ইমরান খান (দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইমরান খান
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামইমরান খান
জন্ম (1984-04-27) ২৭ এপ্রিল ১৯৮৪ (বয়স ৩৮)
ডারবান, নাটাল প্রদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান, কোচ
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৩০৩)
১৯ মার্চ ২০০৯ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০২ - ২০১৩কোয়াজুলু-নাটাল
২০০৪ - বর্তমানডলফিন্স (জার্সি নং ১১)
২০১৩ - বর্তমানকোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি এলএ টি২০
ম্যাচ সংখ্যা ১৬১ ১২১ ৫১
রানের সংখ্যা ২০ ৯,৩৬৭ ২,৯৫৪ ৫৫৬
ব্যাটিং গড় ২০.০০ ৩৬.৫৮ ২৮.৬৭ ১৪.২৫
১০০/৫০ ০/০ ২০/৪৯ ৩/২১ ০/১
সর্বোচ্চ রান ২০ ১৯৫ ১১৪ ৫০
বল করেছে ৪,২৮৮ ১,০৬১ ২৯৪
উইকেট ৬২ ২০ ১৭
বোলিং গড় ৪০.৫৬ ৪৪.৪৫ ২১.৭৬
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৬/৪৩ ৩/২৪ ৪/২১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/– ৬৯/– ২৮/– ২০/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩০ নভেম্বর ২০২০

ইমরান খান (ইংরেজি: Imraan Khan; জন্ম: ২৭ এপ্রিল, ১৯৮৪) নাটাল প্রদেশের ডারবান এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও কোচ। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০০-এর দশকের শেষদিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ডলফিন্স, কোয়াজুলু-নাটাল ও কোয়াজুলু-নাটাল ইনল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে অফ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি হলিউডবেটস ডলফিন্সের প্রধান কোচ হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন।

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

২০০৩ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ইমরান খানের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ইমরান খান ২০০৩ সালে ইংল্যান্ড সফরে দক্ষিণ আফ্রিকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। তবে, ঐ সময়ে তিনি কোন প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেননি। এরপর থেকে ডলফিন্স দলের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হন। ৩৬.৫৬ গড়ে ৩১০৮ রান সংগ্রহ করেন তিনি।

জুলাই, ২০০৮ সালে এমার্জিং প্লেয়ার্স টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যতম তারকা খেলোয়াড়ের মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। পরের বছর জাতীয় দলের খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমের সুপারস্পোর্ট সিরিজে রান সংগ্রহের তালিকায় শীর্ষে ছিলেন।

পরের মৌসুমে তাকে ডলফিন্স দলের অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়। ডলফিন্সের পক্ষে ঘরোয়া ক্রিকেটে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও, অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের ক্রিকেটে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের সম্মাননা লাভ করেন।

২০১৫ সালের আফ্রিকা টি২০ কাপে কেজেডএন ইনল্যান্ডের পক্ষে খেলার জন্যে মনোনীত হন।[১]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন ইমরান খান। ১৯ মার্চ, ২০০৯ তারিখে কেপ টাউনে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। এছাড়াও, তাকে কোন ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করার সুযোগ দেয়া হয়নি।

২০০৮-০৯ মৌসুমে নিজ দেশে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় টেস্টে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ইমরান খানের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অভিষেক পর্ব সম্পন্ন হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংসে তিনি ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। ২০ রান সংগ্রহ করেছিলেন তিনি। ঐ টেস্টে তার দল ইনিংসের ব্যবধানে স্বান্তনাসূচক জয় পায়। তবে, তিন টেস্টের ঐ সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে পরাজিত হয়ে রাবার খোঁয়ায় স্বাগতিক দল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. KwaZulu-Natal Inland Squad / Players – ESPNcricinfo. Retrieved 31 August 2015.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]