গোলাম নওশের

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গোলাম নওশের
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামগোলাম মোহাম্মদ নওশের
জন্ম (1964-10-06) ৬ অক্টোবর ১৯৬৪ (বয়স ৫৭)
ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে - বাংলাদেশ)
ডাকনামপ্রিন্স
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
৩১ মার্চ ১৯৮৬ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই৩১ ডিসেম্বর ১৯৯০ বনাম শ্রীলঙ্কা
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা -
রানের সংখ্যা -
ব্যাটিং গড় - ৮.০০
১০০/৫০ - -/-
সর্বোচ্চ রান -
বল করেছে - ৪০৮
উইকেট -
বোলিং গড় - ৬২.৭৯
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - ১/২৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- -/-
উৎস: ক্রিকইনফো, ১২ মে ২০১৭

গোলাম মোহাম্মদ নওশের (জন্ম: ৬ অক্টোবর, ১৯৬৪) ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ সময়কালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পক্ষে ৯টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন ‘প্রিন্স’ ডাকনামে পরিচিত গোলাম নওশের। এছাড়াও, বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড একাদশের পক্ষেও খেলেছেন তিনি।

১৯৮০-এর দশকের দ্বিতীয়ার্ধ্বে বাংলাদেশের প্রধান স্ট্রাইক বোলার ছিলেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। পাশাপাশি বামহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

দীর্ঘদেহী নওশের মূলতঃ বামহাতি পেসার। ১৯৮৪ সালের অনানুষ্ঠানিক যুবদল ‘বাংলাদেশ টাইগার্সের’ পক্ষে খেলেন। একবছর পরই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার জন্য বাংলাদেশ দলের সদস্য মনোনীত হন। রঞ্জন মাদুগালের উইকেট নিয়ে স্বীয় সামর্থের পরিচয় দেখান। জানুয়ারি, ১৯৮৬ সালে রমিজ রাজাশোয়েব মোহাম্মদের উইকেট পেয়েছিলেন।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

৩১ মার্চ, ১৯৮৬ তারিখে পাকিস্তানের বিপক্ষে তার ওডিআই অভিষেক হয়।[২] মোরাতুয়ার টাইরোন ফার্নান্দো স্টেডিয়ামে ‘জন প্লেয়ার গোল্ড লীফ ট্রফি’ নামে পরিচিত এশিয়া কাপের দ্বিতীয় আসরের দ্বিতীয় খেলায় গাজী আশরাফ, গোলাম নওশের, গোলাম ফারুক, হাফিজুর রহমান, জাহাঙ্গীর শাহ, মিনহাজুল আবেদীন, নুরুল আবেদীন, রফিকুল আলম, রাকিবুল হাসান, সামিউর রহমান ও শহীদুর রহমানের ওডিআইয়ে একযোগে অভিষেক ঘটে।[৩] খেলায় তিনি ৩ বল মোকাবেলা করে ১* রানে অপরাজিত ছিলেন। বল হাতে ৭ ওভারে ৩২ রান দিয়ে কোন উইকেট পাননি। তার অভিষেক পর্বটি সুখকর হয়নি। পাকিস্তান দল ৭৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটে জয় পায়।

ক্যান্ডির অ্যাসগিরিয়া স্টেডিয়ামে আয়োজক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রতিযোগিতার তৃতীয় খেলায় ব্রেন্ডন কুরুপ্পুকে সামিউর রহমানের কটে পরিণত করে প্রথম উইকেটের সন্ধান পান। এছাড়াও ব্যাট হাতে ৩* রানে অপরাজিত থাকেন। ঐ খেলায়ও বাংলাদেশ দল ৭ উইকেটে হারে।

শারজায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১/২৭ লাভ করেন যাতে উইকেট-রক্ষক ইয়ান হিলি তার শিকারে পরিণত হন।

আইসিসি ট্রফি[সম্পাদনা]

আঘাতের কারণে তার খেলোয়াড়ী জীবনের ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। এরফলে ১৯৯০-এর দশকে জাতীয় দলে ধারাবাহিতা রক্ষা করতে পারেননি। দূর্ভাগ্যজনকভাবে ১৯৯৪ সালে কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফির দ্বিতীয় পর্বের খেলাগুলোয় তাকে আর দেখা যায়নি। আঘাতপ্রাপ্তির ফলে তাকে মাঠের বাইরে অবস্থান করতে হয়।

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

বছর ম্যাচ রান উইকেট গড় সেরা
১৯৮৬ ১২৯ ২৫.৮০ ২/৩১
১৯৯০ ২১১ ১১ ১৯.১৮ ৩/২৬
১৯৯৪ ১১৩ ১৪.১৩ ৪/৩৬
মোট ১৫ ৪৫৩ ২৪ ১৮.৮৮ ৪/৩৬

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]