বিষয়বস্তুতে চলুন

নাসিরউদ্দিন বুগরা খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নাসিরউদ্দিন মুহাম্মদ
বুগরা খান
লখনৌতির গভর্নর; পরবর্তীতে স্বাধীন সুলতান
রাজত্ব১২৮১–১২৯১
  • ১২৮১–১২৮৭: লখনৌতির গভর্নর
  • ১২৮৭–১২৯১: স্বাধীন সুলতান
পূর্বসূরিতুগরল তুগান খান
উত্তরসূরিরুকনউদ্দীন কায়কাউস
বংশধরমুইজউদ্দিন কায়কোবাদ
রুকনউদ্দীন কায়কাউস
রাজবংশমামলুক রাজবংশ (বলবনি)
পিতাগিয়াসউদ্দিন বলবন

নাসিরউদ্দিন মাহমুদ (কিংবা মুহাম্মদ) বুগরা খান (ফার্সি: ناصر الدین بغرا خان) লখনৌতির (বর্তমান বাংলার উত্তরাংশ) প্রাদেশিক শাসনকর্তা (১২৮১–১২৮৭) এবং পরবর্তীকালে লখনৌতির একজন স্বাধীন সুলতান (১২৮৭–১২৯১) ছিলেন। তিনি দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের কনিষ্ঠ পুত্র। লখনৌতির গভর্নর থাকার আগে বুগরা খান ভারতের পাঞ্জাবের সামানা এবং সুনামের গভর্নর ছিলেন।[১] তারই নামানুসারে বাংলাদেশের বগুড়া জেলার নামকরণ করা হয়।[২] রুশ ইতিহাসবিদদের মতে, বুগরা খান লখনৌতি তথা বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে দিল্লি সালতানাত থেকে পূর্বাঞ্চলীয় এই প্রদেশের দীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা বা স্বাতন্ত্র্যের সূচনা করেছিলেন।[৩]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

মোঙ্গল আক্রমণ প্রতিরোধ

[সম্পাদনা]

বুগরা খানের কর্মজীবন শুরু হয় ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে। তার পিতা দিল্লির মামলুক সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের শাসনামলে (১২৬৬—১২৮৭ খ্রি.) মোঙ্গলরা ক্রমাগত ভারত আক্রমণ করতে থাকে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় বলবন সীমান্ত প্রতিরক্ষার দায়িত্ব পুনর্গঠন করেন। তিনি তার জ্যেষ্ঠ পুত্র যুবরাজ মুহাম্মদকে মুলতানে এবং কনিষ্ঠ পুত্র নাসিরউদ্দিন বুগরা খানকে সামানা ও সুনামে মোতায়েন করে একটি দ্বিমুখী প্রতিরক্ষা ব্যূহ তৈরি করেন।[৪]

কৌশলগতভাবে বুগরা খানের ওপর দায়িত্ব ছিল সামানা ও সুনাম রক্ষা করা এবং মুলতানের ওপর চাপ বাড়লে বাম পাশ (Left Wing) থেকে মোঙ্গল বাহিনীকে আক্রমণ করা। ১২৭৯ সালে মোঙ্গলরা বিশাল বাহিনী নিয়ে ভারত আক্রমণ করে এবং শতদ্রু ও বিপাশা (বিয়াস) নদী অতিক্রম করে আপার পাঞ্জাবে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। মোঙ্গলদের এই অগ্রযাত্রা রুখতে যুবরাজ মুহম্মদের মুলতান বাহিনী, বুগরা খানের সামানা বাহিনী এবং দিল্লি থেকে আগত মালিক বেকতারসের (মালিক বারবক) বাহিনী একযোগে তিন দিক থেকে তাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।[৫] এই ত্রিমুখী সম্মিলিত আক্রমণে মোঙ্গলরা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয় এবং পিছু হটতে বাধ্য হয়।

তুগরলের বিদ্রোহ দমন ও লখনৌতির গভর্নর

[সম্পাদনা]

