খাদ্যে বিষক্রিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

টেমপ্লেট:খাদ্য নিরাপত্তা খাদ্যজনিত অসুস্থতা বা খাদ্যবাহিত রোগ, অন্যভাবে বলা যায় খাদ্যে বিষক্রিয়া[১] এক ধরনের অসুস্ততা যা দুষিত খাদ্য, প্যাথোজনে, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা প্যারাসাইটের দ্বারা আক্রান্ত খাদ্য গ্রহণে দেখা যায়। [২] এবং টক্সিন যেমন বিষাক্ত মাশরুম থেকে বা বিভিন্ন ধরনের শিম জাতীয় খাবার যা ১০ মিনিটের অধিক সিদ্ধ করে না খেলেও এই রোগ হতে পারে।

রোগের উপসর্গগুলো নানা কারণের উপর নির্ভর করে যা নিচে আলোচনা করা হয়েছে। কতিপয় উপায়ে এদেরকে সাজানো যেতে পারে, উদাহরণস্বরূপ, ইনকিউবেশন সময় যা ঘন্টা থেকে কয়েকদিন হতে পারে, যা নির্ভর করে বিষাক্ত খাবার গ্রহণের পরিমাণের উপর। এই ইনকিউবেশন সময়কাল রোগীর খাবার গ্রহণের ফলে রোগের উপসর্গকে নির্দেশ করে না, বরং এটি শরীরের অভ্যন্তরে বিশেষ করে গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিসের উপসর্গকে নির্দেশ করে।

রোগের উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে বমি করা, জ্বর, ও ব্যথা। এছাড়াও ডায়েরিয়া বা পানিশূন্যতাও হতে পারে। বমির বারংবার হতে পারে অনিয়মিত বিরতিতে, কারণ প্রথম বমি করার ফলে বেশির ভাগ জীবাণু বমনের সাথে পাকস্থলী থেকে অপসারিত হয়। এবং এদের কিছু সংখ্যাক অন্ত্রে প্রবেশ করে ও বংশ বৃদ্ধি করতে থাকে। কিছু প্রকারের জীবাণু অন্ত্রে অবস্থান করে, অন্যরা টক্সিন বা বিষ উৎপাদন করে যা রক্তে মধ্যে সঞ্চারিত হয়। অন্য ধরনের জীবাণু সরাসরি শরীরের অভ্যন্তরের কলাকে আক্রমণ করে।

কারণসমূহ[সম্পাদনা]

সাধারণত খাদ্যজনিত অসুস্থতাগুলো ঘটে খাদ্যের সঠিকভাবে সরবরাহ, তৈরি ও সংরক্ষণ করা না হলে। খাদ্য প্রস্ততকরণের পূর্বে, তৈরিকালীন ও পরে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধিমালা অনুসরণই কেবল পারে খাদ্যজনিত এই অসুস্থতা হ্রাস করতে। জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি কথা প্রচলিত আছে যে সঠিকভাবে হাত ধোয়া খাদ্যাবাহিত রোগের অন্যতম কার্যকরী প্রতিরক্ষা। খাদ্য নিরাপত্তা হচ্ছে শক্তিশালী তদারকির মাধ্যমে নিশ্চিত করা যে খাদ্য গ্রহণের ফলে খাদ্যজনিত অসুস্থতার সম্ভাবনা নেই। নানা ধরনের টক্সিন যা পরিবেশকে আক্রান্ত করেছে তা গ্রহণের ফলেও ঘটতে পারে এই খাদ্যবাহিত অসুস্থতা।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ডোরল্যান্ডের চিকিৎসাশাস্ত্র অভিধানে "food poisoning"
  2. "Foodborne Illness - Frequently Asked Questions"। US Centers for Disease Control and Prevention। মার্চ ৩, ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৬ 
  3. উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, দূষিত রাসায়নিকের প্রভাব।