জিম পথক্যারি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জিম পথক্যারি
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামজেমস এডওয়ার্ড পথক্যারি
জন্ম৬ ডিসেম্বর, ১৯৩৩
কেপ টাউন, কেপ প্রদেশ
মৃত্যু১১ মে, ২০১৬
সানিংডেল, কেপ টাউন, ওয়েস্টার্ন কেপ, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২০৩)
৭ জুলাই ১৯৬০ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১৮ আগস্ট ১৯৬০ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৫৪
রানের সংখ্যা ২৬ ১০৩৯
ব্যাটিং গড় ৬.৫০ ১৫.৭৪
১০০/৫০ ০/০ ০/২
সর্বোচ্চ রান ১২ ৮১*
বল করেছে ৮২৮
উইকেট ১৪৩
বোলিং গড় ৩৯.৩৩ ২৮.৩৪
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৪/৫৮ ৫/২৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ৪২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২২ জুন ২০২০

জেমস এডওয়ার্ড পথক্যারি (ইংরেজি: Jim Pothecary; জন্ম: ৬ ডিসেম্বর, ১৯৩৩ - মৃত্যু: ১১ মে, ২০১৬) কেপ প্রদেশের কেপ টাউন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১] দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬০ সালে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্স দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি মিডিয়াম বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিং করতেন জিমি পথক্যারি

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৫৪-৫৫ মৌসুম থেকে ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম পর্যন্ত জিম পথক্যারি’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। মজবুত গড়নের ডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম বোলার ছিলেন জিম পথক্যারি। পিচের উভয়দিকেই বলকে সুইং করানোয় দক্ষতা অর্জন করেন।

১৬ বছর বয়সে তিনি তার শুরুরদিকের প্রতিশ্রুতিশীলতার স্বাক্ষর রাখেন। ১৯৫০-৫১ মৌসুমে কেপ টাউনে সীপয়েন্ট ক্লাবের সদস্যরূপে ল্যান্সডনের বিপক্ষে খেলায় ২০ উইকেটের সবকটিই করায়ত্ত্ব করেন। প্রথম ইনিংসে ১০/১৮ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ১০/৩৬ পান তিনি।[২] নিচেরসারিতে ডানহাতে কার্যকর ব্যাটসম্যান হিসেবে পূর্ণাঙ্গতা আনয়ণের প্রচেষ্টা চালান ও ডানহাতে মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে ওয়েস্টার্ন প্রভিন্সের সদস্যরূপে বেশ কয়েক মৌসুম খেললেও উল্লেখযোগ্য তেমন সফলতার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। তবে, ১৯৫৯-৬০ মৌসুমে ১৪ গড়ে ২৫ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি।[৩] ফলশ্রুতিতে, ১৯৬০ সালে ইংল্যান্ড গমনার্থে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সদস্যরূপে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন জিম পথক্যারি। সবগুলো টেস্টই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন তিনি। ৭ জুলাই, ১৯৬০ তারিখে নটিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৮ আগস্ট, ১৯৬০ তারিখে ওভালে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

অংশগ্রহণকৃত তিন টেস্টে নয় উইকেট পান। সব মিলিয়ে ঐ সফরে মাত্র ৫৩ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অধিকাংশ সদস্যের ন্যায় এ সফরটি তার জন্যেও বেশ হতাশাদায়ক ছিল। দলটি তুলনামূলকভাবে দূর্বলমানের ছিল। প্রথম দুই টেস্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন ছিল। তদুপরি ফাস্ট বোলার জিওফ গ্রিফিনকে বেশ কয়েকবার বল ঢিল ছুঁড়ে মারার দায়ে অভিযোগ তোলা হয়। এরফলে, উদ্বোধনী বোলার নীল অ্যাডককের সাথে শূন্যতা পূরণ তাকে নিয়ে আসা হয় ও শেষ তিন টেস্টে বোলিং করেন। ট্রেন্ট ব্রিজে নিজস্ব প্রথম টেস্টে কোন উইকেটের সন্ধান পাননি তিনি।

তবে, ওল্ড ট্রাফোর্ডে ড্র হওয়া টেস্টে পাঁচ উইকেটের সন্ধান পেয়েছিলেন তিনি। প্রথম ইনিংসে তিনি চার উইকেট ও অ্যাডকক ছয় উইকেট নিয়ে স্বাগতিক দলকে মাত্র ১৫৫ রানে গুটিয়ে দেন। কিন্তু, দক্ষিণ আফ্রিকা দল ২৬৪ রানে এগিয়ে থেকেও জয়লাভ করতে পারেনি। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি কোন উইকেট পাননি। জিওফ পুলারকলিন কাউড্রে ২৯০ রানের উদ্বোধনী জুটিতে করেছিলেন।[৪]

অবসর[সম্পাদনা]

এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। ১৯৬৪-৬৫ মৌসুম পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

১১ মে, ২০১৬ তারিখে ৮২ বছর বয়সে কেপ টাউনের সানিংডেল এলাকায় জিম পথক্যারি’র দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Jim Pothecary"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৬ 
  2. The Cricketer, 12 May 1951, p. 160.
  3. "First-class bowling in each season by Jim Pothecary"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৫ 
  4. "South Africans in England, 1960", Wisden 1961, pp. 264–308.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]