১২৮০-৮১ খ্রিস্টাব্দে লখনৌতির (বাংলার) গভর্নর মুঘিসউদ্দিন তুগরল (তুগরল তুগান খান) দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলে সুলতান বলবন নিজেই তাকে দমন করার জন্য অভিযান পরিচালনা করেন। এই অভিযানে বলবন বুগরা খানকে সামানা ও সুনামের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে নিজের সঙ্গে নেন এবং বিশাল রাজকীয় সেনাবাহিনীর পশ্চাৎভাগের সেনাপতি বা 'রিয়ার গার্ড' নিযুক্ত করেন।[৬]

সুলতানের আগমনে তুগরল খান লখনৌতি ছেড়ে জাজনগর (বর্তমান ওডিশা) ও পরে পূর্ববঙ্গের দিকে পালিয়ে যান। বলবন লখনৌতি দখল করে বুগরা খানকে সাময়িকভাবে শহরের দায়িত্ব দিয়ে তুগরলের পিছু ধাওয়া করেন। পরবর্তীতে সুবর্ণগ্রাম (সোনারগাঁও) অভিযানের সময় বুগরা খান পিতার সাথে যোগ দেন। এসময় বলবন স্থানীয় হিন্দু রাজা দনুজমাধব দেবের সাথে একটি মৈত্রী চুক্তি করেন যাতে তুগরল জলপথে পালাতে না পারেন।[৭] শেষ পর্যন্ত বলবনের অগ্রবর্তী বাহিনীর হাতে তুগরল খান নিহত হন।

বিদ্রোহ দমনের পর বলবন লখনৌতিতে ফিরে আসেন এবং বুগরা খানকে আনুষ্ঠানিকভাবে লখনৌতির 'ওয়ালি' বা গভর্নর নিযুক্ত করেন। তবে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার আগে সুলতান তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করে যান। বলবন তাকে শপথ করিয়ে বলেন, "বিদ্রোহ দমনের জন্য তরবারি ব্যবহার করবে, কিন্তু প্রজাদের সাথে আচরণের সময় মধ্যপন্থা অবলম্বন করবে।" তিনি তুগরলের ভয়াবহ পরিণতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, "যদি তুমি কখনো দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করো, তবে তুমি এবং তোমার পরিবার ঠিক সেভাবেই ধ্বংস হবে, যেভাবে তুগরল ও তার পরিবার ধ্বংস হয়েছে।"[৮] নিজ পুত্রের বিলাসী স্বভাবের কারণে বলবন তার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখতে পারেননি, তাই তিনি দুইজন অভিজ্ঞ সেনাপতিকে তার উপদেষ্টা হিসেবে রেখে যান।

দিল্লির সিংহাসন প্রত্যাখ্যান

[সম্পাদনা]

বুগরা খান বাংলার গভর্নর হওয়ার প্রায় পাঁচ বছর পর, ১২৮৬ সালে মোঙ্গলদের সাথে এক যুদ্ধে সুলতান বলবনের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও মনোনীত উত্তরাধিকারী যুবরাজ মুহাম্মদ নিহত হন।[৯] প্রিয় পুত্রের মৃত্যুতে বলবন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং মৃত্যুর আগে উত্তরাধিকার নিশ্চিত করতে লখনৌতি থেকে বুগরা খানকে দ্রুত দিল্লিতে তলব করেন।

দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বলবন বুগরা খানকে শোক ভুলে শক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন এবং বলেন, "মুহাম্মদ মারা গেছে, এখন তুমিই আমার একমাত্র বংশধর। তোমাকে দিল্লির সিংহাসনে বসতে হবে।" বলবন তাকে লখনৌতি ছেড়ে দিল্লিতেই অবস্থান করার নির্দেশ দেন।[১০]

