ঘূর্ণিঝড় ভিয়ারু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঘূর্ণিঝড় ভিয়ারু
Tropical storm
Cyclone Mahasen May 13 2013 0755Z.jpg
১৩ই মে, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানকারী ঘূর্নিঝড় মহাসেন
গঠন১০ মে ২০১৩
গতি৩-মিনিট স্থিতি: ৭৫ কিমি/ঘণ্টা (৪৫ mph)
১-মিনিট স্থিতি: ৯৫ কিমি/ঘণ্টা (৬০ mph)
চাপ৯৯৬ hPa (mbar); ২৯.৪১ inHg
প্রভাবিত অঞ্চলশ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ-পূর্ব ভারত, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, বাংলাদেশ
২০১৩ উত্তর ভারত মহাসাগরীয় ঘুর্ণিঝড় মৌসুম অংশ

ঘূর্ণিঝড় ভিয়ারু, যা প্রথমে ঘূর্ণিঝড় মহাসেন (ইংরেজি: Cyclone Mahasen) [ক] নামে পরিচিত হয়েছিল, ছিলো গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় হিসেবে বঙ্গোপসাগর, মিয়ানমারবাংলাদেশে। মে, ২০১৩ সালের শুরুর দিকে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণাংশে নিম্নচাপজনিত কারণে উৎপত্তি ঘটেছে। কার্যত স্থির থাকলেও ১০ মে তারিখে ঘণিভূত অবস্থায় চলে যায়। পরবর্তীতে এটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে মৌসুমের প্রথম নামাঙ্কিত ঘূর্ণিঝড় মহাসেনে রূপান্তরিত হয়। ১৪ মে এটি উত্তর-পূর্বাংশের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মহাসেন ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ

১০ মে জেটিডব্লিউসি মানদণ্ডের মাধ্যমে ০১বি নামের ঘূর্ণিঝড়রূপে প্রথমবারের মতো সতর্ক সঙ্কেত প্রেরণ করা হয়।[৪] এরপর আইএমডি এটিকে নিম্নচাপ হিসেবে আখ্যায়িত করে।[৫] পরবর্তীকালে তা গভীর নিম্নচাপে রূপান্তরিত হয়।[৬] ১১ মে’র শুরুতে আইএমডি পুনরায় ঝড়টিকে ঘূর্ণিঝড়রূপে হিসেবে আখ্যায়িত করে ও মহাসেন নামে নামাঙ্কিত করে।[৭] আইএমডি’র প্রতিবেদন মোতাবেক ১২ মে গভীর নিম্নচাপটি কার্যত স্থির ছিল।[৮]

প্রস্তুতি[সম্পাদনা]

১০ই মে তারিখে নিম্নচাপ মহাসেন এবং দক্ষিণে তার সঙ্গী মাঝারি ঘূর্ণিঝড় জামালা।

১৩ মে বাংলাদেশ সরকার দশ মানদণ্ডের সপ্তম স্তরে উন্নীত করে দেশে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সতর্কমূলক ব্যবস্থা জারী করে। খাদ্য মজুদের লক্ষ্যে ১০০ মেট্রিক টন চাউল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সকল সরকারি স্থাপনা এবং কিছু ব্যক্তিমালিকানাধীন হোটেলে আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর চৌকস ও সুদক্ষ কর্মীদেরকে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী উদ্ধার, সাহায্য, ত্রাণকার্যক্রম পরিচালনা, তদারকীর উদ্দেশ্যে মোতায়েন রাখা হয়েছে।[৯] ১৫ মে তারিখে ৩,৭৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়। দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় নগদ তিন লক্ষ টাকা, পাঁচ হাজার তাবু, সাত হাজার শাড়ি-লুঙ্গি বরাদ্দ করে। আনুমানিক পঞ্চাশ হাজার স্বেচ্ছাসেবী দূর্যোগ মোকাবেলায় যুক্ত রয়েছে।[১০] প্রায় পনের হাজার ব্যক্তিকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়।[১১] দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বন্দরনগরী চট্টগ্রাম কার্যত নীরব হয়ে পড়েছে এবং বিমানবন্দর বন্ধ রাখা হয়েছে।[১২] এছাড়াও ২০১২ সালে মায়ানমারের রক্তাক্ত দাঙ্গায় দেশান্তরী ২৩০,০০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপযুক্ত আশ্রয়ের ব্যবস্থা না থাকা সত্ত্বেও তাদের দিকেও মনোনিবেশ ঘটানো হয়েছে।[১৩] ১৬ মে মহাসেন বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে আঘাত হানে। প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত ও উত্তাল বাতাস সর্বোচ্চ ৯৫ কিমি/ঘ বেগে প্রবাহিত হয়। হাজারো ঘরবাড়ী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ও অনেক গাছপালা উপড়ে যায়। কমপক্ষে পাঁচ ব্যক্তি নিহত হয়।[১২]

