নিরোশন বন্দরতিলকে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
নিরোশন বন্দরতিলকে
නිරෝෂන් බණ්ඩාරතිලක
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমাপা রালালাগে চন্দিমা নিরোশন বন্দরতিলকে
জন্ম (1975-05-16) ১৬ মে ১৯৭৫ (বয়স ৪৫)
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৭২)
২৭ মে ১৯৯৮ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৯ নভেম্বর ২০০১ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৯৬)
২১ জুন ১৯৯৮ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই৭ জুলাই ১৯৯৮ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা ৯৩
ব্যাটিং গড় ১১.৬২
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ২৫
বল করেছে ১৭২২ ১৪৪
উইকেট ২৩
বোলিং গড় ৩০.৩৪ ৫৫.৫০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৫/৩৬ ২/৩৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- -/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২১ জুন ২০২০

মাপা রালালাগে চন্দিমা নিরোশন বন্দরতিলকে (সিংহলি: නිරෝෂන් බණ්ඩාරතිලක; জন্ম: ১৬ মে, ১৯৭৫) কলম্বো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৯০-এর দশকের শেষার্ধ্ব থেকে ২০০০-এর দশকের সূচনাকাল পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।[১][২][৩]

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে বাদুরেলিয়া স্পোর্টস ক্লাব, বাসনাহিরা নর্থ, কোল্টস ক্রিকেট ক্লাব এবং তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন নিরোশন বন্দরতিলকে

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৯৩-৯৪ মৌসুম থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিরোশন বন্দরতিলকে’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৯৯৪ থেকে ২০০৯ সময়কালে বাদুরেলিয়া স্পোর্টস ক্লাবের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্ট ও তিনটিমাত্র একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন নিরোশন বন্দরতিলকে। ২৭ মে, ১৯৯৮ তারিখে কলম্বোয় সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২৯ নভেম্বর, ২০০১ তারিখে একই মাঠে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক সিরিজেই তাৎক্ষণিক সফলতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হন। তার বোলিংয়ের ধরন অনেকাংশেই বিখ্যাত বোলার মুত্তিয়া মুরালিধরনের অনুরূপ ছিল। সচরাচর, নিচেরসারির ব্যাটসম্যানেরাই তার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতেন। তাসত্ত্বেও, নিজস্ব দ্বিতীয় টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলায় ৮৩ রান খরচায় ৯ উইকেট দখল করেছিলেন। সব মিলিয়ে সিরিজে ষোল উইকেট দখল করেছিলেন।

তবে, ইংল্যান্ডে পরবর্তী সফরে খুব কমই ভূমিকা রাখেন। মাত্র দুইটি প্রস্তুতিমূলক খেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় এশিয়ান টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের বিপক্ষে পুণরায় তাকে দলে নেয়া হয়। ড্র হওয়া ঐ টেস্টে বেশ আটোসাটো বোলিং করে তিন উইকেট পান।

এরপর থেকে বিস্ময়করভাবে দল নির্বাচকমণ্ডলী কর্তৃক উপেক্ষিত হন ও নিজ দেশে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাকে দলে রাখা হয়নি।

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

টেস্টে ৫-উইকট লাভ
# পরিসংখ্যান খেলা প্রতিপক্ষ মাঠ শহর দেশ সাল
৫/৩৬  নিউজিল্যান্ড গালে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম গালে শ্রীলঙ্কা ১৯৯৮

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. List of Sri Lanka Test Cricketers
  2. "Sri Lanka – Test Batting Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২০ 
  3. "Sri Lanka – Test Bowling Averages"। ESPNCricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২০ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]