কিন্তু বুগরা খান ছিলেন শান্তিপ্রিয় ও আয়েশি স্বভাবের। পিতার কঠোর শাসন এবং দিল্লির দরবারের ষড়যন্ত্রমূলক পরিবেশ তাকে ভীত করে তোলে। তিনি বুঝতে পারেন, দিল্লির সুলতান হলে তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও আরাম-আয়েশ নষ্ট হয়ে যাবে। তাই তিনি পিতার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে শিকার করার ভান করে গোপনে দিল্লি ত্যাগ করেন এবং দ্রুত লখনৌতিতে পালিয়ে আসেন। তার এই পলায়নে বলবন প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ ও হতাশ হন এবং আক্ষেপ করেন যে, "লখনৌতির আরামদায়ক আবহাওয়া বুগরা খানকে কাপুরুষ বানিয়ে দিয়েছে।" নিরুপায় হয়ে বলবন মৃত যুবরাজ মুহাম্মদের পুত্র কায়খসরুকে উত্তরাধিকারী মনোনীত করেন।[১১]

স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা

[সম্পাদনা]

১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের মৃত্যুর পর দিল্লির প্রভাবশালী কোতোয়াল মালিক ফখরুদ্দিনের চক্রান্তে কায়খসরুর পরিবর্তে বুগরা খানের নিজ পুত্র মুইজউদ্দিন কায়কোবাদকে দিল্লির সুলতান নিযুক্ত করা হয়। এই সুযোগে বুগরা খান লখনৌতি তথা বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তিনি তার পিতার 'গিয়াসউদ্দিন' উপাধির বিপরীতে 'নাসিরউদ্দিন' উপাধি গ্রহণ করেন এবং নিজ নামে মুদ্রা জারি করেন। তার রাজত্বকালের বেশ কিছু রৌপ্য মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে যা তার সার্বভৌমত্বের প্রমাণ দেয়।[১২]

অন্যদিকে দিল্লিতে কায়কোবাদের অদক্ষতার কারণে প্রধানমন্ত্রী নিজামউদ্দিন সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করেন এবং রাজ্যে অরাজকতার সৃষ্টি হয়।[১] পুত্রকে সঠিক পথে আনার জন্য ১২৮৮ সালে বুগরা খান বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে দিল্লির দিকে অগ্রসর হন। পিতা আসছে শুনে নিজামউদ্দিনের প্ররোচনায় কায়কোবাদও একটি বিশাল বাহিনী নিয়ে এগিয়ে যান। দুই সেনাবাহিনী অযোধ্যার সরযূ নদীর দুই তীরে মুখোমুখি অবস্থান নেয়।

শুরুতে রাজকীয় শিষ্টাচার ও প্রটোকল নিয়ে জটিলতা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত পিতা-পুত্রের স্নেহ রাজনীতির ঊর্ধ্বে স্থান পায়। ঐতিহাসিক বর্ণনামতে, বুগরা খান পুত্রকে সম্মান জানিয়ে ঘোড়া থেকে নেমে এগিয়ে যান এবং সুলতান কায়কোবাদও সিংহাসন ছেড়ে পিতার পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়েন।[১৩] এই বৈঠকের ফলে কায়কোবাদ পিতাকে লখনৌতির স্বাধীন সুলতান হিসেবে স্বীকৃতি দেন। প্রখ্যাত কবি আমীর খসরু তার কিরান-উস-সাদাইন গ্রন্থে এই ঘটনাটি অমর করে রেখেছেন।[১]

বুগরা খানের শাসনামলে লখনৌতি রাজ্য দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রসারিত হয়। প্রশাসনিক সুবিধার জন্য তিনি রাজ্যকে চারটি ভাগে বিভক্ত করেছিলেন: বিহার, সাতগাঁও, বঙ্গ (পূর্ববঙ্গ) এবং দেবকোট (উত্তরবঙ্গ)।[১৪]

ক্ষমতা ত্যাগ ও মৃত্যু

[সম্পাদনা]

বুগরা খানের পুত্র মুইজউদ্দিন কায়কোবাদ দুরারোগ্য পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হলে রাজপরিবারের অভিজাত সম্প্রদায় কায়কোবাদের পুত্র শামসউদ্দিন কায়ুমারসকে সুলতান ঘোষণা করে খলজি অভিজাত জালালউদ্দিন খলজীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে। কিন্তু জালালউদ্দিন খলজি তা জানতে পেরে দিল্লির সুলতানের বিরুদ্ধে এক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ১২৯০ সালে কায়কোবাদ ও কায়ুমারস দুজনকেই হত্যা করে নিজেই সিংহাসন দখল করে।[১৫]