জাতিসংঘ এ ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রায় ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) নাগরিককে রক্ষার্থে মায়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। এরফলে দেশের সর্বত্র আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। রাখাইন অধ্যুষিত উপকূলীয় এলাকায় শতাধিক যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে যায়। এতে ৮ ব্যক্তির সলিল সমাধি ঘটেছে, ৫০ ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছে ও ৪২জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।[১৪] অন্য উৎস থেকে জানা যায়, এ ঘটনায় দুইশতাধিক ব্যক্তি ডুবে যায়, যাতে একাধিক নৌকা ছিল।[১৫] ১৪ মে সরকার আটত্রিশ হাজার ব্যক্তিকে আশ্রয়কেন্দ্রে রাখার পরিকল্পনা করে। কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় খুব মন্থর গতিতে অগ্রসর হচ্ছে বলে জানা যায়। অধিকাংশ আশ্রয়গ্রহণকারী অভ্যন্তরীণভাবে স্থানচ্যুত ব্যক্তি, অনেকেই সেনাবাহিনীর কথা শুনতে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছে এবং কেউ কেউ অস্থায়ীভাবে সৃষ্ট আশ্রয়কেন্দ্রে থাকার প্রস্তাবনা প্রত্যাখ্যান করেছে।[৯] ১৫ মে’র মধ্যে স্থানচ্যুত ব্যক্তির সংখ্যা ১৪০,০০০-এ দাঁড়ায়। তন্মধ্যে অনেকেই থাকতে প্রত্যাখ্যান করছে। অনেকেই জানান যে, তারা সরকারের কথা শুনেননি। তবে কথা না শুনলে তাদেরকে গুলি করে হত্যা করা হতে পারে।[১৬] দাতব্য সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেনের শাখা কার্যালয়গুলো উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। রাখাইন রাজ্যগুলোতে কি ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে এ বিষয়ে তারা মুহুর্মুহু সভা অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন।[১৭]

প্রভাব[সম্পাদনা]

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বৃষ্টিপাত ঘটায় শ্রীলঙ্কায় বন্যা হচ্ছে। রত্নাপুরায় ১৪৬.৩ মিলিমিটার ও কুরুনেগালায় ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া গেছে।[১৮] দ্বীপটির নদীগুলোয় ১০৬ মিলিয়ন কিউবিক মিটার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। জলবিদ্যুৎ বাঁধগুলোয় পানির প্রবাহকে নিয়ন্ত্রিত রাখতে নিম্নাঞ্চলে পানি ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। তারপরও পানির সাহায্যে উৎপাদিত বিদ্যুতের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৬১.৫ গিগাওয়াট-ঘণ্টা থেকে ৭৯৪.৪ গিগাওয়াট-ঘণ্টা যা ৫২.৬ থেকে ৬৩.১ শতাংশে রূপান্তরিত হয়েছে।[১৯] এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৭ ব্যক্তি নিহত ও ২ ব্যক্তির নিখোঁজের সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়াও প্রায় ২,৮০০ ব্যক্তি গৃহহীন হয়েছে।[২০]

