Philipp; Cezilly, Frank (২০০২)। "A comparison of infestation patterns by Ixodes ticks in urban and rural populations of the Common Blackbird Turdus merula" (পিডিএফ)। Ibis। ১৪৪ (4): ৬৪০–৬৪৫। ডিওআই:10.1046/j.1474-919X.2002.00102.x। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- ↑ Kipp, Susanne; Goedecke, Andreas; Dorn, Wolfram; Wilske, Bettina; Fingerle, Volke (মে ২০০৬)। "Role of birds in Thuringia, Germany, in the natural cycle of Borrelia burgdorferi sensu lato, the Lyme disease spirochaete"। International Journal of Medical Microbiology। ২৯৬: ১২৫–১২৮। ডিওআই:10.1016/j.ijmm.2006.01.001। পিএমআইডি 16530003।
- ↑ Rattenbourg, Neils C.; Amlaner, C. J.; Lima, S.L. (২০০০)। "Behavioral, neurophysiological and evolutionary perspectives on unihemispheric sleep"। Neuroscience and Biobehavioral Reviews। ২৪ (8): ৮১৭–৮৪২। ডিওআই:10.1016/S0149-7634(00)00039-7। পিএমআইডি 11118608।
- ↑ BirdLife International (২০১৪)। "Turdus merula"। IUCN Red List of Threatened Species। ২০১৪। IUCN: e.T২২৭০৮৭৭৫A৬২৫৭৮৬৪৪। ডিওআই:10.2305/IUCN.UK.2014-2.RLTS.T22708775A62578644.en।
- ↑ "Threats"। Blackbird। Royal Society for the Protection of Birds। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭।
- 1 2 Clarke, G. M.; Gross, S., Matthews, M.; Catling, P. C.; Baker, B.; Hewitt, C. L.; Crowther, D.; Saddler, S. R. (2000), Environmental Pest Species in Australia, Australia: State of the Environment, Second Technical Paper Series (Biodiversity), Department of the Environment and Heritage, Canberra.
- ↑ "Common Blackbird"। Birds in Backyards। Australian Museum। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০০৭।
- ↑ "Blackbird"। Department of Agriculture, Western Australia। ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪। ২৬ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ Falla, R. A., R. B. Sibson, and E. G. Turbott (1979). The new guide to the birds of New Zealand and outlying islands. Collins, Auckland. আইএসবিএন ০-০০-২১৬৯২৮-২
- ↑ Williams, Peter A (২০০৬)। "The role of blackbirds (Turdus merula) in weed invasion in New Zealand" (পিডিএফ)। New Zealand Journal of Ecology। ৩০ (2): ২৮৫–২৯১।
- ↑ Cooper, J.C. (১৯৯২)। Symbolic and Mythological Animals। London: Aquarian Press। পৃ. ৩৮। আইএসবিএন ১-৮৫৫৩৮-১১৮-৪।
- ↑ Cocker, Mark; Mabey, Richard (২০০৫)। Birds Britannica। London: Chatto & Windus। পৃ. ৩৪৯–৩৫৩। আইএসবিএন ০-৭০১১-৬৯০৭-৯।
- ↑ Gharib, Ashraf (৯ নভেম্বর ২০১৮)। "Remembering Sabah: Iconic Lebanese-Egyptian singer and actress"। Ahram Online।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|কর্ম=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য)