পুত্র ও পৌত্রের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে বুগরা খান মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। ১২৯১ সালে তার জীবিত পুত্র রুকনউদ্দিন কায়কাউসের নামে মুদ্রা দেখা যায়, যা দিল্লির খলজি বিপ্লবের অল্প পরেই বুগরা খানের সিংহাসন ত্যাগ বা মৃত্যুর ইঙ্গিত দেয়।[১৬]

এর ফলে দিল্লিতে বলবনি শাসনের অবসান ঘটলেও বুগরা খানের বংশধরেরা ১৩২৪ সাল পর্যন্ত[১৭] (মতান্তরে ১৩০০ সাল পর্যন্ত) লখনৌতি তথা বাংলা শাসন করেছিল। বাংলায় বলবনি শাসনের এই স্থায়িত্ব বুগরা খানের গৃহীত স্বাধীন নীতিরই ফসল। তার উত্তরসূরী রুকনউদ্দীন কায়কাউস তার মুদ্রায় নিজেকে সিকান্দার-এ-সানি (দ্বিতীয় আলেকজান্ডার) ও সুলতান ইবনে সুলতান ("সুলতানের পুত্র সুলতান") ঘোষণা করেছিলেন, যা বুগরা খানের শাসনের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করে।[১৮]

চরিত্র ও ব্যক্তিত্ব

[সম্পাদনা]

নাসিরউদ্দিন বুগরা খান তার পিতা সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবনের কঠোর ও গাম্ভীর্যপূর্ণ স্বভাবের বিপরীতে ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির। ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি ছিলেন স্বভাবগতভাবে সামাজিক, মৃদুভাষী এবং নিরহংকার। স্যার যদুনাথ সরকারের মতে, বুগরা খান ছিলেন "উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন, আরামপ্রিয় এবং দয়ালু প্রকৃতির মানুষ"।[১৯]

পিতা বলবন তাকে সর্বদা বিলাসিতা পরিহার করে কঠোর জীবনযাপনের উপদেশ দিলেও, বুগরা খান ব্যক্তিগত জীবনে পানভোজন ও আয়েশি জীবনযাপন পছন্দ করতেন। তিনি দিল্লির সিংহাসনের কণ্টকাকীর্ণ ও ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতির চেয়ে লখনৌতির শান্ত ও স্বাধীন জীবনকে অধিক শ্রেয় মনে করতেন। মূলত এই মানসিক প্রশান্তির খোঁজেই তিনি দিল্লির সালতানাতের দাবি ত্যাগ করে বাংলায় থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।[১৯]