ভারতের পশ্চিমাংশের অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যে বেশ কয়েকটি ঝড়ে ৮ ব্যক্তি নিহত ও ৪ ব্যক্তির গুরুতরভাবে আহত হবার সংবাদ পাওয়া গেছে। অবশ্য সবগুলোই ঘটেছে বজ্রপাতজনিত কারণে। প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতে ৭৩৯ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও ২৩টি গবাদিপশু ডুবে যায়।[২১] ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্বাংশের চেন্নাইয়ে ৩৯.৬ সেলসিয়াসের মতো উচ্চ তাপমাত্রা লক্ষ্য করা যায়।[২২] ১৩ মে উড়িষ্যার উপকূলীয় জেলাগুলোয় প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ায় আসন্ন ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা প্রেরণ করা হয়।[২৩] মিজোরামের বিদ্যালয়গুলো ১৬ মে অর্ধ-দিবস এবং এর পরদিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।[২৪]

মহাসাগরের বৃহদাকৃতির ঢেউ এবং উচ্চগতিসম্পন্ন বায়ুপ্রবাহের কারণে থাইল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। নাখোন সয়ান প্রদেশের এক ব্যক্তির মৃত্রু, তিনটি বাড়ী ধ্বংসসহ অন্যান্য বিশটি বাড়ির ক্ষতিসাধন হয়।[২৫]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. মহাসেন নামকরণ নিয়ে শ্রীলঙ্কার জাতীয়তাবাদী এবং সরকারী কর্মকর্তাদের মাঝে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে। তারা দাবী করছেন যে, তৃতীয় শতকের সিংহল রাজার নাম থেকে এ নামকরণ হয়েছে।[১] তিনি এ দ্বীপে সমৃদ্ধি আনয়ণ করেছেন। তাই, প্রকৃতির ধ্বংসাত্মক রূপের মাধ্যমে ধারণা করা হয় যে রাজা হয়তোবা রুষ্ট হয়েছেন। কিন্তু সরকারী কর্মকর্তাগণ একে নামবিহীন ঘূর্ণিঝড়রূপে উপস্থাপন করেছেন।[২] এমনকি শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যমে সেটিকে নামহীন ঝড় বলে বর্ণনা করা হয়। পরবর্তীতে রেকর্ডপত্রে ঝড়টির নতুন নাম নির্ধারণ করা হয় 'ভিয়ারু'।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ডয়চে ভেলে, ‘মহাসেন’-এর জন্য মহাপ্রস্তুতি, সংগ্রহ: ১৫ মে, ২০১৩
  2. "SL unhappy with cyclone name 'Mahasen'"। Colombo, Sri Lanka: Nagaland Post। মে ১৪, ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ মে ১৩, ২০১৩ 
  3. "ঘূর্ণিঝড়ের ফণী নামটি কোথা থেকে এলো?"। বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৯ 
  4. Joint Typhoon Warning Center (মে ১০, ২০১৩)। "Tropical Cyclone 01B (One) Warning Nr 001"। Joint Typhoon Warning Center। সংগ্রহের তারিখ মে ১০, ২০১৩ 
  5. India Meteorological Department (মে ১০, ২০১৩)। "Tropical Weather Out For North Indian Ocean Issued At 1200 UTC Of 10 May, 2013"। India Meteorological Department। সংগ্রহের তারিখ ১০ মে ২০১৩ 
  6. India Meteorological Department (মে ১০, ২০১৩)। "Special Tropical Weather Outlook - Issued at 1500 UTC, 10 May 2013"। India Meteorological Department। সংগ্রহের তারিখ মে ১০, ২০১৩ 
  7. India Meteorological Department (মে ১১, ২০১৩)। "Cyclone Mahasen over southeastern Bay of Bengal, CWIND Bulletin 5"। India Meteorological Department। সংগ্রহের তারিখ মে ১১, ২০১৩ 
  8. India Meteorological Department (May 12, 2013)। "Tropical Cyclone Mahasen advisory issued at 0600 UTC of 12 May 2013."। India Meteorological Department। সংগ্রহের তারিখ May 12 2013  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  9. United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs (May 14, 2013). "UN OCHA Flash Update 4, Cyclone Mahasen, Bangladesh and Myanmar". ReliefWeb. Retrieved May 14, 2013.