তার চরিত্রের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক ছিল তার প্রবল পিতৃস্নেহ ও বিনয়। ১২৮৮ সালে সরযূ নদীর তীরে পুত্র সুলতান কায়কোবাদের সাথে সাক্ষাতের সময় তিনি রাজকীয় প্রটোকল বা অহংকারকে স্থান দেননি। দিল্লির সুলতানের সামনে তিনি ঘোড়া থেকে নেমে এগিয়ে গিয়েছিলেন এবং পুত্রকে আলিঙ্গন করেছিলেন। ঐতিহাসিক আমীর খসরুর বর্ণনামতে, রাজনীতির ঊর্ধ্বে তার এই পিতৃসুলভ আচরণ ও আবেগপ্রবণতা সমসাময়িক ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল।[২০]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 মোহাম্মদ আনসার আলী (২০১২)। "বুগরা খান"। ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। আইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১। ওসিএলসি 883871743। ওএল 30677644M। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২০।
  2. ↑ বগুড়া জেলা পরিষদ (৬ এপ্রিল ২০২৩)। "(বগুড়া) জেলার পটভূমি"। www.bogra.gov.bd। ৮ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২৩।
  3. ↑ Alaev, L. B. (২০০৩)। Srednevekovaia Indiia (Medieval India) (Russian ভাষায়)। Moscow: Vostochnaya Literatura। পৃ. ১৬৫। আইএসবিএন ৫-০২-০১৮১১৫-০। {{বই উদ্ধৃতি}}: |আইএসবিন= মান: চেকসাম পরীক্ষা করুন (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  4. ↑ Jackson, Peter (২০০৩)। The Delhi Sultanate: A Political and Military History। Cambridge: Cambridge University Press। পৃ. ৫২–৫৩। আইএসবিএন ৯৭৮-০৫২১৫৪৩২৯৩।
  5. ↑ Nizami, K.A. (১৯৯২)। A Comprehensive History of India: The Delhi Sultanat (A.D. 1206-1526)। খণ্ড V। People's Publishing House। পৃ. ২৮৯।
  6. ↑ Qanungo, K.R. (১৯৪৮)। "The Balbanis in Bengal"। Sarkar, Jadunath (সম্পাদক)। The History of Bengal (Vol. II)। University of Dhaka। পৃ. ৬৩–৬৬।
  7. ↑ Sarkar, Jadunath (১৯৪৮)। The History of Bengal (Vol. II)। University of Dhaka। পৃ. ৬৬।
  8. ↑ Barani, Ziauddin (১৮৭১)। Elliot, H. M.; Dowson, John (সম্পাদকগণ)। The History of India, as Told by Its Own Historians: The Muhammadan Period (Vol. III)। London: Trübner and Co.। পৃ. ১১১–১১২।
  9. ↑ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, পৃ. ৩৪-৩৫।
  10. ↑ Barani, Ziauddin (১৮৭১)। Tarikh-i-Firoz Shahi। Elliot & Dowson কর্তৃক অনূদিত। London: Trübner & Co.। পৃ. ১২৩–১২৪।
  11. ↑ Habibullah, A. B. M. (১৯৬১)। The Foundation of Muslim Rule in India। Allahabad: Central Book Depot। পৃ. ১৮০–১৮২।
  12. ↑ Goron, Stan; Goenka, J.P. (২০০১)। The Coins of the Indian Sultanates। New Delhi: Munshiram Manoharlal Publishers। পৃ. ১৫২–১৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১২১৫১০১০৩।
  13. ↑ Habibullah, A. B. M. (১৯৬১)। The Foundation of Muslim Rule in India। Allahabad: Central Book Depot। পৃ. ১৯৩।
  14. ↑ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, পৃ. ১২০।
  15. ↑ সেন, শৈলেন্দ্র (২০১৩)। A Textbook of Medieval Indian History। Primus Books। পৃ. ৮০। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-৩৮০৬০-৭৩৪-৪।
  16. ↑ Haig, Wolseley, সম্পাদক (১৯২৮)। The Cambridge History of India, Vol. III: Turks and Afghans। Cambridge: Cambridge University Press। পৃ. ৯২।
  17. ↑ খান, ইক্তাদির আলম (২০০৮)। Historical Dictionary of Medieval India। লামহাম: স্কেয়ারক্রো প্রেস। পৃ. ৪৫। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১০৮৫৫০৩৮।
  18. ↑ আলী, মুহম্মদ আনসার (৫ মে ২০১৪)। "রুকনউদ্দীন কায়কাউস"। বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুলাই ২০২৩।
  19. 1 2 Sarkar, Jadunath (Ed.) (১৯৪৮)। The History of Bengal (Vol. II): Muslim Period। University of Dhaka। পৃ. ৭০–৭২। Nasiruddin Mahmud Bughra Khan... was an unambitious, ease-loving, and kind-hearted man.
  20. ↑ Mirza, Mohammad Wahid (১৯৩৫)। The Life and Works of Amir Khusrau। Calcutta: University of Calcutta। পৃ. ১৭৪–১৭৬।

গ্রন্থপঞ্জি

[সম্পাদনা]
পূর্বসূরী
তুগরল তুগান খান
লখনৌতির গভর্নর এবং স্বাধীন সুলতান
১২৮১–১২৯১
উত্তরসূরী
রুকনউদ্দীন কায়কাউস