  10. "Mohosinul Karim (May 15, 2013). "3,770 shelters ready to house cyclone victims". Dhaka Tribune. Retrieved May 15, 2013."। মার্চ ২৮, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ১৬, ২০১৩ 
  11. Nita Bhalla (May 15, 2013). "Bangladesh evacuates coast, braces for cyclone Mahasen". New Delhi, India: Thomson Reuters Foundation. Retrieved May 15, 2013.
  12. "Andrew Biraj (May 16, 2013). "Cyclone Mahasen buffets Bangladesh coast, five dead". Chittagong, Bangladesh: Thompson Reuters Foundation. Retrieved May 16, 2013."। মে ১৬, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ১৬, ২০১৩ 
  13. Simon Roughhneen (May 14, 2013). "As Cyclone Nears, Conflicting Messages from the Storm’s Path". Rangoon, Myanmar: The Irrawaddy. Retrieved May 14, 2013.
  14. Associated Press (May 14, 2013). "Cyclone Mahasen: Boats Carrying Fleeing Rohingya Muslims Capsize Off Coast Of Myanmar". Sittwe, Myanmar: The Huffington Post. Retrieved May 14, 2013.
  15. "Rescue operation after Myanmar boats sink". Al Jazeera. May 14, 2013. Retrieved May 14, 2013.
  16. Associated Press (May 15, 2013). "Distrustful Rohingya dig in as Burma braces for cyclone Mahasen". Sittwe, Myanmar: The Guardian. Retrieved May 15, 2013.
  17. Save the Children Canada (May 14, 2013). "Save the Children Ready to Respond as Tropical Cyclone Mahasen Heads Towards Bangladesh and Myanmar". Dhaka, Bangladesh: MarketWire. Retrieved May 14, 2013.
  18. "Eric Leister (May 14, 2013). "Tropical Cyclone Targets India, Bangladesh, Myanmar". Accuweather. Retrieved May 14, 2013."। মে ২০, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ১৫, ২০১৩ 
  19. ""Sri Lanka hydro reservoirs get highest inflows in single day". Lanka business Online. May 14, 2013. Retrieved May 14, 2013."। ২৬ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৩ 
  20. Press Trust of India (Mat 14, 2013). "Cyclone 'Mahasen' hits Sri Lanka, seven killed". Colombo, Sri Lanka: Times of India. Retrieved May 14, 2013.
  21. Press Trust of India (May 13, 2013). "Eight killed, four injured in Andhra Pradesh cyclonic storm". Hyderabad, India: New Delhi Television Limited. Retrieved May 14, 2013.
  22. "Karthikeyan Hemalatha (May 12, 2013). "Chennai facing intense heat due to cyclone Mahasen". Chennai, India: Times of India. Retrieved May 13, 2013."। জুন ১১, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ১৫, ২০১৩ 
  23. "Press Trust of India (May 13, 2013). "Cyclone watch: Odisha puts 10 coastal districts on alert". Bhubaneswar, India: IBN Live. Retrieved May 15, 2013."। জুন ৭, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ মে ১৫, ২০১৩ 
  24. Press Trust of India (May 15, 2013). "Cyclone Mahasen: Schools to remain closed in Mizoram on Friday". Business Standard. Retrieved May 15, 2013.
  25. ""Turbulent seas at west coast; 1 person killed during storm's passing". Nakhon Sawan, Thailand: National News Bureau of Thailand. May 14, 2013. Retrieved May 14, 2013."। ১৬ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৩ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:2013 North Indian Ocean cyclone season buttons